স্পেনের অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ হয়নি আনসু ফাতির

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২:১৩, অক্টোবর ০৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:২৯, অক্টোবর ০৯, ২০১৯

আনসু ফাতিতার স্প্যানিশ নাগরিকত্ব নিয়ে বেশি আলোচনার কারণ ছিল অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ। তাড়াহুড়ো করে বার্সেলোনার ‘বিস্ময় বালক’ আনসু ফাতিকে নাগরিকত্ব দেয়ও স্প্যানিশ প্রশাসন। অথচ বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে জায়গা হয়নি এই ফরোয়ার্ডের।

বুধবার অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে স্পেন। অক্টোবর-নভেম্বরে ব্রাজিলে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে সুযোগ হয়নি ফাতির। তাকে বাদ দিয়েই দল ঘোষণা করেছেন কোচ দাভিদ গোরদো।

মূলত আরও বড় পর্যায়ে খেলার সুযোগ তৈরি করতেই ফাতিকে বিশ্বকাপের বাইরে রেখেছে স্প্যানিশ ফুটবল কর্তৃপক্ষ। স্পেনের বয়সভিত্তিক পর্যায়ের স্পোর্টিং ডিরেক্টর ফ্রান্সিস এর্নান্দেসের কথাতেই সেটা স্পষ্ট, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে সবচেয়ে ভালো অপশন হলো ছেলেটাকে (ফাতি) রেখে যাওয়া, যাতে নভেম্বরে আরও বড় পর্যায়ের দলের সঙ্গে তার খেলার সুযোগ থাকে।’

গত মাসে স্পেনের নাগরিকত্ব পেয়েছেন গিনি বিসাউয়ে জন্ম নেওয়া ফাতি। স্পেনের নাগরিকত্ব পেতে গেলে ১০ বছর দেশটিতে থাকতে হয়, ফাতি এই ‘শর্ত’ ‍পূরণ করার পর স্প্যানিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার নাগরিকত্বের বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে।

তবে তাড়াহুড়ো করে তাকে স্প্যানিশ নাগরিকত্ব দেওয়ার বড় কারণ হিসেবে ধরা হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ। ফাতির নিজেরও খুব করে চাওয়া ছিল স্পেনের জার্সি গায়ে জড়ানোর। অন্যদিকে বার্সেলোনার হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে আলো ছড়ানো এই ফরোয়ার্ডকে নিজেদের কাছে রেখে দেওয়ার চেষ্টা চালায় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

জন্মস্থান গিনি বিসাউ ছাড়াও পর্তুগালের হয়ে খেলার যোগ্যতা ছিল ফাতির। জন্মসূত্রে আফ্রিকার দেশটি, আর দাদার সূত্রে খেলতে পারতেন তিনি পর্তুগালের জার্সিতে। যদিও ফাতির পছন্দের তালিকায় সবসময়ই প্রথমে ছিল স্পেন।

বয়সভিত্তিক পর্যায়ে স্পেনের জার্সিতে খেললেও সিনিয়র পর্যায়ের ফুটবলে আবারও জাতীয় দল পরিবর্তনের সুযোগ থাকছে ফাতির। তখন চাইলে স্পেন বাদ দিয়ে গিনি বিসাউ কিংবা পর্তুগালের হয়ে খেলতে পারবেন তিনি। যদিও স্পেনের জার্সি গায়ে জড়াতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে ‍চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে মাঠে নামা বার্সা ফরোয়ার্ডকে। মার্কা

/কেআর/

লাইভ

টপ