Vision  ad on bangla Tribune

খালেদার নির্দেশনা এলেই বিএনপির প্রতিক্রিয়া!

সালমান তারেক শাকিল।।২০:৪৫, নভেম্বর ১৮, ২০১৫

খালেদা-সাকাসালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায় বহালের বিষয়ে এখনও মুখ খুলছে না বিএনপি। বুধবার সকালে আপিল বিভাগের রায় বহাল থাকলেও আজ সন্ধ্যা অবধি কোনও অবস্থান ব্যক্ত করেনি দলটি। তবে দলের লন্ডন সফররত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্দেশনা এলেই প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি। সেক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার হরতাল থাকায় পরদিন শুক্রবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সাকার রায় নিয়ে কথা বলবেন মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন। দলটির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য, উপদেষ্টা কাউন্সিলের তিন সদস্য এবং নির্বাহী কমিটির দুই নেতার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বুধবার সকালে বিএনপির জোটসঙ্গী জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় বহাল থাকলে বৃহস্পতিবার হরতালের ডাক দেয় দলটি। পাশাপাশি দেশের কিছু স্থানে বিক্ষোভ করে জামায়াত। তবে সারাদিনে বিএনপি কোনও প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ করেনি। সকালে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন।

এ বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকারকে ফোন করা হলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার ভাষ্য, আজ রায় হলো, যাক কদিন, পরে বলব। তিনি সাকা চৌধুরীর প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। যদিও তাকে ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।

মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর সাকার বিরুদ্ধে রায়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল তার দল বিএনপি। পাশাপাশি বিক্ষোভও করেছিল দলটি। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২৯ জুলাই আপিল বিভাগের রায়ের পর মুখ খুলেছিলেন বিএনপি মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন। তিনি বলেছিলেন, সালাউদ্দিনকে ‘অন্যায়ভাবে’ মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে বলে মনে করে বিএনপি। মিস্টার চৌধুরী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। রিভিউতে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে তারা আশা করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খালেদা জিয়ার একজন উপদেষ্টা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আমি যে কথা বলেছি, সেটিও সংবাদে উল্লেখ করার প্রয়োজন নাই। এরপর সাকা চৌধুরীর রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা সত্যি যে, এখন পর্যন্ত দলীয় কোনও সিদ্ধান্ত আমি জানি না। দলের অবস্থান কী হবে সেটিও আমি জানি না।

এরপর স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহকে ফোন করা হলে তিনিও ফোন ধরেননি। সাধারণত স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমানকে পাওয়া গেলেও আজ তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

কথা বলতে রাজি হননি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদও। তিনি বলেন, দলের অবস্থান আগে দেখা যাক। এরপর কথা বলা যাবে।

বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্বে আছেন এমন এক নেতা বলেন, ম্যাডামের নির্দেশ আসেনি বলেই আজ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। রায়ের পর ইন্টারনেটসহ যোগাযোগ মাধ্যমেও সমস্যা ছিল। এখন অপেক্ষা করা হচ্ছে ম্যাডামের নির্দেশনার।

এ বিষয়ে দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুজন নেতাকে ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

এর আগে বুধবার দুপুরে বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার আলোচনা সভার ডাক দিয়ে মেইল করেছিল। যদিও জামায়াতের হরতালের ঘোষণার পর সভা বাতিল করে বিএনপি। পরবর্তী তারিখ পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন দফতরের সহ-সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি।

/এসটিএস/এএইচ/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ