behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার কয়েকটি কৌশল

দায়িদ হাসান মিলন১১:৩৩, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬

নিরাপদ ইন্টারনেট

৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালিত হলো ইন্টারনেট নিরাপত্তা দিবস। গত ১৩ বছর ধরে বিশ্বব্যাপী সাইবার আইনজীবীরা ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার এ দিবসটি পালন করে আসছেন। এই দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে সচেতন করা।

বর্তমানে বিশ্বের ১২০টি দেশে দিবসটি পালিত হয়। আর এই দিবসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে শিশুদেরকে যেকোনও ধরনের ক্ষতি থেকে বাইরে রাখা। শিশুরা ছাড়া অন্যরাও এ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে।

ইন্টারনেট নিরাপত্তা হলো সাইবার অপরাধী, গোপন পর্যবেক্ষক, ইন্টারনেটের কালো ছায়া ইত্যাদি থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা। কতগুলো নিয়ম অনুসরণ করলেই একজন ব্যবহারকারী নিজেকে এসব থেকে নিরাপদ রাখতে পারেন।

১. অপারেটিং সিস্টেম, ব্রাউজার কিংবা অন্যান্য সফটওয়্যার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপডেট করতে হবে। এই আপডেট কয়েকদিন পরপর করতে পারলে অনেক ভালো। অন্যদিকে অপারেটিং সিস্টেম কিংবা অন্যান্য অ্যাপকে অটো আপডেট দিয়ে রাখলে সেটা খুব কার্যকর হয়।

২. নিজেকে নিরাপদ রাখতে অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। যদিও সব ধরনের নিরাপত্তা অ্যান্টি-ভাইরাস দিতে সক্ষম নয়। তারপরও শতকরা ৯০ শতাংশ হুমকি মোকাবেলার সক্ষমতা এর রয়েছে। তাই আপনি কিছু অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে অ্যান্টি-ভাইরাস কিনে নিতে পারেন কিংবা ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে ইনস্টল করতে পারেন।

৩. আপনার নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় হুমকি আপনি নিজেই। কেননা আপনাকে বোকা বানানোর মাধ্যমেই কিংবা আপনার ভুলের কারণেই অনেক সময় সাইবার আক্রমণকারী আপনার ই-মেইল চুরি করতে পারে। আপনি যদি কোনও বাজে সাইটে আপনার মেইল এবং পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে প্রবেশ করেন তবে আক্রমণকারীরা আপনার সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যায়। তারপর সেগুলোর সাহায্যে তারা আপনার অ্যাকাউন্ট চুরি করে এবং অন্যদের কাছে বিক্রি করে দেয়।

৪. সাইবার অপরাধীরা নিরাপত্তায় হুমকি সৃষ্টির জন্য ব্যবহারকারীদেরকে বিভিন্ন বিষয় পাঠিয়ে থাকে। যেমন বিভিন্ন ধরনের ফাইল, লিংক ইত্যাদি। আর এগুলো ওপেন করার সঙ্গে সঙ্গেই একজন ব্যবহারকারীর কম্পিউটার ভাইরাসের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়। তাই কোনও ই-মেইলের প্রেরক যদি আপনার পরিচিত না হয় তবে তা ওপেন না করে ডিলিট করে দিতে হবে। আর প্রেরক যদি পরিচিতও হয়ে থাকে তারপরও খুব ভালোভাবে নিশ্চিত না হয়ে এ ধরনের লিংক কিংবা ফাইল ওপেন না করাই ভালো।

৫. ইন্টারনেটের এই যুগে একজন মা কিংবা বাবাকে ইন্টারনেটের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই আচরণ করতে হয়। তাই সন্তানদের ইন্টারনেটের খারাপ দিক থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজন এ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখা। একজন মা-বাবা তার সন্তানকে ইন্টারনেটের কোন কোন বিষয় কিংবা অ্যাপ ব্যবহার করতে দেবেন তা ভালো করে জেনে নিতে হবে। আর এজন্য মা-বাবাকে বিশেষভাবে সহায়তা করতে পারে ‘কানেক্ট সেফটি সাইট’ নামক সাইটটি। এতে শিশুদেরকে নিরাপদ রাখার বিভিন্ন কার্যপ্রণালী দেওয়া আছে।

এগুলো ছাড়াও ইন্টারনেটে নিরাপদ রাখতে শিশুদেরকে গুগলের ইউটিউব কিড অ্যাপ ব্যবহার করতে দেওয়া যেতে পারে। তবে তাদেরকে মোটেই প্রকৃত ইউটিউব ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না।

অন্যদিকে প্রাপ্তবয়ষ্করা নিরাপদ থাকতে চাইলে বিশেষ এক ধরনের ভিডিও প্লেয়ার ইনস্টল করা যাবে না। যেমন কোনও ভিডিও দেখতে চাওয়ার সময় আপনার সামনে এই লেখাটি আসতে পারে-‘your Flash player is out of date, you need to install a new video player to watch the video’ সেক্ষেত্রে আপনি কোনওভাবেই এই লেখাটিকে অনুমোদন করবেন না।

এ ছাড়াও আপনাকে আপনার ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখতে হবে এবং মিথ্যা ওয়াই-ফাইয়ের প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে সতর্ক থাকতে হবে।

সূত্র: ইয়াহু

/এইচএএইচ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ