আন্তর্জাতিকমানের উদ্যোগ তৈরি করবে কানেক্টিং স্টার্টআপস প্রতিযোগিতা: পলক

Send
রুশো রহমান
প্রকাশিত : ১৮:৩৭, মার্চ ২৫, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪০, মার্চ ২৫, ২০১৬

লোগোটা দেখতে এমন

দেশে উদ্ভাবনীমূলক ও আন্তর্জাতিক মানের উদ্যোগ তৈরির লক্ষ্যে এবং বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক বাজারে এসব উদ্যোগকে নিয়ে যেতে আয়োজিত জাতীয় প্রতিযোগিতা ‘কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ’-এর চূড়ান্ত বাছাই পর্ব চলছে। সম্প্রতি প্রতিযোগিতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের নিয়ে ‘ডেমো ডে’ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথমে প্রতিযোগিতার ‘গ্রোথ স্টেজ’ ক্যাটাগরিতে আবেদন করা ১২৩টি উদ্যোগের মধ্যে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৯২টি উদ্যোগ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া ‘ডেমো ডে’-তে অংশগ্রহণ করে। সম্প্রতি ‘আইডিয়া স্টেজ’ ক্যাটাগরিতে ১৬২টি উদ্যোগের দ্বিতীয় ‘ডেমো ডে’ অনুষ্ঠিত হয়। উভয় ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপের জন্য উদ্যোগগুলো নির্বাচিত হবে।

আয়োজক প্রতিনিধি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত বিচারক কমিটি উদ্যোগগুলো নিরীক্ষা করেন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের উন্নয়নে দিক-নির্দেশনা দেন। এছাড়া তারা অংশগ্রহণ করা উদ্যোগগুলো থেকে পরবর্তী ধাপে যাওয়া উদ্যোগগুলো নির্বাচন করেন। শিগগিরই পরবর্তী ধাপের জন্য নির্বাচিত উদ্যোগগুলোর নাম প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন,আন্তর্জাতিকমানের উদ্যোগ তৈরি করবে কানেক্টিং স্টার্টআপস  প্রতিযোগিতা। তিনি আরও বলেন,জনতা সফ্টওয়্যার টেকনোলজি পার্কে যাতে আন্তর্জাতিক মানের উদ্যোগ গড়ে ওঠে, বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি উদ্যোগ বাংলাদেশে তৈরি হয় এবং সর্বোপরি তথ্যপ্রযুক্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে আইসিটি বিভাগ কানেক্টিং স্টার্টআপের আয়োজন করেছে। এতে ৪৩৫টি আবেদন পড়ে যা সত্যিই আশাব্যঞ্জক। ২০২১ সাল নাগাদ আমরা দেশে ১ হাজার উদ্ভাবনী প্রকল্প তৈরিতে কাজ করছি। যেগুলো নিয়ে আমরা আন্তর্জাতিক বাজারের বড় অবস্থান নেওয়ার স্বপ্ন দেখি।

প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে বাংলালিংকের সহযোগিতায় ডিজিটাল ইনকিউবিটর সাপোর্ট সেন্টারে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে জায়গা বরাদ্দ পাবে। নির্বাচিত আরও অর্ধশত উদ্যোগ অগ্রাধিকারভিত্তিতে এই ডিজিটাল ইনকিবিউটরের বিভিন্ন সুবিধাসহ তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য জায়গা বরাদ্দ নিতে পারবে। এছাড়া উচ্চগতির ইন্টারনেট, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বড় কনফারেন্স রুম ব্যবহারের সুবিধাসহ তাদের আর্থিক বিনিয়োগের মাধ্যমে উদ্যোগটি যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া স্টার্টআপগুলোকে নিয়ে পরবর্তীতে বছরব্যাপী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও বেসিস যৌথভাবে কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এই আয়োজনে ইনকিউবেশন ও টেলিকম পার্টনার হিসেবে বাংলালিংক এবং অন্যান্য সহযোগী হিসেবে রয়েছে ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, গ্যাপ এবং কিজকি।

/এইচএএইচ/

লাইভ

টপ