X
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

কোটা সংস্কার আন্দোলন: এ পর্যন্ত যা যা হলো

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৮, ১২:০৯

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে রবিবার (৮ এপ্রিল) থেকে উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা। সারাদিন গড়িয়ে আন্দোলন চলে শেষ রাত পর্যন্ত। পুলিশের ধাওয়ায় অবশেষে আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসের ভেতর তাদের অবস্থান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়। সোমবার (৯ এপ্রিল) সকালে ছাত্রলীগ কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। সব মিলিয়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে পুরো ঢাবি এলাকায়। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ২টায় ঢাবি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের পদযাত্রা শুরু হয়। পরে রাজু ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত ও কাঁটাবন ঘুরে পদযাত্রাটি শাহবাগ মোড়ে আসে। বিকাল ৩টা থেকে সেখানেই অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় শাহবাগের আশপাশের সড়ক দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত পৌনে ৮টার দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এ সময় কয়েকজনকে আটকও করা হয়। এরপরই পুলিশ আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন
পুলিশের অ্যাকশনের পর শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও টিএসসি এলাকায়। পরে রাত ১টার দিকে তারা ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামানের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। তারা উপাচার্যের বাসভবনের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারা ব্যাপক ভাঙচুর চালান এবং  ভেতরে থাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। আশপাশের কয়েকটি মোটরসাইকেলেও তারা আগুন দেন। রাত আড়াইটা পর্যন্ত এই অবস্থা চলে। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন

এদিকে, ঢাবির চারুকলা অনুষদেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। সেখানে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রার জন্য আনা দেড়শ বাঁশ এবং অসংখ্য কাঠের টুকরো আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। চারুকলা অনুষদের নিরাপত্তারক্ষী মো. আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে চারুকলার দুটি গেট ভেঙে আন্দোলনকারীরা ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ভেতরে ঢুকে বাঁশ ও কাঠ নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেয়।’ চারুকলা ইনস্টিটিউশনের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী সুফিয়ান বলেন, চারুকলার গেট দুই-তিনবার ভাঙা হয়েছে। ঢাবি উপাচার্যের বাসায় ভাঙচুর

দোয়েল চত্বর, শহীদুল্লাহ হলের সামনেও সহিংস পরিস্থিতির তৈরি হয়। বাংলা একাডিমের কাছে দুটি মোটরসাইকেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ধাওয়া করে হলে ঢুকতে বাধ্য করে। রাতেও টিয়ারশেল ও গুলি চালায় পুলিশ।     আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের অ্যাকশন

এদিকে পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত শাহবাগ থানায় ছিলেন। সোমবার ভোরের দিকে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তবে সোমবার পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও ঢাবি ক্যাম্পাসে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা আছে। শাহবাগ, টিএসসি, বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা, ভিসির বাংলোসহ পুরো ক্যাম্পাসেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ

কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১১টায় আন্দোলনকারীদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে সরকারের প্রতিনিধিরা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহঙ্গীর কবির নানক রবিবার (৮ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনকারীদের এ বৈঠকের প্রস্তাব দেন। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন

নানক বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা কোটা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কিন্তু আমরা সরকারের পক্ষ থেকে বলতে চাই, এই পরিস্থিতি আমাদের কাম্য নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি অবগত রয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন।’ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

এদিকে সোমবার সকালে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার ভোর ৬টার দিকে শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি কার্জন হলের দিকে যায়। মিছিলে থাকা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে লাঠি, রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে। ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনসহ প্রায় তিনশ নেতাকর্মী ছিলেন মিছিলে। ভোর ৬টার দিকে ছাত্রলীগের মিছিলটি শহীদুল্লাহ হলের সামনে পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আবারও থেমে থেমে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

আরও পড়ুন- 

উপাচার্যের বাসভবনে রাতের তাণ্ডব

ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা: মোড়ে মোড়ে পুলিশ, আন্দোলনকারীরা হলে

আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলির অভিযোগ

পুলিশের কারও ভুল হলে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি: ডিএমপি কমিশনার
৪ দফা দাবিতে টিএসসিতে অনড় ছাত্রীরা

অশুভ শক্তি গুজব রটিয়ে বেড়াচ্ছে: নানক

ঢাবি উপার্যের বাসভবনে ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন

শাহবাগ মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে অবস্থান

ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা

কার্জন হলে টিয়ারশেল, আন্দোলনকারীদের বিক্ষিপ্ত প্রতিরোধ

কোটা সংস্কার আন্দোলন: গোলাপ না নিয়ে পিছু হটলো পুলিশ

ঢাবি ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের দখলে, আন্দোলনকারীরা টিএসসিতে

কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মিছিল

মুখোশধারীরা আমার বাসভবনে হামলা চালিয়েছে: ঢাবি উপাচার্য

কোটা সংস্কার আন্দোলন: সকাল ১১টায় বৈঠকের প্রস্তাব সরকারের

কোটা সংস্কার আন্দোলন: পুলিশের লাঠিচার্জ-টিয়ারশেলে আহত ৩১

ছাত্রীদের নিরাপদে হলে পৌঁছে দেওয়াটাই এখন বড় বিষয়: ঢাবি প্রক্টর

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ার শেল ও লাঠিচার্জ ( ভিডিও)




/আরজে/এসটিএস/আরএআর/এফএস/

সম্পর্কিত

চেক ইস্যুর তিন মাস পরে ডাক পড়লো ৩০ সংগীত পরিচালকের, সেখানেও অস্বচ্ছতার অভিযোগ?

চেক ইস্যুর তিন মাস পরে ডাক পড়লো ৩০ সংগীত পরিচালকের, সেখানেও অস্বচ্ছতার অভিযোগ?

এক বছরে মামলা কমেছে ১৬.৭ শতাংশ, সংসদীয় কমিটিকে পুলিশের প্রতিবেদন

এক বছরে মামলা কমেছে ১৬.৭ শতাংশ, সংসদীয় কমিটিকে পুলিশের প্রতিবেদন

৮ মাসে ৮১৩ কন্যাশিশু ধর্ষণ

৮ মাসে ৮১৩ কন্যাশিশু ধর্ষণ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশির কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশির কারাদণ্ড

দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৫৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২০০১ সালে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দেইনি বলে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসবো না, এটাই বাস্তব।’

শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারলাম না। গ্যাস বিক্রি করার মুচলেকা দেইনি বলেই আমাকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হলো না। বৃহৎ দুটি দেশ আর প্রতিবেশি দেশের চাহিদা পূরণ করতে পারিনি।’

সেসময় ক্ষমতায় না আসার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমার কথা ছিল- আগে আমার দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ হবে, অন্তত ৫০ বছরের মজুত থাকবে। তারপর যেটা অতিরিক্ত থাকবে সেটা আমি বেচতে পারি। তাছাড়া এই দেশের সম্পদ আমি বেচতে পারি না। এই কথা আসলে একটা বিশাল দেশ আমেরিকা আর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পছন্দ হয়নি। কাজেই আমি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি।’

এ সময় খাদ্য উৎপাদন ও কৃষির আধুনিকায়নে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মহামারি শুরুর দিকেই আমি আহ্বান জানিয়েছি যে, আমাদের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। সারাবিশ্বের অনেক দেশে এখন খাদ্যের অভাব। অনেক দেশ দুর্ভিক্ষ অবস্থার দিকে চলে যাচ্ছে। জাতির পিতার ভাষায় বলতে হয়, বাংলাদেশের মাটি আছে, মানুষ আছে, আমরা যেনো খাদ্যের অভাবে আর কখনও না ভুগি। উত্তরবঙ্গ আওয়ামী লীগ সরকার আমলেই মঙ্গা মুক্ত হয়, মঙ্গা মুক্তই থাকবে। বাংলাদেশে কখনও যেন আর দুর্ভিক্ষ হতে না পারে।’

কৃষিজমি রক্ষার তাগিদ দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘কৃষিজমি কোনও মতেই যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়; আমরা উৎপাদন করবো, উন্নয়ন করে যাবো। তবে সে উন্নয়নটা আমাদের কৃষি জমি সংরক্ষণ করেই করতে হবে।’

সারাবিশ্বে প্রচুর খাদ্য অপচয়ের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যের অপচয়টা কমাতে হবে, অপচয় যেন না হয়। সারা বিশ্বে কিন্তু একদিকে খাদ্যের অভাব অপর দিকে কিন্তু প্রচুর খাদ্যের অপচয় হয়। এই অপচয় যেন না হয়। বরং যে খাদ্যগুলো অতিরিক্ত থাকে সেটাকে আবার পুনর্ব্যবহার করা যায় কীভাবে; সেটার বিষয়ে আমাদের চিন্তা করতে হবে। সে ধরনের ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। উদ্বৃত্ত যে খাদ্যটা থাকবে বা আপনি খেতে বসেও যে খাবারটা বেশি থাকবে সেটাও কীভাবে পুনর্ব্যবহার করা যায়, অন্য চাহিদা পূরণ করা যায় কি না- সেটাকেও গবেষণার মধ্যে রাখা দরকার।’

কৃষি সম্প্রসারণ ও খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা, খাদ্য চাহিদা ইনশাল্লাহ আমরা পূরণ করে যাবো। হতদরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য দিয়েও তাদের খাদ্য চাহিদা আমরা পূরণ করবো। আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’

উৎপাদিত খাদ্যের মান ঠিক রাখার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খাদ্য শুধু উৎপাদন না খাদ্যের মানটা যেন ঠিক থাকে।’

বীজ উৎপাদনে বিভিন্ন গবেষণা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বীজ আমরা উৎপাদন করবো, আমরা অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকবো না। ... সরকারিভাবে উৎপাদন করবে, বীজ মানসম্পন্ন বীজ সংগ্রহ এবং যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত ‘বঙ্গবন্ধু ধান-১০০’ অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কৃষিতে সফলতার জন্য বাংলাদেশী কৃষি বিজ্ঞানী ও গবেষকদের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সফলতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমরা চাহিদার উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি। বিশ্বে বাংলাদেশ এখন ধান উৎপাদনে তৃতীয়, শাকসবজি উৎপাদনে তৃতীয়, চা উৎপাদনে চতুর্থ, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম এবং পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে তৃতীয় এবং ইলিশ মাছ উৎপাদনে প্রথম স্থান অর্জন করেছি।’

কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষি বাতায়ন, কৃষক বন্ধু ফোন সেবা (৩৩৩১), কৃষকের জানালা, কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩) মাধ্যমে কৃষকদের সাথে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা, প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা, উন্নত বীজ ও সার সরবরাহ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, কৃষি যান্তিকীকরণসহ কৃষি সম্প্রসারণে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

বিশ্ব খাদ্য দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য- ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ, ভালো উৎপাদনই ভালো পুষ্টি, ভালো পরিবেশই উন্নত জীবন।’

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম।

/পিএইচসি/ইউএস/

সম্পর্কিত

খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়ে সাড়ে ৪ কোটি মেট্রিক টন: প্রধানমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়ে সাড়ে ৪ কোটি মেট্রিক টন: প্রধানমন্ত্রী

গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

১৯৭৩ সালের এই দিন

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সিরিয়ায় চিকিৎসক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৬ অক্টোবরের ঘটনা।)

১৯৭৩ সালের এই দিন জানানো হয়, দুই-একদিনের মধ্যে ২৮ সদস্যের একটি বাঙালি চিকিৎসক দল সিরিয়ায় যাচ্ছে। এই প্রথম আরবের বাইরের একটি এশীয় দেশ মধ্যপ্রাচ্যে সাহায্যকারী দল পাঠাচ্ছে। সিরিয়ার অনুরোধে দুই-একদিনের মধ্যে এই চিকিৎসক দল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধরত মিসর ও সিরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা প্রকাশ করে চিকিৎসক দল পাঠানোর প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে সিরিয়া বাংলাদেশের কাছে দ্রুত চিকিৎসক দল পাঠানোর অনুরোধ জানায় বলে জানা গেছে।

সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় সফরে বঙ্গবন্ধুর জাপান যাত্রা

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় সফরে জাপানের উদ্দেশে ১৭ অক্টোবর রওনা দেবেন। বঙ্গবন্ধুর এই সফরের ফলে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সুস্পষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করে কূটনৈতিক মহল। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদ, পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, মুখ্য সচিব রুহুল কুদ্দুস, স্বরাষ্ট্র সচিব এনায়েত করিমসহ আরও অনেকে সেখানে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে পূর্বদেশ সম্পাদক এতেশাম হায়দার চৌধুরী, ইত্তেফাক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত স্টাফসহ একটি সাংবাদিক প্রতিনিধি দল, প্রধানমন্ত্রীর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা ও ছোট ছেলে শেখ রাসেল জাপান সফরে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ বিমানের ৭০৭ বোয়িং সন্ধ্যা সাতটায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ঢাকা ত্যাগ করবে, পরদিন বেলা ১০টায় (টোকিও সময়) জাপানে পৌঁছাবে।

১৯৭৩ সালের ১৭ অক্টোবর প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকা

তবে জ্বালানি নিতে উড়োজাহাজটির মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে দুই ঘণ্টা অবস্থান করার কথা। বিমানবন্দরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানানোর কথা রয়েছে। জাপানে অবস্থানকালে বঙ্গবন্ধু ১৯ অক্টোবর সে দেশের সম্রাটের সঙ্গে শুভেচ্ছামূলক সাক্ষাতে মিলিত হবেন। এর আগে বঙ্গবন্ধু জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবেন। এ ছাড়া ১৮ অক্টোবর রাতে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-জাপান সমিতির সম্মেলনে যোগ দেবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ অক্টোবর দুপুরে জাপানের জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবর্ধনা সভায় যোগ দেবেন।

কর্নেল মাসুদ খানকে ক্ষমা করে দেওয়া হলো

দিল্লি চুক্তি মোতাবেক ত্রিমুখী লোকবিনিময় শুরু হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের এদিন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার বাঙালি পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। তাদের মধ্যে নৌ, সেনা ও বিমান বাহিনীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় কর্মরতরা ছিলেন।

কর্নেল ইয়াসিনও যেকোনও দিন বাংলাদেশে ফিরবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। দু’জন অফিসার এবং সেনাবাহিনীর একজন বাঙালি অফিসার কর্নেল মাসুদ খানের সঙ্গে একযোগে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে দখলদার বাহিনীর আনা কতগুলো বানোয়াট অভিযোগ এবং বিচারের নামে এক প্রহসন করে এদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বঙ্গবন্ধুকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

ডেইলি অবজারভার, ১৭ অক্টোবর ১৯৭৩ ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় মাসুদ খানকে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে দেখা যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফিরে আসার পর বিশেষ করে কর্নেল মাসুদ খানকে ক্ষমা করে দেন।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো মধ্যপ্রাচ্য সফরে রওনা হচ্ছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এই সফরকালে তিনি তিনটি দেশ সফর করবেন। এই দেশ তিনটি হলো—ইরান, তুরস্ক ও সৌদি আরব। তবে তিনি কী মতলব নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সেটি বলেননি। পর্যবেক্ষক মহল এই লোকটির আচরণ লক্ষ করছে বলে সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়। আরব-ইসরাইলের সে সময়কার চলমান যুদ্ধের পটভূমিতে ইসরায়েলের বড় মুরুব্বি আমেরিকার ভূমিকা ও এই সফর নিয়ে নানা মুনির মনে নানা রকম প্রশ্ন সৃষ্টি করে।

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা কেন?

ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা কেন?

চালের দাম বেশি হলেও জনগণ অস্বস্তিতে নেই: কৃষিমন্ত্রী

চালের দাম বেশি হলেও জনগণ অস্বস্তিতে নেই: কৃষিমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু আরবদের সম্ভাব্য সব সাহায্য দিতে আবারও প্রতিশ্রুতি দিলেন

বঙ্গবন্ধু আরবদের সম্ভাব্য সব সাহায্য দিতে আবারও প্রতিশ্রুতি দিলেন

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০৫

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ (১৬ অক্টোবর)। কৃষি মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশেও পালিত হবে দিনটি। এবারের প্রতিপাদ্য হলো, ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ-ভালো উৎপাদনে ভালো পুষ্টি, আর ভালো পরিবেশেই উন্নত জীবন’। 

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, ‘জাতির পিতা গ্রামীণ ও কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে যে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষি অন্তঃপ্রাণ। স্বাধীন দেশ পুনর্গঠনে তিনি কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। কৃষির উন্নয়নে কৃষকদের মাঝে খাস জমি বিতরণ, ভর্তুকি মূল্যে সার, কীটনাশক, উন্নত বীজ, সেচ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করেন।’

রাষ্ট্রপতি মনে করেন, সরকারের যুগোপযোগী নীতি ও পদক্ষেপে দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে দেশ। ফল ও সবজির উৎপাদন অনেক গুণ বেড়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে উৎপাদিত মাছ ও মাংস উৎপাদনে দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে। দেশের কৃষিপণ্য রফতানি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তার আশা, সরকারের এসব উদ্যোগ দেশের কৃষি উৎপাদনকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, সরকার মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে।’

শেখ হাসিনার তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে পাট ও কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান ও সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে দেশের মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়ে হয়েছে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন।

বঙ্গবন্ধুকন্যার কথায়, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার গত সাড়ে ১২ বছরে কৃষি উন্নয়নে কৃষিবান্ধব ও বাস্তবমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আমরা কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প-২০৪১-এর আলোকে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮, নিরাপদ খাদ্য আইন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট, ডেল্টা প্ল্যান-২১০০সহ উল্লেখযোগ্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষির উন্নয়নে আমরা কৃষকদের জন্য সার, ডিজেল, বিদ্যুৎ ও কৃষিযান্ত্রিকীকরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং কৃষি প্রণোদনা/কৃষি পুনর্বাসন, কৃষিঋণ, কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ, ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ই-কৃষির প্রবর্তন, জলবায়ু ও ঝুঁকি সহনশীল ফসলের জাত/প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইত্যাদির ব্যবস্থা করেছি। কৃষি শিক্ষা-গবেষণা খাতে আরও বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছি, যার ধারাবাহিকতায় খোরপোশের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক দেশ হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবো।’

গতকাল ঢাকার ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক গর্বের সঙ্গে বলেন, ‘করোনাকালে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয় সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ফলে করোনাকালেও দেশে খাদ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রয়েছে ও তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ বোরো উৎপাদন হয়েছে ২ কোটি টনেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। গত বছরের তুলনায় এ বছর সব ফসলের উৎপাদনই বেশি হয়েছে।’

বিশ্ব খাদ্য দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকালে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রতিপাদ্যের ওপর একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার রয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেমিনারে তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) প্রকাশিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০’ অবমুক্ত করবেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০’ দিয়ে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি উন্মোচন করবেন।

মুজিববর্ষ স্মরণীয় করে রাখতে কৃষি মন্ত্রণালয় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। আজ দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে আন্তর্জাতিক সেমিনারের পর বিকালে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে একটি কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন কৃষিমন্ত্রী। সেখানে দেশ-বিদেশের কৃষি ও খাদ্য বিষয়ে প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করবেন।

সূত্র: বাসস

/জেএইচ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সিরিয়ায় চিকিৎসক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সিরিয়ায় চিকিৎসক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত

ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা কেন?

ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা কেন?

চালের দাম বেশি হলেও জনগণ অস্বস্তিতে নেই: কৃষিমন্ত্রী

চালের দাম বেশি হলেও জনগণ অস্বস্তিতে নেই: কৃষিমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু আরবদের সম্ভাব্য সব সাহায্য দিতে আবারও প্রতিশ্রুতি দিলেন

বঙ্গবন্ধু আরবদের সম্ভাব্য সব সাহায্য দিতে আবারও প্রতিশ্রুতি দিলেন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:২৯

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টু রোডে সরকারি বাসভবনে কুমিল্লা পূজামণ্ডপে সৃষ্ট বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন তিনি।

মন্ত্রীর ভাষ্য, ‘ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনসহ জনপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জাতির দুঃসময়ে, দুর্দিনে, বিপদে-আপদে সবার আগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। আমাদের দেশে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে। এদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত। সেই সম্প্রীতি নষ্ট করতে এবং দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। এটি মোকাবিলার জন্য সব জনপ্রতিনিধিকে সতর্ক থাকতে হবে।’

কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র গ্রন্থকে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন মন্ত্রী। তার হুঁশিয়ারি, ‘যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধর্মীয় বিভেদ গড়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

মো. তাজুল ইসলামের মন্তব্য- শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোরভাবে দমন করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। তার কথায়, ‘স্বাধীনতাবিরোধী শত্রুরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জন্য বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্র করেছে এবং এখনও করে যাচ্ছে। তারা আন্দোলনে মানুষের সাড়া পায় না বলেই দেশকে অস্থিতিশীল করতে ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগিয়ে ইন্ধন দেওয়ার চেষ্টা করছে। 

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘আমরা হতদরিদ্র দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে উন্নত দেশের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। একটি স্বার্থন্বেষীমহল এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে। তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তারা কখনোই দেশের উন্নয়ন চায় না।’

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষদের সহাবস্থানে থাকার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করেছেন। মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও বঙ্গবন্ধু সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। মানুষ যে ধর্মের হোক না কেন, সে যেন রাষ্ট্রীয় অভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে এমন নীতিমালা বাস্তবায়ন করে গেছেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সেই নীতি বাস্তবায়ন করছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, কুমিল্লার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও দুর্বলতা থাকলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবেন।

/এসএস/জেএইচ/

সম্পর্কিত

দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী

দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সিরিয়ায় চিকিৎসক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সিরিয়ায় চিকিৎসক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়ে সাড়ে ৪ কোটি মেট্রিক টন: প্রধানমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়ে সাড়ে ৪ কোটি মেট্রিক টন: প্রধানমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়ে সাড়ে ৪ কোটি মেট্রিক টন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:১৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে আমাদের মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়ে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন হয়েছে।

আগামীকাল ১৬ অক্টোবর ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’  উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে পাট ও কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান ও সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে আমাদের মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়ে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন হয়েছে।

তিনি বলেন, “প্রতি বছরের ন্যায় এবারও জাতিসংঘের অন্যান্য সদস্য দেশের মতো কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ ১৬ অক্টোবর ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস’ পালন করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ। ভালো উৎপাদনে ভালো পুষ্টি আর ভালো পরিবেশেই উত্তম জীবন।’ করোনাকালীন পরিবর্তিত সময়ে যথাযথ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার গত সাড়ে ১২ বছরে কৃষি উন্নয়নে কৃষিবান্ধব ও বাস্তবমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আমরা কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প-২০৪১-এর আলোকে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮, নিরাপদ খাদ্য আইন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট, ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-সহ উল্লেখযোগ্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষির উন্নয়নে আমরা কৃষকদের জন্য সার, ডিজেল, বিদ্যুৎ ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং কৃষি প্রণোদনা, কৃষি পুনর্বাসন, কৃষিঋণ, কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ, ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ই-কৃষির প্রবর্তন, জলবায়ু ও ঝুঁকি সহনশীল ফসলের জাত-প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইত্যাদির ব্যবস্থা করেছি। কৃষি শিক্ষা-গবেষণা খাতে আরও বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছি। যার ধারাবাহিকতায় খোরপোশের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, “আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক দেশ হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবো।”

প্রধানমন্ত্রী ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী

দেশ বিক্রি করে তো আমি ক্ষমতায় আসবো না: প্রধানমন্ত্রী

গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চেক ইস্যুর তিন মাস পরে ডাক পড়লো ৩০ সংগীত পরিচালকের, সেখানেও অস্বচ্ছতার অভিযোগ?

চেক ইস্যুর তিন মাস পরে ডাক পড়লো ৩০ সংগীত পরিচালকের, সেখানেও অস্বচ্ছতার অভিযোগ?

এক বছরে মামলা কমেছে ১৬.৭ শতাংশ, সংসদীয় কমিটিকে পুলিশের প্রতিবেদন

এক বছরে মামলা কমেছে ১৬.৭ শতাংশ, সংসদীয় কমিটিকে পুলিশের প্রতিবেদন

৮ মাসে ৮১৩ কন্যাশিশু ধর্ষণ

দেশে যৌন হয়রানি বেড়েছে৮ মাসে ৮১৩ কন্যাশিশু ধর্ষণ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশির কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশির কারাদণ্ড

শিল্পাঞ্চলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর আশঙ্কা

শিল্পাঞ্চলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর আশঙ্কা

জঙ্গিদের সুপথে ফেরানোর কার্যক্রম কেমন চলছে?

জঙ্গিদের সুপথে ফেরানোর কার্যক্রম কেমন চলছে?

আটকে গেলো বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী জামিন

আটকে গেলো বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী জামিন

‘এয়ারপোর্ট থেকে’ ফোন: পার্সেলের কথা শুনে টাকা খোয়াবেন না

‘এয়ারপোর্ট থেকে’ ফোন: পার্সেলের কথা শুনে টাকা খোয়াবেন না

সাংবাদিক রোজিনা আজই মুক্তি পেতে পারেন

সাংবাদিক রোজিনা আজই মুক্তি পেতে পারেন

রোজিনাকে নিয়ে ফায়দা লুটতে চায় দেশবিরোধীরা: তথ্যমন্ত্রী

রোজিনাকে নিয়ে ফায়দা লুটতে চায় দেশবিরোধীরা: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ

আসিয়ানের সম্মেলন থেকে বাদ মিয়ানমারের জান্তা প্রধান

আসিয়ানের সম্মেলন থেকে বাদ মিয়ানমারের জান্তা প্রধান

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

ষড়যন্ত্রকারীরা মন্দিরে কোরআন শরীফ রেখেছিল: খন্দকার মোশারফ

ষড়যন্ত্রকারীরা মন্দিরে কোরআন শরীফ রেখেছিল: খন্দকার মোশারফ

সরকারের সঙ্গে আলেমদের কোনও বিরোধ নেই: মাওলানা হাসান

সরকারের সঙ্গে আলেমদের কোনও বিরোধ নেই: মাওলানা হাসান

ঢাকার ফুটপাতে খাবার থাকে না ঢাকা (ফটো স্টোরি)

বিশ্ব খাদ্য দিবস ঢাকার ফুটপাতে খাবার থাকে না ঢাকা (ফটো স্টোরি)

© 2021 Bangla Tribune