ওয়াইফাই উদ্যোগে প্রশিক্ষণ পাবেন ৩০ হাজার নারী

Send
টেক রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৩৭, মার্চ ১৫, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৩৭, মার্চ ১৫, ২০১৭

নতুন উদ্যোগআমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়ন ও জীবনের সব ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন। আমি অত্যন্ত আশাবাদী, এই ওয়াইফাই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০১৮ সালের মধ্যে আরও ৩০ হাজারেরও বেশি নারী উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে পারব। এই উদ্যোগ নারী উদ্যোক্তাদের জীবন, পরিবার ও সমাজ পরিবর্তনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।


বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘উইমেন অ্যান্ড আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ (ওয়াইফাই) -এর প্রি-লঞ্চিং অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এসব কথা বলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে ২০ হাজার নারীকে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উচ্চতর পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী ৩ বছরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ২ লাখ ৬০ হাজার নারীকে টেকসই নারী উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দিতে মোবাইল ট্রেনিং বাস চালু করা হয়েছে, ন্যাশনাল হাই-স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আওতায় নারীদের জন্য প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে এ সব কার্যক্রম আরও বেশি ফলপ্রসূ ও টেকসই হবে। ফলে নারীরা সমাজ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনার জুলিয়া নিবলেট বলেন, এ দেশের নারীরা ই-কমার্স ও এফ-কমার্সে এগিয়ে এসেছে। তারা তাদের মেধার স্বাক্ষরও রাখছে। এবার ওয়াইফাই কার্যক্রমের মাধ্যমে এদেশের নারীদের সঙ্গে যেহেতু আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও সরকারের সহযোগিতা যুক্ত হলো, তাই ওরা আরও এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী, এশিয়া ফাউন্ডেশনের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সারা টেইলর, ইউএনডিপির জেন্ডার অ্যান্ড পার্টনারশিপ স্পেশালিস্ট মেলিসা বালজান প্রমুখ।
প্রি-লঞ্চিং সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ, সুশান্ত কুমার সাহাসহ আরও অনেকে।
ইউএন-এসকাপ ও এপিসিআইসিটির এই ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তানে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাংলাদেশেও এই কার্যক্রম চালু করতে ইতিমধ্যে এই উদ্যোগের আওতায় প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ (টিওটি) কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দুটো ব্যাচে ২০ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।
/এইচএএইচ/

 

লাইভ

টপ