আয়োজনের কোনও কমতি ছিল না কলকাতা টেস্টে। বাংলাদেশ-ভারতের প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্ট হওয়ায় গোলাপি রঙে সেজেছিল কলকাতা। যদিও আড়াই দিনও টিকেনি ইডেন টেস্ট! ইন্দোরের পর এখানেও লজ্জার সাগরে নিমজ্জিত হয় বাংলাদেশ তরী। দলীয় পারফরম্যান্সে হতাশার স্তুপ জমলেও ব্যক্তিগত জায়গায় আলো ছড়িয়েছেন মুশফিকুর রহিম। তারই ছাপ আইসিসির নতুন টেস্ট র্যাংকিংয়ে।
টেস্টের ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে এগিয়েছেন মুশফিক। কলকাতা টেস্টে বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে হারলেও দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াই করেছিলেন এই ব্যাটসম্যান। তার ৭৪ রানে ভর দিয়ে হারের ব্যবধান কিছুটা হলেও কমিয়েছে সফরকারীরা। চার ধাপ এগিয়ে মুশফিক এখন ২৬তম স্থানে।
দিবা-রাত্রির এই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাথায় বলের আঘাত লাগায় ম্যাচ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন লিটন দাস। ২৪ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া এই উইকেটরক্ষকেরও উন্নতি হয়েছে র্যাংকিংয়ে। আট ধাপ এগিয়ে লিটন রয়েছেন ৭৮ নম্বরে। একই সঙ্গে ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ রেটিং পয়েন্ট যোগ করেছেন নামের পাশে। লিটনের রেটিং পয়েন্ট এখন ৪১৭।
ইডেন টেস্টের প্রথম ইনিংসে কোহলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ইনিংস ও ৪৬ রানে জিতেছে ভারত। অধিনায়ক হিসেবে ২০তম সেঞ্চুরি পূরণ করে টেস্টের ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা স্টিভেন স্মিথের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন তিনি। দিবা-রাত্রির টেস্টে ১৩৬ রানের ইনিংস খেলে স্মিথের সঙ্গে ২৫ পয়েন্টের ব্যবধান ৩-এ নামিয়ে এনেছেন কোহলি।
ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বড় লাফটা দিয়েছেন বিজে ওয়াটলিং ও মার্নাস ল্যাবুশ্যাগনে। নিউজিল্যান্ডের প্রথম উইকেটরক্ষক হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে জয় এনে দিয়েছেন ওয়াটলিং। মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে ২০৫ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলা এই ব্যাটসম্যান ১২ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ১২ নম্বরে।
ব্রিসবেন টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৮৫ রানে কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন ল্যাবুশ্যাগনে। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ও ৫ রানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ৩৫ নম্বর থেকে ১৪তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন এই ব্যাটসম্যান।
বোলিং র্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বড় উন্নতি হয়েছে নাইল ওয়াগনারের। কিউই পেসার পাঁচ ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ব্যবধানে জেতার পথে দ্বিতীয় ইনিংসে তার শিকার ৫ উইকেট। শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার প্যাট কামিন্স। আইসিসি ওয়েবসাইট








