ডেঙ্গু আতঙ্কে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স ফাঁকা!

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৫৫, আগস্ট ০৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৫৮, আগস্ট ০৬, ২০১৯

মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু নিধন কর্মসূচিসুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স যেন আতঙ্কের নাম এখন। এসএ গেমসকে সামনে রেখে এখানে ক্যাম্প শুরু হলেও প্রশিক্ষণের চেয়ে ডেঙ্গু নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তায় নারী ক্রীড়াবিদরা। গত শনিবার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ডেঙ্গু নিধন কার্যক্রম চলেছিল। কিন্তু তাতে স্বস্তি পাননি খেলোয়াড়রা। ঈদের ছুটির আগেই ক্যাম্প ছেড়ে চলে গেছেন তারা। তাই মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স এখন ফাঁকা।

কাবাডি, বাস্কেটবল ও খো খো মহিলা দলের ক্যাম্প চলছে ধানমন্ডির এই কমপ্লেক্সে। কিন্তু ডেঙ্গুর ভয়ে অনুশীলন করাই মুশকিল। এখানে থাকা ৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন ডেঙ্গুতে। একজন মোটামুটি সুস্থ এখন, তবে বাকি ৮ জন এখনও হাসপাতালে।

৮ আগস্ট থেকে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরই মধ্যে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের ক্যাম্প ছেড়ে দিয়েছেন খেলোয়াড়রা।

ডেঙ্গু নিয়ে দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মেডিক্যাল কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ শফিকুর রহমানও। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘তিনটি ডিসিপ্লিনের ৮ জন ক্রীড়াবিদ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি। সবার অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা ভালো। এর মধ্যে কাবাডির মোসলেমাকে আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে নেওয়া হয়েছে। আমরা সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখছি। বিওএ’র পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

ফগার মেশিনে এডিস মশা মারার চেষ্টাখো খো মহিলা দলের কোচ সাইদুল হক জানালেন, বাধ্য হয়েই খেলোয়াড়দের ক্যাম্প ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছেন তারা, ‘কী করবো বলুন! খো খো’র ২০ জনের মধ্যে ১০ জনের জ্বর, তিন জনের আবার ডেঙ্গু। যারা হাসপাতালে ভর্তি তাদের দেখাশোনা করতে হচ্ছে। সুস্থ খেলোয়াড়দের মধ্যেও ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তাই সবাই ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ক্যাম্প ছেড়ে চলে গেছে। ঈদের পর ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি না হলে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অনুশীলন করা কঠিন হয়ে পড়বে। যদিও অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশনা থাকলে আমাদের এখানেই অনুশীলন করতে হবে।’

অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন অবশ্য ক্যাম্প স্থানান্তরের চিন্তা-ভাবনা করছে। এ বিষয়ে বিওএ’র ট্রেনিং কমিটির সদস্য সচিব এ কে সরকারের বক্তব্য, ‘আমাদের অনুমতি নিয়েই মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের ক্যাম্প ছেড়ে খেলোয়াড়রা চলে গেছেন। আশা করি, ঈদের পর ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি হবে। তবে অবস্থা একই রকম থাকলে ক্যাম্প অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হতে পারে।’

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন

/টিএ/এএআর/

লাইভ

টপ