এএফসি কাপে দারুণ জয় আবাহনীর

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:০৯, জুন ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:২৬, জুন ১৯, ২০১৯

৫ আঙুল তুলে ৫ গোলের জয় উদযাপনপ্রথমবারের মতো এএফসি কাপের নক আউট পর্বে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল ঢাকা আবাহনীর। বুধবার নেপালের মানাং মার্সিয়াংদিকে দাঁড়াতেই দেয়নি প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা, হেসেখেলে জিতেছে ৫-০ গোলে।

এশিয়ার অন্যতম সেরা ক্লাব টুর্নামেন্টের ‘ই’ গ্রুপে আবাহনী এখন শীর্ষস্থানে। ৫ ম্যাচ থেকে আকাশি-হলুদ জার্সিধারীদের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। একই দিনে ১-১ গোলে ড্র করেছে ভারতের দুই দল চেন্নাইয়ান এফসি ও মিনার্ভা পাঞ্জাব। ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে চেন্নাইয়ান। মিনার্ভার ৫ এবং মার্সিয়াংদির মাত্র ২ পয়েন্ট।

২৬ জুন আবাহনী-মিনার্ভা এবং চেন্নাইয়ান-মার্সিয়াংদি ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে গ্রুপের ভাগ্য। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সরাসরি নক আউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। সেদিন জিতলে তো কথাই নেই, এমনকি ড্র করলেও শ্রেয়তর গোল গড়ে গ্রুপ সেরা হতে পারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক আবাহনী এগিয়ে যায় ১২ মিনিটে। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার শহীদ আজিজের কাছ থেকে বল কেড়ে, বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরোয়ার্ড নাবীব নেওয়াজ জীবন।

বিরতির ঠিক আগে মাঝমাঠে বল পেয়ে, একক প্রচেষ্টায় তিন ডিফেন্ডার এবং গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে দ্বিতীয় গোল করেন হাইতির ফরোয়ার্ড কেরভেন্স বেলফোর্ট।

দ্বিতীয়ার্ধেও আবাহনীর আক্রমণে ভাটা পড়েনি। ৬৩ মিনিটে মিডফিল্ডার সোহেল রানার কাটব্যাক থেকে ফরোয়ার্ড জুয়েল রানার প্লেসিং শটে ব্যবধান হয় ৩-০। ৭ মিনিট পর বেলফোর্টের ক্রস থেকে নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডে চিজোবার হেড বাধা পায় ক্রস বারে। তবে ৭৫ মিনিটে বক্সের ভেতর বল পেয়ে গোল করতে ভুল হয়নি সানডের। ইনজুরি সময়ে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে ম্যাচের শেষ গোলদাতা অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলাম।

জয় পেয়ে স্বভাবতই খুশি আবাহনীর কোচ মারিও লেমস, ‘আমরা ম্যাচের শুরু থেকে এগিয়ে ছিলাম। প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগ দেইনি। আগেই বলেছিলাম, ওরা ঘাসের মাঠে সুবিধা করতে পারবে না। তাই হয়েছে। তবে আমাদের গোল ব্যবধান আরও বেশি হতে পারতো। স্কোরলাইন ৮-০ হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকতো না। তবে যা হয়েছে তাতে আমি খুশি। সম্মিলিত পারফরম্যান্সেই জয় এসেছে। এই জয়ে আমরা গ্রুপের শীর্ষে। এখন শেষ ম্যাচটি জিতে নক আউট মিশনে যেতে চাই।’

একবার লক্ষ্যভেদ করা সানডে চিজোবার কাছে এই জয় সামনের ম্যাচের অনুপ্রেরণা, ‘আমি নিজেই ৩ গোল পেতে পারতাম। কিন্তু একটির বেশি পাইনি। তারপরও বড় জয়ের পর অনেক ভালো লাগছে। এই জয় সামনের ম্যাচে খেলতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

আবাহনী: শহীদুল আলম সোহেল, রায়হান হাসান, টুটুল হোসেন বাদশা, মামুনুল ইসলাম, সোহেল রানা (মামুন মিয়া), নাবীব নেওয়াজ জীবন, সানডে চিজোবা, জুয়েল রানা, সাদউদ্দিন (মামুন মিয়া), মাসিহ সাইগানি (ওয়ালি ফয়সাল) ও কেরভেন্স বেলফোর্ট।

/টিএ/এএআর/

লাইভ

টপ