প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে আশাবাদী শেখ রাসেল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:০৫, জানুয়ারি ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৫৪, জানুয়ারি ১২, ২০১৯

আগামী ১৮ জানুয়ারি শুরু হবে প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ। ১৩ দলের এবারের প্রতিযোগিতায় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। লিগ শুরুর আগে দলগুলোর প্রস্তুতি কেমন, কী তাদের প্রত্যাশা, আর তা পূরণে লক্ষ্যই বা কী- তা নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের এই ধারাবাহিক আয়োজন। আজ থাকছে গত আসরে ষষ্ঠ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে নিয়ে-

শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র২০১২-১৩ মৌসুম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের ইতিহাসে। সেবার ফেডারেশন কাপ, স্বাধীনতা কাপ ও প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ‘ট্রেবল’ জিতেছিল তারা। তবে এরপর আর সাফল্য ধরা দেয়নি, শিরোপা উৎসবেও মেতে ওঠেনি শেখ রাসেল।

অতীতের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে এবারের লিগে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নীল-সাদা জার্সিধারীদের। কোচ সাইফুল বারী টিটুর অধীনে আশায় বুক বেঁধেছে দলটি। মৌসুমের প্রথম দুই টুর্নামেন্টে ভালোই পারফরম্যান্স শেখ রাসেলের। ফেডারেশন কাপে সেমিফাইনালে ওঠার পর স্বাধীনতা কাপে রানার্স-আপ হয়েছে।

শিরোপার মধুর স্বাদ না পেলেও শিষ্যদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট টিটু, ‘মৌসুমের প্রথম দুই টুর্নামেন্টে আমরা খারাপ করিনি। লড়াই করে শেষের দিকে হার মেনেছি।’ লিগে ‘ম্যাচ বাই ম্যাচ’ এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য শেখ রাসেল কোচের, ‘প্রত্যেক ম্যাচে মনোযোগ ধরে রেখে মাঠে নামতে হবে আমাদের। মনোযোগ ধরে রাখার ওপরেই সাফল্য নির্ভর করছে। আশা করি, লিগে ভালো করতে পারবো।’

তবে সেট পিস বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ইনজুরি দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে কোচকে, ‘আবদুল্লাহ ইনজুরিতে পড়ায় ফ্রি-কিক বা কর্নার নেওয়ার মতো দক্ষ কেউ নেই। আমাদের দলে কয়েকজন লম্বা খেলোয়াড় থাকলেও সেট পিসের সুবিধা নিতে পারছি না।

দলের আক্রমণভাগ নিয়েও চিন্তিত টিটু, ‘আমাদের দলের একটি দিক ভালো, আমাদের ডিফেন্স জমাট। তবে ফরোয়ার্ডদের আরও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে, গোল করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এবার ঢাকা আবাহনী ও বসুন্ধরা কিংস খুব শক্তিশালী দল। অবশ্য তাদের সঙ্গে আমাদের শক্তির পার্থক্য কমই।’

টিটুর দলে এবার নতুনদের ছড়াছড়ি। গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা, ডিফেন্ডার আরিফুল ইসলাম, ইয়াছিন খান, বিশ্বনাথ ঘোষ, ইয়ামিন মুন্না, ফরোয়ার্ড বিপলু আহমেদ সহ ১৭ জন খুঁজে নিয়েছেন শেখ রাসেলের ঠিকানা। তবে চলে গেছেন জাতীয় দলের সাবেক ডিফেন্ডার আতিকুর রহমান মিশু।

রাফায়েল ওদোয়িন এবারও জ্বলে উঠলে দূর হবে কোচের দুশ্চিন্তা। গতবার শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে ১৫ গোল করেছিলেন এই নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড। শেখ রাসেলের অন্য তিন বিদেশি নাইজেরিয়ার ডিফেন্ডার আলিসন উদোকা, উজবেক ফরোয়ার্ড আজিজভ আলিসের এবং ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড আলেক্স রাফায়েল দা সিলভা।

লিগে ভালো করতে আশাবাদী অধিনায়ক আশরাফুল ইসলাম রানা। জাতীয় দলের  গোলকিপার বললেন, ‘এবার আমাদের দলটা বেশ ভালো হয়েছে। লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সামর্থ্য আছে আমাদের। অবশ্য এবারের লিগ অনেক কঠিন হবে।’

স্থানীয় খেলোয়াড়: আশরাফুল ইসলাম রানা, আরিফুল ইসলাম, রাশেদুল আলম মনি, ইয়াসিন খান, উত্তম কুমার বণিক, খালেকুরজামান, সোহেল রানা (মিডফিল্ডার), বিপলু আহমেদ, সোহেল রানা (ডিফেন্ডার), নাহিদুল ইসলাম নাহিদ, তরিকুল ইসলাম, ইয়ামিন আহমেদ চৌধুরী, ফজলে রাব্বি, রুমন হোসেন, আমিনুর রহমান সজীব, শাহেদুল আলম, মামুন খান, মোহাম্মদ ইলিয়াস, বিশ্বনাথ ঘোষ, সবুজ দাশ রঘু, মেজবাহউদ্দিন, সাজিদুর রহমান, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, জামাল হোসেন, ফরহাদুজ্জামান বাবু ও সৈকত মাহমুদ মুন্না।

বিদেশি খেলোয়াড়: রাফায়েল ওদোয়িন, আলিসন উদোকা, আজিজভ আলিসের ও আলেক্স রাফায়েল দা সিলভা।

/টিএ/এএআর/

লাইভ

টপ