বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালো তথ্যপ্রযুক্তির ৪ সংগঠন

Send
টেক রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:২৫, জুন ১৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২৫, জুন ১৬, ২০১৯

সংবাদ সম্মেলন২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বাণিজ্য সংগঠনগুলো। রবিবার (১৬ জুন) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেয় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)।

সংবাদ সম্মেলনে বেসিসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, বিসিএস সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনির, আইএসপিএবি’র সভাপতি এম এ হাকিম, বাক্য’র মহাসচিব তৌহিদ হোসেন প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বেসিস সভাপতি বলেন, আইসিটি খাতে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাজেটে বারাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ সর্বশেষ অর্থবছরের চেয়ে ২ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, গতবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বরাদ্দ এ বছর ১৯৩ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।  নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার ১০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, এই বাজেটে সরকার সোশ্যাল মিডিয়া ও ভার্চুয়াল বিজনেসের উপর ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। ভার্চুয়াল বিজনেস তথা ডিজিটাল কমার্স’র ওপর ভ্যাট ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে যা বিকাশমান এই খাতের অগ্রগতির জন্য অন্তরায়। আমরা তাই বিকাশমান এই খাতের জন্য আগামী কয়েক অর্থ বছরের জন্য পুনরায় ভ্যাট অব্যাহতির দাবি জানাই।

বিসিএস সভাপতি বলেন, ব্যবসায়ী পর্যায়ে কম্পিউটার ও এর যন্ত্রাংশের ওপর ভ্যাট অব্যহতি বহাল রাখা হয়েছে। এই প্রস্তাবনা অবশ্যই ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ আগাম কর আরোপ করা হয়েছে। কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশ এবং সংশ্লিষ্ট যাবতীয় হার্ডওয়্যার সামগ্রীর ওপর অতিরিক্ত করভার ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করবে বিবেচনায় নিয়ে ৫ শতাংশ আগাম কর থেকে অব্যাহতি প্রদান করা প্রয়োজন। তিনি দাবি জানান, কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানি পরবর্তী পর্যায়ে সরবরাহ বা যেকোনওভাবে সরবরাহ বা বিক্রির ওপর প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট ৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের স্বার্থে তা আগের মতো ৫ শতাংশ বহাল রাখা হোক।

আইএসপিএবি সভাপতি বলেন, ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ওপর ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি আরোপ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ ও প্রসারে এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট জনমানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে, যার প্রভাব সরকারি মেগা প্রজেক্টগুলোতেও পড়বে। এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ওপর থেকে ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহারের জন্য আইএসপিএবি দাবি জানায়।

বাক্যের মহাসচিব বলেন, ক্রমবর্ধমান তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার ওপর বাজেটে ভ্যাট ৫ বহাল আছে। তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার ওপর থেকে ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের বিষয়টি আবারও বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

/এইচএএইচ/

লাইভ

টপ