সংগঠনকে বিতর্কিত করতে চাইলেই ব্যবস্থা: গোলাম রাব্বানী

Send
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৩:০৪, মে ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:২৪, মে ১৭, ২০১৯

গোলাম রাব্বানী

সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনের নীতিবহির্ভূতভাবে যারা সংগঠনকে বিতর্কিত করতে চাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি একথা বলেন।

অভিযোগকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছিল। তিনি নিজের পছন্দমতো যাচাই-বাছাই করে এই কমিটি দিয়েছেন। এ ধরনের অভিযোগের মাধ্যমে তারা (পদবঞ্চিতরা) প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তারা চাচ্ছে আপা যেন ব্যর্থ হয়।'
পদবঞ্চিতরা সরাসরি তার বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ এনেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে গোলাম রাব্বানী আরও বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ মিথ্যা। সম্মেলনের আগেও এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। পরে তিনটি গোয়েন্দা সংস্থা তিন মাস সময় নিয়ে তা যাচাই-বাছাই করেছে ৷’
এর আগে সকালে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ৯৯ জনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনেন পদবঞ্চিতরা। সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্বাহী সংসদ থেকে শুরু করে সবাইকে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়। এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এসব অভিযোগ যারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় করছে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেত্রীকে আমরা এ বিষয়ে জানিয়েছি। তিনিও এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থানে আছেন ৷ প্রয়োজনে যারা এসব অভিযোগ করছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'
তিনি বলেন, 'আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তারা এখন করছে, তা এতদিন করেনি কেন? এর জন্য অভিযোগকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে ৷ কোন স্বার্থে, কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে তারা এসব কথা বলছে। কার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আছে তা আমরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানতে চাই না। আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে হবে। তারপর খতিয়ে দেখে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবো।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীসহ অনেকের বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ আনার পরিপ্রেক্ষিতে রাব্বানী ‘ধৃষ্টতা প্রদর্শন’ উল্লেখ করে বলেন, 'তারা এটা করছে কারণ তারা (একটি) সিন্ডিকেটের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। এই সিন্ডিকেট গত তিনটি কমিটিকে তাদের বাপের সম্পত্তির মতো করে চালিয়েছে। তারা ছাত্রলীগকে নিজস্ব সম্পত্তি মনে করে এমপি-মন্ত্রীদের সাথে দেনদরবার করে কমিটি দিতো। এখন তা বন্ধ হয়ে গেছে, এখন তাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। এই আশঙ্কায় তারা ধৃষ্টতা প্রদর্শন করছে।'

/ইউআই/এসএসএ/এমওএফ/

লাইভ

টপ