Vision  ad on bangla Tribune

জিমেইলের গুরুত্বপূর্ণ সব সুবিধা

দায়িদ হাসান মিলন১৪:০২, ডিসেম্বর ০২, ২০১৫

gmailইমেইল পাঠানো এবং গ্রহণ করা- শুধু এ দুটি কাজেই হয়তো জিমেইল ব্যবহার করে থাকেন আপনি। এই দুটি ছাড়াও জিমেইলের আরও কিছু সুবিধা আছে যেগুলো আপনার অজানা থাকতে পারে। এরকম কয়েকটি সুবিধা হলো-

মেইলট্রেক:

আপনি যদি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে দেখেছেন এর প্রতিটা বার্তা প্রাপকের কাছে পৌঁছানোর পর এতে একটি ঠিক চিহ্ন আসে। তারপর প্রাপক যখন এই বার্তাটি পড়েন কিংবা দেখেন তখন এটাতে আরেকটি চিহ্ন আসে। অর্থাৎ এর মাধ্যমে প্রেরক সহজেই বুঝে যায় প্রাপক বার্তাটি পড়েছেন কিংবা দেখেছেন কিনা।

আপনি জিমেইলেও এরকম সুবিধা পেতে পারেন মেইলট্রেক এর মাধ্যমে। ডেস্কটপে মেইলট্রেক স্থাপন করার পর জিমেইলের ক্ষেত্রেও আপনি এরকম সুবিধা পাবেন।


ডিমেইল:

ডিমেইল এমন একটি ফিচার যার সাহায্যে আপনি মেইলকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি মেইল পাঠানোর পর ঠিক করে দিতে পারবেন যে সেই মেইলটি ঠিক কত সময় পর্যন্ত প্রাপক পড়তে পারবে। নিদির্ষ্ট ওই সময়ের পর সেই মেইলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে। প্রাপক তখন সেই মেইলটিকে বিকৃত একটি মেইল হিসেবে দেখতে পাবেন।


মেইলটুক্লাউড:

এই ফিচারে আপনি কম্পোজ উইন্ডোতে সেন্ড বাটনের পরই ছোট আরেকটি বাটন পাবেন। এর সাহায্যেই আপনি আপনার ইমেইলগুলোর একটি তালিকা তৈরি করতে পারবেন যেখানে যুক্ত করতে হবে যে কোন তারিখে এবং কখন ইমেইলটি কার উদ্দেশ্যে পাঠানো হবে। এগুলো সংযুক্ত করার পর ইমেইলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিদির্ষ্ট তারিখ এবং সময় অনুযায়ী প্রাপকের কাছে পৌঁছে যাবে। এরপর সেভ অ্যান্ড শেয়ার ফিচারের মাধ্যমে আপনি যেকোনও ইমেইলকে পিডিএফ আকারে আপনার ক্লাউড স্টোরেজ বক্সে সংরক্ষণ করতে পারবেন।


রেপরটিভ:

অনেক জিমেইল ব্যবহারকারী তাদের জিমেইল অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে বিস্তৃত পরিচয় ব্যবহার করেন না। একজন জিমেইল ব্যবহারকারী যিনি বিশদ তথ্য গোপন করেছেন সেই একই ব্যবহারকারী যদি পাবলিক লিঙ্কন্ডইন প্রোফাইলে বিশদ তথ্য ব্যবহার করেন তাহলে সেগুলো আপনি রেপরটিভের মাধ্যমে জিমেইলে পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে আপনি তার ছবি, বিকল্প ইমেইল, টুইটার আইডি ইত্যাদি তথ্য পাবেন।


সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।


/এফএস/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ