ভারতের কাছে হেরে ‘আত্মহত্যা’ করতে চেয়েছিলেন পাকিস্তান কোচ!

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৫:৫৭, জুন ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২২, জুন ২৫, ২০১৯

পাকিস্তান কোচ মিকি আর্থারক্রিকেট ম্যাচের চেয়েও বড় কিছু ভারত-পাকিস্তানের লড়াই। রাজনৈতিক টানাপোড়েন প্রতিবেশী দেশ দুটির ২২ গজের দ্বৈরথকে করেছে আরও আকর্ষণীয় ও উত্তেজনাকর। কিন্তু বিশ্বকাপ মঞ্চে পাকিস্তানের জন্য হারই সঙ্গী হয়ে আছে। এবারের আসরেও একই পরিণতি বরণ করার পর হতাশায় পাকিস্তান কোচ মিকি আর্থারের ‘আত্মহত্যা’ করার মতো অবস্থা!

রাজনৈতিক বৈরিতায় ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক লড়াই হয় না অনেকদিন। কোনও টুর্নামেন্টেই কেবল দেখা হয় তাদের। এবারের বিশ্বকাপে যখন তারা মুখোমুখি, তখন পাকিস্তানের ভক্তদের প্রত্যাশার পারদ আরও উঁচুতে ওঠে। কিন্তু তাদের ভাগ্য বদলায়নি এবারও। বিশ্ব মঞ্চে সপ্তম হারের বেদনায় নীল হয় তারা।

১৬ জুন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথডে ৮৯ রানে হেরেছে পাকিস্তান। যাতে কোচ মিকি আর্থার ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের ওপর চড়াও হয় পাকিস্তানি সমর্থকরা। তাদের সমালোচনার সঙ্গে ভারতের বিপক্ষে লজ্জাজনক হারে হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন আর্থার নিজেও। রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪৯ রানের জয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার পর সংবাদ সম্মেলনে এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ জানিয়েছেন, তিনি আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন।

তার বক্তব্য, ‘গত রবিবার (ভারতের কাছে হারের পর) আমি আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলাম। তবে কী জানেন, ওটা শুধুমাত্র এক ম্যাচের পারফরম্যান্স ছিল।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘সব কিছু এত দ্রুত ঘটে গেল। একটা ম্যাচ হারলাম, এরপরও আরও একটা ম্যাচ। বিশ্বকাপের মতো জায়গায় যেখানে মিডিয়া সবকিছু নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে, সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকে অনেক, সেখানে এমন হলে প্রচণ্ড হতাশা জন্মে।’

যদিও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে জয়ে হতাশার জায়গা অনেকটাই কেটে গেছে আর্থার ও পাকিস্তানের। সেমিফাইনালে যাওয়ার আশাও বেঁচে আছে তাদের। তবে বাকি থাকা সব ম্যাচ জিততে হবে ১৯৯২ সালের চ্যাম্পিয়নদের, একই সঙ্গে প্রার্থনায় বসতে হবে যেন অন্য দলগুলোর ফল তাদের পক্ষে থাকে।

/কেআর/

লাইভ

টপ