আর কত হত্যা হলে পরিস্থিতি অবনতি বলা যাবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন জামায়াত সেক্রেটারির

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:২৩, জুন ২৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১৪, জুন ২৮, ২০১৯





জামায়াত সেক্রেটারি ডা. শফিকুর রহমান, ছবি: বিবিসিস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান। ‘রিফাত হত্যা মানেই আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয়’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশবাসী অত্যন্ত উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ করছে, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হওয়া সত্ত্বেও সরকারের টনক নড়ছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দেশবাসীর প্রশ্ন— তাহলে আর কত হত্যাকাণ্ড ঘটলে তাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বলা যাবে?’

শুক্রবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকারের পূর্ণশক্তি বিরোধী দল দমনে নিয়োজিত হওয়ার কারণে সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে দুর্বৃত্তরা চরম বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সামাজিক অবক্ষয় আজকে আইয়্যামে জাহেলিয়াতকে লজ্জা দিচ্ছে।’
জামায়াত নেতা বলেন, ‘ফেনীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত, ঠাকুরগাঁওয়ের নার্স তানজিলা আক্তার, কিশোরগঞ্জের নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়া, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নারী ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার এবং সিরাজগঞ্জে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও তার মাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনার পর বরগুনার রিফাত শরীফের নৃশংস হত্যা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে অক্সফোর্ড হাইস্কুলের একজন শিক্ষকের ২০ ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশবাসী উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ করছে, দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর হত্যা ঘটেই যাচ্ছে। হত্যা বন্ধ করতে হলে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশকে বের করে নিয়ে আসতে হবে। হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার কার্যকর না হওয়ায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটে চলেছে।’
বিবৃতিতে জামায়াত নেতা অভিযোগ করেন, ‘তদন্ত করে দেখা গেছে, বিভিন্ন হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে সরকারের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসীরাই জড়িত। বরগুনায় নিহত যুবক ও তার হত্যাকারীরা সবাই ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগ ঘরানার লোক। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসীদের মদতদান বন্ধ করতে হবে। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে।’ 

/এসটিএস/এপিএইচ/এমওএফ/

লাইভ

টপ