behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

বেঙ্গালুরুতে মিরপুর-চট্টগ্রাম!

রবিউল ইসলাম, ভারত থেকে ফিরে১৮:২০, এপ্রিল ০৪, ২০১৬

IMG_3860১৯৭৩ সালে বেঙ্গালুরুরের কর্নাটকে জন্মেছিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়। ১২ বছর বয়সেই বেঙ্গালুরুর হয়ে বয়সভিত্তিক ক্রিকেট খেলা শুরু করেন তিনি। তার শহরেই অবস্থিত বেঙ্গালুরু এম চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। সবজু মাঠ-হলুদ গ্যালারিতে বেশ সাজানো গোছানো এই স্টেডিয়ামটি।

স্টেডিয়ামের মূল ফটকের ভেতরে লাল ইটের ওপর খোদাই করে লেখা ‘কমিটমেন্ট, কনসিসটেন্সি ক্লাস’। পাশেই ডানহাতি রাহুল দ্রাবিড়ের ড্রাইভ করা স্মৃতিস্তম্ভ। সেখানে লেখা ‘অ্যা টিব্রিউট টু রাহুল দ্রাবিড়’।

শুধু স্মৃতিস্তম্ভই নয়, রাহুল দাব্রিড়ের টেস্ট ও ওয়ানডে সেঞ্চুরিগুলোও সেখানে তুলে ধরা হয়েছে খুব সুন্দরভাবে। দেওয়া আছে রাহুল দ্রাবিড়ের খেলোয়াড়ি জীবনের পরিসংখ্যানও। সেখানে রাহুল দ্রাবিড়ের ক্যারিয়ারের যত আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি রয়েছে, সবগুলোই স্থান পেয়েছে এখানে। বাদ পড়েনি বাংলাদেশও। খুঁজে পাওয়া গেল মিরপুর ও চট্টগ্রামের নাম।

২০০৪ সালে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছিল ভারত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট চট্টগ্রামে অবস্থিত এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই ম্যাচে ভারত আগে ব্যাটিং করে ভারত ৫৪০ রান সংগ্রহ করে। যেখানে সর্বোচ্চ ১৬০ রান করেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। তিনি ৩৮৭ মিনিট ক্রিজে থেকে ২৪ চারে তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ হারে ইনিংস ও ৮৩ রানের ব্যবধানে।

এরপর ২০০৭ সালে ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে দ্রাবিড় ১২৯ রানের ইনিংস খেলেন। ২১৫ মিনিট ব্যাটিং করে ১৫ চার ও এক ছয়ে তার ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন। ওই টেস্টে ভারত ইনিংস ও ২৩৯ রানে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছিল।

এর দুই বছর পর আবারও বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে মাঠে নামে ভারত। ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দুটি ম্যাচেই জিতে ভারত। ওই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ওই ম্যাচেও বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরির দেখা পান দ্রাবিড়। আগে ব্যাটিং করা বাংলাদেশের ২৩৩ রানের জবাবে ভারত সংগ্রহ করে ৫৪৪ রান। যার মধ্যে ১১১ রান দ্রাবিড়ের। তিনি অবশ্য ওইদিন রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন।PICTURE 3

রাহুল দ্রাবিড় তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে একটি মাত্র ম্যাচ খেলেছেন। সেখানে তার সর্বোচ্চ রান ৩১। সাদা পোষাকে তিনি ১৬৪টি ম্যাচ খেলে ৩৬টি সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ১২টি। এর সবকটিই আছে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত দেয়ালে।

/এমআর/

ULAB
Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ