ড্রয়ে শুরু আবাহনীর

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট২০:৫৫, এপ্রিল ০৩, ২০১৬

ড্রয়ে শুরু আবাহনীরফেনী সকারের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে ফুটবল মৌসুম শুরু করলো আবাহনী লিমিটেড। আজ রবিবার কেএফসি স্বাধীনতা কাপের ম্যাচে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনী পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে বাধ্য হয়। মূলত গোলের সুযোগ নষ্ট করার খেসারত দেয় তারা। আর ফেনী সকারের যে খেলোয়াড়ের গোলে ম্যাচে আসে সমতা সেই চমরিন রাখাইন দুই মৌসুম আগে ছিলেন আবাহনীরই খেলোয়াড়।
আবাহনী তাদের আক্রমণভাগ সাজিয়েছিল নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড সানডে চিজোবা, সেনেগালের কামারা ও ইংরেজ মিডফিল্ডার লি টাককে নিয়ে।আবাহনী ছোট ছোট পাসে তাদের খেলা শুরু করলেও ফেনী সকারের রক্ষণব্যুহ ভেদ করতে পারেনি। বলের নিয়ন্ত্রণে আবাহনী এগিয়ে থাকলেও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবারই আবাহনীকে ভোগান্তিতে রাখে ফেনী সকার। ২৪ মিনিটে সকারের নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার উচে ফেলিক্স মিডফিল্ডার ওমর ফারুকের ক্রসে নিচু হেড করেছিলেন। আবাহনী গোলরক্ষক সুলতান আহমেদ শাকিল ডানে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল রক্ষা করেন। ৪৫ মিনিটে আবারও আবাহনীর শিরদাঁড়ায় কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল ফেনী সকার। এবার উচে ফেলিক্সের ক্রসে হেড করেছিলেন ডিফেন্ডার আবু সুফিয়ান জাহিদ। বলটি ক্রসপিসের সামান্য উঁচু দিয়ে বাইরে চলে যায়।

ধাক্কা সামলে পাল্টা আক্রমণে যাওয়া আবাহনী গোলের দেখা পায় প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে। ইংলিশ মিডফিল্ডার লি টাকের মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো থ্রু পাসে আলতো ছোঁয়ায় ছোট বক্সের ওপর থেকে সকার গোলরক্ষক ওসমাস গনিকে পরাস্ত করেন সেনেগালিজ ফরোয়ার্ড কামারা সারা।

প্রথমার্ধের শেষ থেকেই মাঠে নামে বৃষ্টি। বল নিয়ন্ত্রণে রাখাটা খেলোয়াড়দের জন্য কিছুটা কঠিন হয়ে যায়, তাই দ্বিতীয়ার্ধে উলেখযোগ্য আক্রমণ তেমন একটা হয়নি। তবে ৭০ মিনিটে আবাহনী পেয়েছিল তাদের অগ্রগামিতা বাড়ানোর সুযোগ। লি টাক ডান প্রান্ত থেকে যে নিচু ক্রসটি করেছিলেন তাতে কামারা সারার গোল করারই কথা। খুব কাছে থেকে বল প্লেসিং করলেই যেখানে গোল হয় সেখানে সেনেগালের ফরোয়ার্ডটি বলের লাইনে ঠিকমতো যেতে পারেননি। তার দুর্বল প্লেসিং ওসমান গনি কর্নারের বিনিময়ে দলকে বাঁচান।

৮১ মিনিটে সানডে চিজোবা বাম প্রান্ত দিয়ে সকারের বক্সে ঢুকে পড়েন। চমৎকার ফুটওয়ার্কও দেখান তবে কোনাকুনি চিপে গোল করার প্রচেষ্টাটা তার ব্যর্থ হয়। অন্য প্রান্তে ফাঁকায় দাঁড়ানো ছিলেন লি টাক, তাকে বল দিলেও হয়তো গোলের দেখা পেত আবাহনী!

ফেনি সকার সমতা আনে ৮৫ মিনিটে; মাঝমাঠ থেকে বাড়িয়ে দেওয়া একটি থ্রু পাস নিয়ে আবাহনী বক্সে এগিয়ে চলেছিলেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড টুয়াস ফ্রাংক। আগুয়ান আবাহনী গোলরক্ষক শাকিল বক্সের ওপরে ফেলে দেন ফ্রাংককে। যার ফলে পেনাল্টি পায় সকার। আর তাতে গোল করতে ভুল করেননি চমরিন রাখাইন।

/আরএম/এফআইআর/

লাইভ

টপ