X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ঈদের পণ্য কেনায় উচ্ছ্বাস নেই ক্রেতাদের, অস্থির সবজির বাজার

আপডেট : ২২ মে ২০২০, ১৮:০০

কাঁচাবাজার (ছবি: ফোকাসবাংলা) ঈদকে সামনে রেখে হঠাৎ করেই সবজির বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তবে ঈদের পণ্য কেনার ব্যাপারে ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ কম। ফলে দুধ সেমাই, মসলা ও মাংসের দাম নতুন করে আর বাড়েনি। শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, একদিন বা দুই দিন পরেই ঈদ। এর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে মোকামে ঠিক মতো সবজির গাড়ি আসতে পারেনি। এ কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।

এ প্রসঙ্গে মানিক নগর এলাকার সবজি ব্যবসায়ী রবিউল হক বলেন, ‘বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে সবজি কম এসেছে। যে কারণে অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৫০ টাকা টাকা বাড়তি।’

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এছাড়া শসা, পটল, ঝিঙে, পাকা টমেটো, বরবটি, করলাসহ সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজির শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ২০ টাকা কেজি পাকা টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে। পটলও বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি,গত সপ্তাহে যা ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা। করলার কেজি এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে যা ছিল ৩০ টাকা। বরবটি কেজি এখন ৭০ টাকা,  যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। ঝিঙার কেজি বেড়ে হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। চিচিংগার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা কদিন আগেও ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। বেগুনের কেজি ৫০ থেকে ৮০ টাকা।

এদিকে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও পোল্ট্রি মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। বাজার ভেদে পোল্ট্রি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৬০-১৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা কেজি, এক সপ্তাহ আগে যা ছিল ১৫০ টাকা। অবশ্য লাল লেয়ার ও পাকিস্তানি কক মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লাল লেয়ার মুরগি আগের মতিই ২১০-২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর পাকিস্তানি কক মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৪০ টাকা।

তবে ঈদের অন্যান্য পণ্যের দাম সেই তুলনায় বাড়েনি। বিক্রেতারা বলছেন, কাঁচাবাজারে ঈদপণ্যের চাহিদা  অন্য সময়ের তুলনায় কম।

ধারণা করা হচ্ছিল, পবিত্র ঈদুল ফিতরে  গরুর মাংস, মুরগি, ইলিশ মাছ ও চিংড়ি, সুগন্ধি চাল, ঘি, সেমাই, দুধ, গরম মসলা ইত্যাদির চাহিদা বাড়বে। কারণ, বেশির ভাগ মানুষই গ্রামে যেতে পারেনি। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ক্রেতার চাপ নেই। ক্রেতারাও বলছেন একই কথা।

নিত্যপণ্যের বাজার (ছবি: ফোকাস বাংলা) এ প্রসঙ্গে মানিক নগর এলাকার বাসিন্দা কিবরিয়া মোল্লা কামাল বলেন, ‘এবারে ঈদের জন্য কেনাকাটার কোনও আগ্রহ নেই। করোনার প্রকোপ বাড়ছেই। এ অবস্থায় বাসায় কোনও অতিথি আসবে না। যে কারণে গত বছরের ঈদে যেভাবে কেনাকাটা করেছিলাম, এবার সেভাবে সম্ভব হচ্ছে না।’

একই এলাকার মাংস বিক্রেতা আস্তুল বিশ্বাস বলেন, ‘গত বছর ঈদুল ফিতরে যারা গরুর মাংস কিনেছেন, এবার তাদের অনেকেই আসছেন না।’ তিনি বলেন, ‘বাড়তি চাহিদার কারণে প্রতিবছর ঈদুল ফিতরে গরুর মাংসের দাম বেড়ে যায়। এবারও বেড়েছে, তবে ততটা নয়।’

রাজধানীর বাজারগুলোতে গরুর মাংস কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকার মতো বেড়েছে এবং বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬২০ টাকায়।

অবশ্য বাজারে সুগন্ধি চালের দাম আগে থেকেই চড়া। খোলা চিনি গুঁড়া চালের প্রতি কেজির দাম মানভেদে ১০০ থেকে ১১০ টাকা। আর প্রতিকেজি প্যাকেটের দাম ১২০ টাকা। নতুন করে এই চালের দাম বাড়েনি।

আগের মতোই বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সেমাইয়ের প্রতি ২০০ গ্রামের প্যাকেট ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে আকার ভেদে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় হচ্ছে। ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০ টাকা করে। চীনা আদা কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। আর ভারতীয় আদা বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা করে। গরম মসলার দাম আগের মতোই।

এদিকে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৬ টাকা কেজি, মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৬ টাকা, গরিবের মোটা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৪০ টাকা করে।

বাজারে খোলা সয়াবিন তেল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা লিটার, ভালো মানের পাম অয়েল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে।

বড় দানার মশুরের ডাল কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, ছোট দানার মশুরের কেজি ডাল ১২০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি’র হিসাবে  গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে চাল, ডাল, সয়াবিন, পাম ও ছোলার দাম। আর বেড়েছে আদা, রসুন, লবঙ্গ, জিরা ও মুরগির দাম।

 

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৪৬

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা (এমডি) এখন থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে যেতে পারবে না। সোমবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না এমডিরা। পাশাপাশি দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে না যাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

দেশে কার্যরত সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দাফতরিক কাজে বা ব্যক্তিগত ছুটিতে দীর্ঘদিনের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করলে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের সার্বিক গতিশীলতা হ্রাস পায়। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনাগত ঝুঁকিসহ আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। যা কোনওভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান যতদূর সম্ভব পরিহার করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর যদি বিদেশ ভ্রমণ আবশ্যক হয়, তাহলে দেশের বাইরে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। আর অনুমোদন গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ভ্রমণের ১৫ কর্মদিবস পূর্বে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের কপিসহ তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে দিতে হবে।

এছাড়া প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিদেশ ভ্রমণকালে তার অনুপস্থিতিতে যে দায়িত্ব পালন করবে ওই কর্মকর্তার নাম, পদবি, দাফতরিক ফোন, সেল ফোন নম্বর ও ই-মেইল এড্রেস প্রধান নির্বাহীর কর্মস্থল ত্যাগের আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয় এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগকে জানাতে হবে।

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

রবিবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বাকি চারদিন ৫ ঘণ্টা করে খোলা

রবিবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বাকি চারদিন ৫ ঘণ্টা করে খোলা

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:১৮

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৫ ভাগ এলাকা বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে যুগপোযোগী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নেও কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

সোমবার (২৬ জুলাই) অনলাইনে বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার  আঞ্চলিক পরিচালক (অবকাঠামো)-এর সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার  আঞ্চলিক পরিচালক (অবকাঠামো) গুয়াংঝি চেন, প্রাকটিস ম্যানেজার (এনার্জি) সিমন জে স্টল্প, প্রোগ্রাম লিডার (অবকাঠামো) রাজেস রোহাতগি ও ইআরডির অতিরিক্ত সচিব আব্দুল বাকী সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব ব্যাংক ১৯৭২ সাল থেকেই বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে। বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওয়া গেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের  বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির উন্নয়নে ও আধুনিক প্রযুক্তি সন্নিবেশনে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে। বিদ্যুৎ সংরক্ষণ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, ওশান এনার্জি থেকে বিদ্যুৎ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ইলেকট্রিক ভিহাইকেল এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে বিশ্ব ব্যাংকের বিভিন্ন প্রকল্পসহ এনার্জি ট্রানজিশনের পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায় এবং ক্রস বর্ডার  এনার্জি ট্রেডে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা করা হয়। সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়েও আলোকপাত করা হয়।

/এসএনএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ১৩:৩৮

গ্রাহক সংশ্লিষ্ট খাত হিসাবে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি নিয়ে মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই। অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকলেও এসব জায়গায় গ্রাহক তেমন অভিযোগ করেন না। অনেকেই বলছেন কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করতে হয় গ্রাহকরা আসলে তা জানেনই না। আবার জানলেও অভিযোগ করে উল্টো হয়রানির ভয়ও আছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানুষ অভিযোগ নিয়ে এলে যদি শুনানি হতো এতে পক্ষ-বিপক্ষ উভয়ের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ থাকতো। যাতে করে সেবার মান বাড়তো।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, অভিযোগ প্রতিকার সেল নামে তাদের একটি শাখা রয়েছে। যেখানে বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন। কিন্তু বছরের বেশিরভাগ সময় সেখানে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেন না। ফলে কার্যত তেমন শুনানির আয়োজন করতে হয় না। এতে করে মানুষ খুব একটা উপকৃত হচ্ছেন না। যদি গ্রাহকরা সরাসরি তাদের অভিযোগ মন্ত্রণালয় দাখিল করতো তাহলে এই সেলটি কার্যকর হতো।

বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, অনলাইনে গিয়েই যে কেউ এই অভিযোগ জানাতে পারে। অভিযোগ পাওয়ার পর এটি শুনানি করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে কোনও পক্ষ শুনানিতে সন্তুষ্ট না হলে তিনি আপিল করতে পারবেন।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জুলাই মাসে ১টি,  সেপ্টেম্বর মাসে ১টি, অক্টোবর মাসে ৭টি, নভেম্বর মাসে ৩, ডিসেম্বরে ৩, জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ১টি আবেদন, সব মিলিয়ে ১৮টি আবেদন জমা পড়ে। বছরের অন্যান্য মাসে কোনও আবেদনই জমা পড়েনি। অথচ এই অর্থবছরে অতিরিক্ত বিল করার অভিযোগে লাখ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ অফিসে জড়ো হতে দেখা যায়।

সূত্র বলছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযোগ গ্রহণের পর নিষ্পত্তির জন্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংস্থা ভিত্তিক ফোকাল পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট ব্যক্তি নির্ধারণ করা হবে। তারাই একটি সহজ কৌশল নির্ধারণ করবেন। অভিযোগ নিষ্পত্তির বিষয়ে যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে জানাতে হবে। এই সংক্রান্ত সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে অভিযোগ প্রতিকারের ব্যবস্থার জন্য একটি ওয়েবসাইটও রয়েছে। সেখানে ব্যক্তি নিজে গিয়ে অভিযোগ দাখিল করতে পারেন অথবা নাম পরিচয় গোপন রেখেই অভিযোগ করতে পারেন।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বি ডি রহমত উল্লাহ বলেন, এখন আমাদের গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি। আর অভিযোগের এই হাল। এটা একেবারেই অবিশ্বাস্য।  আমরা তো আর সোনার দেশে থাকি না যে কোনও অভিযোগই আসবে না। আর তাছাড়া গত বছর বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রচুর ভোগান্তির শিকার হয়েছিল গ্রাহকরা। এই অবস্থায় এটা জাস্ট একটা আইওয়াশ। তিনি বলেন, এই সেলকে কার্যকর করতে হলে এই সেল যে আছ সেটি প্রচার করতে হবে। আর যে পদ্ধতিতে সমাধানের কথা বলা হয়েছে তাও অনেক দীর্ঘমেয়াদি। সেলের অভিযোগের ওখানেই কিভাবে সমাধান হচ্ছে তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ থাকা দরকার বলে তিনি মনে করেন।

 

/এমআর/

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৩

সোমবার (২৬ জুলাই) থেকে আবারও শুরু হচ্ছে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রবিবার (২৫ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা লতিফ বকসীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর শোকাবহ আগস্টে মাসে কঠোর লকডাউন পরিস্থিতিতেও ভোক্তা সাধারণের কাছে ভর্তুকি মূল্যে কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে দেশব্যাপী বিক্রয় করবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে— সয়াবিন তেল, মশুর ডাল এবং চিনি।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও  বলা হয়, ‘সোমবার ২৬ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) উল্লিখিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, মশুর ডাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকা এবং চিনি প্রতি কেজি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:০৮

আজ রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের মতো নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা রয়েছে। এগুলো বেলা দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এর আগে ১৪ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে গ্রাহকের হিসাবে মেয়াদপূর্তিতে স্থায়ী আমানত নগদায়ন, ঋণের কিস্তি জমা গ্রহণসহ জরুরি কাজ সম্পাদন করা যাবে। তবে অফিস খোলা রাখার ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে সেবা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ দুটি শাখা (একটি ঢাকায় ও অপরটি ঢাকার বাইরে) ও প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ খোলা রাখা যাবে। বিধিনিষেধ চলাকালে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৩৩টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

সর্বশেষ

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

© 2021 Bangla Tribune