X
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের সমালোচনায় ওবামা

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২০, ২০:২৭

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন বাকি। নির্বাচনি প্রচারণা তুঙ্গে রয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বাইডেনের হয়ে প্রচারণায় নেমেছেন সাবেক প্রেসিডেন্টে বারাক ওবামা। ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি। শনিবার ওবামা বলেছেন, ট্রাম্প মার্কিন জনগণকে সুরক্ষা দিতে পারবেন না। কারণ, তিনি নিজেকে রক্ষায়ও প্রাথমিক কোনও পদক্ষেপ নেননি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ফ্লোরিডার মিয়ামিতে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যকালে ট্রাম্প প্রশাসনের করোনা মোকাবিলার সমালোচনা করেন ওবামা। করোনায় আক্রান্ত ট্রাম্পের হাসপাতালে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ট্রাম্প হঠাৎ করেই আমাদের সবাইকে রক্ষা করতে পারবেন না। এমনকি তিনি নিজেকে রক্ষায়ও প্রাথমিক কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেননি।

ওবামা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের নিন্দা জানাতে ট্রাম্পের ব্যর্থতা, প্রকাশ্যে মিথ্যা বলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রেসিডেন্টের ব্যর্থতাকে তুলে ধরে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ভোট দিতে সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান।

ওবামা বলেন, আমাদের এমন প্রেসিডেন্ট দরকার নেই, যিনি তাকে সমালোচনার জন্য কারাগারে পাঠানোর হুমকি দেন। এটি স্বাভাবিক আচরণ না। আপনার সহকর্মীর এমন আচরণ মেনে নেবেন না, স্কুল প্রধানের এমন আচরণ মেনে নেবেন না, কোচ কিংবা পরিবারের সদস্যদেরও এমন আচরণ মেনে নেবেন না।

তিনি আরও বলেন, এই লোক নিজের কাজটুকুই করেন না। কেন আমরা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেনে নিচ্ছি?

এদিকে পেনসেলভিনিয়ায় ড্রাইভ ইন র‌্যালি করেছেন জো বাইডেন। এই সমাবেশে তিনি বলেন, ট্রাম্প বলে যাচ্ছেন করোনা চলে যাচ্ছে। করোনার সঙ্গে কীভাবে বসবাস করতে হয় তা আমরা শিখছি। কিন্তু বাস্তবে এর সঙ্গে কীভাবে বসবাস করতে হয় তা আমরা শিখছি না। আপনি আমাদের বলছেন কীভাবে এর সঙ্গে মরতে হয় তা শিখতে। আর এটি ভুল।

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৯:৪২
image

করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকার মধ্যে বিধিনিষেধ শিথিল কেন করা হয়েছে মালয়েশিয়ার সরকারের কাছে তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। বিরোধী নেতারা বলছেন, বিধিনিষেধ শিথিলের বিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি। জনগণের এর প্রভাব কি হতে পারে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

মালয়েশিয়ায় এখন পর্যন্ত দশ লাখেরও বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আট হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন পরীক্ষার পরিমাণ কম হওয়ায় আক্রান্ত ও মৃতের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। দেশটির হাসপাতালগুলো রোগীতে উপচে পড়ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে রোগীরা চেয়ারে বসে অক্সিজেন সিলিন্ডার ভাগাভাগি করছেন।

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে জরুরি অবস্থা চলছে। আগামী ১ আগস্ট এর মেয়াদ শেষ হবে। আর তারপরে আর এই মেয়াদ বাড়ানো হবে না। সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলো। ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন পার্টির ডেপুটি চেয়ারম্যান গোবিন্দ সিং দেও মঙ্গলবার পার্লামেন্ট অধিবেশনে বলেন, ‘আমাদের কেন জানানো হয়নি? এই সিদ্ধান্ত কার?’

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার রোগী শনাক্ত হচ্ছে। মঙ্গলবার দেশটিতে রেকর্ড ২০৭ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালগুলো রোগী ফিরিয়ে দিচ্ছে। এমনকি ভর্তি করলেও তাদের শয্যা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে প্রচলিত বিধিনিষেধ যথেষ্ট নয়। এতে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। তারপরেও প্রচলিত বিধিনিষেধের কারণে দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষের উপর এর প্রভাব মারাত্মক। সাহায্য চেয়ে অনেকেই বাড়ির বাইরে সাদা পতাকা ওড়াচ্ছেন।

/জেজে/

সম্পর্কিত

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৮

বিধিনিষেধ এখনই শিথিল করা হলে করোনার ভ্যাকসিন প্রতিরোধী নতুন নতুন স্ট্রেইন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করে সতর্ক করেছেন গবেষকরা। লকডাউন প্রত্যাহারে সংক্রমণ আরও বিস্তার ঘটবে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন তারা। ব্রিটেনের ইনিভার্সিটি অব অ্যাংলিয়া এবং আর্লহাম ইনস্টিটিউট-এর গবেষকদের প্রকাশিত নিবন্ধনে এমন শঙ্কার কথা জানা গেছে।

মঙ্গলবার ব্রিটেনের এক নিবন্ধনে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে দেশে দেশে যে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ রয়েছে তা এখনই প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কিন্তু এমন পদক্ষেপকে আত্মঘাতী বলছেন গবেষকরা। গবেষণায় বলা হয়েছে, সময়ের আগেই শিথিলতায় করোনার নতুন স্ট্রেইন তৈরি হবে। ফলে ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে বলে সতর্ক করা হচ্ছে।

গবেষকরা বলছেন, ' বিধিনিষেধ শিথিলতায় ভাইরাস জনসাধারণের মধ্যে আরও ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করবে। আরও শক্তিশালী হয়ে পড়বে। ফলে বাজারে যে কোভিড প্রতিরোধী ভ্যাকসিন রয়েছে তা কার্যকর হারাতে পারে’।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বব্যাপী টিকা দেওয়ার অসামঞ্জস্য থাকায় করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে। পরিসংখ্যানে জানা গেছে, বিশ্বের মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষ করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ টিকা নিতে সক্ষম হয়েছেন।

গবেষকরা চিহ্নিত করেছেন নতুন ভ্যারিয়েন্টে শিশুরাও আক্রান্ত হওয়ার অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ যুক্তরাজ্যেসহ অনেক দেশেই শিশুদের টিকাদান শুরু করতে পারেনি।

ইউরোপের মধ্যে আয়ারল্যান্ড সর্বশেষ দেশ যারা ১২ বছরের কম বয়ী শিশু-কিশোরদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে।

ডেল্টা ও আলফা ভ্যারিয়েন্ট দাপট দেখাচ্ছে বিশ্বে। বিশেষ করে অতিসংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করছেন।

/এলকে/

সম্পর্কিত

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

ব্রাজিলে করোনায় এক হাজার গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

ব্যক্তিগত ও  পারিবা‌রিক জীবন নি‌য়ে আদাল‌তে কাঁদলেন এম‌পি আপসানা

ব্যক্তিগত ও  পারিবা‌রিক জীবন নি‌য়ে আদাল‌তে কাঁদলেন এম‌পি আপসানা

আমি জ্যোতিষী নই: মমতা

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৮:৪৩
image

পেগাসাস স্ক্যান্ডাল নিয়ে ভারতের বিরোধী দলগুলোর নেতাদের বৈঠকে যোগ দেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তবে পরে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে বলেছেন, এই ইস্যুতে যেকোনও সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকবেন তিনি। আর এতে ভারতের সব দলগুলোরই ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। সেই ঐক্যের নেতৃত্ব দেবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক জ্যোতিষী নই। পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। অন্য কেউ নেতৃত্ব দিলে আমার কোনও সমস্যা নেই।’ সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ সাল থেকে ১৭টি দেশের সংবাদমাধ্যম মিলে ‘দ্য পেগাসাস প্রজেক্ট’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে ফোনে নজরদারির বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২১ জুলাই এই অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে উঠে আসে দুনিয়াজুড়ে নজরদারির শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী, রাজনীতিক, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সদস্যরা। ভারতের বেশ কয়েক জন বিরোধী দলীয় নেতার ফোনে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আড়িপাতা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।

পেগাসাস স্ক্যান্ডাল নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরুর চেষ্টায় রয়েছে বিরোধীরা। তারই অংশ হিসেবে বিরোধী দলগুলোর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে যোগ না দিলেও তাদের প্রতি সমর্থনের কথা জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দলের মুখ হবেন কিনা জানতে চাইলে মমতা বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ কর্মী, কর্মী হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ মেয়াদে পরিকল্পনার প্রয়োজনের দিকে ইঙ্গিত করে মমতা জানান, পার্লামেন্ট অধিবেশনের পর তিনি এই বিষয়ে ভালোভাবে কাজ শুরু করবেন। তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল লালু প্রসাদ যাদবের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা সব দলের সঙ্গেই কথা বলবো।’ চলমান দিল্লি সফরে তিনি কংগ্রেস নেতা সোনিয়া গান্ধী এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গেও কথা বলবেন বলেও জানান মমতা।

পশ্চিমবঙ্গের সর্বশেষ নির্বাচনে ব্যাপক জয় পেয়ে ভারতের বিরোধী দলগুলোর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘এক সঙ্গে কাজ করার একটি সাধারণ প্লাটফর্ম থাকা দরকার। বিরোধী সব রাজনৈতিক দলকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা সবাই একসঙ্গে বসবো আর কিছু একটা উপায় বের করবো।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

আগস্টে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করছে ভারত

জিন্স প্যান্ট পরায় ভারতে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা

জিন্স প্যান্ট পরায় ভারতে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা

সরকারের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৯

রাষ্ট্রের একাধিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ। প্রধানমন্ত্রীর কাউন্সিলের পরিচালক ও সরকারের মহাসচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বুলেটিনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ।

তিউনিসিয়া গত রবিবার থেকেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে আকস্মিক বরখাস্তের পর থেকেই আন্দোলন চলছে দেশজুড়ে। এরই মধ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ।

এক ঘোষণায় তিনি জানান, দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাউন্সিলের পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং সরকারের মহাসচিবও রয়েছেন। তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ জানানি প্রেসিডেন্ট। এতে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকারের অব্যবস্থাপনার জেরে সহিংস বিক্ষোভের পর তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ গত রবিবার সন্ধ্যায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসাচ মেচিচকে বরখাস্ত করেন। আগামী ৩০ দিনের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন পার্লামেন্ট। প্রেসিডেন্টের এমন পদক্ষেপকে বিরোধীরা ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে বিরোধী এবং আন্দোলনকারীদের এমন অভিযোগ নাকচ করেছেন প্রেসিডেন্ট সাঈদ।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানী তিউনিসসহ নানা জায়গায় মোতায়েন রয়েছে সেনা সদস্য। চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক, জার্মানি ও রাশিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্র।

/এলকে/

সম্পর্কিত

গণতন্ত্র সংকটে তিউনিসিয়া : ৩০ দিনের কারফিউ জারি

গণতন্ত্র সংকটে তিউনিসিয়া : ৩০ দিনের কারফিউ জারি

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

সংকটে তিউনিসিয়ার গণতন্ত্র: পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে সংঘর্ষ, পথে পথে সেনা

সংকটে তিউনিসিয়ার গণতন্ত্র: পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে সংঘর্ষ, পথে পথে সেনা

তিউনিসিয়ায় আল-জাজিরার কার্যালয় বন্ধ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

তিউনিসিয়ায় আল-জাজিরার কার্যালয় বন্ধ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৭:৪১
image

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা ড্যানিয়েল পোর্টার। ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যক্তির রয়েছে স্ত্রী আর দশ বছর বয়সী এক মেয়ে। এক রাতে ঘুমিয়ে সকালে স্বাভাবিকভাবেই ওঠেন তিনি। ভাবতে থাকেন ১৯৯০ এর দশকে রয়েছেন তিনি। তৈরি হতে থাকেন স্কুলে যাওয়ার জন্য। জীবন থেকে দুই দশক আর স্ত্রীকে বিয়ে করা এমনকি মেয়ে থাকার কথাও ভুলে যান তিনি।

হিয়ারিং স্পেশালিস্ট ড্যানিয়েল পোর্টার গত বছরের জুলাইয়ের সেই সকালে ঘুম থেকে উঠে বসের অন্য দিনের মতোই। মনে হতে থাকে পাশে ঘুমিয়ে থাকা নারীকে তিনি চেনেনই না, আয়নায় তাকাতেই দেখতে পান ‘বয়স্ক আর মোটা’ এক লোক তার দিকে তাকিয়ে আছে। সব চিন্তা ছেড়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে থাকেন। অথচ দুই দশক আগেই স্কুলের পাঠ চুকিয়ে ফেলেছেন তিনি। আর বিছানায় শুয়ে থাকা অদ্ভূত নারীটি তার স্ত্রী। তার সঙ্গে রয়েছে তাদের একটি ১০ বছরের মেয়ে।

৩৬ বছর বয়সে ড্যানিয়েলের সঙ্গে যখন এমন ঘটনা ঘটে তখন তিনি নিজেকে ১৬ বছর বয়সী বলে ভাবছিলেনৈ। ওই সময়ে তার স্ত্রী রুথ তাকে শান্ত করেন আর বোঝান যে, তিনিই তার স্ত্রী আর তাকে অপহরণ করা হয়নি।

রুথ বলেন, ‘সে এক সকালে উঠলো আর সে নিজের পরিচয় এমনকি কোথায় আছে তাও মনে করতে পারছিলো না। খুবই দ্বিধান্বিত ছিলো। এমনটি নিজের ঘরও চিনতে পারছিলো না। সে ভাবছিলো হয়তো সে মাতাল আর কোনও নারীর সঙ্গে তার বাড়িতে গেছে বা তাকে অপহরণ করা হয়েছে। দেখতে পেলাম সে যেন পালানোর পথ খুঁজছে।’

পরে পোর্টারকে নিয়ে তার বাবা-মায়ের বাড়িতে যান রুথ। সেখানে তারা তাকে বোঝাতে সক্ষম হন যে তিনি নিরাপদে আছেন। তবে এখন পর্যন্ত নিজের দশ বছর বয়সী মেয়ে লিবিকে চিনতে পারেননি পোর্টার।

চিকিৎসকেরা জানান ড্যানিয়েল পোর্টার মূলত ট্রান্সিয়েন্ট গ্লোবাল অ্যামনেসিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই রোগে মানুষ হঠাৎ করে অস্থায়ীভাবে স্মৃতি হারিয়ে ফেলেন। চিকিৎসকেরা জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পোর্টার স্বাভাবিক স্মৃতিতে ফিরতে পারেন। কিন্তু এক বছর পার হয়ে গেলেও নিজের হারিয়ে ফেলা ২০ বছর জীবনের স্মৃতি মনে করতে পারেননি তিনি।

সূত্র: ওডিটিসেন্ট্রাল

 

/জেজে/

সম্পর্কিত

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

সম্পর্ক উন্নয়নে একমত উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়া

সম্পর্ক উন্নয়নে একমত উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়া

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ শতাধিক মানুষ

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের শঙ্কা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ শতাধিক মানুষ

জ্বালানি ১০৪ আর বিদ্যুৎ ৯৭ ভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে

জ্বালানি ১০৪ আর বিদ্যুৎ ৯৭ ভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে

রাজশাহীতে বিক্রি হয়নি ৭৩ হাজার কোরবানির পশু

রাজশাহীতে বিক্রি হয়নি ৭৩ হাজার কোরবানির পশু

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

করোনা কবলিত মালয়েশিয়ায় বিধিনিষেধ শিথিলে ক্ষোভ

লকডাউনে বিয়ের আয়োজন, বর-কনের বাবার জরিমানা

লকডাউনে বিয়ের আয়োজন, বর-কনের বাবার জরিমানা

কার্ভাডভ্যান চাপায় প্রাণ গেলো ব্যাংক কর্মকর্তার

কার্ভাডভ্যান চাপায় প্রাণ গেলো ব্যাংক কর্মকর্তার

রাজাকার-পুত্রের দম্ভ দেখে হতভম্ব হয়ে যাই: আইজিপি

রাজাকার-পুত্রের দম্ভ দেখে হতভম্ব হয়ে যাই: আইজিপি

ড. সৈয়দ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ড. সৈয়দ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অডিশন দিয়েও বলিউডে আসেননি ক্রেইগ, কারণ?

অডিশন দিয়েও বলিউডে আসেননি ক্রেইগ, কারণ?

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

বিধিনিষেধ শিথিলে ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন-এর আশঙ্কা: গবেষণা

স্পেনের সঙ্গে ড্র করেও আর্জেন্টিনার বিদায়

অলিম্পিক ফুটবলস্পেনের সঙ্গে ড্র করেও আর্জেন্টিনার বিদায়

কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

এক ঘুমে হারিয়ে গেলো দুই দশক!

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

১৫ হাজার বছর পুরনো ভাইরাসের সন্ধান

হাইতির প্রেসিডেন্ট খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা প্রধান গ্রেফতার

হাইতির প্রেসিডেন্ট খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা প্রধান গ্রেফতার

সম্পর্ক উন্নয়নে একমত উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়া

সম্পর্ক উন্নয়নে একমত উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়া

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

© 2021 Bangla Tribune