শুরুতেই ৩ উইকেট নেই জিম্বাবুয়ের

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৩৪, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪২, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

সাকিব আল হাসান ২ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ১৭৬ রানের টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়েকে। ৪ ওভারে ৩ উইকেটে জিম্বাবুয়ানরা করেছে ১৬ রান।
মাত্র ৮ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারে ব্রেন্ডন টেলরকে ফেরায় তারা। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে রানের খাতা না খুলে সাকিব আল হাসানকে ক্যাচ দেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পরের ওভারের তৃতীয় বলে সাকিব বোল্ড করেন রেগিস চাকাভাকে। তিনিও রান করতে ব্যর্থ হন।

প্রায় দুই বছর পর টি-টোয়েন্টিতে ফিরে প্রথম বলে উইকেট নেন শফিউল ইসলাম। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে শন উইলিয়ামসের (২) ক্যাচ নেন আফিফ হোসেন।


মাহমুদউল্লাহর ফিফটিতে বাংলাদেশের ১৭৫ রান
আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর টি-টোয়েন্টিতে হাফসেঞ্চুরি করলেন মাহমুদউল্লাহ। তার দুর্দান্ত ফিফটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ১৭৬ রানের টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়েকে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান করে স্বাগতিকরা।
প্রথমবার টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। লিটন দাসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে জুটি গড়েন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। একপ্রান্তে লিটন ঝড় তুললেও তাকে থামতে হয় দলীয় ৪৯ রানে। পঞ্চম ওভারে কাইল জার্ভিসের অফ কাটারে তাকে ফিরতি সহজ ক্যাচ দেন শান্ত। ৯ বলে ১ চারে ১১ রান করেন এই ওপেনার।
পরের ওভারে ক্রিস্টোফার এমপোফুর বলে নেভিল মাদজিভার দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরতে হয় লিটনকেও। ২২ বলে চারটি চার ও দুটি ছয়ে ৩৮ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
বিশ্বকাপের দুর্দান্ত পারফর্মার সাকিব আল হাসান এ ম্যাচেও ছিলেন বিবর্ণ। আগের দুই ম্যাচে ১ ও ১৫ রান করা বাংলাদেশ অধিনায়ক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আবারও ব্যর্থ। রায়ান বার্লের বল তুলে মারেন বাউন্ডারির দিকে, কিন্তু শটে কোনও জোর ছিল না। লং অফে শন উইলিয়ামসের সহজ ক্যাচ হন বাজে একটি শট খেলে। ৯ বলে এক চারে মাত্র ১০ রান করেন সাকিব।
২১ বলের মধ্যে ১৬ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দারুণ শুরুর পর ৬৫ রানের মধ্যে বিদায় নেন টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান।
এরপর বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিম। দুজনের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে জিম্বাবুয়েকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দেওয়ার পথ তৈরি করে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত মুশফিককে ৩২ রানে ব্রেন্ডন টেলরের ক্যাচ বানিয়ে ৭৮ রানের এই জুটি ভাঙেন টিনোটেন্ডা মুতুম্বজি। তাদের জুটি ছিল ৫৫ বলের। ২৬ বলের ইনিংসে মুশফিক তিন চার ও এক ছয় মারেন।
এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেও মাহমুদউল্লাহ ঝড় থামাননি। ১৯তম ওভারে এমপোফুর দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে ৩৭তম বলে চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি। ২০১৭ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষবার ফিফটি উদযাপন করেন মাহমুদউল্লাহ। অবশ্য প্রথম ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় আফিফ হোসেন তার সঙ্গে বড় জুটি গড়তে পারেননি। মাত্র ৭ রানে তিনি বিদায় নেন, তাদের জুটি ছিল ১৬ রানের।
ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে জার্ভিসের ফুল টসে শন উইলিয়ামসের ক্যাচ হন মাহমুদউল্লাহ। ৪১ বলে ১ চার ও ৫ ছয়ে ৬২ রান করেন তিনি। পরের বলে মোসাদ্দেক হোসেন ২ রানে রেগিস চাকাভাকে ক্যাচ দিলে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পান জার্ভিস। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি রান নিয়ে তাকে হ্যাটট্রিক বঞ্চিত করেন। শেষ বলে একটি বাউন্ডারি মারেন তিনি।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে জার্ভিস সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। দুটি পান এমপোফু।

/এফএইচএম/

লাইভ

টপ