ঢাবি ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত হয়নি: ছাত্রদল

Send
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৪:৫৬, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৫৪, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলনতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল ক্যাম্পাসে আসেন। নেতাকর্মীসহ বেলা ১১টার দিকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে প্রবেশ করেন। প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত হয়নি অভিযোগ করে বের হয়ে যান তারা।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর ‘খালেদা...জিয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। মিছিল নিয়ে তারা মধুর ক্যান্টিনে প্রবেশ করেন। এ সময় ছাত্রলীগের শত শত নেতাকর্মীরাও সেখানে ভিড় করেন। তারাও স্লোগান দেন। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মধুর ক্যান্টিন।

ছাত্রদল ক্যাম্পাসে প্রবেশের আগে থেকেই ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত ছিলেন। মধুর ক্যান্টিনে প্রবেশ করে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল লেখক ভট্টাচার্যের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় মধুর ক্যান্টিনের ভেতর উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার পক্ষে-বিপক্ষে স্লোগান দেন।

প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর নেতাকর্মীদের নিয়ে মধুর ক্যান্টিন ছেড়ে যান ছাত্রদলের নতুন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। এসময় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম মধুর ক্যান্টিনে এসেছি। কিন্তু ছাত্রলীগ আমাদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করেনি। তারা উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়েছেন। আমরা বলবো, ক্যাম্পাসে এখনও সহাবস্থান নিশ্চিত হয়নি।’

বিশ্ববিদ্যায় নিয়ে ছাত্রদলের পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সব সময় পাশে থাকবে ছাত্রদল। আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে—বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যকর সহাবস্থান ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করা।’

ছাত্রদলের অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তারা যে অভিযোগ করেছে তা সত্য নয়। ছাত্রদলের নেতারা আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসলে আমরা তাদের বলেছি, জিন্দাবাদের স্লোগান বন্ধ করতে।’

 

/আইএ/

লাইভ

টপ