behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

এগিয়ে নিতে হবে গ্রামীণ ই-কমার্স

মাহবুবুর রহমান২০:৫২, অক্টোবর ১৯, ২০১৬

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে শহুরে ই-কমার্সের পাশাপাশি গ্রামীণ ই-কমার্সকেও গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, গ্রামীণ এলাকায় ই-কমার্সের যে বাজার রয়েছে তা ধরতে পারলে ই-কমার্সের স্থানীয় বাজারের প্রসার ঘটবে।

‘নন স্টপ বাংলাদেশ’ থিমকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় আয়োজন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৬ প্রদর্শনী।

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী দিনে ই-কমার্সকে কীভাবে গ্রামাঞ্চলে জনপ্রিয় করা যায় তা নিয়ে আয়োজন করা হয় ‘হাউ টু এক্সপান্ড ই-কমার্স টু রুরাল এরিয়াস’ শীর্ষক এক সেমিনারের। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব হেদায়েত উল্ল্যাহ আল মামুন ও সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক। আরও উপস্থিত ছিলেন ই-ক্যাবের সভাপতি রাজিব আহমেদ, মডারেটর আব্দুল ওয়াহেদ তমাল, সমবায় বিভাগের মহাপরিচালক মফিজুল ইসলাম ও ফেইস মার্কেটের (যুক্তরাজ্য) প্রধান নির্বাহী জোই মেনডিস।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, ই-কমার্স অবশ্যই দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সেজন্য অবশ্যই ই-কমার্সকে সারাদেশে সমানভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যা (শতকরা ৬৫.৭ ভাগ) গ্রামাঞ্চলে বাস করে। তবে ই-কমার্সের সাম্প্রতিক অগ্রগতি শুধু শহরে এবং নিকটবর্তী শহরে দেখা যায়। সময় এসেছে গ্রামীণ ই-কমার্স-এ মনোনিবেশ করার। গ্রামে পণ্যের ডেলিভারি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়। না হলে সম্ভাবনাময় এ খাতে পিছিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। বক্তারা বলেন, ই-কমার্সকে জনপ্রিয় করতে সচেতনতা, বিশ্বাসযোগ্যতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নীতি নির্ধারণ এসব বিষয়গুলোকে প্রথমেই বিবেচনায় নিতে হবে।

সেমিনারে চীন এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-কমার্স কীভাবে সফলতা পেয়েছে তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ভোক্তা অধিকার, পেমেন্ট চ্যানেল, সচেতনতা এ বিষয়েও এই খাতে রয়েছে ব্যাপক ঘাটতি। সেমিনারে গ্রামীণ ই-কমার্সকে জনপ্রিয় করতে ই-ক্যাবের সভাপতি রাজিব আহমেদ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয় এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি ই-কমার্স উইং খোলার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে যদি একজন কর্মকর্তাকে ই-কমার্সের ফোকাল পয়েন্ট করা যায় তাহলে এ খাত আরও গতিশীল হবে। গ্রামীণ ই-কমার্স নিয়ে নাহিম রাজ্জাক বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের গ্রাম পর্যায়ের যে পেমেন্টে সার্ভিস রয়েছে তার মাধ্যমে ই-কমার্সের টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

ই-কমার্সকে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত উল্লেখ করে হেদায়েত উল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, আলীবাবা, অ্যামাজনের মতো বড় কোম্পানিগুলো যখন এ দেশে আসবে তখন এ দেশের রফতানি খাতের আরও উন্নয়ন হবে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় ই-কমার্স কোম্পানিগুলোকে সর্বাত্মক সাহায্য দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তুত রয়েছে।

সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ই-ক্যাবের সহ-সভাপতি রিজওয়ানুল হক জামি ও জোই মেনডিস।

/এইচএএইচ/ 

 আরও পড়তে পারেন: রোবটের অনুরোধে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 

 

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ