স্যামুয়েলসের কাছেই হারলো খুলনা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৭:১৮, ডিসেম্বর ০২, ২০১৬

ম্যারলন স্যামুয়েলসের নিয়ন্ত্রিত আগ্রাসনের কাছে হেরে গেলো খুলনা টাইটানস। কুমিল্লার জয়ের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল ১৪২। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে অপরাজিত ৬৯ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ১৮.৪ ওভারে পাঁচ উইকেটে  জয় পাইয়ে দেন স্যামুয়েলস। পাঁচ উইকেটে ম্যাচ জিতে বিপিএলে টানা তৃতীয় জয় উদযাপন করলো কুমিল্লা। 

স্যামুয়েলসের কাছেই হারলো খুলনা লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লা ওপেনার আহমেদ শেহজাদকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন জুনায়েদ খান। মিডঅফে বলটি লুফে নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। তবে অপর ওপেনার ইমরুল কায়েস দেখেশুনেই খেলছিলেন, ম্যারলন স্যামুয়েলসের সঙ্গে তিনি গড়েন ৫০ রানের জুটি।  এই জুটিকে টিকতে দেননি শফিউল ইসলাম। তার বলে ডাউন দ্য উইকেট এসে মারতে গিয়ে  শুভাগত হোমের হাতে ক্যাচে দেন ২০ বলে ২০ রান করা ইমরুল।

ইমরুল কায়েসের বিদায়ের পর খালিদ লতিফকে তিন রানে কট বিহাইন্ড করেন মোশাররফ রুবেল। যদিও এরপরেই ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে কুমিল্লা। খুলনার হাত থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বের করতে তাদের বোলারদের আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন মাশরাফি। মাঠে নেমেই শুরু করেন মার। তিনটি ছক্কায় ২১ বলে ২০ রান করে দলের রানের চাকায় দিয়ে যান বাড়তি গতি। নেট রান রেট বাড়ানোর কাজটি সেরে তবেই সাজঘরে ফেরেন কুমিল্লা অধিনায়ক।

অধিনায়ক মাশরাফিকে অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। পারেননি, পাঁচ রানে বিদায় নেন তিনি।

এক প্রান্তে যখন নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ছে তখন অন্য প্রান্তে কুমিল্লার আস্থার প্রতীক ছিলেন ম্যারলন স্যামুয়েলস। খুলনা বোলারদের তিনি কোনও প্রভাব বিস্তার করতে দেননি। সঙ্গে বাড়তি কোনও ঝুঁকিও নেননি। স্বভাব সুলভ ঠাণ্ডা মাথায় মোকাবেলা করে গেছেন খুলনার যাবতীয় কৌশলের। 

শেষ দিকে অবশ্য লিটন দাসের মাঝে যোগ্য সঙ্গী পেয়ে যান। লিটন ছিলেন মারমুখী মেজাজে। ১১ বলে পাঁচটি চারে ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। তবে জয়ের নায়ক হন স্যামুয়েলসই। ৫৭ বলে আটটি চারে ৬৯ রান করে তিনি ফেরেন সাজঘরে। সঙ্গে সতীর্থদের রাজকীয় অভিনন্দনেও সিক্ত হতে থাকেন।

/আরএম/এফআইআর/

লাইভ

টপ