অবসর নিলেন ইতো

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:৫৫, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:০০, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯

স্যামুয়েল ইতো৩৮ বছর বয়সে ফুটবলকে বিদায় জানালেন বার্সেলোনা ও ইন্টার মিলানের সাবেক ফরোয়ার্ড স্যামুয়েল ইতো।

তিনবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ীর শেষ ঠিকানা ছিল কাতার এসসিতে, ২০১৮ সাল থেকে ক্লাবটিতে খেলছিলেন তিনি। ৫৬ গোল করে ক্যামেরুনের শীর্ষ গোলদাতা হয়ে অবসরে গেলেন ইতো।

ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ছবি দিয়ে অবসরের ঘোষণা দেন সংক্ষিপ্ত বাক্যে, ‘শেষ, এবার নতুন কোনও চ্যালেঞ্জ। সবাইকে ধন্যবাদ, অশেষ ভালোবাসা।’

১৯৯৭ সালে ইউরোপে পাড়ি জমান ইতো, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। কিন্তু সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে থাকতেই তিনবার লেগানেস, এস্পানিওল ও রিয়াল মায়োর্কায় ধারে খেলেন। রিয়ালের সঙ্গে মাত্র তিন ম্যাচ খেলে ২০০০ সালে মায়োর্কায় স্থায়ী চুক্তি করেন তিনি।

চার বছর পর যোগ দেন বার্সেলোনায়। সেখানে বিশ্বের অন্যতম সেরা আক্রমণভাগ গড়েন রোনালদিনহোর সঙ্গে। কাতালানদের সঙ্গে টানা দুটি লা লিগা এবং ২০০৬ সালে জেতেন চ্যাম্পিয়নস লিগ, প্যারিসের ফাইনালে আর্সেনালকে ২-১ গোলে হারাতে সমতাসূচক গোল করেন তিনি।

২০০৮-০৯ মৌসুমে পেপ গার্দিওলার প্রথম বছরে বার্সার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন ইতো। ওই বছর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ২-০ তে জিততে গোল করেন তিনি। লা লিগা ও কোপা দেল রের পর এই শিরোপা জিতে প্রথম ট্রেবলের স্বাদ পান ক্যামেরুনের এই স্ট্রাইকার।

বার্সায় ট্রেবল জয়ের পর জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচকে জায়গা করে দিয়ে ইন্টারে যোগ দেন ইতো। ইতালিয়ান জায়ান্টদের সঙ্গেও জেতেন ট্রেবল। টানা দুটি ট্রেবল জয়ী প্রথম খেলোয়াড় তিনি। আর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে দুটি ভিন্ন ক্লাবে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের কৃতিত্ব গড়েন।

২০১৩-১৪ মৌসুমে চেলসিতে যোগ দেওয়ার আগে ২০১১ সালে রাশিয়ান ক্লাব আনঝি মাখাচকালায় খেলেন ইতো। প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবে চুক্তি করার দ্বিতীয় বছরের প্রথমার্ধে এভারটনে খেলে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে সাম্পদোরিয়ায় চলে যান। মৌসুমের শেষ দিকে তুর্কি ক্লাব আন্তালিয়াসপোরে চুক্তিবদ্ধ হন এবং সেখানে তিন বছর খেলে ২০১৭ সালে চলে যান কোনিয়াসপোরে। এরপর সমৃদ্ধশালী ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন কাতারে। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৭৫৯ ম্যাচ খেলে ৩৭০ গোল করেছেন ইতো।

ক্যামেরুনের জার্সিতে দুটি নেশনস কাপও জিতেছেন ইতো। ২০০০ সালে অলিম্পিক স্বর্ণও ঝুলিয়েছেন গলায়। চারবার বর্ষসেরা আফ্রিকানের মর্যাদা তাকে বানিয়েছে ক্যামেরুনের অন্যতম সেরা ফুটবলার।

/এফএইচএম/

লাইভ

টপ