X
সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

‘বাঁচার আশা না থাকার মতো বড় হতাশার কিছু নেই’

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:০৩

নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে নিহতদের স্বজনদের আহাজারি শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আন্ডারগ্রাউন্ড। সিঁড়ি দিয়ে নেমে হাতের ডান দিকে তাকাতেই চোখে পড়ে সারি সারি কফিন। কিছুটা দূর থেকে দাঁড়িয়ে এক বাবা দাঁড়িয়ে কফিনের দিকে তাকিয়ে আছেন, কিন্তু তার চোখ দিয়ে পানি ঝরছিল। কাছে যেতেই জানালেন তার নাম আনোয়ার হোসেন। হাসপাতালে অপেক্ষা করছেন ছেলের জন্য। ‘ছেলেটা বাইচা নাই, মইরা গেছে,’ কাঁদতে কাঁদতে বলেন রিকশাচালক আনোয়ার হোসেন। আরেক দগ্ধ ১৫ বছরের মঈনুদ্দীনের মা মর্জিনা বেগম ছেলের লাশ বলেই স্বীকার করতে চাইলেন না একটি মৃতদেহকে। ‘আহা, আমার বাবায় কই রে!’ বলে এই মায়ের সে-কী আহাজারি! তার আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার পরিবেশ। এভাবেই স্বজনহারা মানুষগুলো কেউ ডুকরে আবার কেউবা চিৎকার করে কেঁদে উঠছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে নিহতদের স্বজনদের হাতে লাশ তুলে দেওয়া হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বায়তুস সালাত জামে মসজিদে একসঙ্গে ছয়টি এসির বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তারা সবাই রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মোট চিকিৎসাধীন ছিলেন ৩৭ জন।

নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে নিহতদের স্বজনদের আহাজারি আর এ ঘটনায় কেবল স্বজনরা নয়, ইনস্টিটিউটে দায়িত্বরত চিকিৎসকরাও কেঁদেছেন, কাঁদছেন। বছরের পর বছর ধরে চোখের সামনে দগ্ধ মানুষদের দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া চিকিৎসকদের মনের ভেতর কেমন হয়– জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. হোসাইন ইমাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের ঠিক না থেকে উপায় নেই।’ চোখের সামনে দগ্ধদের মারা যাওয়ার নিদারুণ কষ্টের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, ‘রোগী তো সব চলে যাচ্ছে, তাদের তো ধরে রাখতে পারছি না…।  যেখানে বাঁচার আশা করার কিছু নেই, এর থেকে বড় হতাশার কিছু নেই, থাকতে পারে না!’

নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে নিহতদের স্বজনদের আহাজারি শুক্রবার দিবাগত রাতে যখন রোগীদের আনা হয় তখন থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত ডা. হোসাইন ইমাম দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দেখেছেন ৩৭ জন পুড়ে যাওয়া রোগী আসা থেকে ২১ জন মানুষের চলে যাওয়া। হাসপাতালের পরিস্থিতি জানতে চাইলে বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ৮টা অথবা ৯টার দিকে প্রথম ফেসবুকে জানতে পারি। তারপর হাসপাতালকে জানাই “অ্যালার্ট” হওয়ার জন্য, এটা আমাদের দায়িত্ব। তারপরই ফোন পাই প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী এসেছে হাসপাতালে। তখনই চলে আসি হাসপাতালে। ইতোমধ্যে ইনস্টিটিউট পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সঙ্গেও কথা হয় আমার।’

‘হাসপাতালে এসে দেখি ম্যাসিভ অবস্থা…মানুষজন গড়াগড়ি খাচ্ছে। মানুষ আগুনে পুড়ে গেলে পেইন হয়। পোড়ার কারণে প্রচণ্ড জ্বালা করে’, বলেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে নিহতদের লাশ হস্তান্তর হচ্ছে ইনস্টিটিউটে দগ্ধদের আনার পরের পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘দগ্ধদের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে, চেহারা চেনা যাচ্ছে না। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। হাত-পা সব পোড়া, একটা ক্যানুলা দেওয়ার অবস্থা পর্যন্ত নেই। বেশিরভাগ মানুষের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের ড্রেসিং করে র‌্যাপ আপ করা…একটা মানুষের ড্রেসিং করতে কমপক্ষে আধাঘণ্টা সময় চলে যায়। কিন্তু এই রোগীগুলোর এত সময় নেই, তখন ডা. পার্থ, ডা. হেদায়েত, ডা. মামুন, ডা. লেলিন, ডা. আবীরসহ প্রতি ফ্লোরে একজন করে সিস্টার থেকে সব সিস্টাররা হাসপাতালের নিচতলায় নেমে আসেন। পরে যুক্ত হন অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদও। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম উপস্থিত হয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে নিহতদের স্বজনদের আহাজারি ‘সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে তাদের স্থানান্তর করা হয়েছে। সে সময় রোগীদের আহাজারির মধ্যে আমরা। প্রচণ্ড জ্বালাপোড়ায় চিৎকার করছিলেন তারা। এক বেডে একজন চিৎকার করলে তার কাছে যাই তো আরেক বেড থেকে আরেকজন চিৎকার করে ওঠেন।…তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রোগীদের ঘুম পাড়াতে হবে যেভাবে হোক। তখন তাদের ঘুমের ব্যবস্থা করা হয় ওষুধ দিয়ে।’

ডা. হোসাইন ইমাম বলেন, ‘রোগীদের ভেতরে সাত বছরের একটা বাচ্চা ছিল। তার মা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাকে আমরা বললাম, আপনি চলে যান, আমরা এখন বাচ্চাটার সেন্ট্রাল লাইন দেব। মা চলে গেলেন। এরপরই যখন বাচ্চাটাকে সেন্ট্রাল লাইন দিতে যাবো, তখন বাচ্চাটা চুপ হয়ে গেছে। সে মারাই গেলো।

‘আমাদের কাছে খারাপ লাগছিল, বাচ্চাটার মাকে আমরা বের করে দিলাম, ঠিক তখনই সে মারা গেলো। ছেলেটা মারা গেল এই খবরটা আমরা তার মাকে দিতে পারছিলাম না।... কী বলবো?’

নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে নিহতদের স্বজনদের আহাজারি ‘তার নাম ছিল জুয়েল…সবার আগে মারা গেল বাচ্চা ছেলেটা। কাল রাতে যখন সাংবাদিকরা জানতে চাচ্ছিলেন, জুয়েল মারা গেছে কিনা? আমি কিছু বলতে পারছিলাম না। ওর মাকে সেখান থেকে চলে যেতে বললাম, এখন কীভাবে বলি মারা গেছে?’... ধরে আসে এই চিকিৎসকের কণ্ঠ। ‘এজন্য আমরা জুয়েলের ডেথ ডিক্লেয়ার করেছি একটু দেরিতে, সময় নিয়ে’, বলেন ডা. হোসাইন ইমাম।

তবে এ ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডা. হোসাইন ইমাম। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এসি বিস্ফোরণের কথা বলা হলেও আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে প্রশ্ন হচ্ছে, এসি থাকে ওপরে। সেখান থেকে যে ব্লো আসে সেটা লাগার কথা মুখে। এজন্য সবার শ্বাসনালি পুড়ে গেছে– ধরে নিলাম এটা। কিন্তু সবার হাত-পা কীভাবে শতভাগ পুড়ে গেলো? পা তো নিচে, এসির ব্লো তো সে পর্যন্ত যাওয়ার কথা না।’ যোগ করেন তিনি।

স্বল্প সময়ে দগ্ধদের একে এক মারা যাওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, ‘শনিবার সারা দিন হাসপাতালে ছিলাম, কিন্তু প্রতি মিনিটে শুনছি, স্যার ওমুক নাই, স্যার আরেকজন মারা গেছেন, স্যার এই রোগী মারা গেছেন। শনিবার রাতে গুনে গুনে ২০ জন রোগী মারা গেলো। হয়তো আগামী কয়েকদিনে আমরা আরও কিছু মানুষকে আমরা হারিয়ে ফেলবো।

‘এ রকম ক্যাজুয়ালিটি আমরা দেখেছি, কিন্তু এরকম একটা ঘটনা একদম নাই হয়ে গেল মানুষগুলো। মানুষের যে কান্না, বিলাপ... স্বজনদের হাহাকার, সবকিছু মিলিয়ে গুমোট পরিবেশ। কিন্তু আমাদের তার ভেতরেই কাজ করতে হয়। রোগী চিৎকার করছে, স্বজনরা কাঁদছে, কেউ ব্যথায় গড়াগড়ি করছে, কেউ বেডেই টয়লেট করে দিচ্ছে, সেগুলো তাৎক্ষণিক পরিষ্কার করতে হচ্ছে– এই দৃশ্যগুলো আসলে বলে বোঝানো খুব কঠিন। এইগুলো যখন চোখের সামনে ঘটে তখন বোঝা যায়, আসলে আমরা চিকিৎসকরা কী ফেস করি।’

মৃতের সংখ্যা বাড়ার বিষয়ে ডা. হোসাইন ইমাম আরও বলেন, ‘আমরা তো খুব সহজে বলে ফেলি, আজ (শনিবার রাত) পর্যন্ত ২০ জন মারা গেছে, কাল সংখ্যাটা হয়তো আরও বাড়বে…। বেঁচে যে থাকবে, বাঁচার যে আশা…আসলে কারও নেই। আমরা হিসাব করে রেখেছি, চারজন রোগীর ৫০ শতাংশের নিচে বার্ন কিন্তু তাদের প্রত্যেকের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। এখন যে কথা বলছে, আমি জানি আগামী তিন দিন পর সে কথা বলতে পারবে না, ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারবে না…।’

আর ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন বলেন, ‘এটা যে এতবড় বীভৎস ঘটনা হবে তা প্রথমে বুঝিনি। রোগীদের পুরো শরীর, মাথার চুল পর্যন্ত পুড়ে গেছে। এই মানুষগুলো বাঁচবে কী করে? ইতোমধ্যে ২০ জন মারা গেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কতজন থাকবেন সেটা দেখার বিষয়।’

ছবি:  সাজ্জাদ হোসেন। 

 

/এমএএ/এফএএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

রাজধানীতে অকারণে বাইরে বের হওয়ায় গ্রেফতার ৩০৩

রাজধানীতে অকারণে বাইরে বের হওয়ায় গ্রেফতার ৩০৩

কিশোর গ্যাং ‘সেজান গ্রুপ’র ৯ সদস্য আটক

কিশোর গ্যাং ‘সেজান গ্রুপ’র ৯ সদস্য আটক

১৪ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ তাজুল ইসলামের

১৪ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ তাজুল ইসলামের

ইয়াবা পাচারের মামলায় প্রবাসীকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

ইয়াবা পাচারের মামলায় প্রবাসীকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০২:২৯

‘পিয়াসা ও মৌ একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। ওরা রাতের রানী বলেই সুপরিচিত। সারাদিন ঘুমিয়ে কাটাতেন। রাতে বিভিন্ন পার্টিতে গিয়ে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করে বাসায় ডেকে আনতেন। এরপর বাসায় গোপনে তাদের আপত্তিকর ছবি তুলতেন। সেই ছবি বাবা-মা বা পরিবারের সদস্যদের দেখানোর ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন।'

রবিবার (১ আগস্ট) রাতে বারিধারা ও মোহাম্মদপুরের পৃথক দুটি বাসায় অভিযান চালিয়ে আলোচিত ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে আটকের পর এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, আমরা পিয়াসা ও মৌয়ের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল করার অনেকগুলো অভিযোগ তদন্ত করছিলাম। সেই তদন্তের অংশ হিসেবে ফারিয়া ও মৌয়ের বাসায় অভিযান চালানো হয়। তাদের বাসা থেকে বিদেশি মদ ও ইয়াবা পাওয়া গেছে। তাদের ব্ল্যাকমেইলিং করার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া যেহেতু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে, এজন্য গুলশান ও মোহাম্মদপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হবে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, রবিবার রাতে প্রথমে বারিধারার পিয়াসার বাসায় অভিযান চালানো হয়। তার বাসা থেকে মাদকদ্রব্যসহ পিয়াসাকে আটকের পর অভিযান চালানো হয় মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসায়। সেখান থেকে অন্তত এক ডজন বিদেশি মদ, পাঁচ প্যাকেট ইয়াবাসহ মৌকে আটক করা হয়।

সরেজমিন মৌয়ের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, গনমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ওই বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। মিরপুর রোড সংলগ্ন ২২/৯ বাবর রোডের ওই বাসার নিচতলায় থাকতেন মৌ। বাসার ভেতরে ড্রয়িং রুমের পাশেই একটি মিনি বার দেখা গেছে। বাসার ভেতরের বেডরুমের একটি ড্রয়ার থেকে পাঁচ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এছাড়া ওই বেডরুমের ভেতরে আরেকটি ড্রেসিং রুম থেকে অন্তত এক ডজন বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেফতারকৃত মৌ ও পিয়াসা তাদের বাসায় মদের আসর বসাতো মূলত উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের ব্ল্যাকমেইল করার জন্য। এই বিষয়ে তদন্তে সত্যতা পেলে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগেও পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে’

বাবর রোডের বাসা থেকে আটকের পর মডেল মৌ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ভাসাবির জামানের বউ তাকে বাসায় পুলিশ পাঠিয়ে শায়েস্তা করার হুমকি দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। মৌ সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ‌'ভাসাবির জামানের বউ আমার পরিচিত। তাদের বিভিন্ন প্রোগ্রামে গিয়ে পিয়াসার সঙ্গেও আমার পরিচয় হয়। ভাসাবির জামানের বউ তানজি'র সঙ্গে ওদের কার যেন ঝামেলা হয়েছে, সেজন্য আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আমার বাসায় এসব মদ আর ইয়াবা আগে থেকে ছিল না।

 

/এনএল/এফএএন/

সম্পর্কিত

সেই পিয়াসা আটক 

সেই পিয়াসা আটক 

করোনা থেকে মুক্তি: আনন্দে কাঁদলেন তিনি

করোনা থেকে মুক্তি: আনন্দে কাঁদলেন তিনি

ডা. ঈশিতার আকাশচুম্বী সাফল্য, ডিগ্রি, পুরস্কার ও খ্যাতি সবই ভুয়া

ডা. ঈশিতার আকাশচুম্বী সাফল্য, ডিগ্রি, পুরস্কার ও খ্যাতি সবই ভুয়া

মাদক মামলায় হেলেনার ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

মাদক মামলায় হেলেনার ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালের ৫০০ বেডে যুক্ত হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০০:৫০

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ৫০০টি বেডে যুক্ত হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন। বর্তমানে এই বেডগুলোতে সিলিন্ডারের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করে অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এধরনের রোগী কম থাকায় হাসপাতালটির বেডে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে।

ডিএনসিসি হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য  জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আইসিইউ’র চাহিদা বেড়েছে। আমাদের এসডিইউ যুক্ত বেডগুলোও ফাঁকা নেই। আইসিইউর প্রয়োজন এমন অনেক রোগী বেড খালি না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। যদিও সিলিন্ডারযুক্ত ৫০০ বেডের অধিকাংশই খালি। সে জন্য আমরা সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়ে গেছে। আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। তখন কোনও রোগীকেই আর ফেরত দেওয়া লাগবে না।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ডিএনসিসির এই হাসপাতালে  রয়েছে— ১১২টি আইসিইউ বেড, ২৫০ এইচডিইউ বেড। এ ছাড়াও ১৩৮টি আইসিইউ মানের বেড রয়েছে, যেগুলো কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত। হাসপাতালটিতে জরুরি ওয়ার্ডে ৫০টি বেড রাখা হয়েছে। মোট ৫৫০টি বেডের বাইরে আরও  ৪৫০টি বেড থাকবে, সেখানে মারাত্মক আক্রান্ত নন— এমন রোগীদের রাখা হবে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন হসপাতালের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের এখানে রবিবার সকালে ৫৬৪ জন রোগী ছিল। এখন (বিকালে) পর্যন্ত আরও রোগী ভর্তি হয়েছে। ২০৪ জন আইসিইউতে ছিল। ৪০ জনকে ছুটি দিয়েছি। আমাদের এখানে প্রতিদিনই রোগী ভর্তি হচ্ছে। কিছু রোগী মারাও যাচ্ছেন। আবার অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যে এইচডিইউ বেড আছে, সেগুলো পুরণ হয়ে যাওয়ায় সিরিয়াস রোগীদের সিলেকশন করতে একটু বেগ পেতে হচ্ছে। আশা করছি, এই সমস্যা থেকে দ্রুত কেটে উঠতে পারবো। কারণ, আমাদের প্রায় ৫০০ বেডে নতুন করে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন যুক্ত করছি। কাজ দ্রুত চলছে। এটা হাই কেয়ার এরিয়া হিসেবে তৈরি করা হবে। সেখানে আমরা হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা যুক্ত করতে পারবো। তখন যাদের আবস্থা সিরিয়াস তাদেরকে নিতে পারবো।’

ব্রিগেডিয়ার নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এক হাজার বেডের মধ্যে সেন্ট্রাল অক্সিজেট যুক্ত থাকলে যে সুবিধা, সেটা হচ্ছে আমরা সিরিয়াস রোগীদের আলাদা আলাদা রুমে রেখে চিকিৎসা দিতে পারবো। তাতে আমাদের সক্ষমতা বাড়বে। আমরা ওই প্রক্রিয়াতেই আগাচ্ছি। এই মুহূর্তে অসুস্থ রোগী আসছে, আমরা চেষ্টা করছি তাদের সবাইকে গ্রহণ করতে। আমাদের এখান থেকে খুব কম রোগীই ফিরে যাচ্ছেন। দুই-চার জন রোগী চলে যাচ্ছেন, যাদের অবস্থা খুবই সিরিয়াস বা যাদের ইমিডিয়েট আইসিইউ দরকার, কিন্তু আমরা দিতে পারছি না। তারা অন্যত্র ট্রাই করছেন।’

ডিএনসিসির এই হাসপাতালে পানির সমস্যা রয়েছে। রোগীদের অভিযোগ, তারা পর্যাপ্ত পানি ও বাথরুম পাচ্ছেন না। এই অভিযোগের বিষয়ে  পরিচালক বলেন, ‘আসলে এই ভবনটি আগে  মার্কেট ছিল। সেখান থেকে হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে। তবে আমরা এই সমস্যা অনুভব করছি। আমাদের কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সমাধান হবে। আর পানির সমস্যা সমাধানেও কাজ শুরু হচ্ছে। আমরা নির্দেশনা পেয়েছি। যদিও এগুলো আমাদের হাতে নেই— এটা হাসপাতালের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ দেখাশুনা করছে। এখন পানি ও টয়লেটের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। মোটা পাইপ লাগানো হচ্ছে।’

 

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

রবিবার দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ টিকা

রবিবার দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ টিকা

করোনা: ৬ মাসেই গত বছরের দ্বিগুণ মৃত্যু

করোনা: ৬ মাসেই গত বছরের দ্বিগুণ মৃত্যু

৮ সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা নেই আইসিইউ

৮ সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা নেই আইসিইউ

পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়বে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়বে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সেই পিয়াসা আটক 

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০০:১৫

বনানীর রেইনট্রিতে ধর্ষণকাণ্ড ও গুলশানের মুনিয়া আত্মহত্যাকাণ্ডে আলোচনায় আসা সেই ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসাকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ- ডিবি। 

রবিবার (১ আগস্ট) রাতে বারিধারার বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। 

ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। 

পিয়াসা

ডিবি পুলিশ জানায়, পিয়াসার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। পিয়াসা ছাড়াও ডিবি পুলিশ মোহাম্মদপুরে আরেক মডেলকে আটকের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। 

আরও পড়ুন: আবারও আলোচনায় সেই পিয়াসা

/এনএল/এনএইচ/

সম্পর্কিত

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

ডা. ঈশিতার আকাশচুম্বী সাফল্য, ডিগ্রি, পুরস্কার ও খ্যাতি সবই ভুয়া

ডা. ঈশিতার আকাশচুম্বী সাফল্য, ডিগ্রি, পুরস্কার ও খ্যাতি সবই ভুয়া

মাদক মামলায় হেলেনার ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

মাদক মামলায় হেলেনার ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

দুই মামলায় চিত্রনায়িকা একা কারাগারে

দুই মামলায় চিত্রনায়িকা একা কারাগারে

রবিবার দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ টিকা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ২৩:১১

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৫৯ হাজার ৮১১ ডোজ। এর মধ্যে এক ডোজ নিয়েছেন ৯০ লাখ ৩৫ হাজার ৬০২ জন এবং টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৭ জন। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিন। 

রবিবার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এদিন মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৩৫০ ডোজ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, রবিবার অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে এক হাজার ৭৭৩ জনকে।  এখন পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন। আর  দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫৯ জন। 

পাশাপাশি আজ ফাইজারের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়নি কাউকে এবং  দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৭৮৬ জন। আর এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৫২ হাজার ৫০৫ ডোজ ।

এছাড়া ২৫ লাখ ২৩ হাজার ১৮৯ ডোজ সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এখন পর্যন্ত। এর মধ্যে  প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৪ লাখ ৭৩ হাজার ৬৩১ জনকে আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪৯ হাজার ৫৫৮ জনকে। 

মডার্নার টিকা এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ ডোজ, আর আজকে দেওয়া হয়েছে ৭৬ হাজার ৫৪৪ ডোজ।

আর এখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছে  ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪ হাজার ১৫ জন।

/এসও/এমআর/

সম্পর্কিত

ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালের ৫০০ বেডে যুক্ত হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন

ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালের ৫০০ বেডে যুক্ত হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন

করোনা: ৬ মাসেই গত বছরের দ্বিগুণ মৃত্যু

করোনা: ৬ মাসেই গত বছরের দ্বিগুণ মৃত্যু

৮ সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা নেই আইসিইউ

৮ সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা নেই আইসিইউ

পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়বে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়বে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনা থেকে মুক্তি: আনন্দে কাঁদলেন তিনি

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ২৩:০০

ঈদের ঠিক আগের দিন রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে’ ভর্তি হয়েছেন ঝিনাইদহের বৃদ্ধা সামছুন্নাহার। হাসপাতালে বেদনার সঙ্গেই কেটেছে ঈদ আনন্দ। মহামারি করোনার সঙ্গে দীর্ঘ ১৩ দিন যুদ্ধ করে রবিবার সুস্থ্য হয়েছেন সত্তোরোর্ধ এই বৃদ্ধি।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর স্বজনরা তাকে হুইল চেয়ারে করে বের করে গ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এসময় এই প্রতিবেদকের সঙ্গে সামান্য সময় কথা হয় তার। কেমন আছেন জনতে চাইলেই কেঁদে ফেলেন তিনি। বলেন, এখন ‍সুস্থ্য আছি। আল্লাহ ভালো করে দিয়েছেন। বাড়ি ফিরেছি। দোয়া করবেন। আর বেশি কথা বলতে পারবো না। এসময় তার চোখ থেকে অঝোরে পানি পড়েছে।

এসময় সামছুন্নাহারের আত্মীয়-স্বজনদের মুখও হাসি-খুশি দেখা গেছে। বাড়ি যাওয়ার তাড়ার কারণে বেশি কিছু না বললেও জানিয়েছেন তারা ‘ভাগ্যবান’। কারণ স্বজনের যে পরিস্থিতি ছিল তাতে তিনি তাদের মাঝে ফিরে নাও আসতে পারতেন। এসময় তাদেরকে বারবার সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করতে দেখা গেছে। স্বাস্থ্যবিধির দিকেও ছিল তাদের যথেষ্ট সচেতনতা।

সামছুন্নহারের মতো এমন আরও যারা করোনা থেকে মুক্তি পেয়ে বের হচ্ছেন তারাও সবাই ছিলেন হাসি-খুশি। তবে বেদনার কথা হচ্ছে এই সময়ের মধ্যেই বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে বেশ কিছু মুমূর্ষ রোগী এসেছে হাসপাতালে। অক্সিজেনের জন্য যারা খুব কষ্ট পাচ্ছেন। ডাক্তার ও নার্স ও হাসপাতালের কর্মীরাও তাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অ্যাম্বুলেন্সের শব্দই পরিস্থিতি কতটা ‘ভয়াবহ’ তার স্মরণ করিয়ে দেয় উপস্থিত মানুষকে।

হাসপাতালের বাহিরে বিপুল সংখ্যক অ্যাম্ব্যুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। অ্যাম্বুলেন্সের চালকরা জানান, প্রতিদিন ৮-১০ জন করে মারা যাচ্ছে। তাদেরকে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতে হয়। তাছাড়া যারা সুস্থ্য হয়ে ছুটি নেন তারাও অ্যাম্বুলেন্স যোগে বাড়ি ফিরেন। কারণ গণপরিবহন বন্ধ থাকায় তাদের জন্য বিকল্প কোনও বাহন নেই।

জানতে চাইলে ডিএনসিসি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা কোনও রোগীকে অবহেলা করিনা। কোনও রোগী মারা গেলে আমাদের ডাক্তার ও নার্সরাও কষ্ট পায়। আর কোনও রোগী সুস্থ্য হয়ে উঠলে তারাও খুশি হন। অনেক রোগী জড়িয়ে ধরেন। আমরাও চাই সবাই সুস্থ হয়ে উঠুক।

/এফএএন/

সম্পর্কিত

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

মহামারিতে কী করছে ঢাবির সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো?

মহামারিতে কী করছে ঢাবির সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো?

কেন বারবার একই ভুল

কেন বারবার একই ভুল

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

সর্বশেষ

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

তালেবান অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আফগান বাহিনীর বোমাবর্ষণ

তালেবান অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আফগান বাহিনীর বোমাবর্ষণ

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

‘রাতের রানী পিয়াসা ও মৌয়ের কাজ ছিল ব্ল্যাকমেইল করা’

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা বদলের দাবি বলসোনারো সমর্থকদের

ব্রাজিলের নির্বাচন ব্যবস্থা বদলের দাবি বলসোনারো সমর্থকদের

খুলনায় জুনের চেয়ে জুলাইয়ে তিন গুণ বেশি মৃত্যু

খুলনায় জুনের চেয়ে জুলাইয়ে তিন গুণ বেশি মৃত্যু

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

ট্যাংকারে হামলা নিয়ে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

পর্নোগ্রাফিতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে নির্যাতন, স্বামীর কারাদণ্ড

পর্নোগ্রাফিতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীকে নির্যাতন, স্বামীর কারাদণ্ড

মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

সিআরবিতে নলকূপ স্থাপন বন্ধে ওয়াসার এমডির কাছে অভিযোগ

সিআরবিতে নলকূপ স্থাপন বন্ধে ওয়াসার এমডির কাছে অভিযোগ

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মা-মেয়ে নিহত, গুরুতর আহত ১

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মা-মেয়ে নিহত, গুরুতর আহত ১

ফের হামাস প্রধান নির্বাচিত হলেন ইসমাইল হানিয়া

ফের হামাস প্রধান নির্বাচিত হলেন ইসমাইল হানিয়া

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রাজধানীতে অকারণে বাইরে বের হওয়ায় গ্রেফতার ৩০৩

রাজধানীতে অকারণে বাইরে বের হওয়ায় গ্রেফতার ৩০৩

কিশোর গ্যাং ‘সেজান গ্রুপ’র ৯ সদস্য আটক

কিশোর গ্যাং ‘সেজান গ্রুপ’র ৯ সদস্য আটক

১৪ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ তাজুল ইসলামের

১৪ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ তাজুল ইসলামের

ইয়াবা পাচারের মামলায় প্রবাসীকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

ইয়াবা পাচারের মামলায় প্রবাসীকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

করোনা রোগীদের জন্য হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট

করোনা রোগীদের জন্য হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট

চোলাই মদ উদ্ধারের মামলায় ৪ জনের জামিন

চোলাই মদ উদ্ধারের মামলায় ৪ জনের জামিন

লঞ্চ চলবে সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত

লঞ্চ চলবে সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে : আইজিপি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে : আইজিপি

মাইক্রোবাসের ধাক্কায় ট্রাফিক কনস্টেবল নিহত

মাইক্রোবাসের ধাক্কায় ট্রাফিক কনস্টেবল নিহত

বৃষ্টি কিছুটা কমলেও ৪ আগস্টের পর বাড়তে পারে

বৃষ্টি কিছুটা কমলেও ৪ আগস্টের পর বাড়তে পারে

© 2021 Bangla Tribune