X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

‘তারপরও স্যালুট জানাই মাতৃভূমিকে’

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫, ১১:২৭

মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিনছোট একটি ভাঙা মাটির ঘরে স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে বাস মহিউদ্দিনের (৬৫)। বছর তিনেক আগে ব্রেনস্ট্রোক করে শরীরের ডান পাশ অবশ হয়ে যায় তার। অর্থাভাবে চিকিৎসা করতে পারছেন না তিনি। চিকিৎসার খরচ মেটাতে একাত্তরের রণাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য পাওয়া স্বর্ণ পদকটিও বিক্রি করে দিয়েছেন। এখানেই শেষ নয়, মাত্র ২০ হাজার টাকা ঋণ নেওয়ায় বসতভিটাও কৃষি ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ রয়েছে। এমনই দুর্বিসহ দিন কাটাচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিনের।

মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মহিরখারুয়া গ্রামে। ছোট্ট একটি মাটির ঘরে স্ত্রী ও ৪ মেয়ে নিয়ে তার বসবাস। এর মধ্যে ২ মেয়ের বিয়ে দিলেও এক মেয়েকে যৌতুক না দিতে পারায় তাকে বাবার বাড়ি ফিরে আসতে হয়েছে। কলেজ পড়ুয়া এক মেয়েকে গার্মেন্টে চাকরিতে দিয়েছেন। ছোট মেয়ে এসএসসি পাশ করার পর কলেজে ভর্তি হলেও টাকার অভাবে লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম। আর যে বসতভিটা আছে তাও ব্যাংকে বন্দক রাখা। ৩ বছর আগে ব্রেনস্ট্রোক হয়ে শরীরের ডান পাশ অবশ হয়ে আছে। এ অবস্থায় সরকারি ভাতার টাকায় চিকিৎসা ও সংসারের খরচ যোগাতে না পেরে অর্ধাহারে দিন কাটছে এই মুক্তিযোদ্ধার।

বিছানায় শুয়ে ভাঙা ভাঙা গলায় কোনও রকমে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণের স্মৃতির কথা বললেন। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার  ৪৪ বছরে বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বিক্রি করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কোনও রকম বেঁচে আছি। গোল্ড মেডেলটি বিক্রি করে দিয়েছি। এখন আমার আর কিছু নেই। আমি শূন্য হাতে চিকিৎসাহীন অবস্থায় মৃত্যুর প্রহর গুনছি। ভাতার টাকায় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের চাহিদা মেটাতে পারছি না। তারপরও স্যালুট জানাই প্রিয় মাতৃভূমিকে।’

মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া প্রসঙ্গে তিনি শুধু বলেন, ‘খুব খুশি হইছি।’

মহিউদ্দিন ১৯৬৮ সালে এসএসসি পাস করে পাকিস্তানি নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। নৌবাহিনীতে সি কে টু পদে ২ বছর ৬ মাস চাকরি করেন। করাচি বি এন এস বাহাদুর ট্রেনিং সেন্টারে হয়ে উঠেন সাহসী এক নৌকমান্ডো। এরই মধ্যে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি দেশে ফিরে আসার সুযোগ খুঁজতে থাকেন। একদিন সুযোগ এসেও যায়। ২ মাসের ছুটির জন্য আবেদন করেন এবং ছুটি পেয়েও যান। ফিরে আসেন দেশে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ নিতে ৩৫ জনের একটি দলের সঙ্গে মহিউদ্দিন চলে যান ভারতের বিশাখা পত্তমে (ভারতীয় নৌবন্দর)। তার সঙ্গে বাকি ৩৪ জনের মধ্যে ২৫ জন ছিলেন নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্য। এ কারণে তাদের সবাইকে খুব তাড়াতাড়ি মুক্তিযোদ্ধে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মহিউদ্দিন ডাকাতিয়া, কচুয়া, বড়চুনা, সাগরদিঘীসহ মোট ২৫টি অপারেশনে সরাসরি অংশ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, যমুনা নদীতে ৪০/৬০ বাপার পাকিস্তানি গানবোট বিস্ফোরণে অংশও নেন তিনি। নদীতে নামার দায়িত্ব পড়ে তার ও ক্যাপ্টেন ফজলুর রহমানের ওপর। আনুমানিক রাত ২টায় অপারেশন শুরু করেন যমুনা নদী বয়রাতলী বাজারের দিক থেকে। তিনজন  তীরে পাহারায় রেখে তিনি, ক্যাপ্টেন ফজলুর রহমান, রবিউলসহ নদীতে নেমে যান। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও তারা অগ্রসর হন গানবোটের দিকে। ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর তারা পৌঁছে যান গানবোটের কাছে। গান বোটে লাগিয়ে দেওয়া হয় মাইন। পানি থেকে উঠে আসেন তারা তিন মুক্তিযোদ্ধা। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরিত হয় মাইনটি।

স্বাধীনতার পর ওই তিনজনকে বিশেষ অবদানের জন্য কাদেরিয়া বাহিনী স্বর্ণ পদক দেয়। মহিউদ্দিন ১৯৭৩ সালে আবার বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। শারীরিক অসুস্থতার জন্য ১৯৮০ সালে তাকে চাকরি ছেড়ে চলে আসতে হয়। মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিনের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, বর্তমানে তার স্বামীর অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। সরকারি ভাতায় কোনও রকম খেয়ে পরে বেঁচে আছেন।

 

/এসটি/

করোনাভাইরাস

আইসিইউ ফাঁকা আছে মাত্র ৩৮টি

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৪৯

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সংখ্যা আরও কমেছে।

গতকাল (২৩ জুলাই) হাসপাতালগুলোতে ৪২ বেড ফাঁকা থাকার কথা জানালেও স্বাস্থ্য অধিদফতর আজ জানাচ্ছে, করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ বেড ফাঁকা রয়েছে মাত্র ৩৮টি।

ঢাকায় করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে ১৬টি হাসপাতাল নির্ধারিত। এগুলোর মধ্যে ‑ সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতাল এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা হলেও সেখানে তাদের জন্য আইসিইউ নেই।

বাকী ১৩ হাসপাতালের মধ্যে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ১০ বেড, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ১৬ বেড, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের ছয় বেড, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২০ বেড, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২৪ বেড, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালর ১০ বেড আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বেডের সবগুলোতে রোগী ভর্তি রয়েছেন।

অর্থাৎ, রাজধানী ঢাকার সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে বড় সাত হাসপাতালেই আইসিইউ ফাঁকা নেই। বাকীগুলোর মধ্যে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের ১৫ বেডের মধ্যে পাঁচটি, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের আট বেডের মধ্যে দুইটি, টিবি হাসপাতালের ১৬ বেডের মধ্যে ১২টি, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের ১০ বেডের মধ্যে চারটি ও ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালের ২১২ বেডের মধ্যে ১৪টি বেড ফাঁকা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ৩৯৩ আইসিইউ বেডের মধ্যে মাত্র ৩৮ বেড ফাঁকা রয়েছে।

/জেএ/এমএস/

সম্পর্কিত

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

‘অন্য দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্যালুট দেয়, আর আমাদের দেশে অপমান’

‘অন্য দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্যালুট দেয়, আর আমাদের দেশে অপমান’

ভিকারুননিসার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সরেজমিন তদন্তে ইইডি

ভিকারুননিসার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সরেজমিন তদন্তে ইইডি

প্রাথমিকে অনলাইন বদলি কবে?

প্রাথমিকে অনলাইন বদলি কবে?

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৩৬

অপহৃত কিশোরীকে অপহরণের পর পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করে আসছিল দুর্বৃত্তরা। অভিযোগ পেয়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কিশোরীকে উদ্ধার ও একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ জুলাই) পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঈদুল আজহার দিন (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় এক কিশোরীকে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানা এলাকা থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না দিলে তাকে দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংকে এমন একটি বার্তা পাঠিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বার্তা পেয়ে দ্রুত মুক্তাগাছা থানার ওসি মোহাম্মদ দুলাল আকন্দকে নির্দেশনা দেওয়া হয়, অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। মুক্তাগাছার ওসি প্রযুক্তির সহায়তায় ও প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারেন মেয়েটির অবস্থান রাজবাড়ি জেলার  থানা এলাকায়। তাৎক্ষণিকভাবে মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং পাংশা থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানকে নির্দেশনা দেয়, মুক্তাগাছার ওসির সঙ্গে সমন্বয় করে অপহৃত মেয়েটিকে উদ্ধার করতে।

কিশোরীকে উদ্ধারের জন্য পাংশা থানার এসআই মাসুদুর রহমান এবং এসআই মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে দুটি টিমকে নিয়োজিত করেন ওসি। সংশ্লিষ্ট জেলার সাইবার ও ডিবি টিমসহ পুলিশের একাধিক টিমের নিরলস প্রচেষ্টায় কিশোরীকে শুক্রবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজবাড়ি জেলার পাংশা থানার সরিষা ইউনিয়নের পিড়ালীপাড়া গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী হিসেবে দুর্জয়কে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজমল আল বাহার মেয়েটিকে উদ্ধারে সহযোগিতা করেছেন। উদ্ধার অভিযানসহ অপারেশনাল সার্বিক বিষয়াদি তত্ত্বাবধান করেছেন রাজবাড়ি জেলা পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান এবং ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান।

মেয়েটিকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েক মাস আগে অনলাইনে পরিচয়ের সূত্র ধরে দুর্জয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মেয়েটির। এক পর্যায়ে বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে দুর্জয়ের সঙ্গে পালিয়ে যায় মেয়েটি। দুর্জয় মেয়েটিকে প্রথমে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। তারপর, সেখান থেকে তার নানাবাড়িতে রেখে আসে। মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সে দুর্জয়কে ভালবাসে এবং তার সঙ্গেই থাকতে চায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্জয়ের দিকের কেউ বা এলাকার কোনও দুর্বৃত্ত কোনওভাবে মেয়েটির পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে দুর্জয় ও মেয়েটির পরিবারের দুর্বলতার সুযোগে কিছু সুবিধা আদায় করতে চেয়েছিল। এ বিষয়ে তদন্ত করে অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

/জেইউ/এমআর/

সম্পর্কিত

লকডাউনে অধস্তন আদালতের বিচার চলবে যেভাবে

লকডাউনে অধস্তন আদালতের বিচার চলবে যেভাবে

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

‘অন্য দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্যালুট দেয়, আর আমাদের দেশে অপমান’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৩৬

জীবন বাজি রেখে গেল দেড়বছর ধরে চিকিৎসক-নার্সরা কাজ করছেন; যাদের অনেকেই করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, তারপরও আমাদের দেশে একটা প্রবণতা আছে- স্বাস্থ্য বিভাগকে কিভাবে খাটো করে দেখানো যায়। মানুষের এমন ‘মনোবৃত্তির’ সমালোচনা করে তিনি বলেন, পৃথিবীর কোথাও এমন হয় নাই। কেউ অন্য একটা রাষ্ট্রেও এমন উদাহরণ দেখাতে পারবেন না, যেখানে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকদের অপমানিত করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে কথা বলা হয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, আমাদের বিভিন্ন জায়গায় এমনটা হয়েছে, অথচ অন্য দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্যালুট করেছে। এটা (স্বাস্থ্যসেবার সমালোচনা) খুবই দুঃখজনক বিষয়।       

শনিবার (২৪ জুলাই) ‘কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধ, অক্সিজেন সংকট, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি’ শীর্ষক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

করোনার এই ভয়াবহ প্রকোপে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না অভিযোগ তুলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মানতে চাই না, দোকানপাট এবং ঈদের সময় গরুর হাটে মানুষের যাওয়া আসাতে নিশ্চয়ই সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা (ফলাফল) আমরা আগামীতে দেখতে পারবো। সরকার চেষ্টা করেছে, আইন করেছে, জেলে ঢুকিয়েছে- তারপরও শোনেনি, বেপরোয়াভাবে ঘুরেছে। এর কারণে কিছুটা বাড়ছে সংক্রমণ এটা আমরা আশংকা করছি। এখন লকডাউনের মধ্যে গাড়ি-ঘোড়া বন্ধ, তারপরও মানুষ হেঁটে চলে আসছে, এটা একটা আশ্চর্যজনক বিষয়।

তবে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আরেকটা কারণ এখনও ভ্যাকসিন দিতে না পারা- এটা স্বীকার করে নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি, এখন আমাদের হাতে ভ্যাকসিন এসেছে। আমাদের হাতে এখনও ১ কোটির বেশি ভ্যাকসিন আছে। আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে আরও ৩০ লাখ ভ্যাকসিন আসবে, তাতে আমাদের হাতে প্রায় দেড় কোটি ভ্যাকসিন থাকবে। আগস্টে ফাইজারের আরও ৬০ লাখ ভ্যাকসিন আসার কথা আছে। সেটার আমরা এখনও কনফার্মেশন পাইনি। আগস্ট মাসে আমাদের হাতে প্রায় ২ কোটি ভ্যাকসিন থাকবে। এটা একটা আশাব্যঞ্জক কথা।

তিনি আরও বলেন, শহরের চেয়ে গ্রামে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি, প্রায় ৭৫ শতাংশই গ্রামে। গতবার যখন আমরা পেয়েছি ভ্যারিয়েন্ট সেটা আমরা ইউরোপ কিংবা মধ্য প্রাচ্য থেকে পেয়েছি। তখন শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল বেশি। ভারতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পিকে যেতে প্রায় ৩ মাস সময় লেগেছে। আমি মনে করি এরকমই একটা সময় লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমস্যা হচ্ছে– ১০ জায়গায় সংক্রমিত হলেও চিকিৎসা দেওয়ার জায়গা কিন্তু একটা; তা হচ্ছে হাসপাতাল। ১০ জায়গা থেকে সংক্রমিত হয়ে মানুষ এক জায়গায় আসবে। সেজন্য আমরা সব জায়গায় সমালচনার মুখে পড়ি। ১০ জায়গায় সংক্রমিত হবেন, আর হাসপাতালের বেড রেডি থাকবে- এটা তো সম্ভব না। ১০ গুণ বেশি সংক্রমিত হলে হাসপাতালের বেড তো কমই পড়বে। কিন্তু আমরা যেভাবে প্ল্যান করেছি এখন পর্যন্ত কম পড়েনি।

সভায় আরও যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশিদ আলম, ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিপিএমসিএ সভাপতি এম এ মুবিন খানসহ দেশের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রতিনিধিরা।

/এসও/ইউএস/

সম্পর্কিত

রেমিট্যান্স ভালো পাচ্ছি স্বাস্থ্যসেবার কারণে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রেমিট্যান্স ভালো পাচ্ছি স্বাস্থ্যসেবার কারণে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

ভিকারুননিসার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সরেজমিন তদন্তে ইইডি

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৭:৪৩
ভর্তি বাণিজ্য, শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং ঠিকাদারী কাজের বিল পরিশোধ না করার অভিযোগের পর এবার রাজধানীর ঐত্যিহ্যবাহী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্নীতির সরেজমিন তদন্ত করতে সম্প্রতি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর (ইইডি) একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা আগেরগুলোর তদন্ত চলার পাশাপাশি এই অভিযোগেরও তদন্ত চলবে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির মাধ্যমিক শাখার সদস্য (অভিভাবক প্রতিনিধি) সিদ্দিকী নাসির উদ্দিন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করলেও বিল কাজের বিল-ভাউচার জমা দিচ্ছেন না। গত ৮ এপ্রিল ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার বিল-ভাউচার জমা দিতে সিদ্দিকী নাসির উদ্দিনকে চিঠি দেন অধ্যক্ষ। অধ্যক্ষের চিঠিতে বলা হয়, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আপনি প্রকল্প কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে বিভিন্ন কিস্তিতে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা অগ্রিম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু আজ অবধি ওই টাকার বি-ভাউচার সমন্বয় করেননি। তারপরও বিল-ভাউচারের টাকা জমা পায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

শেষ পর্যন্ত গত ১৭ মে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরে (ইইডি) অভিযোগ করে অধ্যক্ষ। এরপর ৩০ জুন ইইডি তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ইইডির সহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে গঠন করা কমিটির অপর দুই সদস্য হচ্ছেন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামসুল আলম। সরেজমিন তদন্ত করে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুন নাহার বলেন, ‘বিল-ভাউচার এখনও সমন্বয় করেননি সংশ্লিষ্ট সদস্য। উল্টো আমাকে বলেছেন, আমি নাকি বিল-ভাউচার চাইতে পারি না।‘

এদিকে শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, ভর্তিসহ কলেজের যাবতীয় কাজে অযাচিত হস্তক্ষেপ, ভর্তি বাণিজ্য ও কলেজের উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজে আর্থিক অনিয়মের চেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বর্ডির সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

গত ১৮ জুলাই ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভূঞাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সরেজমিন তদন্ত করে পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে এনএইচ-কেটিএ (জেভি) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কলেজের বসুন্ধরা শাখার ভবন সম্প্রসারণ কাজ সম্পন্ন করিয়ে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৮ টাকার বিল আটকে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরে (ইইডি) অভিযোগ করে প্রতিষ্ঠানটি। ইইডি সরেজমিন তদন্ত করে বিল পরিশোধের সুপারিশ করে। তারপরও ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডি টাকা পরিশোধ করে না। বাধ্য হয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আইনি নোটিশ পাঠায়। আইনি নোটিশের পর গত ২০২০ সালের ১৪ মার্চ গভর্নিং বডির পঞ্চম সভায় টাকা পরিশোধের সুপারিশ করা হয়। ওই বছরের ১১ জুন ১৪ মার্চের রেজুলেশন অনুমোদন দেওয়া হয়। এতো কিছুর পরও বর্তমান কমিটির সদস্যদের একাংশ বিল পরিশোধে বাধা দেন। কমিটির অসযোগিতার কারণে বিল পায়নি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জানান, ঠিকাদারী কাজের বিল পরিশোধ না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে কমিটির সদস্যদের একাংশের বিরুদ্ধে। অর্থ উপার্জনে ফখরুদ্দিন বিরিয়ানি হাউজ অ্যান্ড ডেকোরেটরকে দিয়ে ঈদের আগে কলেজ ক্যাম্পাসে কোরবানির পশুর হাট বসিয়ে ব্যবসা করার চেষ্টা করা হয়েছিল কমিটির কয়েকজন সদস্যের সহযোগিতায়। পরে হাট উঠিয়ে দেওয়া হয়।
/ইউএস/

সম্পর্কিত

প্রাথমিকে অনলাইন বদলি কবে?

প্রাথমিকে অনলাইন বদলি কবে?

অধ্যক্ষের চেয়ে বেশি বেতন পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী

অধ্যক্ষের চেয়ে বেশি বেতন পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী

অনুমতি ছাড়া ৬ স্কুল স্থানান্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে শোকজ

অনুমতি ছাড়া ৬ স্কুল স্থানান্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে শোকজ

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরিকল্পনা

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরিকল্পনা

প্রাথমিকে অনলাইন বদলি কবে?

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৭:৩৭

করোনাভাইরাসের কারণে সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ  উঠে গেলে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের অনলাইন বদলি শুরু হবে। প্রথমে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় বদলি কার্যক্রমের পাইলটিং শুরু হবে। তারপর পর্যায়ক্রমে সারাদেশের সব শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চলবে।

গত মার্চ মাসে অনলাইনে শিক্ষক বদলির প্রশিক্ষণ শেষ করে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় পাইলটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। পর্যায়ক্রমে শিক্ষক প্রশিক্ষণ দিয়ে সারাদেশে অনলাইনে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল।  কিন্তু করোনা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে পাইলটিং কার্যক্রমই শুরু করা সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সব প্রস্তুতি শেষ। পাইলটিংয়ের এলাকার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অনলাইনে বদলির পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে।  সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ উঠে গেলে অনলাইনে শিক্ষক প্রশিক্ষণ দিয়ে পাইলটিং শুরু করা হবে।’

অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ (আইএমডি)। শিক্ষকদের ভোগান্তি লাঘবে এই সেবা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শিক্ষক বদলির বিদ্যমান পদ্ধতির ধাপগুলো বিশ্লেষণ করে সেবা দিতে বাস্তব সমস্যা, প্রতিবন্ধকতা, ধীরগতি এবং পদ্ধতিগত শূন্যতা নির্ণয় করা করা হয়। শিক্ষকরা তাদের শিক্ষক পিন (ই-প্রাইমারিসিস্টেম) ব্যবহার করে ওটিপি অথেনটিকেশনের মাধ্যমে লগইন করে নিজস্ব ইউআই (ইউজার ইন্টারফেস)-এ প্রবেশ করে আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষক এবং বিদ্যালয়ের তথ্যাদি আগে থেকেই ডাটাবেইজে সংরক্ষণ থাকায় শুধু বদলির ক্ষেত্র অন্তঃউপজেলা, আন্তঃউপজেলা, আন্তঃজেলা, আন্তঃবিভাগ এবং অন্তঃসিটি করপোরেশন এবং বদলির কারণ সিলেক্ট করে বদলির আবেদন করা যাবে।  মাসিক রিটার্ন, চাকরি বইয়ের ফটোকপি ইত্যাদি সংযুক্তির প্রয়োজন হবে না।

তবে ক্ষেত্রমতে স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থলের বা স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র, বদলির কারণ কিংবা প্রেক্ষাপটের আলোকে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হতে পারে। বিদ্যমান বদলির নীতিমালার শর্তাবলীর আলোকে এমনভাবে সফটওয়্যারে সবকিছু সেট করা হয়েছে যেন অযাচিত কিংবা বদলির শর্ত পূরণ করে না এমন কেউ আবেদন করতে পারবে না। শূন্যপদের সকল তথ্য ডাটাবেজে থাকায় শিক্ষকরা আবেদনের সময়ই বিদ্যমান সকল শূন্যপদ দেখতে পাবেন এবং এক বা একাধিক বিদ্যালয় বাছাই করে আবেদন করতে পারবেন।

সঠিকভাবে আবেদন সাবমিট করলে আবেদনকারী আবেদনের একটি পিডিএফ কপি এবং অ্যাপ্লিকেশন ট্র্যাকিং নম্বর সংবলিত সিস্টেম জেনারেটেড একটি রিসিপ্ট পাবেন এবং মোবাইলে নোটিফিকেশন পাবেন। তাছাড়া শিক্ষক পিন ব্যবহার করে লগইন করে যেকোনও সময় নিজের ড্যাশবোর্ড থেকে আবেদনের বর্তমান অবস্থান জানতে পারবেন। সফটওয়্যারে প্রতিটি ধাপে সময় নির্ধারণ করা থাকবে। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবেদনটি অগ্রসর হতে থাকবে এবং কোনও ধাপে অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণের সুযোগ থাকবে না।

আবেদনকারীর বদলির প্রেক্ষাপটের আলোকে সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কোর নির্ধারিত হবে। ফলে আবেদনকারী একাধিক হলে অগ্রাধিকার তালিকাও সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হবে। ফলে একদিকে যেমন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে অন্যদিকে অযাচিত তদবির ও চাপ কমে যাবে।

/এমআর/

সম্পর্কিত

ভিকারুননিসার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সরেজমিন তদন্তে ইইডি

ভিকারুননিসার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সরেজমিন তদন্তে ইইডি

অধ্যক্ষের চেয়ে বেশি বেতন পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী

অধ্যক্ষের চেয়ে বেশি বেতন পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী

অনুমতি ছাড়া ৬ স্কুল স্থানান্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে শোকজ

অনুমতি ছাড়া ৬ স্কুল স্থানান্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে শোকজ

সর্বশেষ

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

আইসিইউ ফাঁকা আছে মাত্র ৩৮টি

করোনাভাইরাসআইসিইউ ফাঁকা আছে মাত্র ৩৮টি

বাংলাদেশের চামড়াজাত ও সিরামিক পণ্যে আগ্রহ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের

বাংলাদেশের চামড়াজাত ও সিরামিক পণ্যে আগ্রহ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

‘অন্য দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্যালুট দেয়, আর আমাদের দেশে অপমান’

‘অন্য দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্যালুট দেয়, আর আমাদের দেশে অপমান’

ঈদের চতুর্থ দিনেও বসেছে পশুর হাট

ঈদের চতুর্থ দিনেও বসেছে পশুর হাট

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

© 2021 Bangla Tribune