behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

অনলাইন লেনদেনে ভোগান্তি কমাবে ভার্চুয়াল কার্ড

টেক রিপোর্ট১৮:২৪, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬

ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের ঘোষণা দিচ্ছেন অতিথিরা

ব্যক্তি পর্যায়ের অ্যাপস ডেভেলপার বা প্রোগ্রামারদের অনলাইন পেমেন্ট সমস্যার সমাধান হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বেসিসের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই সমস্যার সমাধান হলো। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক সব ব্যাংক-কে ভার্চুয়াল কার্ড চালুর নির্দেশনা দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারন্যাশনাল ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড চালু করল ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড। মঙ্গলবার বেসিস ও ডাচ-বাংলা ব্যাংক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ভার্চুয়াল কার্ডের উদ্বোধন করা হয়।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস তাবরেজ ও বেসিসের পরিচালক সানি মো. আশরাফ খান। উপস্থিত ছিলেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ শাহ ইমরাউল কায়ীশসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শামীম আহসান বলেন, বিভিন্ন ধরনের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) অনলাইন বাজারে ছাড়ার জন্য বিশ্বখ্যাত অ্যাপ স্টোরে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে নিবন্ধিত হতে হয়। এছাড়া অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কোর্স কিংবা ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেমের প্রয়োজন হয়। এ অর্থ দেওয়ার সহজ সুবিধা না থাকায় বাংলাদেশের ব্যক্তি পর্যায়ের অ্যাপস নির্মাতা বা প্রোগ্রামাররা অনেকেই নানা সমস্যার মধ্যে ছিলেন। আমরা প্রত্যাশা করি এই কার্ডের মাধ্যমে ব্যক্তি পর্যায়ে অনলাইন লেনদেনে যে ভোগান্তি ছিল তা দূর হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, বছরখানেক আগে বৈদেশিক মুদ্রা (এফই) বিজ্ঞপ্তি নং ২৩-এ ভার্চুয়াল কার্ড চালুর জন্য বিভিন্ন ব্যাংক-কে অনুমোদন দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডাচ-বাংলা ব্যাংক তাদের দেশব্যাপী সব শাখায় এই সেবা চালু করেছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী এই কার্ড গ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে প্রোগ্রামার, ডেভেলপার বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রমাণ দেখাতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

এই কার্ড পেতে বেসিস বা আইসিটি বিভাগের দেওয়া মোবাইল অ্যাপ, গেম বা হ্যাকাথন ইত্যাদির সনদ প্রমাণ হিসেবে দেখাতে হবে ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। এর আগে বেসিসের সদস্য কোম্পানিরা এ ধরনের সুবিধা পেতেন। এখন থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে দেশের যেকোনও জায়গা থেকে ভার্চুয়াল কার্ড গ্রহণ করা যাবে।

এ কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে (উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, ব্ল্যাকবেরি, ফায়ারফক্স) গেমস, সফটওয়্যার লাইসেন্স, মোবাইল কিংবা গেমস অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ভেন্ডর সার্টিফিকেশন পরীক্ষার ফিস, যেকোনও ডোমেইন নিবন্ধন, হোস্টিং, ক্লাউড সেবা, হ্যাকাথন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বছরে সর্বোচ্চ ৩০০ ডলার অর্থ পরিশোধ করা যাবে। ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডেভেলপার বা প্রোগ্রামারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান মিলবে এই ভার্চুয়াল কার্ডের মাধ্যমে।

/এইচএএইচ/

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ