X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

আ.লীগের আনুকূল্যের আশায় ইসলামি দলগুলোর নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৮, ১৩:০০

মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মিসবাহুর রহমান চৌধুরী ও এম এ আউয়াল এমপি   আগামী নির্বাচনের আগে নিজেদের মধ্যে সমঝোতাভিত্তিক অবস্থানে পৌঁছাতে কাজ করছে অন্তত চারটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। এই দলগুলো একটি নির্বাচনি জোটের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আনুকূল্যলাভে আগ্রহী। এদের মধ্যে কেউ কেউ ‘নির্বাচনিপ্রাপ্তি’র আশায় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকেও বেছে নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দলগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।    

অনুসন্ধানে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কাছে ঘেঁষতে চায় কয়েকটি ইসলামি দল। তবে উল্লেখযোগ্য চারটি দল হচ্ছে— ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও তরিকত ফেডারেশন। এর মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিসবাহুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আগামী ২১ জুলাই নতুন একটি ধর্মভিত্তিক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। তবে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ইসলামী আন্দোলন কোনও জোটেই যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।

মিসবাহুর রহমানের নেতৃত্বে নতুন জোট

আগামী ২১ জুলাই বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিসবাহুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে নতুন একটি জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক ইসলামিক মুভমেন্টের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম এই জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনিই হবেন সম্ভাব্য এ জোটের মহাসচিব। সম্ভাব্য এ জোটের  নাম রাখা হয়েছে, ‘পিপলস ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স।’

জোট গঠনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র জানায়, এই জোট গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জোট নেতাদের সাক্ষাৎ করার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই সাক্ষাতের ওপর নির্ভর করছে আরও অন্তত চারটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের  জোটে অংশগ্রহণ।

নুরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, নতুন জোটের শরিক হতে ১০টি রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সম্মতি দিয়েছে। এই দলগুলো হচ্ছে— বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট (মিসবাহ), গণতান্ত্রিক ইসলামিক মুভমেন্ট, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি (রশিদ), বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (রুমা আলী), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (হাসরত খান ভাসানী), বাংলাদেশ জমিয়তে দারুস সুন্নাহ (শাহ মুস্তাকিম বিল্লাহ সিদ্দীকি), বাংলাদেশ গণ কাফেলা (হাকিম গোলাম মোস্তফা), বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলন (ফখরুল ইসলাম, সাবেক নেতা খেলাফত আন্দোলন), ইমাম-উলামা কল্যাণ পার্টি (জহিরুল ইসলাম) এবং ইসলামী পেশাজীবী পরিষদ (ক্যাপ্টেন রেজাউল করিম চৌধুরী)।

এছাড়া, জোট গঠনের পর আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে আরও চারটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এই জোটে যুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জোটের নেতারা। এই দলগুলো হচ্ছে— মুসলিম লীগ (আবুল খায়ের), পিডিবি (ফেরদৌস আহমম কোরেশী), জাতীয় পার্টি (এম এ মতিন) ও জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফ্রন্ট। উল্লেখ্য, গত ৩০ মার্চ গণফ্রন্টের নেতৃত্বে চারটি নিবন্ধিত দলের সমন্বয়ে একটি জোট গঠিত হয়।

পিপলস ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের সূত্রে জানা গেছে, গঠিতব্য এই জোট সরকার সমর্তক হিসেবে থাকবে এবং তারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কর্মসূচিও দেবে।

অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা প্রো-লিবারেশন ফোর্স হিসেবে কাজ করবো। আমাদের ঘোষণাপত্র প্রায় চূড়ান্ত। আগামী ২১ জুলাই আমরা হোটেল রাহমানিয়ায় আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান করবো।’ তিনি জানান, ওইদিন সকাল ১১টায় দৈনিক বাংলার মোড়ের কাছে হোটেল রাহমানিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করবে পিপলস ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স।

জাতীয় পার্টির জোটে যেতে পারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও জোটে যেতে দলীয় নেতাকর্মীরা একমত হলে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের। শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক প্রতিষ্ঠিত এ দলের চেয়ারম্যান হলেন মাওলানা হাবিবুর রহমান বুলবুলি হুজুর ও মহাসচিব মাওলানা মাহফুযূল হক।

দলটির একাধিক নেতা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জোটেই তাদের যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কয়েক দফায় জাপার বিভিন্ন পর্যায়ে সাক্ষাৎ করেছেন দলটির সিনিয়র নেতারা। যদিও পারিবারিকভাবে কয়েকজন নেতা দলটিতে প্রভাবশালী হওয়ায় তারা চাইছেন এককভাবে না গিয়ে আরও কয়েকটি ইসলামী দলকে একত্র করে এরশাদের জোটে শরিক হতে।

তবে দলটির তৃণমূলের একটি অংশ চায় বিএনপির সঙ্গে জোট করতে।  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত আল্লামা আজিজুল হক বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোটের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। এ কারণে চার দলীয় জোটের ব্যাপারে অনেকের আবেগ কাজ করে বলেও মনে করেন কয়েকজন নেতা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এরশাদের রাজনৈতিক সচিব ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে আমাদের ঐক্যের বিষয়টি ইতিবাচক। এটা দিনক্ষণ বলা যাবে না— কবে নাগাদ তারা আসবে। তবে এটা ঠিক যে, তাদের সঙ্গে জাপার আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক।’

বৃহত্তর নির্বাচনি সমঝোতা চায় ইসলামী ঐক্যজোটও

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে আসে ইসলামী ঐক্যজোট।ওই সময় আলোচনা ছিল— ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণেই তারা বিএনপি ত্যাগ করেছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দলটির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি চিঠিও দেয় ইসলামী ঐক্যজোট।

ওই চিঠিতে তারা অন্তত ২০টি আসন দাবি করে দলের জন্য। যদিও গত দেড় বছর ধরে দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, তারা একটি বৃহত্তর ঐক্যের চেষ্টা করছেন ইসলামী দলগুলোর মধ্যে। যদিও এ পর্যন্ত তেমন কোনও ইতিবাচক সাড়া দলটি পায়নি।

(ওপরে) ইসলামিক ফ্রন্ট, জমিয়ত, খেলাফত আন্দোলন, গণফ্রন্ট, জাকের পার্টি ও ইসলামী ফ্রন্ট; (নিচে) ইসলামী আন্দোলন, তরিকত ফেডারেশন, খেলাফত মজলিস, পিডিবি, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ইসলামী ঐকজোটের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, তাদের এখনও চেষ্টা চলছে নির্বাচনি সমঝোতাভিত্তিক ইসলামী ঐক্য গঠনের। এই ঐক্যে থাকার বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ফরায়েজি আন্দোলনের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। নির্বাচনের আগে কোনও ঐক্য স্থাপিত হলে পরবর্তীতে তারা এরশাদের সঙ্গে ভিড়তে পারে, এমন ইঙ্গিত মিলছে দলটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে।

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগও না বিএনপিও না, মধ্যপন্থা অবলম্বন করছি। সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আমরা নির্বাচনি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছি, মোটামুটি যারা আগে ইসলামী ঐক্যজোটের শরিক ছিল।’

এ প্রসঙ্গে আবদুল লতিফ নেজামী আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি তিনশ’ আসনের প্রত্যেকটিতে অন্তত একজন করে ইসলামী দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। এখনও আমরা তিনশ’র মধ্যে আছি। কাটছাঁট করার সময় এখনও আসেনি। অন্যান্য দলের সঙ্গে যদি সমঝোতা হয়, তাহলে সেটা পরে দেখা যাবে। এই সমঝোতা হবে ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে।’

তবে ঠিক কোন দিকে যাওয়ার চেষ্টা থাকবে ইসলামী ঐক্যজোটের, এমন প্রশ্নের উত্তরে মাওলানা নেজামী বলেন, ‘যে টানতে পারে, তার দিকেই যাবে।’

জোট চায় তরিকতও

১৪ দলীয় জোটের শরিক দলের নেতা বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়াল এমপিও চাইছেন একটি ধর্মভিত্তিক জোট করতে। এই জোটে কওমি, তরিকতপন্থী ও খানকাকেন্দ্রিক সংগঠনকে রাখার চেষ্টা আছে তার। বিগত একবছর ধরে এই চেষ্টা চলছে।

গত ১৭ এপ্রিল এম এ আউয়ালকে তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার অভিযোগ, এই দলের ওই সিদ্ধান্ত ছিল অগণতান্ত্রিক।

এম এ আউয়াল এমপি’র ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দলের মহাসচিব পদ থেকে অপসারিত হলেও নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের অনুকূলে একটি বৃহত্তর ধর্মীয় রাজনৈতিক ঐক্য করতে তার বৈঠক হয়েছে। এছাড়া, একটি নিবন্ধিত দলের চেয়ারম্যানের সঙ্গেও তার কয়েকদফা বৈঠক হয়েছে বলেও সূত্রের দাবি।

জানতে চাইলে এম আউয়াল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধর্মীয় ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক ইসলামী দলগুলোর একটি কার্যকর ঐক্য এখন সময়ের দাবি। আমি এ বিষয়ে তরিকতপন্থী, খানকা, মাজার ও মাদ্রাসাভিত্তিক অনেক দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।’ তবে এই জোট কোন ফরম্যাটে হবে, তা এখনও জানা যায়নি।

কোনও জোটেই যাবে না ইসলামী আন্দোলন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসা ইসলামী আন্দোলন আগামী নির্বাচনের আগে কোনও জোটেই যাচ্ছে না। দলটির নেতারা পরিষ্কার করেই বলছেন,দুর্বৃত্তায়িত কোনও জোটেই তারা শরিক হবেন না। এমনকী এই দুর্বৃত্তদের যারা সহযোগিতা করছে, তাদের সঙ্গেও কোনও জোটে অংশ নেবে না দলটি।

ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ মো.রেজাউল করিম বলেছেন,‘আগামী নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে। এরমধ্যে সব আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।’

জানতে চাইলে দলটির সহকারী মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা তিনশ’ আসনে প্রার্থী দিয়ে কাজ শুরু করেছি। আমাদের মাথায় জোটের কোনও চিন্তাই নেই। আর জোট কাদের সঙ্গে করবো, কেন করবো?’

জোট না করার বিষয়ে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘জোট করার তো একটা কারণ লাগবে। আমরা চাই, দেশের মানুষের পক্ষে একটি স্বচ্ছ ধারার রাজনৈতিক গুণগত পরিবর্তন। যারা অতীতে দেশটাকে বারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে, এখনও যারা দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত এবং তাদেরকে যারা সহযোগিতা করেছে, তাদের সঙ্গে জোট কেন করবো?’

আরও  যারা আগ্রহী

এছাড়া, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট আছে এরশাদের সম্মিলিত জাতীয় জোটে। আর ইসলামীক ফ্রন্ট চায় ১৪ দলীয় জোটে যেতে। মাওলানা জাফরুল্লাহ খানের নেতৃত্বাধীন খেলাফত আন্দোলন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না করলেও আওয়ামী লীগের পক্ষেই কোনও জোটে থাকবেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের উভয় অংশ, ইসলামী ঐক্যজোট (রকিব) ও খেলাফত মজলিস রয়েছে ২০ দলীয় জোটে। তবে জমিয়ত (কাসেমী) অংশটি নির্বাচনের আগে বিএনপি জোট ছাড়তে পারে—এমন গুঞ্জন রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। মোস্তফা আমীর ফয়সালের নেতৃত্বাধীন জাকের পার্টিও শেষমেষ আওয়ামী লীগের সঙ্গে যেতে পারে। নেজামে ইসলাম পার্টি (ইজহার) বিএনপির সঙ্গে জোট গড়তে রাজি হয়েছে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কোনও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করতে চায়, আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাবো।’

ইসলামী দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন কারণে বিএনপির সঙ্গে জোটে যাওয়ার সম্ভাবনা ফুরিয়ে এসেছে। এছাড়া, কওমি মাদ্রাসার সরকারি স্বীকৃতি, কওমি মাদ্রাসার আলেমদের চাকরিসহ নানা কারণে ক্ষমতাসীনদের প্রতি দুবর্লতা কাজ করছে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর। ফলে, আগামী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকেন্দ্রিক সুবিধা বা অন্যান্য রাজনৈতিক সুবিধা প্রাপ্তির জন্য ক্ষমতাসীনদের দিকেই হেলে থাকতে চায় দলগুলো।এক্ষেত্রে নির্বাচনি কৌশল অনুযায়ী প্রয়োজনে এরশাদের সঙ্গেও জোট গঠনে সম্মতি জানিয়েছে দলগুলো।

কেউ কেউ ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতকাণ্ড ও শাপলা চত্বরে আইনশৃংখলাবাহিনীর তৎপরতাকে সামনে আনলেও বেশিরভাগ ইসলামী দলগুলো এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বিশেষ করে হেফাজতের আমির আল্লামা শফীর সঙ্গে সুসম্পর্ক ও স্থিতিশীল সম্পর্কের কারণে রাজনৈতিকভাবে বিরোধিতা অনেকটাই কমে এসেছে, এমন ধারণা অনেক কওমিপন্থী রাজনীতিকের।

আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের নেত্রী বলেছেন—  ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ও বঙ্গবন্ধুর আর্দশে বিশ্বাসী সব দলকে নিয়ে ১৪ দলীয় জোট আরও সম্প্রসারণ করা হবে। সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক দলগুলো আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।’

উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই ভারত সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘ফোর্স’ দিয়ে নয়, বরং কৌশলের সঙ্গে (‘ট্যাক্টফুলি’) হেফাজতের সঙ্গে ডিল করছি। আর এখন তার সুফলও মিলতে শুরু করেছে। কওমি মাদ্রাসার বহু ছাত্রও এখন আওয়ামী লীগকে সমর্থন করতে শুরু করেছে!’

 

/এসটিএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৩:৪৬

আগামী ৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার (২৪ জুলাই) তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।‌

ওবায়দুল কাদের বলেন, শোকাবহ আগস্ট মাস আসন্ন। বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে শোকাবহ, মর্মান্তিক হত্যার স্মৃতিবিজড়িত আগস্ট মাস আমাদের দুয়ারে সমাগত।

তিনি বলেন, প্রতি বছর আগস্টে মাসে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়। কিন্তু এবার করোনার ভয়াবহতায় লকডাউনের কারণে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে আগস্টের কর্মসূচি সীমিত পরিসরে এবং কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষিত কর্মসূচি:- 

* ৫ আগস্ট শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। 

* সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* সকাল ১১টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলের শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* এ ছাড়াও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। 

* ১৬ আগস্ট বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা।

* ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা। 

* ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে সকাল ৯টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে ঘরোয়াভাবে আলোচনা সভা।

* ২৭ আগস্ট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরিধান করে সীমিত পরিসরে এসকল কর্মসূচি পালনে কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক ইউনিটসমূহকে দলের সভাপতির পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। 

সংক্রমণের উচ্চমাত্রার বিষয়টি মাথায় রেখে এবং কর্মসূচির ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে ঘোষিত কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।  

পাশাপাশি সকল সহযোগী সংগঠনসমূহকে সমন্বয় করে নিজস্ব কর্মসূচি পালনের উদাত্ত আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, লকডাউনে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা বেড়ে যায়। তবুও জীবনের সুরক্ষার প্রয়োজনে জনস্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

করোনার সংক্রমণ রোধে প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করার পাশাপাশি পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে চলমান বিধিনিষেধ প্রতিপালন করে সংক্রমণের উচ্চমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 

তিনি বলেন, আমাদের উদাসীনতায় লাগামহীনভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে ভয়ানক অবস্থা তৈরি হতে পারে। তাই জনস্বার্থে এবং জনজীবনের সুরক্ষায় শেখ হাসিনা সরকার এই কঠোর বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জীবনের প্রয়োজনে বা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সবাইকে ত্যাগ স্বীকার করে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করার অনুরোধ জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, অহেতুক কেউ বাইরে বের হবেন না। শতভাগ মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে বিধিনিষেধের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু কারো কারো উদাসীনতা এবং ঝুঁকি তোয়াক্কা না করে চলাফেরার কারণে সংক্রমণ পেয়েছে ঊর্ধ্বগতি। 

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি চলমান লকডাউন কর্মহীন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

 

 

/পিএইচসি/এনএইচ/

সম্পর্কিত

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

ঈদে ঢাকাতেই থাকছেন বেশিরভাগ আ.লীগ নেতা

ঈদে ঢাকাতেই থাকছেন বেশিরভাগ আ.লীগ নেতা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০১:০০

২০০৪ সালের শেষদিকে ১৪ দলীয় জোট গঠন করা হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বিরুদ্ধে ২৩ দফার ভিত্তিতে গঠিত জোটের নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। আদর্শিক এই জোট ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনটি সাধারণ নির্বাচনে একসঙ্গে অংশ নেয়। দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভায়ও রাখা হয় জোট নেতাদের। সর্বশেষ জোট নেতাদের বাইরে রেখে সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ, জাসদ-ইনু, ন্যাপ (মোজাফফর) এবং বাম জোট ১১ দল মিলে এ জোট গঠন হয়। ১১ দলে আছে- সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরাম, সাম্যবাদী দল, বাসদ (খালেকুজ্জামান), বাসদ (মাহবুব), গণতন্ত্রী পার্টি, গণআজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি ও শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল।

এদের মধ্যে সিপিবি, বাসদ, (খালেকুজ্জামান) ও নির্মল সেনের শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল শুরু থেকে ১১ দলের সঙ্গে থাকলেও ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়নি। গণফোরামও জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় তারা।

এদিকে বাসদ (মাহবুব) জোটের শুরু থেকেই নিষ্ক্রিয় ছিল। দলটির প্রধান নেতা আ ফ ম মাহবুবুল হক ২০০৪ সাল থেকে কানাডায় চলে গেলে দলের কার্যক্রমও সীমিত হয়ে পড়ে। ২০১৭ সালে কানাডায় মারা যান মাহাবুবুল হক। এ সময়ে একাধিক খণ্ডে ভাগ হয় দলটি। বর্তমানে রেজাউর রশীদের নেতৃত্বে বাসদের একটি অংশ ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তরিকত ফেডারেশন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জেপি) ১৪ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হয়। অপরদিকে জাসদ ইনু ভেঙে বাংলাদেশ জাসদ (আম্বিয়া) গঠন হয়। বর্তমানে জাসদের দুই অংশই ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপির আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে একসঙ্গে ভোট করলেও ক্ষমতার অংশীদার করা হয়নি। এরপর ১৪ দলের শরিক দলগুলোর ভেতর দূরত্ব বেড়ে যায়।

আওয়ামী লীগ নেতারা এই দূরত্বকে ক্ষমতার অংশীদার থাকা না থাকার দূরত্ব বলে মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজি জাফরউল্যাহ বলেন, এই দূরত্ব মূলত ক্ষমতাকেন্দ্রীক।

জোটের শরিক নেতাদের অভিযোগ, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ নেই বললেই চলে। করোনা মহামারি মোকাবেলায়ও জোটগত কোনও কর্মকাণ্ড নেই। মোটকথা ভালোমন্দ কিছুতেই যোগাযোগ হয় না। অথচ আগে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

শরিক নেতারা বলেন, দূরত্ব এমন পর্যায়ে গেছে যে, ঈদ, পূজা-পার্বণে সামান্য শুভেচ্ছা বিনিময়ও হয় না।

তাদের দাবি, ১৪ দল এখন অতীত। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটা অকার্যকর।

তবে আওয়ামী লীগ বলছে জোটে দূরত্ব নেই। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই বলেই মনে হচ্ছে দূরত্ব আছে। জোটের সমন্বয়ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জোট অটুট আছে।

জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে ১৪ দলীয় জোট হয়েছে, সেসব পূরণে আরও সময় দরকার। তাই জোট সক্রিয় রাখাই বাঞ্ছনীয়। এ জন্য আওয়ামী লীগকে আরও সক্রিয় হওয়া উচিত। জোট নেতাদের ভেতর মনোমালিন্য রয়েছে। আলোচনা করে এর সমাধান করা উচিত।’

ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, ‘ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন আমরা কি আর অ্যাকটিভ হবো না? জবাবে আমি বলেছিলাম আমরা অ্যাকটিভই আছি। যাদের হওয়ার কথা তারা নেই।’

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, ‘আন্দোলনের সময় জোটের দরকার হয় বেশি। তখন ছোট-বড় দলের প্রশ্ন আসে না। জোটের ভবিষ্যৎ কী হবে সেটা সময়ই বলে দেবে।’

গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জোটের কর্মকাণ্ড এখন ইস্যুভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনায় সীমাবদ্ধ। ২৩ দফার বিষয়ে আওয়ামী লীগের কোনও নজর নেই। এখন হয়তো আওয়ামী লীগ ভাবছে বাকিটা পথ তারা একাই এগোবে।’

কমিউনিস্ট কেন্দ্রের যুগ্ম আহবায়ক অসীত বরণ রায় বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লড়াই শেষ হয়ে যায়নি। তাই ১৪ দলের প্রয়োজনীয়তাও শেষ হয়নি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ১৩:০৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার প্রতি অধিকতর মানবিক আচরণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার মামলা ও চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতারা এক ধরনের রহস্যময় আচরণ করছেন। তার মুক্তি ও চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতি করতেই তারা বেশি আগ্রহী।’ বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেগম জিয়াকে আপনারা নিজ নিজ পদ রক্ষার জন্য দাবার গুটি বানাবেন আর দায় চাপাবেন সরকারের ওপর, তা হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বয়সের কথা বিবেচনায় ঘরে চিকিৎসার সুযোগ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। বিএনপি নেতাদের শেখ হাসিনার মহানুভবতার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সৌজন্যতা নেই বলেই পবিত্র ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে বিএনপি।’ সরকারের উদাসীনতা ও অযোগ্যতায় দেশের মানুষ নাকি কষ্টে আছে—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আসলে দেশের জনগণ নয়, বিএনপিই তাদের ব্যর্থ রাজনীতি ঢাকতে জনগণের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের পরীক্ষিত নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসীম সাহসী নেতৃত্বে দেশের জনগণ ভালো আছে। দেশের মানুষ ভালো আছে বলেই বিএনপির গায়ে জ্বালা বাড়ে।’ ’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন ও আন্দোলনে বারবার পরাজিত বিএনপি নেতারা এখন মিডিয়ায় বক্তব্য বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা নেই বলেই এখন তারা এটা সেটা বলে মাঠ গরম করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে, কর্মীদের চাঙা রাখার জন্য।’ দেশে গণতন্ত্র নেই—মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন, পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘গণতন্ত্র একটি বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়া। রাতারাতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না; বরং বিএনপিই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পদে পদে বাধা দিচ্ছে। তারপরও চড়াই উতরাই অতিক্রম করে গণতন্ত্র এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিমি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এ দেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়। দেশ স্বাধীন হয়। এ দেশের সব অর্জন এবং মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে রয়েছে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা।’

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয়; বরং বিএনপিই এ দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির পথ প্রদর্শক বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পবিত্র ঈদের দিনেও বিএনপি নেতারা জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে গিয়ে মিথ্যাচার করছেন। তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাকি নির্বাসনে!’ 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, তারেক রহমান একজন দণ্ডিত আসামি। যদি নির্বাসনে মনে করেন তাহলে তিনি দেশে কেন ফিরে আসছেন না? তারেক রহমান নির্বাসনে নাকি মুচলেকা দিয়ে দেশত্যাগ করেছেন, তা কি বিএনপি নেতারা ভুলে গেছেন?’

দেশে জেল জুলুমের ভয় করলে রাজনীতি করছেন কেন? কেন তারেক রহমান নির্বাসনে গেলেন মুচলেকা দিয়ে, এসব প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘জনগণকে বোকা বানানোর দিন এখন আর নেই।’

 

/পিএইচসি/আইএ/

সম্পর্কিত

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২৩:০৯

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার (২১ জুলাই) ঈদের রাতে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এ কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে বুধবার রাত আটটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজায় যান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য।

বৈঠকশেষে বেরিয়ে আসছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। ছবি: চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং

এদিন রাত পৌনে দশটার দিকে বেরিয়ে আসেন বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতারা। এরপর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনাদের (সাংবাদিকদের) মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে যেন সকলেই স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক চলেন এই আহবান জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কেমন?

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এসে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থাও তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ পরবর্তী গত ১৯ জুলাই টিকা নেওয়ার পর একটু জ্বর এসেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।’

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বিএনপিপ্রধানের সঙ্গে ঈদশুভেচ্ছা বিনিময়ে বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান ও ম্যাডামের চিকিৎসক ও ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এসে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল

/এসটিএস/এমএস/

সম্পর্কিত

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২১:৩১

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজায় গেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য। বুধবার (২১ জুলাই) রাত আটটার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন সেখানে প্রবেশ করেন।

বুধবার রাত সোয়া আটটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান। 

সাক্ষাৎ শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

এর আগে, বুধবার দুপুরে স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

/এসটিএস/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

সর্বশেষ

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

আইসিইউ ফাঁকা আছে মাত্র ৩৮টি

করোনাভাইরাসআইসিইউ ফাঁকা আছে মাত্র ৩৮টি

বাংলাদেশের চামড়াজাত ও সিরামিক পণ্যে আগ্রহ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের

বাংলাদেশের চামড়াজাত ও সিরামিক পণ্যে আগ্রহ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

মাস্ক পরুন, নিরাপদ থাকুন: মির্জা ফখরুল

মাস্ক পরুন, নিরাপদ থাকুন: মির্জা ফখরুল

সরকারের উদাসীনতায় জনজীবন বিপন্ন: মির্জা ফখরুল

সরকারের উদাসীনতায় জনজীবন বিপন্ন: মির্জা ফখরুল

বিএনপি-জোট ছেড়ে আসা জমিয়তের নেতারা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন 

বিএনপি-জোট ছেড়ে আসা জমিয়তের নেতারা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন 

বিএনপির নেতারা কে কোথায় ঈদ করছেন?

বিএনপির নেতারা কে কোথায় ঈদ করছেন?

© 2021 Bangla Tribune