X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

হেফাজত, বেফাক ও হাইআতুল উলয়ায় কে হচ্ছেন শফীর উত্তরসূরি?

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:০৮

আহমদ শফী হেফাজতে ইসলাম, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) ও আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়ার প্রধান ছিলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী। আমৃত্য তিনি এসব সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার তার মৃত্যুর পর কওমি সংশ্লিষ্টদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এই তিন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নেতৃত্বে কে আসবেন- তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

আহমদ শফী জীবদ্দশায় এই তিনটি জায়গায় নেতৃত্বে থাকলেও পরবর্তীতে কে আসবেন, তার কোনও ফায়সালা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। আর এ কারণেই এসব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নেতৃত্বে কে আসবেন, তা নিয়েই মূলত আলেমদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নাগাদ আহমদ শফীর দাফন হওয়ার পর বিভিন্ন দোয়া কর্মসূচি পালনের পরই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের আলেমদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

আহমদ শফী তার জীবদ্দশায় অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত ও মনোনীত হয়েছেন। এরমধ্যে কয়েকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৪৬ সালে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠানের মজলিসে শুরার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে দেশের সবচেয়ে বড় এ কওমি মাদ্রাসাটির শায়খুল হাদিসের দায়িত্বও তিনি পালন করেন। সর্বশেষ ১৬ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী মাদ্রাসার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ছাত্র-বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে তার মহাপরিচালক পদটি চলে যায়। পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তাকে মাদ্রাসার সম্মানজনক ‘সদরে মুহতামিম’ পদে নিযুক্ত করে প্রতিষ্ঠানের মজলিসে শুরা। হাটহাজারী মাদ্রাসা ছাড়া বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়ার চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

বাবুনগরী, মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও নূর হোসাইন কাসেমী হেফাজতের প্রধান কে হচ্ছেন?

২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি দারুল উলুম হাটহাজারী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওলামা সম্মেলনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গঠন করা হয়। আহমদ শফী এর প্রতিষ্ঠাতা আমির মনোনীত হন। এরপর ২০১১ সালে তার নেতৃত্বেই ‘নারী উন্নয়ন নীতিমালার বিরুদ্ধে’ চট্টগ্রামে কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। তখন ঢাকায় শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক, মুফতি ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে ঢাকায় আন্দোলন হয়। ২০১২ সালে এই দুই নেতার ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে ঢাকার আলেমদের মধ্যে এক ধরনের নেতৃত্বহীনতা সৃষ্টি হয়।

হেফাজতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে ব্লগার থাবা বাবার ব্লগকে কেন্দ্র করে দুইটি বাংলা দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কওমি আলেমরা। একই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হাটহাজারী মাদ্রাসায় সারাদেশের সিনিয়র আলেমদের একটি বৈঠক ডাকেন আহমদ শফী। এই বৈঠক থেকে ৬ এপ্রিল ঢাকা অভিমুখে লং মার্চ কর্মসূচি ডাকে হেফাজত। ‘নাস্তিক ব্লগারদের শাস্তি এবং ইসলাম ধর্মের অবমাননাকারীদের কঠোর শাস্তির বিধানসহ ব্লাসফেমি আইন করার দাবিতে’ অনুষ্ঠিত লংমার্চ শাপলা চত্বরে এসে জমায়েত হয়। প্রথমবারের মতো ওই সমাবেশে সারাদেশের নজরে পড়ে হেফাজতে ইসলাম। মতিঝিলের সমাবেশ থেকে হরতাল কর্মসূচির পাশাপাশি এক মাসের আল্টিমেটাম দিয়ে ঢাকা ছাড়ে হেফাজতের নেতাকর্মীরা। পরে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে আবারও সমাবেশ করে সেখানেই অবস্থান নেয় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ওই সমাবেশে সহযোগিতা করতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আহ্বান জানালেও দলের নেতাকর্মীরা তার ডাকে সাড়া দেয়নি। উল্টো ৫ মে দিনব্যাপী মতিঝিল-পল্টন-মালিবাগ এলাকায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা যুক্ত ছিল বলে জানান। সেদিন রাতে সরকারের আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কঠোর অবস্থান ও ব্যবস্থা গ্রহণের পর নিহত হন বেশ কয়েকজন হেফাজত কর্মী। আহত হন অসংখ্য কওমি শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।

পরদিন লালবাগের জামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থানরত আহমদ শফীকে সপুত্র চট্টগ্রামে ফেরত ও হেফাজতের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর থেকে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে হেফাজতে ইসলাম। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সংগঠনটির আমির হিসেবে ছিলেন আহমদ শফী। তার মৃত্যুর কারণে এই সংগঠনটির প্রধান হিসেবে কেউ এখনও চূড়ান্ত না হলেও অনেকের নাম আলোচনায় আছে।

ঢাকার খ্যাতনামা একটি মাদ্রাসার শিক্ষক জানান, হেফাজতে ইসলাম নিয়ে ঢাকার আলেমদের তেমন কোনও আগ্রহ নেই। যেহেতু সাংগঠনিকভাবে এর প্রভাব-প্রতিপত্তি এখন প্রায় নেই, সেক্ষেত্রে সংগঠনটির প্রধান নিয়ে ঢাকার আলেমদের মধ্যে আগ্রহ কম। তবে, আমির হিসেবে জুনায়েদ বাবুনগরীকে দেখা গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই বলে জানান এই তরুণ নেতা।

হেফাজতের প্রভাবশালী একাধিক নেতা মনে করেন, সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, ঢাকা মহানগর আমির মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী আমির হিসেবে সামনে থাকতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে সরকারের কোনও একটি মহলের ভূমিকা থাকতে পারে বলে জানান কেউ-কেউ।

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে অনেকটাই অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন আহমদ শফী। দফায়-দফায় তাকে চট্টগ্রামে ও ঢাকার আসগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত জুনে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় সহকারি পরিচালকের পদ থেকে হেফাজতের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে আহমদ শফীকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। এরইমধ্যে জুলাইয়ে আহমদ শফী ও বাবুনগরী একসঙ্গে সংবাদ সম্মেলন করে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের কথা জানান। এরপরও গত একমাসে আবারও পরিস্থিতি অবনতির দিকে যেতে থাকে। সর্বশেষ গত বুধবার হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসায় বিক্ষোভ করার প্রেক্ষিতে আনাস মাদানীকে মাদ্রাসা থেকে অপসারণ ও আহমদ শফীকে মহাপরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

দেশের অন্যতম খ্যাতনামা আলেম শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব মাওলানা ফরীদউদ্দীন মাসঊদ বলেন, আল্লামা আহমদ শফী একজন বিদ্বান আলেম ছিলেন। কিন্তু তার শেষ মুহূর্তের জীবন সুখকর হয়নি।’

ঢাকার একটি ইসলামী দলের একজন সিনিয়র নেতা বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্ব হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে নির্ধারণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

জানতে চাইলে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলাবাদী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের নিজস্ব সাংগঠনিক পদ্ধতি আছে, গঠনতন্ত্র আছে। মজলিসে শূরার সদস্যরা মিলে এর ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। এখানে সম্ভাবনা বা আশঙ্কা বলে কিছু নেই।’

নূর হোসাইন কাসেমী, আতাউল্লাহ, মাহমুদুর হাসান ও নূরুল ইসলাম বেফাকের সভাপতি হবেন যিনি, হাইআতুল উলয়ার চেয়ারম্যানও তিনি

২০০৫ সালে বেফাকের সভাপতি মাওলানা নুরুদ্দীন আহমাদ গহরপুরীর ইন্তেকালের পর একই বছর বেফাকের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন আহমদ শফী। তখন থেকে আমৃত্যু তিনি বেফাকের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। একইসঙ্গে গঠনতান্ত্রিকভাবে বেফাকের সভাপতি হিসেবে ২০১৭ সালে সরকারি স্বীকৃত আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া’র চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। সেক্ষেত্রে বেফাকের সভাপতি যিনি হবেন, তিনিই হাইয়াতুল উলয়ার চেয়ারম্যান। ২০১৭ সালে গণভবনে আলেমদের ডেকে নিয়ে কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উল্লেখযোগ্য আলেমদের উপস্থিতিতে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার ঘোষণা দেন। ১৩ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শাখা-১) থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। স্বীকৃতি প্রদানের কারণে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেশের আলেম ও কওমি শিক্ষার্থীদের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেয় আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া। বর্তমানে ৬টি বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের সব ক’টি দাওরায়ে হাদিস কওমি মাদরাসা আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়ার অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। বেফাক এই ছয়টি বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও প্রণিধানযোগ্য প্রতিষ্ঠান। বাকিগুলো হচ্ছে বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া-গওহরডাঙ্গা, আন্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিসিল কওমিয়া- চট্টগ্রাম, আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তা'লীম বাংলাদেশ-সিলেট, তানযীমুল মাদারিসিল কওমিয়া ও জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড।

কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও হাইআতুল উলয়ার দায়িত্বশীলদের কথা বলে জানা গেছে, গত অন্তত চার মাস ধরে বেফাকের মহাসচিব আবদুল কুদ্দুসের একটি ফোনালাপকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ সমস্যা চলছে। এর প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটিও হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বেফাকের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিষয়সহ একাধিকবার বোর্ডের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। যদিও দুই দফায় সে কমিটির বৈঠক পিছিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে ঢাকার আলেমরা ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে গত রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কামরাঙ্গীর চর মাদ্রাসায় একটি ইসলাহী সমাবেশ করেন। সেখানে চার দফা দাবিতে একমত হন ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার অন্তত হাজারখানেক আলেম। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবি ছিল, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বেফাকের মজলিসে শুরা ও আমেলার বৈঠক করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখার জন্য ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গঠন। এছাড়া, সরকারের অনুদান না নিতে মাদ্রাসাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয় সমাবেশে। ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার আলেমদের বিশেষ বৈঠক

বেফাকের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য মাওলানা আবদুর রব ইউছূফী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই বেফাকের সভাপতি নির্বাচন করা হবে।’

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়ার সদস্য মাওলানা ফরীদউদ্দীন মাসঊদ বলেন, ‘হাইয়াতুল উলইয়ার আইন আছে, সে আইনের ভিত্তিতেই হবে। প্রথম সমস্যা হবে বেফাকের সভাপতি কে হবেন। বেফাকের যিনি সভাপতি হবেন, তিনিই হবেন এই বোর্ডের চেয়ারম্যান।’

ঢাকার কয়েকজন আলেম বলছেন, বেফাকের সমস্যা সমাধান হলেই বাকি সমাধানগুলো দ্রুত হবে। তবে সরকারের মনোভাবও বেফাকের সভাপতি নির্বাচন-প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে, এমন দাবি করছেন তারা।

বেফাকের কয়েকজন দায়িত্বশীলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেফাকের বর্তমান মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুছ ইতোমধ্যে বিতর্কিত। হেলিকপ্টারে চলাচল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে ব্যক্তিগত ফোনালাপ ফাঁসের কারণে তিনি বেকায়দায় রয়েছেন। সেক্ষেত্রে বেফাকের বর্তমান সহসভাপতি নূর হোসাইন কাসেমী, নুরুল ইসলাম নতুন সভাপতি হিসেবে সামনের দিকে রয়েছেন। সরকারের প্রভাবশালী একজন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হযরত মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী, সরকার সমর্থক হিসেবে বেফাকের বর্তমান সহ সভাপতি, যাত্রাবাড়ি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেছেন কেউ-কেউ।

একইসঙ্গে মহাসচিব হিসেবেও নতুন মুখ দেখা যেতে পারে বেফাকে। সেক্ষেত্রে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার প্রিন্সিপাল বর্তমান সিনিয়র সহকারি মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক অন্যতম বলে দাবি করেছেন বেফাকের একাধিক দায়িত্বশীল।

আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়টির সমাধান আসবে, এমন সম্ভাবনার কথা জানান বেফাকের একাধিক সিনিয়র কর্মকর্তা।

আরও পড়তে পারেন:

কতটা বদলেছে কওমি মাদ্রাসা?

‘ঐতিহাসিক’ পদ্ধতিতে শিক্ষা দিচ্ছে কওমি মাদ্রাসা 

/এমপি/

সম্পর্কিত

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০১

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর)। ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেসা দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা নব পর্যায়ের বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা।

ডিজিটাল ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধির বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেত্রী ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। এরপর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন। ১৯৯৬ সালে প্রথম ও ২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী জন্মদিনে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সন্তানদের সঙ্গে তিনি জন্মদিনটি কাটাবেন। তার অনুপস্থিতিতেই দিনটি উৎসব মুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় শেখ হাসিনা সবসময়ই আপোষহীন। ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনায় দায়িত্ব নিয়ে তার সরকার ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের জন্য আইন প্রণয়ন করে। এই আইনের আওতায় স্থাপিত ট্রাইব্যুনাল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছে এবং রায় কার্যকর করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্রী সংসদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি এই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতিও হয়েছিলেন। শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই শেখ হাসিনা সকল গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা ও তার ছোটবোন শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান। পরবর্তীকালে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ৬ বছর ভারতে অবস্থান করেন। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে অবশেষে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে লিপ্ত হওয়ার পরপরই তিনি শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়েন। তাকে বারবার কারান্তরীণ করা হয়। হত্যার জন্য কমপক্ষে ২০ বার সশস্ত্র হামলা করা হয়।

তবে শত বাধা-বিপত্তি এবং হত্যার হুমকিসহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা ভাত-ভোট এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য অবিচল থেকে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ অর্জন করেছে গণতন্ত্র ও বাক-স্বাধীনতা। বাংলাদেশ পেয়েছে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা। শেখ হাসিনার অপরিসীম আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে।  অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারাবিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে করোনাকালেও দেশের প্রবৃদ্ধি এশিয়ায় প্রায় সব দেশের ওপরে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যে স্বনির্ভরতা, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ অবকাঠামো, যোগাযোগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, বাণিজ্য, আইসিটি এবং এসএমই খাতে এসেছে ব্যাপক সাফল্য। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিসহ জাতীয় জীবনের বহুক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের পাশাপাশি শেখ হাসিনার ঝুলিতে জমেছে অনেকগুলো অর্জন। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননা ও পদক। এ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে দেওয়া আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সংখ্যাও অনেক। টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতা জন্য ২০১৯ এর ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার দেয় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। একই মাসে শেখ হাসিনাকে ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পদক প্রদান করা হয়। এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট শান্তি প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র সমুন্নত ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পর্যায়ের পদক প্রদান করে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানে দায়িত্বশীল নীতি ও তার মানবিকতার জন্য প্রধানমন্ত্রী আইপিএস ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৮ স্পেশাল ডিসটিংশন অ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশিপ গ্রহণ করেন।

দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি শেখ হাসিনার শৈশব-কৈশোর কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলসহ তারা ছিলেন পাঁচ ভাই-বোন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন্নেসাসহ সবাই ঘাতকদের নির্মম বুলেটে নিহত হন।

শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তখন পুরনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা। বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে সপরিবারে ৩, নম্বর মিন্টু রোডের বাসায় তারা বসবাস শুরু করেন। শেখ হাসিনাকে ঢাকা শহরে টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দিরে ভর্তি করা হয়। তিনি ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ওই বছরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

শেখ হাসিনা ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজে পড়ার সময় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে তিনি আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ৬-দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬-দফা দাবিতে পূর্ববাংলায় এক অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়। শাসকগোষ্ঠী ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে। শুরু হয় প্রচণ্ড দমন-নির্যাতন। আটক থাকা অবস্থাতেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।

এই ঝড়ো দিনগুলোতেই বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে ১৯৬৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তার প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর জন্ম হয়। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে সপরিবারে নিহত হবার আগে ছোট বোন শেখ রেহানাসহ শেখ হাসিনা ইউরোপ যান। সেখানে অবস্থানকালে তিনি সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নিহত হবার খবর পান। তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফেরার কোনও পরিবেশ না থাকায় তিনি ইউরোপ ছেড়ে স্বামী-সন্তানসহ ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।

১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর ঐ বছরেরই ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে। তিনি প্রথমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কূটনৈতিক দক্ষতা দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য কুড়িয়েছেন সুনাম। দেশের জন্য বয়ে এনেছেন গৌরব ও সাফল্য। রাষ্ট্র পরিচালনায় বিগত বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দেশের চলমান উন্নয়নের ধারার কথা তুলে ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রধানমন্ত্রীকে বর্তমান  বিশ্বের একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা তার দক্ষতা ও বিচক্ষণতা দিয়ে এখন বিশ্বমানের নেতার পর্যায়ে নিজের স্থান করে নিয়েছেন।

শিল্প সংস্কৃতি ও সাহিত্য অন্তপ্রাণ শেখ হাসিনা লেখালেখিও করেন। তার লেখা এবং সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩০টিরও বেশি। প্রকাশিত অন্যতম বইগুলো হচ্ছে- শেখ মুজিব আমার পিতা, সাদা কালো, ওরা টোকাই কেন, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম, দারিদ্র্য দূরীকরণ, আমাদের ছোট রাসেল সোনা, আমার স্বপ্ন আমার সংগ্রাম, সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বিপন্ন গণতন্ত্র, সহেনা মানবতার অবমাননা, আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি, সবুজ মাঠ পেরিয়ে ইত্যাদি।

কর্মসূচি

দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এছাড়াও একইদিন কেন্দ্রীয়ভাবে বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার (মেরুল বাড্ডা), ২৮ সেপ্টেম্বর প্রথম প্রহরে (২৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে) খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ (২৯ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) সকাল ৬টায় তেজগাঁও জকমালা রাণীর গির্জা এবং বিকাল ৫টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

/ইএইচএস/এমআর/এফএএন/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নৌকাবাইচ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নৌকাবাইচ

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন।

আজকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক টুইট বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর সফলতা কামনা করেছেন মমতা ব্যানার্জি।

/এসএসজেড/এমআর/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার ই-পোস্টার প্রকাশ

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

জেলেদের জন্য ১১ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ বরাদ্দ

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১১

প্রজনন উপলক্ষে আগামী ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় বেকার হয়ে পড়া জেলেদের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এ সংক্রান্ত মঞ্জুরি বরাদ্দ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারের মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৩৭ জেলার ১৫১টি উপজেলায় মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত বছরের চেয়ে বেশি ২৭ হাজার ৬০২টি জেলে পরিবারকে এবার এ বরাদ্দের আওতায় আনা হয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি জেলে পরিবার ২০ কেজি করে চাল পাবে। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর পূর্বেই এ বছর ভিজিএফ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে ভিজিএফ চাল পরিবহন ব্যয়ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে মঞ্জুরি জ্ঞাপন করা হয়েছে। ভিজিএফ চাল ২৫ অক্টোবর, ২০২১ তারিখের মধ্যে উত্তোলন ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ সম্পন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলেদের মধ্যে এ ভিজিএফ বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য বরাদ্দপত্রে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট-১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস-১৯৮৫’ অনুযায়ী এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

 

/এসআই/আইএ/

সম্পর্কিত

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

শেখ হাসিনা ছোটবেলা থেকেই সংগ্রামী ও সাহসী: আমু

শেখ হাসিনা ছোটবেলা থেকেই সংগ্রামী ও সাহসী: আমু

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:২৫

টানা পঞ্চমদিনের মতো আজও বরিশাল বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। সেইসঙ্গে রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগেও কারও মৃত্যু হয়নি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের আট জন, খুলনা ও সিলেট বিভাগের তিন জন করে এবং রংপুর বিভাগের দুই জন।

এর আগে গতকাল (২৬ সেপ্টেম্বর) করোনায় ২১ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ছিলেন ১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের চার জন, রাজশাহী বিভাগের দুই জন, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের একজন করে এবং সিলেট বিভাগের তিন জন।

এর আগের দিন ( ২৫ সেপ্টেম্বর) মারা যান ২৫ জন। তাদের মধ্যে বরিশাল, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগে কারও মৃত্যু ছিল না।

২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বরেও করোনায় বরিশালে কোনও মৃত্যু ছিল না।

অতি সংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তাণ্ডবের পর দেশে দৈনিক নতুন শনাক্ত রোগী আর মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসে গত মধ্য আগস্ট থেকে। ডেল্টার তাণ্ডবের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রথম তিন বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। যদিও দেশে মহামারিকালের ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে বাংলাদেশ আগস্ট মাসেই। গত ৫ ও ১০ আগস্ট একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তবে তারপর থেকে ডেল্টার তাণ্ডব কমে আসে, কমে আসতে থাকে শনাক্ত ও মৃত্যু। চলতি মাসে সেটা আরও কমে যায়।

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

শেখ হাসিনা ছোটবেলা থেকেই সংগ্রামী ও সাহসী: আমু

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:১৬

আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, শেখ হাসিনা ছোট বেলা থেকেই সংগ্রামী ও সাহসী ছিলেন। আমরা যখন ১৯৬২ সালে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন রিপোর্টের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করি তখন তিনি আজিমপুর গার্লস স্কুলের ছাত্রী। তিনি সেখানকার ছাত্রীদের নিয়ে মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতেন। তিনি ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক ছিলেন।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আশ্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আমু বলেন, ’৭৫ পরবর্তী সময়ে স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান দেশে যখন একটি অরাজকতা পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদেরকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব দিয়েছেন। যখন কোন আইনের শাসন ছিল না সেই দুর্বিসহ সময়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফেরেন আলোর দিশারী হয়ে।

তিনি যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যুবলীগই ছিল শেখ হাসিনার একমাত্র ভ্যানগার্ড এবং এই যুবলীগই সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছে।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, ১৯৮১ সালে যেদিন শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেন সেদিন নির্বাসন থেকে বাংলাদেশ অস্তিত্বে ফিরলো। ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন সাময়িকী টাইম পত্রিকায় বাংলাদেশের ওপর একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ ছবি প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে ডান পাশে লেখা ছিল বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ সমার্থক। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছিলাম। কারণ ’৭৫ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ছিনতাই হয়ে গিয়েছিল। আমরা শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করছি এ জন্যই যে, তাঁর কাছে আমাদের অশেষ দায়, অশেষ ঋণ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার শক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তাঁর সম্মোহনী শক্তি, তিনি সাহসী। শেখ হাসিনা সাহসী না হলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হতো না, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না। তিনি সাহসী না হলে পদ্মা সেতু নিজেদের অর্থায়নে তৈরি হতো না। সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহসী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিবাদন জানাই।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।

আলোচনা সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনকালে ১০টি ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়। এসময় গাজীপুর মহানগর শাখা যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান রাসেল সরকারের পক্ষ থেকে দুইটি ঘর প্রদান করা হয়। ঘর দুটি গ্রহণ করেন মো. ইমান আলী, প্রেম কুমার দাস। গাজীপুর মহানগর শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলামের পক্ষ থেকে ৫টি ঘর প্রদান করা হয়। ঘরগুলো গ্রহণ করেন-ফাতেমা তুজ জোহরা (দুটি), আনোয়ারা বেগম (দুটি), নুর মোহাম্মদ কটু মিয়া। নরসিংদী জেলা শাখার সহ-সভাপতি মো. শামছুল ইসলাম মোল্লার পক্ষ থেকে একটি ঘর গ্রহণ করেন-রতন বালা, ময়মনসিংহ জেলা শাখার আহ্বায়ক এ্যাড. আজহারুল ইসলামের পক্ষ থেকে একটি ঘর গ্রহণ করেন-বিউটি খাতুন, শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে একটি ঘর গ্রহণ করেন-মোসা. খুশবান। ওই আশ্রয় কর্মসূচি চলমান থাকবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন-যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. খালেদ শওকত আলী, শেখ ফজলে ফাহিম, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী প্রমুখ।

/পিএইচসি/এমএস/

সম্পর্কিত

সবাইকে নির্বাচনমুখী করতেই প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সবাইকে নির্বাচনমুখী করতেই প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপি পেছনের দরজা খোঁজে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি পেছনের দরজা খোঁজে: তথ্যমন্ত্রী

দ্বাদশ নির্বাচন ঘিরে দলীয় নেতাদের ৩ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

দ্বাদশ নির্বাচন ঘিরে দলীয় নেতাদের ৩ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

কিছু লোক আশ্রয়ণের ঘর ভেঙে মিডিয়ায় প্রচার করেছে:  প্রধানমন্ত্রী

কিছু লোক আশ্রয়ণের ঘর ভেঙে মিডিয়ায় প্রচার করেছে:  প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

বরিশালসহ ৩ বিভাগে আজও করোনায় মৃত্যু নেই

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু তুলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি’

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

শেখ হাসিনার জন্মদিনে এবার ব্যাপক আয়োজন

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

দু’দিন পর শনাক্ত আবারও হাজারের ওপরে

‘শেখ হাসিনা জীবন্ত কিংবদন্তি’

‘শেখ হাসিনা জীবন্ত কিংবদন্তি’

জেনেভা যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জেনেভা যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে দুর্নীতি রয়েছে অস্বীকার করি না: পরিকল্পনামন্ত্রী

দেশে দুর্নীতি রয়েছে অস্বীকার করি না: পরিকল্পনামন্ত্রী

ইনডেমনিটি অ্যাক্টের মতো বিএনপিকেও বাতিলের দরকার ছিল: শিল্পমন্ত্রী

ইনডেমনিটি অ্যাক্টের মতো বিএনপিকেও বাতিলের দরকার ছিল: শিল্পমন্ত্রী

ছোট-বড় মিলিয়ে একদিনে ছয় জনসভায় বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু

ছোট-বড় মিলিয়ে একদিনে ছয় জনসভায় বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নৌকাবাইচ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নৌকাবাইচ

সর্বশেষ

এইচএসসি পাসেই চাকরি, বেতন ২২ হাজার ৫০০ টাকা

এইচএসসি পাসেই চাকরি, বেতন ২২ হাজার ৫০০ টাকা

সেই চালককে মোটরসাইকেল উপহার দিতে চায় শামসুল হক ফাউন্ডেশন

সেই চালককে মোটরসাইকেল উপহার দিতে চায় শামসুল হক ফাউন্ডেশন

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: জয়

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: জয়

কন্যা দিবস আর কন্যাশিশু দিবসের বিভ্রান্তি

কন্যা দিবস আর কন্যাশিশু দিবসের বিভ্রান্তি

ভবন থেকে ইট পড়ে পথচারীর মৃত্যু

ভবন থেকে ইট পড়ে পথচারীর মৃত্যু

© 2021 Bangla Tribune