তিন মোড়লের আধিপত্যের অবসান?

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২:২০, জুলাই ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৪, জুলাই ২৪, ২০১৯

পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি।তিন মোড়লের আধিপত্যের জোরটাই ছিল আর্থিক সংক্রান্ত। আইসিসিকে খুব বেশি অর্থ পাইয়ে দেয় বলে এর সবচেয়ে শক্তিশালী বিভাগ অর্থ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটি ঘুরে ফিরে ভারত, ইংল্যান্ড অথবা অস্ট্রেলিয়ার দখলে থাকতো। আর সেই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে এখন আসীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এহসান মানি।

এই কমিটির মাধ্যমেই আইসিসি বিভিন্ন ইভেন্টের বাজেট প্রস্তুত ও সদস্য দেশগুলোর মাঝে লাভের অংশ বণ্টন করে থাকে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ইন্দরা নুয়ী, অমিতাভ চৌধুরী (বিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক), ক্রিস নেনজানি, ইমরান খাজা (আইসিসি ভাইস চেয়ারম্যান), আর্ল এডিংস (ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া চেয়ারম্যান), কলিন গ্রেভস (ইসিবি চেয়ারম্যান), আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর ও আইসিসি প্রধান নির্বাহী মানু সোহনি।

সাবেক আইসিসি সভাপতি মানির বেশ কিছু সাফল্য আছে আইসিসিতে। তাই তার নাম সুপারিশ করেছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান মনোহরই। অবশ্য ভারতীয় এই ব্যক্তিটির উদারনীতির কারণেই আইসিসিতে মোড়লগিরির দাপট কমতে দেখা যাচ্ছে ইদানিং।

২০১৪ সালে শ্রীনিবাসন যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের জন্য নতুন মডেল প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। আইসিসি তাদের কাছ থেকে খুব বেশি লাভবান হয় বলে তিনটি দেশ সর্বোচ্চ সংখ্যক রাজস্ব নেওয়ার দাবি করেছিল। বর্তমান চেয়ারম্যান মনোহর সেই মডেল ভেঙে দেন ২০১৭ সালে।  

এহসান মানি এর আগেও ১৯৯৬ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত এই কমিটির প্রধান ছিলেন। সে হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব বুঝে পেলেন। ডালমিয়ার সময়ে তার প্রভাবেই ভালো কিছু উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তার মধ্যে ছিল আইসিসির প্রথম ব্রডকাস্ট চুক্তি। যার মূল্যমান ছিল ৫৫০ মিলিয়ন ডলার।

এরপর মানি আইসিসির সভাপতি হয়ে দায়িত্ব পালন করেন ২০০৬ সাল পর্যন্ত। এছাড়া ২০০৭ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ইএসপিএন স্টার স্পোর্টসের কাছ থেকে আইসিসিকে ১.১ বিলিয়ন ডলারের মিডিয়া স্বত্ব পাইয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকা ছিল তার। তাই বোঝাই যাচ্ছে আর্থিকভাবে লাভবান হতেই তার কৌশল কাজে লাগাতে চাইছে আইসিসি।–ক্রিকইনফো।

 

/এফআইআর/

লাইভ

টপ