X
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৫৬

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল (ছবি: ফোকাস বাংলা) ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর কারণে সারাদেশে নৌ-চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিআইডব্লিউটিএ’র ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক (ট্রাফিক) আলমগীর কবির বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঘোষণা করার পর আমরা সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের কোথাও কোনও নৌযান চলবে না।’

বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মাওয়া ফেরিঘাটে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ফেরি বন্ধ করা হবে। তবে আরিচায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক আছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। ঝড়টি বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২০ কিলোমিটার দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকালে ঝড়টি আরও এগিয়ে এসেছে। এখন সেটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। একইভাবে বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল, শুক্রবার সকালে সেটি ৭১০ কিলোমিটার দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে বৃহস্পতিবার ছিল ৭৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে, আজ সেটি ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে গতকাল ছিল ৭৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে, এখন ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে।

/এআরআর/এসটি/এমওএফ/

সম্পর্কিত

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

সড়কে শৃঙ্খলার বড় সঙ্কট রয়েছে: ওবায়দুল কাদের

সড়কে শৃঙ্খলার বড় সঙ্কট রয়েছে: ওবায়দুল কাদের

'মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে'

'মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে'

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২১

সংক্রমণের নিম্নগতির মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন রোগী শনাক্ত, শনাক্তের হার এবং মৃত্যু সবই আরও কমে এসেছে। সেই সঙ্গে দৈনিক মৃত্যু নেমে এসেছে পাঁচের নিচে। আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চার জন। এর আগে গত বছরের ৬ মে করোনা আক্রান্ত হয়ে এর চেয়ে কম তিন জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২৩২ জন। এর আগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল এর চেয়ে কম ২১৯ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল অধিদফতর।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ২৩২ জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৯ জন এবং আজকের চার জনকে নিয়ে মোট মারা গেলেন ২৭ হাজার ৮০৫ জন।

করোনা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৬৪ জন। তাদের নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৭ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার এক দশমিক ৩৬ শতাংশ, আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ। 

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৭ হাজার ১০৫টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ১০০টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক কোটি এক লাখ ৮৮ হাজার ৬২৩টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯২২টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৭ লাখ ৪৮ হাজার ৭০১টি।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার জনের মধ্যে পুরুষ দুই জন এবং নারী দুই জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৮০৮ জন এবং নারী ৯ হাজার ৯৯৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিবেচনায় ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে রয়েছেন তিন জন এবং ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন।

অধিদফতর জানাচ্ছে, মারা যাওয়া চার জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের দুই জন এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের রয়েছেন একজন করে। চার জনই সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। 

 

/জেএ/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

সড়কে শৃঙ্খলার বড় সঙ্কট রয়েছে: ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৭:২৫

পরিবহন ও সড়কে শৃঙ্খলার বড় সঙ্কট রয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখন মূল সঙ্কট শৃঙ্খলার। এখানে যদি আমরা ব্যর্থ হই তবে আমাদের সব উন্নয়ন ব্যর্থ হয়ে যাবে।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় অবস্থিত সড়ক ভবন অডিটোরিয়ামে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত ‘গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সড়কে শৃঙ্খলা আনাই আমাদের চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে কাদের বলেন, দেশে এত রাস্তা, ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, সীমান্ত সড়ক, মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ হচ্ছে। তারপরও আমরা কেন সড়কে শৃঙ্খলা আনতে পারবো না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। হাজার হাজার আবেদন, লাইসেন্স দেওয়া শুরু হয়েছে। আমি বলবো ছুটির দিনে কাজ করে হলেও আটকে থাকা লাইসেন্সগুলো দিয়ে দিতে হবে। এখন লাইসেন্সের অনেক ডিমান্ড। এজন্য আবেদনকারীরা হাহাকার করছে। এখন জট খুলেছে এটাই আশার বিষয়। আগামীতে আর কোনও জট যাতে না হয় সেটি আমার চাওয়া।

বিআরটিএ’র অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এখানে যারা অপকর্ম ও দুর্নীতি করে তাদের নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। যারা সেখানে যাওয়ার জন্য তদবির করে তারা তো কোনও কিছুর বিনিময়ে তদবির করেন। কারণ সেখানে কিছু লেনদেন আছে। যারা এসব তদবির করে তাকে দায়ী না করে যার জন্য তদবির করে আমি তাকে দায়ী করবো। গুলো বন্ধ করতে হবে। আমি যতদিন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি ততদিন কোনও অনিয়ম ও দুর্নীতি মেনে নেব না।

তিনি বলেন, কখনও দুই পরিবহনের সংঘর্ষে, কখনও তিন চাকার গাড়ি ইজি বাইক, নসিমন-করিমন দুর্ঘটনায় লোকজন প্রাণ হারায়। এর জন্য আমরা ২২ সড়কে এগুলো নিষিদ্ধ করেছি। কিন্তু অনেক জায়গায় এই নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না। আর ইদানিং নতুন উপদ্রব হচ্ছে মোটর সাইকেল। মোটরসাইকেল কোনও নিয়ম মানে না। প্রতিদিন সড়কে যে দুর্ঘটনা হয়, বেশির ভাগই মোটরসাইকেল। দুইজন তিনজন চড়ে হেলমেট নাই।

তিনি বলেন, পুলিশ দেখায় কত মামলা হয়েছে, কত জরিমানা করেছে। এগুলো আমার কাছে কোনও বিষয় না। আমার কাছে বিষয় হচ্ছে সড়ক নিরাপদ আছে কিনা, সড়কে দুর্ঘটনা কমেছে কিনা। গাড়ির ফিটনেস আছে কি না। চালকের ফিটনেস আছে কিনা।

তিনি বলেন, প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে, পাখির মতো মানুষ মরছে। এই মর্মান্তিক দৃশ্যগুলো আমি সইতে পারি না।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মল্লিক ফখরুল ইসলাম,  নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

৩৭ সেতু উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

৩৭ সেতু উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাজ: ওবায়দুল কাদের

কুমিল্লার ঘটনা সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাজ: ওবায়দুল কাদের

‘২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমিনবাজার সেতুর কাজ শেষ হবে’

‘২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমিনবাজার সেতুর কাজ শেষ হবে’

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে টানেল নির্মাণের চিন্তা আছে: ওবায়দুল কাদের

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে টানেল নির্মাণের চিন্তা আছে: ওবায়দুল কাদের

'মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে'

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৬:২১

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রামে মেরিন ফিশারিজ একাডেমি অডিটোরিয়ামে প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রয়াত ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের নামে অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, "স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে মেরিন ফিশারিজ একাডেমি প্রতিষ্ঠিত। এ একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ক্যাডেটদের মনে রাখতে হবে, স্বাধীন বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রথম বঙ্গবন্ধু তৈরি করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হতে হবে। তাদের আচরণ, গুণগত মান, উৎকর্ষ, কর্তব্য, দায়িত্বশীলতা, সততা, সৃজনশীলতা দেশে ও দেশের বাইরে যেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে, সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বিদেশের একটা জাহাজে একজন ক্যাডেট যখন কাজ করবেন, তার আচরণ, প্রজ্ঞা, কর্মদক্ষতা দিয়ে পরিস্ফুট হবে যে, এই হচ্ছে বাংলাদেশ। ক্যাডেটদের প্রত্যেককে বাংলাদেশের একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার এটা প্রত্যাশা করে"।

একাডেমির ক্যাডেটদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, "দায়িত্বের প্রতি সবসময় পবিত্রতার সাথে মনোযোগী থাকবেন। দায়িত্বের কোন সীমারেখা টানবেন না। কাজের মধ্যে যেন নিষ্ঠা থাকে, ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকে। দায়িত্বকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। তা নাহলে নিজের মেধার বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধন করা সম্ভব হবে না। আপনারা অধ্যবসায়ী হবেন, যাতে জীবনে ব্যর্থতা গ্রাস করতে না পারে"।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির উন্নয়নে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা একাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের অবদানের কথা এ সময় স্মরণ করেন মন্ত্রী।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ওয়াসিম মকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‑ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, যুগ্মসচিব ড. মো. মশিউর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, চট্টগ্রামের বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য দফতর ও প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তা, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা সুলতানা, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির কর্মকর্তা এবং প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে 'ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদ অডিটোরিয়াম' নামে মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন এবং উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

/এসএস/এমএস/

সম্পর্কিত

প্রবাসীরাই এ উন্নয়নের সহযোদ্ধা:  মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

প্রবাসীরাই এ উন্নয়নের সহযোদ্ধা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

চিড়িয়াখানা আধুনিকায়নে হচ্ছে মাস্টারপ্ল্যান: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

চিড়িয়াখানা আধুনিকায়নে হচ্ছে মাস্টারপ্ল্যান: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

‘রাজনৈতিক ব্যর্থতায় নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার বঙ্গবন্ধু’

‘রাজনৈতিক ব্যর্থতায় নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার বঙ্গবন্ধু’

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু ভাবা ঠিক নয়: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু ভাবা ঠিক নয়: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৪৭

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন হচ্ছে আজ। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য করা হয়েছে, ‘গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি’। দিবসটি পালনে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, অনিরাপদ সড়ক ও অব্যবস্থাপনার কারণে এ সেক্টরে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না; বরং দিনদিন বেড়েই চলেছে। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, ‘বাংলাদেশে উন্নত সড়ক অবকাঠামো বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সড়কপথে মোটরযানের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত গতি সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। তাই জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি রোধকল্পে গতিসীমা মেনে চলা আবশ্যক। এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য “গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি” যথার্থ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সড়ককে নিরাপদ করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আমাদের সরকার সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়নসহ নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ সরকারের সময় মহাসড়ক ২২ হাজার ৪২৮ কিলোমিটারে উন্নীত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৩২ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪-লেন ও তদূর্ধ্ব লেনে উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৬৪৭ কিলোমিটার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলমান রয়েছে। সমীক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে এক হাজার ৭৫৩ কিলোমিটার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ৫৯০ কিলোমিটারের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো নির্মিত হয়েছে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে। যানজটবিহীন যাতায়াতব্যবস্থা ও দ্রুত যোগাযোগের সুবিধার্থে মেট্রোরেল, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লাইন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ফ্লাইওভার, ওভারপাস-আন্ডারপাস, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ এবং বিভিন্ন মহাসড়কের বাঁক সরলীকরণ, মজবুতকরণ ও প্রশস্তকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বেশ কিছু কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় মহাসড়কের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাক চালকদের জন্য বিশ্রামাগার নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।’

অপরদিকে, দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সংলাপ’ শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকদের মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। ২০১৯ সালে তিন হাজার ৯৩৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মারা যান ৪ হাজার ৩৫৮ জন, আহত হন ৭ হাজার ২৪০ জন। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৩২ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। আর চলতি বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতির পরিমাণ ২৯ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।’

নিরাপদ সড়কের জন্য সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ধারাবাহিকভাবে তিনবারের ক্ষমতাসীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনি নানা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হলেও তৃতীয় মেয়াদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে নিরাপদ সড়কের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গাফিলতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব মতে, সারাদেশে প্রতিদিন গড়ে ৬৪ জন মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে। ১৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে দেখা গেছে, ২০১৫ সালে ৬ হাজার ৫৮১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ হাজার ৬৪২ জন নিহত ও ২১ হাজার ৮৫৫ জন আহত হয়েছেন। ২০১৬ সালে ৪ হাজার ৩১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ হাজার ৫৫ জন নিহত ও ১৫ হাজার ৯১৪ জন আহত হয়েছেন। ২০১৭ সালে ৪ হাজার ৯৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৯৭ জন নিহত ও ১৬ হাজার ১৯৩ জন আহত হয়েছেন। ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৫১৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ২২১ জন নিহত ও ১৫ হাজার ৪৬৬ জন আহত হয়েছেন। ২০১৯ সালে ৫ হাজার ৫১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৮৫৫ জন নিহত, ও ১৩ হাজার ৩৩০ জন আহত হয়েছেন। ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণে বছরব্যাপী লকডাউনে পরিবহন বন্ধ থাকা অবস্থায় ৪ হাজার ৮৯১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ হাজার ৬৮৬ জন নিহত ও ৮ হাজার ৬০০ জন আহত হয়েছেন। গত ৬ বছরে ৩১ হাজার ৭৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩ হাজার ৮৫৬ জন নিহত ও ৯১ হাজার ৩৫৮ জন আহত হয়েছেন। অথচ জাতিসংঘ ২০১১ সাল থেকে ২০২১ সালকে সড়ক নিরাপত্তা দশক ঘোষণা করে সদস্য দেশগুলোর সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনার অনুস্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এ অঙ্গীকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।

 

/এসএস/আইএ/

সম্পর্কিত

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২২ অক্টোবরের ঘটনা।)

জাপানি পত্র-পত্রিকায় বাংলাদেশ সরকারের নানা উদ্যোগের সংবাদ পরিবেশন করা হয়। পত্রিকার খবরে বঙ্গবন্ধুকে সাড়ে সাত কোটি মানুষের মুক্তিদাতা ও বিরাট ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সংবাদ যেভাবে গুরুত্ব দিয়ে পরিবেশন করা হয়েছে, তাতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি জাপানের জনগণের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মনোভাব প্রতিফলিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসনীয় হয়ে উঠছিল সে সময়। আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরও সংগ্রামে সক্রিয় সমর্থনদানের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশ বিপুল শ্রদ্ধা ও প্রশংসা অর্জন করে। এই দিন বিপিআই প্রকাশিত খবরে বলা হয়, অক্টোবরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই সাড়ে সাত কোটি বাঙালির নয়া প্রজাতন্ত্র সংগ্রামী আরব ভ্রাতৃবর্গের প্রতি সমর্থন জানায়।

সমগ্র বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জানান, বাংলাদেশ কেবল আরব ভাইদের প্রতি সমর্থন জানায় তা-ই নয়, আহতদের জন্য দ্রুতই চিকিৎসক দল এবং এক লাখ পাউন্ড চা উপহার পাঠিয়েছে।

আরব টেলিভিশন, বেতার ও পত্র-পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর সফরের খবর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফলো করা হয়। কায়রোর প্রধান দৈনিক আল আহরাম এবং অন্যান্য পত্রিকায় বিশেষ করে ইরাক, মিসর, সিরিয়া ও জর্ডানের পত্রিকাগুলোতে বাংলাদেশ থেকে সাহায্য এসে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা হয়। পত্রিকাগুলোতে আরবদের সংগ্রামে এই সাহায্য ‘কেয়ার অব বাংলাদেশ’ সংহতির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ৩৫ জন ডাক্তার ও নার্সের চিকিৎসক দল, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠায়।

দৈনিক বাংলা, ২৩ অক্টোবর ১৯৭৩ অবশেষে যুদ্ধবিরতি

এইদিন রাত ১০টা ৫০ মিনিট থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ১৭ দিনব্যাপী আরব-ইসরাইল যুদ্ধের অবসান ঘটে। যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথভাবে উত্থাপিত প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হয়। প্রস্তাবের বিপক্ষে কেউ ভোট দেয়নি। যুদ্ধে লিপ্ত প্রধান দুটি পক্ষ জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। অপরদিকে, ইরাক যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। সিরিয়া এখনও যুদ্ধ সম্পর্কে কোনও মতামত দেয়নি।

প্রসঙ্গত, সিরিয়া নিরাপত্তা পরিষদের ১৯৬৭ সালের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেনি।

বঙ্গবন্ধুর ব্যস্ত সময়

কর্মব্যস্ত দিন ছিল সেদিন। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোত্তাকিম চৌধুরী কর্তৃক প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এর কিছুক্ষণ আগে কয়েকটি অঞ্চলে দুই দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে প্রত্যাবর্তন করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব ও দলের অন্যান্য সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ওয়াকায়ামা প্রদেশে পাড়ি দেন এবং প্রদেশের তীর্থভূমির প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন এবং কর্মব্যস্ত শিল্পনগরী ওসাকার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে জাপানের প্রাচীন শহর কিয়োটোতে রাতযাপন করেন বঙ্গবন্ধু।

ডেইলি অবজারভার, ২৩ অক্টোবর ১৯৭৩ জাপানি সাহায্য ত্বরান্বিত হবে

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জাপান সফরে বাংলাদেশের অধিক হারে জাপানি সাহায্য লাভের পথ প্রশস্ত হয়। বাংলাদেশ অধিক জাপানি সাহায্য পাবে, এ ধরনের একটা গভীর আশাবাদ সরকারি মহলে সৃষ্টি হয়। জাপান সরকার বাংলাদেশকে খুব সহজ শর্তে সাহায্য দিচ্ছে এবং মনে করা হচ্ছে, জাপান এরমধ্যেই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জাপান বাংলাদেশকে পণ্য ঋণ দিচ্ছে। উল্লেখ্য, জাপান হচ্ছে এশিয়ার বৃহত্তম সাহায্যদানকারী দেশ এবং বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম, কিন্তু সত্তর দশকে উপমহাদেশে জাপানের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। অপরদিকে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে জাপানি সাহায্যের বৃহত্তম অংশ যেতে থাকে।

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

২৪ ঘণ্টায় চার মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

সড়কে শৃঙ্খলার বড় সঙ্কট রয়েছে: ওবায়দুল কাদের

সড়কে শৃঙ্খলার বড় সঙ্কট রয়েছে: ওবায়দুল কাদের

'মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে'

'মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে'

সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজসড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছেই

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

সফরকালে জাপানি গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলার নির্দেশ

গাফফার চৌধুরীর খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

গাফফার চৌধুরীর খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

৩৭ সেতু উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

৩৭ সেতু উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

‘শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে’

দুই হাসপাতালে নতুন পরিচালক

দুই হাসপাতালে নতুন পরিচালক

সর্বশেষ

ওয়ার্ল্ড কর্পোরেট ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘বানদো ডিজাইন’

ওয়ার্ল্ড কর্পোরেট ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘বানদো ডিজাইন’

রাতে স্ত্রীকে হত্যা করে সকালে মেয়েকে নিয়ে থানায়

রাতে স্ত্রীকে হত্যা করে সকালে মেয়েকে নিয়ে থানায়

পিকআপে করে গরু চুরির সময় ৪ চোর গ্রেফতার

পিকআপে করে গরু চুরির সময় ৪ চোর গ্রেফতার

মেয়েদের বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজে থাকছে দর্শক

মেয়েদের বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজে থাকছে দর্শক

রন্ধনশৈলী একটি সৃজনশীল শিল্পকর্ম: শিক্ষামন্ত্রী

রন্ধনশৈলী একটি সৃজনশীল শিল্পকর্ম: শিক্ষামন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune