behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

পৌরনির্বাচন নিয়ে মনিটরিং সেল গঠন করবে বিএনপি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট২৩:৩২, ডিসেম্বর ১১, ২০১৫

BNP Comiti meetingআসন্ন ডিসেম্বরে পৌরসভা নির্বাচন মনিটরিং করতে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো দলীয় ব্যানারে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে দেশের সবকটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা স্তরেও মনিটরিং সেল গঠন করার কথা জানিয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার রাতে স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে রাত সোয়া দশটার দিকে সাংবাদিকদের কাছে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর আগে রাত পৌনে নয়টার দিকে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু হয়। এতে স্থায়ী কমিটির ১৯ সদস্যের মধ্যে ৯ জন উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আব্দুল মঈন খান, বাবু গয়েশ্বর রায় চৌধুরী।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এই সভা মনে করেছে পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। এরপরও গণতন্ত্রের স্বার্থে, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি চায় পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু হোক।

মির্জা ফখরুল পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের চাপ, ভয় ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন সরকারের বিরুদ্ধে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, সরকারি দলের লোকেরাই এসব কাজ করছে।

বৈঠক প্রসঙ্গে স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে.(অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে আলোচনাই মুখ্য ছিল। বৈঠকে স্থায়ী কমিটির প্রত্যেক সদস্যরাই বক্তব্য রেখেছেন।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কোনও প্রসঙ্গ উঠেনি। যদিও বিগত মাসে অনুষ্ঠিত ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে সাকা ও মুজাহিদ প্রসঙ্গ টেনেছিলেন জোটের কয়েক নেতা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল জানান, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে তাদের নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে নামানোর আহ্বান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আহ্বান জানিয়েছি। তারা নিরপেক্ষ হলেই হবে।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনাও করা হয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। বলা হয়, ৫০ লাখ নতুন ভোটারদের ভোট বঞ্চিত করতেই তড়িঘড়ি করে তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি।

পাশাপাশি মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, নির্বাচনি বিধি প্রনয়ণ করার বেলায় সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করা হলেও এবার করা হয়নি। অত্যন্ত তড়িঘড়ি করা হয়েছে। এটিও স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সঙ্গে আলোচিত হয়। তিনি জানান, ইসির ১৬টি বিধি প্রশ্নবিদ্ধ।

বৈঠক শেষে ব্রিফকালে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে এময় যুগ্ম-মহাসচিব মুহাম্মদ শাহজাহান, শিরিন সুলতানা, শামসুদ্দিন দিদারসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তফসিল ঘোষণার পরই শুধু ৫ হাজারের মতো নেতাকর্মী গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচনি লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হলে এদের মুক্তি দিতে হবে।

তিনি বলেন, এসব বন্ধ না হলে কোনওমতেই লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না। পাশাপাশি কারাগারে থাকা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এমকে আনোয়ারের মুক্তি দাবি করেন ফখরুল।

/এসটিএস/এএইচ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ