X
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

বেহাল দশা মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রের

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৭, ১৪:১২

অযত্ন আর অবহেলায় বেহাল দশা বিষাদ সিন্ধুর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রের। তার সমাধিস্থল রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার পদমদী গ্রামে এ স্মৃতিকেন্দ্রটি অবস্থিত। যা দেশের একটি সম্ভাবনাময় সাহিত্যের তীর্থস্থান।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠার প্রায় এক যুগ পার হলেও স্মৃতি কেন্দ্রের সংগ্রহশালায় নেই কোনও নিদর্শন। ৬টি পদে নিয়োগ থাকার কথা থাকলেও মাত্র দুই জন দিয়েই চলছে কেন্দ্রটি। নির্মাণের ১৩ বছরে হয়নি কোনও সংস্কার। মূল ভবনে ফাটল, বৃষ্টির পানি পরে, মাটি ধসে সীমানা প্রাচীর হেলে পড়েছে। গত সোমবার (১৩ নভেম্বর) ছিল মীর মশাররফ হোসেনের ১৭০তম জন্মবার্ষিকী। জীবনকালে তিনি লিখেছেন, বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য রচনা বিষাদ সিন্ধু, জমিদার দর্পন, গড়াই ব্রিজ, বসন্ত কুমারীসহ অনেক কালজয়ী লেখা। তিনি ছিলেন ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে এক অদম্য লেখক।

আরও জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসে এক একর ৮৪ শতাংশ জমির ওপরে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় সম্ভাবনাময় এই স্মৃতিকেন্দ্রটি। তবে অযত্ন ও অবহেলায় দিন দিন তার সৌন্দর্য হারাচ্ছে। লোকবলের অভাবে ব্যহত হচ্ছে সম্ভাবনাময় এই স্মৃতিকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা। সাহিত্য প্রেমিক পর্যটকেরা হচ্ছেন বিমুখ।

জেলার সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব অ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস বলেন, ‘মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের কেবল কাল পর্বেরই স্রষ্টা নন, তিনি বিষাদ সিন্ধুর রচয়িতা। পাঠক সৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি রবীন্দ্রনাথকেও ছাড়িয়ে গেছেন। আমরা তার স্মৃতি বিকাশে এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি।’

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ বিনয় কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘বাংলা একাডেমি একটু সুদৃষ্টি দিলেই স্মৃতিকেন্দ্রেটি সংস্কার করে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তর করা যায়।’

স্মৃতি পরিষদের সাহিত্য সম্পাদক সঞ্জীত কুমার দাশ বলেন, ‘স্মৃতিকেন্দ্র্রে মীর মশাররফ হোসেনের কোনও স্মৃতি নেই। এখানে অন্য অনেক লেখকের বই থাকলেও তার কোনও বই পাওয়া যায় না। দীর্ঘদিন ধরে আমি ‘বিষাদসিন্ধু’ উপন্যাসটি এখানে পাচ্ছি না।’

দর্শনার্থী মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রে অনেক জেলার মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন। এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র থাকলে আরও ভালো হতো।’

সমাজসেবক এম এ খালেদ পাভেল বলেন, ‘সারাবছর মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্রটি অযত্নে-অবহেলায় পড়ে থাকে। শুধু ১৩ নভেম্বর জন্মদিন এলেই স্মৃতিকেন্দ্র ঝকঝক-তকতক করা হয়।’

রাজবাড়ী জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার পাল বলেন, ‘প্রতিবছর মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। কিন্তু দক্ষ সংগঠকের অভাবে নির্মাণের ১৩ বছরেও আলো ছড়াতে পারছে না স্মৃতিকেন্দ্রটি। তাই স্মৃতিকেন্দ্রের সৌন্দর্য বাড়াতে ডিজিটালাইজেশন করা প্রয়োজন।’

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুম রেজা বলেন, ‘মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র সংস্কার করা জরুরি। এ ব্যপারে বারবার বাংলা একাডেমিকে চিঠি দেওয়া হলেও কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি।’

উল্লেখ্য, ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর মীর মশাররফ হোসেন কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে। তার বাবার নাম সৈয়দ মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ও মায়ের নাম দৌলত নেছা। ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর পদমদীতেই কালজয়ী এই সাহিত্যিক মারা যান। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে বিবি কুলসুমের সমাধির পশ্চিম পাশে সমাহিত করা হয়।

আরও পড়ুন:
প্রতিবেশীর দেয়ালে আটকা তিন পরিবার

/এসএনএইচ/

সম্পর্কিত

১৬ কেজির কাতল ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি

১৬ কেজির কাতল ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

৩১ বছরের পুরোনো শতাধিক গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

৩১ বছরের পুরোনো শতাধিক গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

ডায়িং মেশিনের গরম পানিতে ঝলসে ৩ শ্রমিক আহত

ডায়িং মেশিনের গরম পানিতে ঝলসে ৩ শ্রমিক আহত

এক বিদ্যালয়ের ১৫০ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫৬

বগুড়ায় করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ‘ঝরে পড়েছে’ ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে এক বিদ্যালয়ের ১৫০ ছাত্রীসহ পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। অনেকে মা-বাবার সঙ্গে কর্মস্থলে গেছে। কেউ অন্য এলাকায় চলে গেছে। ফলে শহরের চেয়ে গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি কমেছে। মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা ‘ঝরে পড়া’ শিক্ষার্থীর সঠিক সংখ্যা বের করতে না পারলেও এখন পর্যন্ত ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে বলে জানিয়েছেন। 

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় তালিকাভুক্ত ৮৬২টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩৯টি, কলেজ ৮২টি, স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২৮টি এবং মাদ্রাসা ৩১৩টি। এর বাইরে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। 

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হযরত আলী বলেন, করোনার পর বিদ্যালয়গুলো খুললে শহরের চেয়ে গ্রামের প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি কম। তবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে। তাই এখনই কত শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে তা বলা সম্ভব নয়। তবে ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা করছি আমরা।

দেলুয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সারিয়াকান্দির পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাকী মোহাম্মদ জাকিউল আলম জানান, তার প্রতিষ্ঠানে এক হাজার ৯৯৭ ছাত্রী। করোনাকালে ১৫০ ছাত্রীর বিয়ে হয়ে গেছে। কেউ কেউ পরিবারের সঙ্গে অন্যত্র চলে গেছে।

জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাবেদ আকতার বলেন, জেলার ১২ উপজেলায় এক হাজার ৬০৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। শিক্ষার্থী দুই লাখ ৩১ হাজার ৯৫৮ জন। গত দেড় বছরে করোনাকালে অনেক শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। অনেকে এলাকা থেকে অন্যত্র চলে গেছে। ঝরে পড়ার সংখ্যা এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। কারণ করোনায় ভয়ে এখনও কিছু শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানে আসছে না। তাদের বিদ্যালয়মুখী করতে চেষ্টা চলছে। তবে আমাদের ধারণা, ১০ শতাংশ ঝরে পড়েছে।

সারিয়াকান্দির বাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পঞ্চম শ্রেণির আট শিক্ষার্থীর পাঁচ জন উপস্থিত আছে। বাকি তিন জন নেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকলিমা খাতুন বলেন, করোনার কারণে উপস্থিতি কম। 

বাগবেড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে আগে ১৮ জন ছাত্রছাত্রী ছিল। বিদ্যালয় খোলার পর ৭-৮ জন উপস্থিত থাকছে। প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু শিক্ষার্থী মা-বাবার সঙ্গে কারখানায় কাজ করতে চলে গেছে। কারও বিয়ে হয়ে গেছে।

বাগবেড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিদিন ৭-৮ শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকে

দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে ৩৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রতিদিন ২০-২৫ জন উপস্থিত থাকে। আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আট জনের মধ্যে ছয়জন উপস্থিত থাকে। এ ছাড়া হিন্দুকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫ জনের মধ্যে নয় জনকে উপস্থিত পাওয়া গেছে। করোনাকালে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ে হয়েছে।

দারুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, এক কিলোমিটারের মধ্যে ৩-৪টি প্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম। করোনার কারণে আরও কমেছে।

সারিয়াকান্দি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবির বলেন, উপজেলায় ১৬৮টি বিদ্যালয়ে ২১ হাজার ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। করোনার পর উপস্থিতি কিছুটা কমেছে। এখনও ঝরে পড়ার সংখ্যা নির্ণয় করা যায়নি।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম শহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ২৮টি বিদ্যালয়ে ১৯ হাজার ৮৫১ ছাত্রছাত্রী রয়েছে। শহরের চেয়ে গ্রামের বিদ্যালয়গুলোতে উপস্থিতি কম। তবে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। কারণ প্রতিদিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। 

/এএম/

সম্পর্কিত

নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন টেকনোলজিস্ট

নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন টেকনোলজিস্ট

ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন দুই শিক্ষিকা: পুলিশ

ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন দুই শিক্ষিকা: পুলিশ

১৩ টাকা কেজিতে বিদ্যালয়ের বই বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক

১৩ টাকা কেজিতে বিদ্যালয়ের বই বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক

বগি লাইনচ্যুত, বিকল্প লাইনে ঢাকায় গেলো সুন্দরবন এক্সপ্রেস

বগি লাইনচ্যুত, বিকল্প লাইনে ঢাকায় গেলো সুন্দরবন এক্সপ্রেস

সাবেক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকা লন্ডারিংয়ের মামলা

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৩৯

প্রতারণার মাধ্যমে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা উপার্জনের অভিযোগে দিনাজপুরের আলোচিত সাবেক যুবলীগ নেতা খলিলুল্লাহ আজাদ মিল্টনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ধারায় মামলাটি করেন দিনাজপুর সিআইডির উপ-পুলিশ পরিদর্শক রোকনুজ্জামান। মামলায় মানি লন্ডারিং করা অর্থের পরিমাণ ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৮৫ টাকা বলা হয়েছে।

অভিযুক্ত খলিলুল্লাহ আজাদ মিল্টন দিনাজপুর জেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ও খানসামা উপজেলার পূর্ববাসুলী গ্রামের হাবিবুল্লাহ আজাদের ছেলে। এই মামলায় তার মা রাহিমা খানমসহ অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বাদী বলেন, ‘মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা ২০১৯ অনুযায়ী অনুসন্ধানের সময় প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পক্ষ থেকে দেওয়া ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত তথ্য ও বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি বিশ্লেষণ এবং সরেজমিনে অনুসন্ধান করে মামলা করা হয়।’

মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ দিনাজপুর শাখায় ১২টি হিসাব নম্বর; মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড রংপুর শাখায় মারিয়া ডেইরিং অ্যান্ড ফেটানিং সেন্টারের নামে একটি, মেসার্স সর্দার হাসকিং মিলের নামে রুপালী ব্যাংক চেহেলগাজী শাখায় একটি, সোনালী ব্যাংক লিলির মোড় শাখায় একটি, সোনালী ব্যাংক খানসামা শাখায় একটি এবং মেসার্স ডিজিটাল কনস্ট্রাকশন নামে সোনালী ব্যাংক দিনাজপুর শাখায় একটি হিসাব খোলা রয়েছে। এই হিসাবগুলোতে ২০১৩ সালের জুন মাস থেকে ২০২১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ৩৪ কোটি ৮৩ লাখ ২৯ হাজার ৮১১ টাকা জমা হয়। তার মা রহিমা খানমের নামে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের দিনাজপুর শাখার একটি হিসাব নম্বরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ৫৯ লাখ সাত হাজার ৭৭৪ টাকা জমা হয়। ওই ব্যাংক হিসাবগুলোতে উল্লেখযোগ্য ও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। তারা বিভিন্ন সময়ে বাড়ি, জমিজমা নিজ নামে-বেনামে কিনে এবং আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের দিনাজপুর শাখার ব্যবস্থাপক ফারুক হোসেন বলেন, ‘মিল্টন ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে বেশ কয়েকটি এফডিআর, ডিপিএস, সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে। তবে সেগুলো ব্যাংকের নিয়ম মোতাবেকই হয়েছে।’

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামি খলিলুল্লাহ আজাদ মিল্টন ওরফে খায়রুল আজাদ মিল্টন একজন প্রতারক, টেন্ডারবাজ, বালুমহল ও জলমহল দখলকারী, ভূমিখেকো, সুধের ব্যবসায়ী এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের মূল হোতা।

মামলার বাদী রোকনুজ্জামান আরও বলেন, ‘ছায়া তদন্ত করেই মামলা দায়ের করেছি। এখন এখানে আমার আর কোনও কার্যক্রম নেই। নতুন করে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ হবে। সিআইডি সদর দফতর চাইলে তারাও তদন্ত করতে পারে। প্রাথমিক সত্যতার বিষয়গুলো এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।’

উল্লেখ্য, মিল্টনের বিরুদ্ধে বালুমহল ইজারা নিয়ে দেওয়ার নাম করে অর্থ আদায়, সরকার কর্মচারীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সরকারি কাজে বাধা এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে চুল, কেজি ৫৩০০ টাকা

ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে চুল, কেজি ৫৩০০ টাকা

মাঠকর্মী হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষক ও ইমামদের টার্গেট করতেন রাগীব

মাঠকর্মী হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষক ও ইমামদের টার্গেট করতেন রাগীব

অন্য চিকিৎসকের নাম-পদবী ব্যবহার করে চিকিৎসা

অন্য চিকিৎসকের নাম-পদবী ব্যবহার করে চিকিৎসা

নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন টেকনোলজিস্ট

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২১

করোনার নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করে হিসাব দিতে না পেরে পালিয়ে গেছেন খুলনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) প্রকাশ কুমার দাশ। তিনি বিদেশগামীদের নমুনা পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। গত ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি পালিয়ে গেলেও বিষয়টি সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

হাসপাতাল সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হয়ে টাকার আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছেন প্রকাশ কুমার। হিসাবসহ টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সময় নিয়ে চার মাস অতিবাহিত করেন। ২৩ সেপ্টেম্বর অফিস ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান।

খুলনার সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, প্রকাশ কুমারের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। তিনি যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন সে জন্য পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়সহ স্বাস্থ্য বিভাগের দফতরগুলোকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা চলছে। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে এই অপকর্ম করে আসছিলেন প্রকাশ কুমার। তিনি এখানে দায়িত্ব নিয়েছেন ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। অর্থ নয়-ছয়ের বিষয়টি চলতি বছরের মে মাসে আমাদের নজরে আসে। তখন প্রকাশকে সব হিসাব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু আজ-কাল করে সময়ক্ষেপণ করেন। করোনার নমুনা পরীক্ষার চাপের দোহাই দিয়ে হিসাব দিতে আরও সময় নেন। এমন পরিস্থিতিতে গত ২২ আগস্ট ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যর কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। প্রতিবেদনে প্রকাশ কুমার দুই কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, প্রতিবেদন পেয়ে তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে হিসাব দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু বিলম্ব করতেই থাকেন। ২৩ সেপ্টেম্বর হিসাব না দিয়ে তাকে অফিস ত্যাগে নিষেধ করা হয়। ওই দিন জোহরের নামাজের পর আত্মীয়ের মৃত্যুর সংবাদ দিয়ে দেখতে যাওয়ার কথা বলে প্রকাশ হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। এরপর আর ফেরেননি।

/এএম/

সম্পর্কিত

এক বিদ্যালয়ের ১৫০ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে

এক বিদ্যালয়ের ১৫০ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে

সড়ক চার লেন করা নিয়ে নড়াইলে দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা

সড়ক চার লেন করা নিয়ে নড়াইলে দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা

ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন দুই শিক্ষিকা: পুলিশ

ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন দুই শিক্ষিকা: পুলিশ

পর্যটক টানতে সুন্দরবনে হচ্ছে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র

পর্যটক টানতে সুন্দরবনে হচ্ছে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র

ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে চুল, কেজি ৫৩০০ টাকা

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫২

দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে দেশটির নারীদের মাথার ফেলে দেওয়া চুল। আমদানি করা এসব চুল রাজধানীসহ স্থানীয় হেয়ার ক্যাপের কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের নাশাত ট্রেডার্স ও ঢাকার আশিক এন্টারপ্রাইজ নামের দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এ চুল আমদানি করছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আর কে এক্সপোর্টার্স ও হিউম্যান হেয়ার নামের দুটি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান এ পণ্য বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে।

মেসার্স নাশাত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী নুর ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের এই অঞ্চলে বেশ কিছু হেয়ার ক্যাপের কারখানা গড়ে উঠেছে। এসব কারখানাগুলোতে চুল দিয়ে বিভিন্ন ক্যাপ তৈরি করা হয়, যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরেও রফতানি হয়ে থাকে। এসব কারখানার মূল কাঁচামাল হলো নারীদের মাথার চুল। ফলে এসব চুলের বেশ চাহিদা তৈরি হয়েছে। এসব কারখানার চুলের সেই বাড়তি চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে নারীদের মাথার পরিত্যক্ত চুলগুলো আমদানি করা হচ্ছে। সাধারণত নারীরা চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ানোর সময় চিরুনির সঙ্গে যে চুল বেঁধে যায়, আমরা এসব চুল আমদানি করছি। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত চুলের কারখানাগুলোতে তা সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে ভারত থেকে প্রতি কেজি চুল ৬৩ মার্কিন ডলার (পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা) মূল্যে আমদানি করা হচ্ছে। যা কাস্টমসে শুল্কায়ন করা হচ্ছে একই মূল্যে। ১৫ শতাংশ শুল্ক বিদ্যমান থাকায় কেজি প্রতি শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে ৮৫০ টাকা করে।’

হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আসা চুলবাহী ট্রাক

তিনি আরও বলেন, ‘কারখানাগুলো এসব চুলের প্রথমেই গিট্টু খুলে সর্টিং করে। এরপর প্রক্রিয়াজাত করে তা আবার শ্যাম্পু ও বিভিন্ন মেডিসিন ব্যবহার করে ধুয়ে প্রক্রিয়াজাত করে তারপর হেয়ার ক্যাপ তৈরি করে।’

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম নুরুল আলম খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে মাথার চুল আমদানি হচ্ছে। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে শুরু করে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চার হাজার ৭৮০ কেজি চুল আমদানি হয়েছে। এসব চুল থেকে সরকারি রাজস্ব বাবদ ২০ লাখ ২৭ হাজার টাকা আয় হয়েছে। বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রফতানিতে সরকারি নিয়মমাফিক সবধরনের সুযোগ-সুবিধা কাস্টমসের পক্ষ থেকে আমদানিকারকদের দেওয়া হচ্ছে।’

বন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মাঝে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দর দিয়ে নিয়মিত পণ্যের পাশাপাশি সম্প্রতি কিছুদিন ধরে নারীদের মাথার ফেলে দেওয়া চুল আমদানি শুরু হয়েছে। নতুন এই পণ্য বন্দর দিয়ে আমদানির ফলে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দরের দৈনন্দিন আয় আগের তুলনায় বেড়েছে। একইসাথে বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের আয় পূর্বের তুলনায় বেড়েছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

সাবেক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকা লন্ডারিংয়ের মামলা

সাবেক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকা লন্ডারিংয়ের মামলা

কুড়িগ্রামে সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কুড়িগ্রামে সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

রোগে ঝরে পড়ছে পান, হতাশায় হিলির চাষিরা

রোগে ঝরে পড়ছে পান, হতাশায় হিলির চাষিরা

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ৩

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫১

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর রাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত টেকনাফের হোয়াইক্যং সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

এ সময় তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৫ রাউন্ড গুলি, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৩৭ হাজার নগদ টাকা এবং ৩ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন– টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সাতঘরিয়া পাড়া এলাকার মৃত সৈয়দুল আমিনের ছেলে শাহনেওয়াজ (২০), নুর বশরের ছেলে আবুল বশর (২৯) এবং আলী করিমের স্ত্রী খালেদা খানম (৩৮)।

সোমবার বিকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল মোস্তফা জানান, তার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্যের বিশেষ টিম ও র‍্যাব-১৫ সিপিসির টিমসহ যৌথদল গঠন করে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার অস্ত্র, ইয়াবা, গুলি, নগদ টাকাসহ আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

বিপুল পরিমাণ মাদক-অস্ত্রসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

বিপুল পরিমাণ মাদক-অস্ত্রসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

নির্মাণাধীন ভবন থেকে মালিকের মরদেহ উদ্ধার

নির্মাণাধীন ভবন থেকে মালিকের মরদেহ উদ্ধার

তিন গ্রামে যাওয়ার সড়ক নেই

তিন গ্রামে যাওয়ার সড়ক নেই

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

১৬ কেজির কাতল ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি

১৬ কেজির কাতল ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

৩১ বছরের পুরোনো শতাধিক গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

৩১ বছরের পুরোনো শতাধিক গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

ডায়িং মেশিনের গরম পানিতে ঝলসে ৩ শ্রমিক আহত

ডায়িং মেশিনের গরম পানিতে ঝলসে ৩ শ্রমিক আহত

আট কেজির ঢাই মাছ বিক্রি হলো ২৫ হাজারে

আট কেজির ঢাই মাছ বিক্রি হলো ২৫ হাজারে

পদ্মার ৩৭ কেজির বাগাড় ৪৮ হাজারে বিক্রি

পদ্মার ৩৭ কেজির বাগাড় ৪৮ হাজারে বিক্রি

পদ্মায় কম থাকলেও বাজার ভরে গেছে ‘পদ্মার ইলিশে’

পদ্মায় কম থাকলেও বাজার ভরে গেছে ‘পদ্মার ইলিশে’

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মীর হয়রানি থেকে বাঁচতে আবেদন 

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মীর হয়রানি থেকে বাঁচতে আবেদন 

‘পদ্মা সেতু এলাকায় সোনারগাঁ হোটেলকে সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা আছে’

‘পদ্মা সেতু এলাকায় সোনারগাঁ হোটেলকে সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা আছে’

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জন্ম নেওয়া সিংহ-শাবক মারা গেছে

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জন্ম নেওয়া সিংহ-শাবক মারা গেছে

সর্বশেষ

চাল আমদানিতে এলসি খোলার সময় ৭ দিন বাড়লো

চাল আমদানিতে এলসি খোলার সময় ৭ দিন বাড়লো

বাংলাদেশের চূড়ান্ত দলে নেই কিংসলে, চমক হৃদয়

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপবাংলাদেশের চূড়ান্ত দলে নেই কিংসলে, চমক হৃদয়

স্পিকারের সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্পিকারের সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফিক্সিং-কাণ্ড: শাস্তি কমলো আরামবাগের ফুটবলারদের

ফিক্সিং-কাণ্ড: শাস্তি কমলো আরামবাগের ফুটবলারদের

আরডি’র নতুন ব্র্যান্ড ‘অরা’

আরডি’র নতুন ব্র্যান্ড ‘অরা’

© 2021 Bangla Tribune