X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

বড় বাজেট বাস্তবায়নে সক্ষম নয় বাংলাদেশ

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৮, ১৩:৩৯

বাজেট ২০১৮-২০১৯ সক্ষমতার অভাবে বাজেট শতভাগ বাস্তবায়ন হয় না। তাই বরাদ্দ পাওয়া অর্থ খরচ করতে না পারার আশঙ্কায় বছরের মাঝামাঝি বাজেট সংশোধন করে সরকার। প্রতিবছর বাজেটের আকার বাড়লেও তা দক্ষতার অভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাজেট বড় হওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের হার প্রতিবছরই কমছে বলেও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সূত্রে জানা গেছে ।

জানা গেছে, আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার কম-বেশি, যা মোট জিডিপির ১৭ শতাংশ।

সূত্র জানায়, বাজেট বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্যেও ব্যাপক গরমিল রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাবের সঙ্গে (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএস) আবার বিবিএস-এর মহাহিসাব নিরীক্ষকের দফতর থেকে পাওয়া তথ্য মেলে না। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ভিন্নতা রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার, পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেটের আকার নামিয়ে আনা হয়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকায়। এ বাজেটও শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। তবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অর্থমন্ত্রীর এ আশা পূর্ণ হবে না বলে জানান বিশ্লেষকরা। তবে অর্থমন্ত্রী নিজেও বাজেট বাস্তবায়নের হার নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছিলেন। গত ২৮ মে এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়নের হার প্রতিবছর কমছে। এক সময় ৯৫ শতাংশ বাজেট বাস্তবায়ন হতো, এখন তা ৮০ শতাংশে নেমেছে।

আগের বছরগুলোয় ঘাটতি বাজেটের পরিমাণ মোট জিডিপির ৬ থেকে ৭ শতাংশ হলেও বর্তমানে তা অনেকাংশে কমে এসেছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে মোট দেশজ উৎপাদনের (ডিজিপি) ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। সেই হিসেবে মোট ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার মধ্যে ঘাটতি ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এর ফলে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা প্রতিবছরই বাড়ে।

অর্থ মন্ত্রণলয়ের একটি সূত্র জানায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ১ লাখ ১২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা, যা ২২ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার মোট জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যেই রয়েছে। যদিও সংশোধিত বাজেটে এর আকার কমে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে ঘাটতি কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৪১ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) সূত্র জানায়, ২০১২-১৩ অর্থবছর বাজেট ঘাটতি ছিল ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৩-১৪ সালে বাজেট ঘাটতি ছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে পাঁচ শতাংশ করে ঘাটতি ছিল। আর আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এসব অঙ্কের ক্ষেত্রে সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যেই থাকবে। অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৪ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার কম-বেশি। আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি হতে পারে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। তাহলে মোট বাজেট থেকে ঘাটতি বাদ দিলে বাজেট থাকে মাত্র ৩ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। প্রতিবছরই এটি হয়।

গত অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়িত হয়েছে ৮৯ শতাংশ। তার আগের বছর ৯২ শতাংশ। তার আগের বছর ৯১ শতাংশ এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল ৯৩ শতাংশ। আর এই অর্থবছরের ৯ মাসে খরচ হয়েছে এডিপির মাত্র ৫২ শতাংশ অর্থ।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্যমতে, গত অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়িত হয়েছে ৮৯ শতাংশ। তার আগের বছর ৯২ শতাংশ, তার আগের বছর ৯১ শতাংশ এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল ৯৩ শতাংশ। আর এই অর্থবছরের ৯ মাসে খরচ হয়েছে এডিপির মাত্র ৫২ শতাংশ অর্থ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বাজেট বড় হলেই বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। বাজেট শতভাগ বাস্তবায়নের সক্ষমতা অর্জন এখনও অনেক দূরে। দক্ষতার অভাবেই বাজেট বাস্তবায়ন হয় না বলেও মনে করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বাজেট শতভাগ বাস্তবায়ন না হওয়া নতুন কোনও বিষয় নয়। প্রতিবছরই বাজেট বাস্তবায়নে অগ্রগতি হচ্ছে। সেদিকটি বিবেচনায় আনলে বিষয়টি পজেটিভ। একসময় বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট করা হয়েছিল ৭৮৯ কোটি টাকা। এখন সেই বাংলাদেশ সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকার বাজেট দেয়। এটি নিঃসন্দেহে অগ্রগতি। তবে দক্ষতা বাড়ানোর কোনও শেষ নেই। এ চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়নে সক্ষমতা না থাকলে এত অগ্রগতি বাংলাদেশের হলো কী করে? আজ বাংলাদেশ আর সেই অবস্থানে নেই। এ বছর ৯১ থেকে ৯৩ শতাংশ বাজেট বাস্তবায়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।

/এসআই/এএইচ/চেক-এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২৩:৩০

দেশে সোমবার (২৬ জুলাই) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৪৭ জন। গত দেড় বছরের করোনা মহামারিকালে একদিনে এত মৃত্যু আর দেখেনি বাংলাদেশ। এর আগের দিন ২৫ জুলাই ২২৮ জনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। ঈদের ছুটির আগের দিন ২০ জুলাই ২০০ মানুষের মৃত্যু হয়। ঈদের দিন মারা যান ১৭৩ জন, ২২ জুলাই ১৮৭ জন, ২৩ জুলাই ১৬৬ জন এবং ২৪ জুলাই মারা যান ১৯৫ জন। এছাড়া জুলাই মাসের শুরু থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা দুইশ’র বেশি বা দুইশ’র কাছাকাছি ছিল। মৃত্যুর রেকর্ড ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ঘোষিত ‘কঠিন’ জুলাই মাস।

মৃত্যুর এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত ২৪ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ছাড়ায়। আর শেষ এক হাজার মৃত্যু ছাড়াতে অর্থ্যাৎ ১৮ থেকে ১৯ হাজার মৃত্যু ছাড়াতে সময় নেয় মাত্র পাঁচ দিন। তার আগে গত ১৯ জুলাই মৃত্যু ১৮ হাজার ছাড়ায়।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চে প্রথম তিন জন করোনা আক্রান্ত রোগীর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। তার ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু কথাও জানায় অধিদফতর। মার্চে অনিয়মিত হলেও চার এপ্রিল থেকে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়।

বিশ্বে যেসব দেশে করোনায় দৈনিক মৃত্যু সবচেয়ে বেশি হচ্ছে, সেই তালিকায় বর্তমানে দ্বাদশ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

করোনার ভয়াবহতার মধ্যেই ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিধিনিষেধ শিথিল করেছিল সরকার। ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফের কঠোর বিধিনিষেধও দেওয়া হয়েছে। তবে বিধিনিষেধ শিথিলে কোরবানির পশুর হাট, শপিং মল, মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি মোটেও মানা হয়নি। অনেকেই ঢাকা থেকে বাস, ট্রাক, লঞ্চে গাদাগাদি করে ঈদ করতে গেছেন গ্রামে। ঈদ শেষে ২৩ জুলাই ঢাকায় ফিরেছেনও তারা। এমনকি কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিন রবিবারও (২৫ জুলাই) ঢাকায় ফিরেছেন অনেকে। ফেরি, বাসে ছিল না স্বাস্থ্যবিধির বালাই। গণমাধ্যমের খবর বলছে, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে এখনও পদ্মা পার হচ্ছে মানুষ। আর এতে করে দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে মৃত্যুও নতুন রেকর্ড গড়ছে।

এদিকে, দেশের আট বিভাগের মধ্যে সাত বিভাগেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তির নমুনা থেকে জিনোম সিকোয়েন্সে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা (জিআইএসএআইডি) অনুযায়ী, দেশের সাতটি বিভাগে এখন পর্যন্ত ১৫০টি নমুনায় ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট বি-১৬১৭ পাওয়া গেছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সামাজিক সংক্রমণে জর্জরিত এখন পুরো দেশ। গত আট দিনে মারা গেছেন এক হাজার ২৮৯ জন এবং শনাক্ত হয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৬১ জন। ইতোমধ্যে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, বর্তমান সংক্রমণে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টই বেশি।

করোনায় শূন্য মৃত্যু লক্ষ্যমাত্রা রেখে কাজ করা দরকার মন্তব্য করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় কেন এবং ঠিক কোন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হচ্ছে তার পর্যালোচনা দরকার, তাতে অন্তত কিছু মৃত্যু কমানো সম্ভব হতো বা হবে। একইসঙ্গে মৃত্যু কমানোর জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের গঠন করা পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটি করোনায় মৃত্যু কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে জানিয়ে বলেছিল, করোনায় শূন্য মৃত্যুর টার্গেট নিয়ে কাজ করতে হবে। আর এ জন্য গত ১৭ জুন তারা একটি লিখিত প্রতিবেদন দেন, যেখানে কাজটি কীভাবে করতে হবে তার কিছু দিকনির্দেশনা ছিল।

কিন্তু সেই অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না, যদি হতো তাহলে মৃত্যু কমানো যেত বলে জানান পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য অধ্যাপক আবু জামিল ফয়সাল।

‘সংক্রমণ বেশি হলে মৃত্যুও বেশি হবে’ এটাই নিয়ম মন্তব্য করে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরার্মশক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যে ভ্যারিয়েন্ট দেশে ছড়াবে বেশি, সেটা যদি অধিক মাত্রায় ক্ষতিকারক হয় তাহলে মৃত্যু বেশি হবে।’

‘সেইসঙ্গে রাজধানীর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলো করোনায় মৃত্যু ঠেকাতে প্রস্তুত নয়। আমরা গত দেড় বছরেও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা বাড়াতে পারিনি, ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ নেই। যখন জটিল রোগীদের আইসিইউ দরকার হয় তখন তাদের ঢাকায় পাঠাতে হয়। ঢাকার হাসপাতালগুলোতেও আইসিইউ পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও যারা পাচ্ছেন, কিন্তু সেটা শেষ মুহূর্তে। আর শেষ মুহূর্তে চিকিৎসা দিয়ে আসলে রোগীকে বাঁচানো যায় না’—বলেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সেইসঙ্গে বর্তমানে যে লকডাউন দেওয়া হচ্ছে সেটা নন-মেডিক্যাল লকডাউন। এই নন-মেডিক্যাল লকডাউন দিয়ে মেডিক্যাল ব্যবস্থায় কোনও উন্নতি করা সম্ভব না। তাতে করে রোগী শনাক্তের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু বাড়বে এবং সেটাই হচ্ছে।’

‘লকডাউন না মেনে শহর থেকে গ্রাম, গ্রাম থেকে শহরে ফিরেছে মানুষ। আর এতে করে শনাক্তের সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যু’ জানিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ও এই হাসপাতালের কোভিড ইউনিটে দায়িত্বপালনকারী চিকিৎসক ডা. ফরহাদ উদ্দিন হাছান চৌধুরী মারুফ বলেন, ‘রোগীরা শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসছে। আর যে রোগী দেরিতে হাসপাতালে আসবে তার মৃত্যু অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি, যে রোগী ‘আর্লি’ হাসপাতালে আসবে তার চেয়ে। বেশি সময় ধরে শরীরে অক্সিজেনের অভাব থাকলে তার ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যায়।’

অধিক সংক্রমণ এবং টেস্ট না করার প্রবণতার কারণে মৃত্যু বাড়ছে জানিয়ে ডা. ফরহাদ উদ্দিন হাছান চৌধুরী বলেন, ‘টেস্ট না করালে করোনা শনাক্ত হচ্ছে না। শনাক্ত না হওয়ার কারণে রোগী ধরা পড়ছে না এবং যখন ধরা পরছে তখন আর চিকিৎসার কিছু থাকে না।’

‘জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই, এ কারণে রোগীরা সেখানে চিকিৎসা পাচ্ছেন না’—বলেন আরেকটি করোনা হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক। ‘এ কারণে ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগীদের মৃত্যু হচ্ছে বেশি’—নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন তিনি।

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার

করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৩২
document

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে সোমবার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে এক কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭৩ ডোজ। এরমধ্যে এক ডোজ নিয়েছেন ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৪৩০ জন এবং দুই ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ১০ হাজার ৪৪৩ জন। এগুলো অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। কেবল সোমবার  টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ২ লাখ ২১ হাজার ৫৩৬ জনকে।      

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এ পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন।  দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জন। জানা যায়, কোভিশিল্ড প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের মতো মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট। এদের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।  

পাশাপাশি সোমবার ফাইজারের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১২ জনকে। আর এখন পর্যন্ত এই টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ৫০ হাজার ৫২৩ জনকে।

এছাড়া সিনোফার্মের দেওয়া হয়েছে এ পর্যন্ত  ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮১ ডোজ। এরমধ্যে সোমবার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫৯  হাজার জনকে, আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৮ জনকে।

মডার্নার টিকা এ পর্যন্ত মোট দেওয়া হয়েছে মোট ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৫০ ডোজ, আর সোমবার দেওয়া হয়েছে ৫৮ হাজার ৪৬ ডোজ।

সারা দেশে টিকার জন্য এ পর্যন্ত মোট নিবন্ধন করেছেন ১ কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার ৪৪৭ জন।

 

/এসও/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২৩:৪১

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে করণীয় নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার আবারও জরুরি বৈঠকে বসছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে এই সভা।

সোমবার (২৬ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লকডাউন দিয়ে রাখলেও সংক্রমণ-মৃত্যু কোনোটিই কমছে না। এই পরিস্থিতিতে করণীয় কী, তা ঠিক করতেই এই সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সচিব জানিয়েছেন, চলমান ‘কঠোর লকডাউন’ ৫ আগস্ট  পর্যন্ত চলবে। সংক্রমণ কমাতে বিশেষজ্ঞরা লকডাউনের পক্ষে বললেও তা আবার মানুষকে জীবিকার সংকটে ফেলছে। বিষয়টি নিয়েও সরকারকে ভাবতে হচ্ছে।

চলমান লকডাউনের মেয়াদ ৫ আগস্টের পর আবারও বাড়ানো হবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের সভায় বিষয়টি ফাইনাল হবে।

 

/এসআই/এফএএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

আদালতের আদেশে সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত করলো ইসি

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২০:০৭

আদালতের রায় অনুযায়ী সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় ইসি থেকে নির্বাচন স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সেই অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিশন নির্বাচন স্থগিত করেছে। সিদ্ধান্তটি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়ে দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা সিলেট জেলা প্রশাসক কাজী এম এমদাদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নির্বাচন স্থগিতে কমিশনের নির্দেশনা পেয়েছি এবং সেই অনুযায়ী ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার দুপুরে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিতের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশনা পাওয়ার পর ফাইল নোট উপস্থাপনের মাধ্যমে কমিশন নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ ওই সময় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, আদালতের আদেশের বিষয়টি তারা জেনেছেন। কমিশন এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবে তারা তা বাস্তবায়ন করবে। সংবিধান অনুযায়ী এ আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির হাতে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় রয়েছে।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

যে কারণে করোনার ঝুঁকিতে উপনির্বাচন

যে কারণে করোনার ঝুঁকিতে উপনির্বাচন

আরপিও’র বাংলা পাঠ প্রকাশ

আরপিও’র বাংলা পাঠ প্রকাশ

রাজনৈতিক দলগুলো শর্ত মানছে তো? জানতে চায় ইসি

রাজনৈতিক দলগুলো শর্ত মানছে তো? জানতে চায় ইসি

করোনাকালে ভোটের বিপক্ষে জেলা প্রশাসন, অনড় ইসি

করোনাকালে ভোটের বিপক্ষে জেলা প্রশাসন, অনড় ইসি

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৪

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ১৯১ জন। গত দেড় বছরের মহামারিকালে একদিনে এত রোগী আর শনাক্ত হয়নি। একইসঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৪৭ জন। একদিনে এটাই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যু।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ১৫ হাজার ১৯১ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন সাত হাজার ৯৫৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৯৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে দুই হাজার ৪৬৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯০৮ জন, রংপুর বিভাগে ৬৭৮ জন, খুলনা বিভাগে এক হাজার ১৮৬ জন, বরিশাল বিভাগে ৮৪১ জন এবং সিলেট বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ৫৬৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৪৭ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে মারা গেছেন ৭২ জন। এছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগের ৬১ জন, রাজশাহী বিভাগের ২১ জন, খুলনা বিভাগের ৪৬ জন, বরিশাল বিভাগের ১২ জন, সিলেট বিভাগের ১৪ জন, রংপুর বিভাগের ১৬ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের মারা গেছেন পাঁচ জন।

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

সর্বশেষ

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ প্রথম টার্গেট

করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ প্রথম টার্গেট

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

মোবাইল থেকেই দেওয়া যাবে আয়কর রিটার্ন

মোবাইল থেকেই দেওয়া যাবে আয়কর রিটার্ন

করোনায় এখন আর মানুষের ভীতি নেই: তথ্যমন্ত্রী

করোনায় এখন আর মানুষের ভীতি নেই: তথ্যমন্ত্রী

গার্মেন্ট কারখানা খুলে দেওয়ার চিন্তা সরকারের নেই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

গার্মেন্ট কারখানা খুলে দেওয়ার চিন্তা সরকারের নেই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune