X
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

উত্তাপহীন বিতর্কে জলবায়ু, করোনা ও বর্ণবাদ ইস্যুর প্রাধান্য

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১৭:২৭
image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের শেষ বিতর্কে করোনাভাইরাস, জলবায়ু পরিবর্তন, বর্ণবাদ ও অভিবাসন ইস্যু প্রাধান্য পেয়েছে। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন দুজনই ছিলেন অনেকটাই সংযত। তারা একে অন্যকে কথা বলার সুযোগ দিয়েছেন। ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকলেও একে অন্যকে অসম্মান করেননি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, বোঝা গেছে মাইক বন্ধ করে দেওয়ার নতুন নিয়ম কাজে লেগেছে।


যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ৮টা) টেনেসি অঙ্গরাজ্যের নাশভিলের বেলমন্ট ইউনিভার্সিটিতে চূড়ান্ত বিতর্কের মুখোমুখি হন দুই প্রার্থী।
বাইডেনের ছেলের ইউক্রেনে ব্যবসা, ট্রাম্পের কর পরিশোধ না করা আর ওবামাকেয়ার নিয়ে পরস্পরের প্রতি আক্রমণ শানান দুই প্রার্থী। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের বিতর্কের তুলনায় সংযত আচরণ করলেও ট্রাম্প চূড়ান্ত বিতর্কে নাটকীয় কিছু করতে পারেননি। বিভিন্ন ইস্যুতে জো বাইডেনকে ব্যক্তিগত আক্রমণও করেছেন ট্রাম্প। মিথ্যা তথ্যও দিয়েছেন।
দক্ষিণ সীমান্তে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী পরিবারগুলোকে বিচ্ছিন্ন করার নীতি নিয়ে লাতিন ভোটারদের ইস্যুতে বিতর্ক করছিলেন দুই প্রার্থী। তবে কতদিনে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া শিশুরা তাদের পরিবারের সঙ্গে মিলিত হতে পারবে তার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ট্রাম্প। পরিবারের কাছ থেকে সন্তানদের এভাবে আলাদা করে রাখাকে ট্রাম্পের নিষ্ঠুর আচরণ বলেন বাইডেন। জবাবে ট্রাম্প শুধু এটুকুই জানাতে পারেন যে এসব শিশু যত্নে আছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মার্কিন সীমান্ত রক্ষাকারী কর্মকর্তারা পরিবারের কাছ থেকে ৫৪৫ শিশুকে বিচ্ছিন্ন রেখেছেন। আইনজীবীরা তাদের মা-বাবার কাছে পৌঁছাতেই পারেননি। পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে একত্রিত করার জন্য কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন।
করোনাভাইরাস ইস্যুতে ট্রাম্প নিজের সংক্রমিত হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা বলেন। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসছে শীতে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। তবে ট্রাম্প বলেন, কিছু জায়গায় সংক্রমণ বাড়তে পারে। কিন্তু করোনা শিগগির চলে যাবে। শীতে করোনার সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাইডেনও। তবে ট্রাম্প ভুল পরিসংখ্যান দিয়ে বাইডেনকে পরাস্ত করতে চান। তিনি বলেন, ৯৯ শতাংশ মানুষ সুস্থ হয়েছে। তিনি মনে করেন না শীতে ভয়াবহ কিছু হবে।
বর্ণবাদ প্রসঙ্গে ট্রাম্পের দাবি, “এ কক্ষে যারা আছেন, আমি তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী।” তিনি ১৯৯৪ সালের অপরাধ বিলের কথাও তোলেন, যার খসড়ায় বাইডেন সহায়তা করেছিলেন। ওই আইনের কারণে বিপুল সংখ্যক আফ্রিকান-আমেরিকানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করে আসছেন। এদিকে বাইডেন তার আলোচনায় ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অন্যতম বর্ণবাদী প্রেসিডেন্ট’ অ্যাখ্যা দেন। “তিনি প্রতিটি বর্ণবাদী আগুনেই হাওয়া দেন,” বলেন সাবেক এই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

/এফইউ/বিএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

ছাগল ধর্ষণ নিয়ে পাকিস্তানে তোলপাড়

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ২০:১৯

পাকিস্তানের ওকারা শহরে একটি ছাগলকে ধর্ষণ পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, শহরের সাতঘরা এলাকায় ছাগলটিকে ধর্ষণ এবং হত্যা করে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এ ঘটনার পর আজহার হোসেন নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার পোষা ছাগলটিকে কয়েকজন মিলে যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করে।

ছাগলটির মৃতদেহ উদ্ধার করে পশু হাসপাতালে পাঠানো হলে ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, ছাগলটি তার ঘরের সামনে বাঁধা ছিল। অভিযুক্তরা ফাঁকা স্থানে নিয়ে ছাগলটিকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশের কাছে তিনজনের নামে অভিযুক্ত করেন মালিক। বাকিরা অজ্ঞাতনামা।

পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ৪২৯ ও ৩৭৭ ধারায় মামলা হয়েছে। ৪২৯ ধারা অনুযায়ী কোন প্রাণীকে হত্যা, আহত কিংবা বিকলাঙ্গ করা হলে দশ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি কোন পুরুষ, মহিলা কিংবা প্রাণীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তবে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

জিন্স প্যান্ট পরায় ভারতে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা

জিন্স প্যান্ট পরায় ভারতে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে দুই রাজনৈতিক কর্মী নিহত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে দুই রাজনৈতিক কর্মী নিহত

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৯:৪২
image

করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকার মধ্যে বিধিনিষেধ শিথিল কেন করা হয়েছে মালয়েশিয়ার সরকারের কাছে তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। বিরোধী নেতারা বলছেন, বিধিনিষেধ শিথিলের বিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি। জনগণের এর প্রভাব কি হতে পারে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

মালয়েশিয়ায় এখন পর্যন্ত দশ লাখেরও বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আট হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন পরীক্ষার পরিমাণ কম হওয়ায় আক্রান্ত ও মৃতের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। দেশটির হাসপাতালগুলো রোগীতে উপচে পড়ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে রোগীরা চেয়ারে বসে অক্সিজেন সিলিন্ডার ভাগাভাগি করছেন।

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে জরুরি অবস্থা চলছে। আগামী ১ আগস্ট এর মেয়াদ শেষ হবে। আর তারপরে আর এই মেয়াদ বাড়ানো হবে না। সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলো। ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন পার্টির ডেপুটি চেয়ারম্যান গোবিন্দ সিং দেও মঙ্গলবার পার্লামেন্ট অধিবেশনে বলেন, ‘আমাদের কেন জানানো হয়নি? এই সিদ্ধান্ত কার?’

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার রোগী শনাক্ত হচ্ছে। মঙ্গলবার দেশটিতে রেকর্ড ২০৭ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালগুলো রোগী ফিরিয়ে দিচ্ছে। এমনকি ভর্তি করলেও তাদের শয্যা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে প্রচলিত বিধিনিষেধ যথেষ্ট নয়। এতে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। তারপরেও প্রচলিত বিধিনিষেধের কারণে দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষের উপর এর প্রভাব মারাত্মক। সাহায্য চেয়ে অনেকেই বাড়ির বাইরে সাদা পতাকা ওড়াচ্ছেন।

/জেজে/

সম্পর্কিত

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৮

বিধিনিষেধ এখনই শিথিল করা হলে করোনার ভ্যাকসিন প্রতিরোধী নতুন নতুন স্ট্রেইন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করে সতর্ক করেছেন গবেষকরা। লকডাউন প্রত্যাহারে সংক্রমণ আরও বিস্তার ঘটবে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন তারা। ব্রিটেনের ইনিভার্সিটি অব অ্যাংলিয়া এবং আর্লহাম ইনস্টিটিউট-এর গবেষকদের প্রকাশিত নিবন্ধনে এমন শঙ্কার কথা জানা গেছে।

মঙ্গলবার ব্রিটেনের এক নিবন্ধনে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে দেশে দেশে যে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ রয়েছে তা এখনই প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কিন্তু এমন পদক্ষেপকে আত্মঘাতী বলছেন গবেষকরা। গবেষণায় বলা হয়েছে, সময়ের আগেই শিথিলতায় করোনার নতুন স্ট্রেইন তৈরি হবে। ফলে ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে বলে সতর্ক করা হচ্ছে।

গবেষকরা বলছেন, ' বিধিনিষেধ শিথিলতায় ভাইরাস জনসাধারণের মধ্যে আরও ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করবে। আরও শক্তিশালী হয়ে পড়বে। ফলে বাজারে যে কোভিড প্রতিরোধী ভ্যাকসিন রয়েছে তা কার্যকর হারাতে পারে’।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বব্যাপী টিকা দেওয়ার অসামঞ্জস্য থাকায় করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে। পরিসংখ্যানে জানা গেছে, বিশ্বের মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষ করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ টিকা নিতে সক্ষম হয়েছেন।

গবেষকরা চিহ্নিত করেছেন নতুন ভ্যারিয়েন্টে শিশুরাও আক্রান্ত হওয়ার অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ যুক্তরাজ্যেসহ অনেক দেশেই শিশুদের টিকাদান শুরু করতে পারেনি।

ইউরোপের মধ্যে আয়ারল্যান্ড সর্বশেষ দেশ যারা ১২ বছরের কম বয়ী শিশু-কিশোরদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে।

ডেল্টা ও আলফা ভ্যারিয়েন্ট দাপট দেখাচ্ছে বিশ্বে। বিশেষ করে অতিসংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করছেন।

/এলকে/

সম্পর্কিত

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

ব্যক্তিগত ও  পারিবা‌রিক জীবন নি‌য়ে আদাল‌তে কাঁদলেন এম‌পি আপসানা

ব্যক্তিগত ও  পারিবা‌রিক জীবন নি‌য়ে আদাল‌তে কাঁদলেন এম‌পি আপসানা

আমি জ্যোতিষী নই: মমতা

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৮:৪৩
image

পেগাসাস স্ক্যান্ডাল নিয়ে ভারতের বিরোধী দলগুলোর নেতাদের বৈঠকে যোগ দেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তবে পরে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে বলেছেন, এই ইস্যুতে যেকোনও সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকবেন তিনি। আর এতে ভারতের সব দলগুলোরই ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। সেই ঐক্যের নেতৃত্ব দেবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক জ্যোতিষী নই। পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। অন্য কেউ নেতৃত্ব দিলে আমার কোনও সমস্যা নেই।’ সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ সাল থেকে ১৭টি দেশের সংবাদমাধ্যম মিলে ‘দ্য পেগাসাস প্রজেক্ট’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে ফোনে নজরদারির বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২১ জুলাই এই অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে উঠে আসে দুনিয়াজুড়ে নজরদারির শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী, রাজনীতিক, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সদস্যরা। ভারতের বেশ কয়েক জন বিরোধী দলীয় নেতার ফোনে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আড়িপাতা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।

পেগাসাস স্ক্যান্ডাল নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরুর চেষ্টায় রয়েছে বিরোধীরা। তারই অংশ হিসেবে বিরোধী দলগুলোর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে যোগ না দিলেও তাদের প্রতি সমর্থনের কথা জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দলের মুখ হবেন কিনা জানতে চাইলে মমতা বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ কর্মী, কর্মী হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ মেয়াদে পরিকল্পনার প্রয়োজনের দিকে ইঙ্গিত করে মমতা জানান, পার্লামেন্ট অধিবেশনের পর তিনি এই বিষয়ে ভালোভাবে কাজ শুরু করবেন। তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল লালু প্রসাদ যাদবের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা সব দলের সঙ্গেই কথা বলবো।’ চলমান দিল্লি সফরে তিনি কংগ্রেস নেতা সোনিয়া গান্ধী এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গেও কথা বলবেন বলেও জানান মমতা।

পশ্চিমবঙ্গের সর্বশেষ নির্বাচনে ব্যাপক জয় পেয়ে ভারতের বিরোধী দলগুলোর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘এক সঙ্গে কাজ করার একটি সাধারণ প্লাটফর্ম থাকা দরকার। বিরোধী সব রাজনৈতিক দলকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা সবাই একসঙ্গে বসবো আর কিছু একটা উপায় বের করবো।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

জিন্স প্যান্ট পরায় ভারতে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা

জিন্স প্যান্ট পরায় ভারতে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা

সরকারের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৯

রাষ্ট্রের একাধিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ। প্রধানমন্ত্রীর কাউন্সিলের পরিচালক ও সরকারের মহাসচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বুলেটিনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ।

তিউনিসিয়া গত রবিবার থেকেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে আকস্মিক বরখাস্তের পর থেকেই আন্দোলন চলছে দেশজুড়ে। এরই মধ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ।

এক ঘোষণায় তিনি জানান, দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাউন্সিলের পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং সরকারের মহাসচিবও রয়েছেন। তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ জানানি প্রেসিডেন্ট। এতে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকারের অব্যবস্থাপনার জেরে সহিংস বিক্ষোভের পর তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ গত রবিবার সন্ধ্যায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসাচ মেচিচকে বরখাস্ত করেন। আগামী ৩০ দিনের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন পার্লামেন্ট। প্রেসিডেন্টের এমন পদক্ষেপকে বিরোধীরা ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে বিরোধী এবং আন্দোলনকারীদের এমন অভিযোগ নাকচ করেছেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানী তিউনিসসহ নানা জায়গায় মোতায়েন রয়েছে সেনা সদস্য। চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক, জার্মানি ও রাশিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্র।

/এলকে/

সম্পর্কিত

গণতন্ত্র সংকটে তিউনিসিয়া : ৩০ দিনের কারফিউ জারি

গণতন্ত্র সংকটে তিউনিসিয়া : ৩০ দিনের কারফিউ জারি

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

সংকটে তিউনিসিয়ার গণতন্ত্র: পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে সংঘর্ষ, পথে পথে সেনা

সংকটে তিউনিসিয়ার গণতন্ত্র: পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে সংঘর্ষ, পথে পথে সেনা

তিউনিসিয়ায় আল-জাজিরার কার্যালয় বন্ধ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

তিউনিসিয়ায় আল-জাজিরার কার্যালয় বন্ধ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

সর্বশেষ

ঢাকায় সরকারি আইসিইউ বেড ফাঁকা মাত্র ৯টি

ঢাকায় সরকারি আইসিইউ বেড ফাঁকা মাত্র ৯টি

একদিনে ঢাকা বিভাগে শনাক্ত ৮২৭১ জন

একদিনে ঢাকা বিভাগে শনাক্ত ৮২৭১ জন

ছাগল ধর্ষণ নিয়ে পাকিস্তানে তোলপাড়

ছাগল ধর্ষণ নিয়ে পাকিস্তানে তোলপাড়

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এডিপির ৪৪টি প্রকল্পের অগ্রগতি ৯৫ ভাগ

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এডিপির ৪৪টি প্রকল্পের অগ্রগতি ৯৫ ভাগ

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ শতাধিক মানুষ

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ শতাধিক মানুষ

জ্বালানি ১০৪ আর বিদ্যুৎ ৯৭ ভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে

জ্বালানি ১০৪ আর বিদ্যুৎ ৯৭ ভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে

রাজশাহীতে বিক্রি হয়নি ৭৩ হাজার কোরবানির পশু

রাজশাহীতে বিক্রি হয়নি ৭৩ হাজার কোরবানির পশু

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

লকডাউনে বিয়ের আয়োজন, বর-কনের বাবার জরিমানা

লকডাউনে বিয়ের আয়োজন, বর-কনের বাবার জরিমানা

কার্ভাডভ্যান চাপায় প্রাণ গেলো ব্যাংক কর্মকর্তার

কার্ভাডভ্যান চাপায় প্রাণ গেলো ব্যাংক কর্মকর্তার

রাজাকার-পুত্রের দম্ভ দেখে হতভম্ব হয়ে যাই: আইজিপি

রাজাকার-পুত্রের দম্ভ দেখে হতভম্ব হয়ে যাই: আইজিপি

ড. সৈয়দ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ড. সৈয়দ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

হাইতির প্রেসিডেন্ট খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা প্রধান গ্রেফতার

হাইতির প্রেসিডেন্ট খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা প্রধান গ্রেফতার

সম্পর্ক উন্নয়নে একমত উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়া

সম্পর্ক উন্নয়নে একমত উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়া

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

© 2021 Bangla Tribune