behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

দণ্ড কার্যকরের পর নির্ভার আ. লীগ

পাভেল হায়দার চৌধুরী।।১৫:৪৩, নভেম্বর ২২, ২০১৫

সাকা-মুজাহিদমানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের পর নিজেদের নির্ভার মনে করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ফাঁসি কার্যকর করার পর জনমনে নানান ধোঁয়াশা থাকলেও সরকারি দলের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘এভরিথিং ইজ আন্ডার কন্ট্রোল।’ দণ্ড কার্যকর নিয়ে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার সুযোগ নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের এক মন্ত্রী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত ও চাপ ছিল যাতে শীর্ষ দুই অপরাধীর দণ্ড কার্যকর করতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে সাকা ও মুজাহিদের পরিবার অপরাধীদের বাঁচানোর সর্বশেষ ধাপ রাষ্ট্রপতির কাছে পর্যন্ত প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন। তবে রায় কার্যকর সরকারের জন্যে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন।’

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একজন মন্ত্রী জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশ থেকে ফিরে আসার ঘটনাও একটি ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল। একটি ‘মুভমেন্টের’ আশায় তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু সরকারের কড়া সতর্কতা ও নজরদারিতে সেই সুযোগ হয়নি তার। 

দণ্ড কার্যকরের পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘দণ্ড কার্যকরের মধ্য দিয়ে বাঙালি আনন্দিত। কারণ এটা নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষায় ছিল তারা। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার কোনও কারণ নেই। তবু আমরা সতর্ক আছি।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল আলম লেনিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুই শীর্ষ অপরাধী সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের সর্বোচ্চ দণ্ড কার্যকরে সবার ভেতর স্বস্তি এসেছে। স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী সংগঠন আওয়ামী লীগও এখন এখন নির্ভার।’

তিনি বলেন, সাকা ও মুজাহিদ অপরাধ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ায় জনমনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল তারা বেঁচে যান কিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সময়োচিত সিদ্ধান্ত সেই আশঙ্কা দূর করেছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করা ও রায় বাস্তবায়ন ঠেকাতে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ষড়যন্ত্র ভীষণভাবে কাজ করেছে। কিন্তু শেখ হাসিনা সব উপেক্ষা করে তার লক্ষ্যে পৌঁছেছেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেন, একেকজন যুদ্ধাপরাধীর দণ্ড কার্যকরের মধ্য দিয়ে একটু একটু করে নির্ভার হতে চলেছে দল ও সরকার। কারণ এটি এ সরকারের জাতির কাছে দেওয়া ওয়াদা ছিল।

হানিফ বলেন, সাকা-মুজাহিদের রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণ হয়েছে কোনও নৈরাজ্য-সন্ত্রাস-চক্রান্ত ও চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকানো যাবে না।

/এসটি/এফএ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ