জমিদারি করতে আসিনি: জিএম কাদের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৬ মে ২০১৯, ১৪:৩০আপডেট : ০৬ মে ২০১৯, ১৫:২৫

বক্তব্য রাখছেন জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির (জাপা) নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, আমি জমিদারি বা কর্তৃত্ব করতে আসিনি, সেবা করতে এসেছি। সবার মতামতের ভিত্তিতে দল চলবে।

সোমবার (৬ মে) পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে জাতীয় যুব সংহতির এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ’৯০-এর পর দুঃসময়ে এ দলে এসেছি, কোনও কিছু পাওয়ার লোভে নয়, দুঃসময় মোকাবিলা করতে। সেসময় আমার ভাই (এরশাদ) জেলে ছিলেন। তার মুক্তি ও দলকে সুসংগঠিত করতে এসেছিলাম। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিরোধিতা মোকাবিলা করে এমপি হয়েছি। ২০০৯ সালে মহাজোটের সরকারে দুটি মন্ত্রণালয় পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা আমার আছে।

জিএম কাদের আরও বলেন, ‘এখনও এমপি আছি এবং পাশাপাশি দলের চেয়ারম্যান আমাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়েছেন। এ পদে থেকে আমি জমিদারি বা কর্তৃত্ব করবো না। সবার মতামতের ভিত্তিতে দল চলবে। ত্যাগীদের মূল্যায়ন হবে। কেউ হুট করে এসে এখানে লাভবান হতে পারবে না।’

জাতীয় পার্টিতে বিদ্রোহ হচ্ছে কিনা, বা আবারও ভাঙনের মুখোমুখি কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, ‘কোনও বিদ্রোহ নেই। তবে কেউ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা, উপদেষ্টা নাজমা আক্তার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অধ্যাপক মাসুদা এ. বশির, রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, মহানগর দক্ষিণের জহিরুল ইসলাম রুবেল প্রমুখ।

/এএইচআর/এপিএইচ/এমএমজে/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে পাঁচ বছর মেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে ইউজিসি
উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে পাঁচ বছর মেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে ইউজিসি
ভারতের ‘ফুলিয়া টাঙাইল’ শাড়ি কী টাঙাইল থেকে যায়
ভারতের ‘ফুলিয়া টাঙাইল’ শাড়ি কী টাঙাইল থেকে যায়
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বুথ পাহারা দেওয়া সেই এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকনের পাশে জেলা প্রশাসন  
বুথ পাহারা দেওয়া সেই এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকনের পাশে জেলা প্রশাসন  
সর্বাধিক পঠিত
ভুলে চার মাস কারাভোগ, ৩০ লাখ টাকা পেলেন ভুক্তভোগী
ভুলে চার মাস কারাভোগ, ৩০ লাখ টাকা পেলেন ভুক্তভোগী
হত্যাকাণ্ডের শিকার সেই শিক্ষিকার চার সন্তান নিয়ে দিশেহারা পরিবার
হত্যাকাণ্ডের শিকার সেই শিক্ষিকার চার সন্তান নিয়ে দিশেহারা পরিবার
দিল্লিতে আন্দোলন চলা যন্তর মন্তর আসলে কী
দিল্লিতে আন্দোলন চলা যন্তর মন্তর আসলে কী
আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক
আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক
জামায়াতের আরেক নেতার পদ স্থগিত
জামায়াতের আরেক নেতার পদ স্থগিত