behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

ভারতের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইবে বাংলাদেশ!

রায়হান মাহমুদ১৮:৪৬, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৬

ভারতের বাস্কেটবল ফেডারেশনের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের কারণে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে এবারের আসরে অনুষ্ঠিত হয়নি বাস্কেটবল ডিসিপ্লিনের খেলা। এমন ঘটনায় ভারতের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইবে বাংলাদেশসহ গেমসের সদস্য দেশগুলো।

বাস্কেটবল বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা বলেন, ‘ভারতীয় বাস্কেটবল ফেডারেশনের দুই গ্রুপের অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে সকল প্রকার বাস্কেটবল খেলা বন্ধ আছে। সে দেশের আদালত এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তাই এবার এসএ গেমসে বাস্কেটবল খেলাটাই হয়নি। আমরা ব্যাপারটি আন্তর্জাতিক বাস্কেটবল ফেডারেশনকেও জানাবো। আগামী মাসে চেন্নাইয়ে একটি সভা ডেকেছি। সেখানেই সাত সদস্য দেশ নির্ধারণ করবে কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ ভারতের কাছে চাওয়া হবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আপাতত গেমসে নিয়ে সদস্য দেশগুলোর যে সভাটি হয়েছে তাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আগামী এসএ গেমসে বাস্কেটবল ডিসিপ্লিনটাই থাকবে না। আমরা সেখানে আরও বলেছিলাম বিষয়টি ভারতীয় ফেডারেশনের সমস্যা। বাকি সাতটি দেশের সমস্যা তো নয়। ভারত খেলছে না বলে ইভেন্ট কেন হবে না? আমরা সাতটা দেশ খেলি, তারা সেটিও মানেনি। বিষয়টি আমরা এশিয়ান অলিম্পিক কাউন্সিল ও ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটিকে জানিয়েছি।’ 

তিনি এবারের আসরে বাংলাদেশের অর্জন নিয়ে বলেন, ‘এসএ গেমস হলো বিভিন্ন ফেডারেশনের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতা করার একমাত্র অবলম্বন। বিওএসহ বিভিন্ন ফেডারেশনকে পর্যবেক্ষণ করে দেখলাম অনেক ডিসিপ্লিন ভালো অবস্থায় নেই। সাঁতার তো হারিয়েই গিয়েছিল, আবার জেগে উঠেছে। মাহফুজা দুটি স্বর্ণ পদক জয় করেছে। কেউ তো চিন্তাই করতে পারেনি এটি। ভারতীয়, শ্রীলঙ্কার মেয়েদের দৈহিক গঠনের সামনে মাহফুজা অনেক পিছিয়ে। তবুও অদম্য মনোবলে মাহফুজা স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়েছে।’

শাহেদ রেজা বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের বেহাল দশা নিয়ে এই কর্তা আরও বলেন, ‘অনেক ডিসিপ্লিন যেমন অ্যাথলেটিকস হারিয়ে গেছে। আমরাও আগামী সাফের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করতে পারবো। আমার কথা হলো প্রশিক্ষণের কোনও বিকল্প নেই। সময় যত যাবে টেকনিক ও ট্যাকটিক্স বদলাবে। যেমন ২০১০ সালে বাংলাদেশের শ্যুটাররা যে ধারায় ১০ মিটার এয়ার রাইফেল শ্যুট করেছিল তা এবার সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তাই আমাদের প্রশিক্ষকদেরও এসব ধারায় অভ্যস্ত হতে হবে।’ 

আগামীতে আরও প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে মহাসচিব বলেন, ‘আমার মতামত হলো এখনই আগামী ২০১৮ সালের এসএ গেমসের জন্য প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিতে হবে। প্রতিযোগীদের যদি আধুনিক ধারায় তৈরি করতে না পারি তবে আমরা তাদের কাছে পদক প্রত্যাশা করবো কিভাবে? আমরাও দেখবো কোন কোন ডিসিপ্লিন আমাদের জন্য বেশি ফলদায়ক।’ 

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি দেখেছি খারাপ করেনি আর্চাররা। তারা রৌপ্য পদক নিয়ে এসেছে। শ্যুটাররা দশটি শটের ছয় সাতটি ভালো মেরেছে কিন্তু ফিনিশিংয়ে টেম্পারমেন্ট ঠিক রাখতে পারেনি। আমাদের এসব জায়গায় কাজ করতে হবে। খেলোয়াড়দের লড়াকু মানসিকতার অধিকারী হতে হবে। তাদের ভয়টা কাটিয়ে দিতে হবে।’



/এফআইআর/

ULAB
Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ