কমনওয়েলথে নেতৃত্ব দিতে বাংলাদেশি তরুণ

Send
তারুণ্য ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৭:১৪, জানুয়ারি ০৬, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪৫, জানুয়ারি ০৭, ২০১৬

রকিবুল

বাংলাদেশি তরুণ রকিবুল হাসান রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সন্মানে প্রবর্তিত 'কুইন্স ইয়ং লিডার' প্রোগ্রামে মনোনীত হয়েছেন। গত ৮ ডিসেম্বর দ্য কুইন্স ইয়ং লিডার প্রোগ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেয়।

রকিব ‘হাইলি কমান্ডেড রানার আপ’ এর বিশেষ বিভাগে এই বিরল সন্মাননা অর্জন করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্বের কমনওয়েলথভুক্ত পঞ্চাশেরও অধিক রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন।

এই বছরব্যাপী প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে রকিব যুক্তরাজ্যর বিখ্যাত ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘লিডিং চেঞ্জ’ নামক স্বতন্ত্র অনলাইন লিডারশিপ কোর্সে অংশগ্রহণ করারও সুযোগ পাবেন। রকিব এখন মহামান্য রানির পক্ষে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করবেন।

নারায়ণগঞ্জে বেড়ে ওঠা রকিব ছাত্র জীবনের শুরুর দিকে নানামুখী স্বেচ্ছাসেবক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন। রকিব বিশ্বাস করেন,  রাষ্ট্র অথবা সমাজের প্রকৃত মুক্তি যুব সমাজের গুণগত বিকাশের মধ্য দিয়ে অর্জিত হতে পারে। কারণ দ্রুতই এই যুবকগণ প্রবীণদেরকে কর্মস্থল প্রতিস্থাপন করবে। 

ইতোমধ্যে রকিব সামাজিক বিষয়ে  ১৫টির বেশি গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, উন্নয়ন ও শান্তির ওপর তার প্রথম বইও প্রকাশের পথে।

দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশি সমাজে ভিন্ন ধারায় নেতৃত্ব বিকাশে অনবদ্য ভূমিকা রাখার জন্য ২০১৪ সালে ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে  'বিশ্ব যুব এওয়ার্ড-২০১৪'পান। মণিপুরের মূখ্যমন্ত্রী ভি কে দুগোলের হাত থেকে এই সর্বোচ্চ মর্যাদা গ্রহণ করেন তিনি। একই বছর ‘উদীয়মান ৪৬ দক্ষিণ এশীয় পেশাজীবীদের’ একজন হিসেবে শান্তি প্রতিষ্ঠা বিষয়ক নেপালে এক আঞ্চলিক কর্মশালায় অংশ নেন। ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস  এই কর্মশালার আয়োজন করে।  

সম্প্রতি তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এশীয় মহাদেশীয় শান্তি সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাছাড়া  তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন বিভাগ থেকে শান্তিরক্ষার উপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

পেশা জীবনে সাংবাদিকতা (বাংলাদেশ টুডে) বেছে নেওয়ার আগে, তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস এন্ড সিকিউরিটি স্টাডিজে নিরাপত্তা বিশ্লেষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

Image

স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির আওতায় গত কয়েক বছরে তিনি শতাধিক শিক্ষার্থীদের নাগরিক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন বিদ্যালয়/মহাবিদ্যালয়ের কোমলমতি কিশোরদের মানসিক বিকাশের সময় যদি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সুনাগরিকতা, পারস্পরিক শান্তি ও সম্প্রীতি বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়,পরবর্তীকালে জাতীয় জীবনে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পরবে। বর্তমানে তিনি ডেনমার্কে ওমেন ডেলিভারের দেওয়া তিন বছরব্যাপী ফেলোশিপ করছেন।

তিনি বৃহত্তম আঞ্চলিক যুব সংগঠন, ‘সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ সোসাইটি’র সংবাদ ও গণমাধ্যম বিভাগের প্রধান হিসাবে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করছেন। 

/এফএএন/

লাইভ

টপ