মাশরাফিকে আত্মজীবনী লেখার পরামর্শ মাসাকাদজার

Send
রবিউল ইসলাম, চট্টগ্রাম থেকে
প্রকাশিত : ১১:০৩, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:২০, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯

২০০১ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ানের বিশ্ব রেকর্ড গড়ে। দীর্ঘ পথচলায় শুক্রবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন হ্যামিলিন্টন মাসাকাদজা। ১৯ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বহুবার বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। কখনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কখনও ঘরোয়া লিগ, কখনওবা বিপিএল খেলতে। এতবার আসা-যাওয়ার কারণে বাংলাদেশকে ‘সেকেন্ড হোম’ বলতে আপত্তি নেই তার।

শুক্রবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলে বিদায়টা বেশ ভালোভাবেই রাঙিয়ে নিয়েছেন মাসাকাদজা। শেষবারের মতো সংবাদ সম্মেলন পর্বটা হাসিমুখেই সারলেন এই ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশে মাশরাফির সঙ্গে কাটানো সময়কেই ‘সেরা স্মৃতি’ হিসেবে সামনে আনলেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের সফল ওয়ানডে অধিনায়কের অজানা অনেক কিছু জানতে মাশরাফিকে বই লেখার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

অনেকবার বাংলাদেশে আসার কারণে এখানে তার বন্ধুর সংখ্যাও অনেক। তবে মাশরাফির নাম স্মরণ করলেন বিশেষভাবে। ২০১৬ সালে কলবাগান ক্রীড়া চক্রে দুজন খেলেছিলেন একসঙ্গে। মাশরাফির কঠিন সংগ্রামের মুহূর্তগুলো মাসকাদজার অজানা নয়। এই অজানা কথা সবাইকে জানাতেই মাশরাফির আত্মজীবনী চান এই জিম্বাবুইয়েন।

সংবাদ সম্মেলনে মাসাকাদজা বলেছেন, ‘বাংলাদেশে মাশরাফির সঙ্গে খেলতে পারা আমার সব থেকে ভালো স্মৃতি। আমি মনে করি, ওর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো আমার জীবনের অন্যতম সেরা। এটাকে আমার জন্য আশীর্বাদও বলা যাবে। তার (মাশরাফি) কঠিন সময়ের কথা এখনও মানুষ জানেন না। সে কিভাবে ক্যারিয়ার সামলেছে, সেটা অনেকেরই অজানা। আমি ওকে সবসময়ই বলি, তোমার নিজেকে নিয়ে বই লেখা উচিত।’

মাশরাফির অজানা গল্পগুলো উঠতি ক্রিকেটারের কাছে পৌঁছানো গেলে তারা উপকৃত হবে বলে মনে করেন মাসাকাদজা, ‘মাশরাফির অভিজ্ঞতা তরুণদের জন্য হবে অনুপ্রেরণা। মাশরাফি বাংলাদেশের ক্রিকেটে যতটুকু দিয়েছে, তার সবটাই সবার কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন।’

২০০১ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করলেও মাসাকাদজা বাংলাদেশ প্রথম আসেন ২০০৫ সালে। সেবার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে জয়ের পর ঢাকা টেস্ট ড্র করেছিল বাংলাদেশ। ওই সিরিজের স্মৃতি আজও মনে আছে মাসাকাদজার, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ হারটা ছিল কঠিন স্মৃতি। বাংলাদেশ তখন উন্নতি করছে, এখনকার মতো শক্তিশালী দল হয়ে ওঠেনি। এরপরও তারা আমাদের হারিয়েছিল।’

/আরআই/কেআর/

লাইভ

টপ