Vision  ad on bangla Tribune

আগেই নেতৃত্ব নির্বাচন, নেই প্রচারণাওবিএনপির কাউন্সিল নিয়ে মানুষের আগ্রহ কম

সালমান তারেক শাকিল০২:৫৩, মার্চ ১৯, ২০১৬




দলীয় সূত্রে জানা যায়,শীর্ষ দু’টি পদের বাইরে মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রায় নির্ধারিত থাকায় এ পদ নিয়েও আলোচনা নেই। এড়া অতিরিক্ত মহাসচিব, দুই মহাসচিবসহ বিভিন্ন পদ নিয়ে আলোচনা থাকলেও বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয় আলোচনাতেই ছিল না। এর বাইরে স্থায়ী কমিটির বৃদ্ধি না হয়ে শূন্যস্থান পূরণ করার কারণেও খুব একটা আগ্রহ বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নেই। তবে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। কাউন্সিল হচ্ছে,এটি বড় আগ্রহের বিষয়।
তবে অন্তত দেখানোর জন্য হলেও এই দু’টি পদে নির্বাচনের প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন লেখক সাইমুম সাদী। তিনি বলেন,বিএনপি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া হবে না,এমন সত্য থাকলেও যেহেতু গণতান্ত্রিক পরিবেশের কথা বলে,গণতন্ত্র দাবি করে,সে কারণে শীর্ষ দুই পদে নির্বাচন হলে মানুষের আগ্রহ থাকত।
খিলগাঁও রেলস্টেশনের পাশের চায়ে স্টলে বসে গল্প করছিলেন বিক্রেতা আবদুল আলিম,রিক্সা ড্রাইভার সিদ্দিক আহমদ,গ্যারেজ নিরাপত্তারক্ষী আবু সুফিয়ান।বিএনপির কাউন্সিল নিয়ে জানতে চাইলে,তাদের বক্তব্যে অনেকটাই গাছাড়াভাব লক্ষ্যকরা যায়। অনেকটা রাজনীতি নিয়েই উদাসীনতা তাদের। তাদের কথা প্রায় এমন ছিল,‘ভাই,পেটের রাজনীতিই তো শেষ হয় না। বিএনপির কি খবর নিমু।’
জবির আরেক শিক্ষার্থী গোলাম রব্বানী বলেন, বিএনপির কাউন্সিলে সৎ ও যোগ্য নেতারা নেতৃত্ব পাবে সে আশা করছি। তা হলে দলটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। অন্যথায় আরও পিছিয়ে যাবে।
তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ বলেন, গণমাধ্যমের খবর পড়ে জেনেছি দলের নেতৃত্ব ইতোমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে। তাহলে লোক দেখানো কাউন্সিল করে কি লাভ? কাউন্সিলরদের মতামত অনুযায়ীই নেতৃত্ব ঠিক করা উচিত।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী বাবুল আফ্রাদ বলেন, গত ২৭ বছরে বিএনপির মাত্র ৬ষ্ঠ কাউন্সিল হচ্ছে। এটি গণতান্ত্রিক চর্চা না। একটি বড় রাজনৈতিক দলের কাউন্সিল নিয়মিত হবে, এটিই প্রত্যাশিত।

লাইভ

টপ