৩১ বছর আগের ট্র্যাজেডি ছাপানোয় ক্ষুব্ধ স্টোকস

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ২১:৩৫, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪১, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯

বেন স্টোকসইংল্যান্ডের ট্যাবলয়েড সংবাদপত্র দ্য সান ৩১ বছর আগের এক পারিবারিক ট্র্যাজেডির ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট করায় ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বেন স্টোকস। ইংল্যান্ডের ২৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডার টুইটারে এক আবেগঘন বার্তায় ওই রিপোর্টকে ‘নীতি বিবর্জিত’ ও ‘নিষ্ঠুর’ বলেছেন।

১৯৮৮ সালে নিউজিল্যান্ডে স্টোকসের সৎ ভাই ও বোনকে হত্যা করেন তার মায়ের সাবেক সঙ্গী। স্টোকসের মা ডেবের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর নিজের ৮ বছরের ছেলে ট্রেসি ও মেয়ে চার বছরের অ্যান্ড্রুকে গুলি করে হত্যার পর আত্মহত্যা করেন রিচার্ড ডুন। এই নির্মম ঘটনা ওই সময় আলোড়ন তুলেছিল পুরো নিউজিল্যান্ডে। এর তিন বছর পর জেরার্ড স্টোকস ও ডেব দম্পতির ঘরে জন্ম নেন বেনকে। ২০০৩ সালে ১২ বছর বয়সে স্টোকস সপরিবারে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে।

তিন দশক আগের বিয়োগান্তক ওই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট করায় হতাশ ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক, ‘তিন দশকেরও বেশি সময় আগের ঘটনার ওই শোক কাটাতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে আমার পরিবারকে। এই ধরনের ব্যক্তিগত ও দুঃখজনক ঘটনা গোপন রাখতে হয়েছে অনেক সতর্কতার সঙ্গে।’

হঠাৎ করে আবার সেটা সবার সামনে তুলে ধরা ‘নীচ আর জঘন্য’ বললেন স্টোকস, ‘আজ দ্য সান একটি খুব বেদনাদায়ক, সংবেদনশীল আর একান্ত ব্যক্তিগত ঘটনা ছেপেছে যা আমাদের পরিবারে ঘটেছিল ৩১ বছর আগে। সাংবাদিকতার নামে এমন আচরণ কতটা নীচ আর জঘন্য সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যবে না। আমার পরিবারের অনুভূতি নিয়ে এমন নির্মম, নিষ্ঠুর আর ঘৃণ্য আচরণ কল্পনাও করতে পারি না।’

স্টোকসের বাবা-মার সাক্ষাৎকার নিতে রিপোর্টারকে নিউজিল্যান্ডে পাঠায় সংবাদপত্রটি। দ্য সানের একজন মুখপাত্র এনিয়ে বলেছেন, ‘বেন স্টোকস ও তার মায়ের প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ সহানুভূতি আছে, কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার যে এই রিপোর্ট লিখতে তার পরিবারের একজন বিস্তারিত তথ্য দিয়ে, ছবি দিয়ে ও নিজে ছবি তুলে সহযোগিতা করেছেন।’ তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘এই বিয়োগান্তক ঘটনা ওই সময় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন সংবাদপত্রের সামনের পাতায় প্রকাশিত হয়েছিল। বেন স্টোকসকে আমরা অনেক পছন্দ করি এবং এই মৌসুমে তার কৃতিত্বে আমরা আনন্দিত। এই রিপোর্ট ছাপানোর আগে আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম এবং কোনোভাবে তিনি কিংবা তার কোনও প্রতিনিধি আমাদের এই রিপোর্ট না ছাপাতে অনুরোধ করেননি।’ স্টান্ডার্ড, বিবিসি, ডেইলি মেইল

/এফএইচএম/

লাইভ

টপ