ফারাজ বন্ধুত্ব ও মানবিকতার মূর্ত প্রতীক: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০০:৫৬, অক্টোবর ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৩, অক্টোবর ২২, ২০১৯

ফারাজ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানযুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, ‘মর্মান্তিক হলি আর্টিজান ঘটনার একমাত্র প্রতিবাদকারী ছিলেন ফারাজ আইয়াজ হোসেন। হামলাকারীরা ফারাজকে চলে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু, তিনি তার বন্ধুদের মৃত্যুর মুখে রেখে একা চলে যেতে চাননি। তিনি ছিলেন ন্যায়-নীতি-মানবিকতার মূর্ত প্রতীক।’

সোমবার (২১ অক্টোবর) ফারাজ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফারাজ আইয়াজ হোসেনের স্মরণে সোনালী অতীত ক্লাব এই আয়োজন করে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘ফারাজ আইয়াজ হোসেন শুধু ধর্মপ্রাণ মুসলিমই ছিলেন না। তিনি ইসলামের মূল কথা, সব মানুষের প্রতি ভালোবাসার আদর্শে অবিচল ছিলেন। ফারাজ জীবন দিয়ে আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন, শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্ব আমাদের আদর্শ। ফারাজের আত্মদান বৃথা যায়নি। ফারাজ বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকবেন, মানুষের অন্তরে। ফারাজের আত্মত্যাগ বিশ্বের সব প্রান্তের তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাদের সাহসী ও মানবিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।’

প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সুস্থ মানসিক বিকাশ ও বিনোদন এবং দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে এ জাতীয় টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’  

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য  সাইফুজ্জামান শিখর,  যুব ও ক্রীড়া সচিব আকতার হোসেন, বাংলাদেশ  আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুন অর রশীদ।

টুর্নামেন্টের ফাইনালে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে ট্রাইবেকারে ৪-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। টুর্নামেন্টে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে।

/জেইউ/এনআই/

লাইভ

টপ