মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট২৩:৩৭, মার্চ ২৫, ২০১৬

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরমুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতার যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তাকে অস্বীকার করছে। তাতে কিছু আসে যায় না। ইতিহাস তাকে (জিয়াউর রহমান) ধারণ করেছে। এদেশের মানুষের হৃদয়ে গেঁথে গেছে। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইনঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
জাতীয় ঐক্যর আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তারপর পরিপ্রেক্ষিতে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলি। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের।  তারা ঘোষণা না দিয়ে পালিয়ে গেলেন। তখন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন।  এ সত্য কথা বলায় শফিউল্লাহকে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাসিত করা হয়েছে। তবে সত্য ধ্রুব তারার মতো সত্য। সত্যকে কখনও আড়াল করা যায় না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ৪৫ বছর পরে দেশ ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে পড়েছে। দেশের মানুষ তাদের জীবন নিয়ে শংকিত। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানুষ যেমন ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তেমনি এখন মানুষ পালিয়ে বেড়াচ্ছে। অথচ গণতন্ত্র ঘনতন্ত্র নিয়ে খেলা হচ্ছে। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রহসনের নির্বাচনের আগে ইসি বললেন, প্রশাসন কাছ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছি না। তারপর নির্বাচনে ২২জন লোকের প্রানহানি হলো। জনগণের ভোট কেড়ে নেওয়া হলো। অথচ ইসি নির্লজ্জভাবে বললেন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।   

আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্তায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, মহিলা দলের সভানেত্রী নূরী আরা সাফা, স্বেচ্ছাসেবক সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনির হোসেন, দলের ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান।

এছাড়া, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মাহ ইবরাহিম বীর প্রতীক বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া, দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান. সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন সহ-তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য আজিজুল বারী  হেলাল  প্রমুখ।

/এসটিএস/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ