বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি তৈরির উদ্যোগ

রুশো রহমান১৭:৩০, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৬

যাত্রা হলো শুরু

দেশে উদ্ভাবনীমূলক ও আন্তর্জাতিকমানের উদ্যোগ (স্টার্টআপ) তৈরির লক্ষ্যে এবং বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক বাজারে এসব উদ্যোগকে নিয়ে যেতে আইসিটি বিভাগ, বেসিস, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) যৌথভাবে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ শীর্ষক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনে ইনকিউবেশন ও টেলিকম পার্টনার হিসেবে বাংলালিংক এবং অন্যান্য সহযোগী হিসেবে রয়েছে ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, গ্যাপ এবং কিজকি। মঙ্গলবার অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার যাচাই-বাছাই পর্বের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

এ উপলক্ষে বিস্তারিত জানাতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, গত ১৮ অক্টোবর জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের উদ্বোধন হয়। এই পার্কে যাতে আন্তর্জাতিকমানের উদ্যোগ গড়ে ওঠে, বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি তৈরি হয় তার জন্যই আমরা কানেক্টিং স্টার্টআপ আয়োজন করি। এতে ৪ শতাধিক আবেদন পড়েছে, যা সত্যিই আশাব্যঞ্জক। আমরা দেশে ১ হাজার উদ্ভাবনী প্রকল্প তৈরিতে কাজ করছি। যেগুলো নিয়ে আমরা আন্তর্জাতিক বাজারের বড় অবস্থান নেওয়ার স্বপ্ন দেখি। আমরা প্রত্যাশা করি এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তেমনই কিছু উদ্ভাবনী প্রকল্প বেরিয়ে আসবে।

আইসিটি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বেসিস সভাপতি ও ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জেনারেল পার্টনার শামীম আহসান, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম ও বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এরিক।

আইসিটি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের উচ্চগতির ইন্টারনেট, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বড় কনফারেন্স রুম ব্যবহারের সুবিধাসহ তাদের বিনিয়োগ সমস্যা সমাধান, মানোন্নয়নসহ উদ্যোগটি যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে।

শামীম আহসান বলেন, যে ১ হাজার উদ্ভাবনী প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে সেগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটালসহ সম্ভব আরও কিছু বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব উদ্যোগকে সিলিকন ভ্যালির কোম্পানিগুলোর সংস্পর্শে আনাসহ তাদের বিনিয়োগ, মেন্টরিংসহ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা পেতে সাহায্য করবে বেসিস।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে বাংলালিংকের সহযোগিতায় ডিজিটাল ইনকিউবেটর সাপোর্ট সেন্টারে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে জায়গা বরাদ্দ পাবে। পাশাপাশি বিজয়ীরা আর্থিক অনুদান এবং মেন্টরিংয়ের সুযোগ পাবে। নির্বাচিত আরও অর্ধশত উদ্যোগ এই ডিজিটাল ইনকিবেউটরে জায়গা বরাদ্দ নিতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের সৌজন্যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ৪ শতাধিক সিম বিতরণ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের পর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ‘হাউ টু বিকাম এ উইনার’, ‘ফান্ড রাইজিং’ ও ‘নেক্সট জেনারেশন মার্কেটিং’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা আলোচনা করেন।

/এইচএএই্চ/

লাইভ

টপ