বিএনপির কাউন্সিলের ফলাফল শূন্য!

Send
সালমান তারেক শাকিল ও সাদিকুর রহমান
প্রকাশিত : ০৭:৩২, মার্চ ২০, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪৯, মার্চ ২০, ২০১৬


সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০টা, টানা ১২ ঘণ্টা। শনিবার বিএনপির কাউন্সিলে আগত ডেলিগেট, কাউন্সিলর, নেতাকর্মীরা পুরোটা সময়জুড়েই ছিলেন উচ্ছ্বসিত, আন্দোলিত। দ্বিতীয় পর্বে মূল অধিবেশনে কাউন্সিলরা দলের সমালোচনা করতে পেরে অনেকটাই মর্যাদাবান ভাবছিলেন নিজেদের। দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে দলের নেতাদের সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে হাততালিও পেয়েছেন অনেক কাউন্সিলর। সকালে প্রথম সেশনের পর বাংলা ট্রিবিউনকে অনেক কাউন্সিলরই জানিয়েছিলেন, তারা তিনটি পদে নির্বাচিতদের দেখতে এসেছেন। বিশেষ করে দলীয় মহাসচিব পদটি দীর্ঘ ৬ বছরের বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত হওয়ায় এ পদটি ভারমুক্ত হচ্ছে, এমনটিই বিশ্বাস ছিল তাদের।
তবে, টানা ১২ ঘণ্টা পর যখন সমাপনী বক্তব্য দিতে গিয়ে খালেদা জিয়া মহাসচিব হিসেবে কাউকে পদায়ন করেননি, এরপরই তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে হতাশা। সমাপনী বক্তব্যের পরই কাউন্সিলরদের কেউ-কেউ বলছিলেন, কোনও ফল ছাড়াই শেষ হলো বিএনপির ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল।
কাউন্সিলে মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুলের নাম প্রস্তাব করেছেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ, জয়পুরহাটের মোতাহার আলী প্রধান, গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ সভাপতি হুমায়ুন কবির নান্নু, বিলকিস শিরীন, রাঙামাটি সদরে বিএনপির নেতা মামুনুর রশীদ। তাদের প্রত্যেকেই প্রস্তাব করেছেন, মহাসচিব পদটি আর কতদিন ঝুলিয়ে রাখা হবে। বিএনপির মতো একটি বড় দল ৬ বছরের বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলতে পারে না। তাদের প্রত্যেকের বক্তব্যের সময়েই কাউন্সিলে ঠিক-ঠিক বলে রব উঠে। যদিও খালেদা জিয়া শেষ পর্যন্ত মহাসচিব পদে কাউকে মনোনয়ন দেননি।
বিষয়টি নিয়ে অনেকটা হতাশাই কাজ করেছে কাউন্সিলরদের মধ্যে। কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন বলেন, তিনটি পদের বিষয়ে আমরা আগে থেকেই জেনেছি। চেয়ারপারসন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও মহাসচিব। আজকে কণ্ঠভোটেই মহাসচিব নির্বাচন করার কথা ছিল। কিন্তু কেন যে ঘোষণা হয়নি জানি না।

লাইভ

টপ