X
বৃহস্পতিবার, ০৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

‘করোনা একদিক দিয়ে আমার জন্য আশীর্বাদ’

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২০, ১৫:১৭

সানজিদা খন্দকার ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে নারীদের জন্য সহজ করতে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘দ্য টু আওয়ার জব’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম। যেখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অনেক নারী নিবন্ধন করেছেন। ঘরে বসে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে করা সম্ভব এমন কাজ রয়েছে সাইটে। যেকোনও প্রতিষ্ঠান তাদের নিয়োগও দিতে পারে বিভিন্ন কাজের জন্য। তবে এটি ফুল টাইম নয়, পার্ট টাইম কাজ। এখানে এন্টারপ্রাইজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য কনটেন্ট লেখা, লিগ্যাল সার্ভিস, লোগো ডিজাইন, মার্কেটিংসহ বিভিন্ন সেবা দিচ্ছে দ্য টু আওয়ার জব। এসব নিয়ে কথা বলেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী সানজিদা খন্দকার। তিনি বলেন, আমাদের সাইটে এখন রাইটার, ডিজাইনার থেকে শুরু করে ইয়োগা ট্রেইনার, ডায়েটিশিয়ান পর্যন্ত আছেন। বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলা ট্রিবিউনকে।  

নামটা দ্য টু আওয়ার জব কেন?

সানজিদা খন্দকার: এই নাম দেওয়ার পেছনে একটা গল্প আছে। আমি ট্রান্সকমের ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলাম। ২০১১ সালে আমার প্রথম বেবির জন্ম, তখন আমি চাকরিটা ছেড়ে দিই। আমার প্ল্যান ছিল পরে আবার চাকরিতে ফিরবো। তার দু’বছরের মাথায় আমার সেকেন্ড বেবি হয়। সব মিলিয়ে তিন বছরের একটা গ্যাপ হয়ে যায়। তখন চিন্তা করলাম  নয়টা-পাঁচটা অফিস করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এখন এমন একটি চাকরি বেছে নিতে হবে, যা আমার জন্য উপযোগী। আমি বিবিএ পড়েছি। অলওয়েজ ড্রিম ছিল ভালো একটি করপোরেট জব করবো। সেই ভাবনা থেকে ওয়ার্কিং আওয়ার কম হবে কিন্তু তা হতে হবে পেশাদার, যা বাসায় বসেই করা যাবে, এমন কাজ। তখন গুগলে সার্চ করলাম দুই তিন ঘণ্টার জন্য কোনও জব আছে কিনা। মনে হয়েছিলো, গুগলে যেহেতু সবই পাওয়া যায়, দেখি খুঁজে। দেখলাম টু আওয়ারের কোনও জব গুগলে নেই। তখন খুব জেদ হলো, এটা নেই তো কি হয়েছে- এটা তৈরি করেই আমি কাজ করবো। সেই থেকেই নামটা হয়ে গেলো ‘দ্য টু আওয়ার জব।’

টু আওয়ার জব আসলে কি?

সানজিদা খন্দকার: যদি এভাবে বলি, এখনকার মেয়েরা অনেকেই শিক্ষিত। কেউ আর্কিটেকচার পড়ে এসেছে, কেউ ইংরেজি, কেউ ফিজিক্সে পড়াশোনা করেছে। কিন্তু বিবাহিত, চাকরি বা ব্যবসা করছে না। এরা যদি কাজ করতে পারতো। বাচ্চা হওয়ার পরে অনেকেই মনে করেন, আমি একজন ভালো আর্কিটেক্ট ছিলাম, করপোরেট জব করতাম। এখন বেবি হওয়ার পরে বসে আছি। এসব ভেবে আমার এবং সবার কথা মাথায় রেখে গড়ে তুলি দ্য টু আওয়ার জব। এখানে ঘরে বসে কাজ করে সব ধরনের ভার্চুয়াল ডেলিভারি করা সম্ভব

এটার যে একটা মার্কেট আছে, এটা কিভাবে বুঝলেন?

সানজিদা খন্দকার: প্রথমত, বলতে পারেন আমাদের নিজস্ব পরিকল্পনা থেকে। মার্কেটকে দেখে বোঝার একটা বিষয় আছে। দ্বিতীয়ত, আমরা একটা গবেষণা করেছিলাম, এই গবেষণাটা ছিল ঘরে বসে থাকা মায়েদের নিয়ে। প্রথমে আমার বেস্ট ফ্রেন্ডদের এই কাজে আমি হায়ার করেছিলাম। তাদের কাছে  প্রশ্ন পাঠিয়ে দেওয়া হলো। পরে আরও সাড়ে ৩০০ মেয়ের কাছে এই প্রশ্নগুলো পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ জরিপে দেখা গেল, এদের মধ্যে অনেকেই আছে টুকটাক কাজ করছেন। এর মাধ্যমে ওর মাধ্যমে কাজ করছেন। জরিপে দেখা গেছে তারা টুকিটাকি সবার অনুরোধে কাজ করছেন। যেহেতু আত্মীয় স্বজন -তাই পেমেন্ট পাচ্ছে না। এটাই যদি প্রফেশনালি করেন তাহলে তিনি আয় করতে পারবেন। ছোট ও মধ্যম মানের খুচরা জবগুলো (কাজ) করোনার আগেই বাড়ছিল, করোনার সময় আরও বেশি বেড়ে গেছে।  

সানজিদা খন্দকার ও দ্য টু আওয়ার জব এধরনের মার্কেট আসলে রেডি থাকে না, মানুষ বুঝতেও চায় না। বোঝাতে অনেক সময় লাগে। কিভাবে করলেন?

সানজিদা খন্দকার:  শুরুতে আমরা দুইটা চ্যালেঞ্জে পড়েছি।  একটা হচ্ছে, দূর থেকে কাজ করলে সেটা ভালো হতে পারে। যাদেরকে নিয়ে আমরা কাজ করি তারাতো আবার মেয়ে, আবার করপোরেট ড্রপ আউট। পেশাগত কারণে একটা প্রতিষ্ঠানে যখন ছেলে মেয়ে কাজ করে, তখন মেয়েরা একটু কম সুযোগ পায়, ছেলেরা একটু বেশি সুযোগ পায়। সেই কাজগুলো যে ঘরে বসে করছেন তিনি কিন্তু মা। অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন তারা। এটা বিশ্বাস করাতে অনেক কষ্ট হয়েছে। সেই জায়গাতে মানুষকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করাতে অনেক কাজ করতে হয়েছে। কিন্তু করোনার সময়ে আমাদের এগুলো আরও সহজ করে দিয়েছে। মানুষ ভার্চুয়াল ওয়ার্কপ্লেস এই বিষয়টি মেনে নিয়েছে। দূরে থেকেও করা যায় এবং অবশ্যই সেটা সম্ভব। করোনা একদিক দিয়ে আমার জন্য আশীর্বাদ। আরেকটা বিষয়, ভার্চুয়াল ওয়ার্ক প্লেস বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম- যেটাতে কিন্তু পুরুষ মহিলা এই জেন্ডার বিষয়টি থাকে না। এটা খুবই ইতিবাচক দিক।  

টু আওয়ার জব- আসলেই মানুষ কি দুই ঘন্টা কাজ করে?

সানজিদা খন্দকার: আসলে; মানুষ বলে না- দাঁড়াও তোমার সাথে দুইটা কথা আছে। এরকম একটা জিনিস মাথায় নিয়ে আমাদের শুরু। যখন আমার বন্ধু বা বিভিন্ন মায়েদের ওপর জরিপ করেছি তখন কিন্তু সবাই দুই-তিন ঘণ্টা জবের কথাই বলেছে। সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ ঘণ্টা কাজ করতে পারবে- এই জবগুলোর কথা বলত। এখান থেকে আমাদের নামটা পিক করা।

সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো একটা মেয়ের পক্ষে এতগুলো মানুষের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং করা। যেটা একটা ছেলের জন্য সহজ, মেযের জন্য মোটেই সহজ নয়। বিশেষ করে বিবাহিত একটা মেয়ের জন্য এতো সুযোগই নেই। বাড়তি অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।  তবে আমি যেটা মনে করি নিজেকে খুব শক্ত করে ধরে রাখা দরকার।  নিজে যে উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছি, সেই উদ্দেশ্যের দিকেই মনোযোগী থাকা দরকার।

উদ্যোক্তা হলেন কেন?

সানজিদা খন্দকার: আসলে উদ্যোক্তা কোনও পরিকল্পনা করে হইনি।  বাই চান্সে হয়ে যাওয়া আরকি। প্রথমে আমার পরিকল্পনা ছিল একটা ভালো করপোরেট অফিসে চাকরি করব, সেখান থেকে উন্নতি করব। কিন্তু এই কাজটা যখন আমি শুরু করি তখন জানতাম না শেষ পর্যন্ত এটি কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে। বলতে পারেন অনেকটা জেদ থেকে শুরু করা। শুরু করেছি, শেষ করবো- এই থেকেই আমার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা।

চাকরি কি উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে কোনও সাহায্য করেছে?

সানজিদা খন্দকার: অবশ্যই, অনেক সাহায্য করেছে। যেকোনও পরিস্থিতি হ্যান্ডেলিং করতে পারা। আমার অভিজ্ঞতাটা ছিলো মার্কেটিং বেজড। কারণ একটা প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে আমি ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড়া করাবো এটা আমার জন্য সহজ ছিল। কিন্তু বাকি কাজগুলো সহজ ছিলো না। এজন্য যে কমিউনিটির সঙ্গে কাজ করা, একটি স্টার্টআপকে কিভাবে শুরু থেকে উঠিয়ে আনা, এ পর্যন্ত নিয়ে আসা; তবে এটা আমার একার কমিটমেন্ট আমি বলবো না। আমার সঙ্গে যারা ছিল, আমার মেন্টর যারা ছিলেন, গুরুজন যারা ছিলেন তারা আমাকে অনেক জায়গায় সহযোগিতা করেছেন। 

আমাদের দেশে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা কম। সেখান থেকে আপনি কিভাবে উঠে এলেন। চ্যালেঞ্জগুলো কি ছিল?

সানজিদা খন্দকার:  আমি যখন কাজ শুরু করি আমার কাছে দুটো বিকল্প ছিল। কারণ আমার বাচ্চারা অনেক ছোট।  যে কারণে ফুলটাইম তো আমি আমার এই কাজে দিতে পারছিলাম না।  যতটুকু সময় আমার ছিলো, হয় কাজ করতে হবে; না হয় ফান্ডের পিছনে দৌঁড়াতে হবে।  এই কারণে প্রথমে আমি ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির মধ্যে প্রথম আমার কাছের একজনকে বোঝাতে সক্ষম হই। ফ্যামিলি আমাকে অনেক বড় সাপোর্ট দিয়েছে। ফান্ডিং পাওয়ার পরে প্রথম চ্যালেঞ্জটা পার হয়। এরপর ভাগ্যক্রমে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ভাই আমাদের পাশে ছিলেন। যে কারণে রাস্তাটা অনেক সহজ হয়ে গেছে।

এরপর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো একটা মেয়ের পক্ষে এতগুলো মানুষের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং করা। যেটা একটা ছেলের জন্য সহজ, মেযের জন্য মোটেই সহজ নয়। বিশেষ করে বিবাহিত একটা মেয়ের জন্য এতো সুযোগই নেই। বাড়তি অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।  তবে আমি যেটা মনে করি নিজেকে খুব শক্ত করে ধরে রাখা দরকার।  নিজে যে উদ্দেশ্য নিয়ে আসছি, সেই উদ্দেশ্যের দিকেই মনোযোগী থাকা দরকার। যাওয়ার পথে অনেক কিছুই দেখা কিন্তু যাবে সেদিকে না তাকিয়ে সোজা গন্তব্যে চলে যাওয়াই উত্তম। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমি এগিয়েছি সেটার পেছনেই আমি থাকবো। এটাই দরকার। মেয়েরা খুব সহজে ভেঙ্গে পড়ে।  সেই সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আসলেই একজন লোক দরকার।

টু আওয়ার জবের প্রধান নির্বাহী সানজিদা খন্দকার

প্রযুক্তি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ কেমন?

সানজিদা খন্দকার:  প্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ অনেক কম।  তবে আগের চেয়ে অনেক ভালো।  ডাক্তার হওয়াটা মেয়েদের জন্য ভালো, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছেলেদের জন্য, আমাদের দেশে এই পেশাগত শ্রেণিবিন্যাসটা আছে।  সব দিক থেকে দেখলে বোঝা যায় যে, আইটিতে মেয়েদের অংশগ্রহণ কম।প্রযুক্তিতে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের ঝোঁক অনেক বেশি। তবে এখন আমি বলবো, আগের থেকে অনেক নারী এগিয়ে এসেছেন প্রযুক্তিতে। মেয়ে মানে যে শিক্ষক বা ডাক্তার হবে এই জায়গা থেকে অভিভাবকরা অনেকটা সরে এসেছেন। একটি মেয়ে কিন্তু খুব ভালো একজন আইটি স্পেশালিস্টও হতে পারে।

যে উদ্দেশ্য নিয়ে কাজটি শুরু করেছেন সেটি কেমন করছেন?

সানজিদা খন্দকার: শুরুর দিকে বেশ চ্যালেঞ্জ ছিল। শুরুটা আমাদের অনেক হতাশায় গেছে। সেটা ছিল ২০১৯ সাল। কিন্তু এখন আমাদের চিত্র বদলে গেছে। গ্রোথটাটা খুব ভালো। বলা চলে এখন পুরো মার্কেট বা ওয়ার্ল্ড’র জন্য আমরা প্রস্তুত।

শ্রুতি লিখন: রাসেল হাওলাদার

 

 

 

/এইচএএইচ/

সম্পর্কিত

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৩:১৭

আন্তর্জাতিক বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের বিভিন্ন উপাদানের দাম বৃদ্ধি, যন্ত্রাংশের ঘাটতি, লোকবলকে চাকরিচ্যুত করার কারণে সৃষ্ট সংকটের ফলে বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।  

হঠাৎ প্রযুক্তি পণ্য, মোবাইল ডিভাইসের দাম বেড়ে গেছে। বাজার সূত্র জানায়, প্রতিটি ল্যাপটপের দাম ৭ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বেড়েছে। আর মোবাইল ফোন, ট্যাবের দাম বেড়েছে অন্তত ১০ শতাংশ।  দামি ডিভাইসের বেলায় এই হার আরও বেশি বলে জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে চিপ সংকট। এই সংকট শিগগিরই কাটছে না বলে আশঙ্কা করছে প্রযুক্তি বিশ্ব। এ ছাড়া বাজারে দেখা দিয়েছে প্রসেসরের ঘাটতি। অন্যদিকে মোবাইল র‌্যামের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। দেশের বাজারে মোবাইল ডিভাইসের দাম ১০ শতাংশ বাড়লেও শিগগিরই তা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে বাজার সূত্রে জানা গেছে।  

এ ছাড়া এয়ার ফ্রেইট চার্জও (কার্গো বিমানের ভাড়া) বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। বেড়েছে অগ্রিম কর। দুই শতাংশ থেকে এবারের বাজেটে তা বাড়িয়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে এসবও প্রযুক্তি পণ্যের দামে প্রভাব ফেলছে। এসব কারণ আগামীতে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এমনকি ক্রেতাদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পণ্য, অনুষঙ্গ কিনতে খরচ বেড়ে যাবে। করোনাকালের নিয়ন্ত্রিত আয় রোজগারের মধ্যে যা ‘বোঝার ওপর শাকের আটি’ হিসেবে চেপে বসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।  

হালের প্রযুক্তি বাজার সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যুগ্ম সম্পাদক মুজাহিদ আল-বেরুনী সুজন বলেন, বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের সংকট তো কমেইনি বরং প্রতিনিয়ত বহুমুখী সংকট তৈরি হচ্ছে।

তিনি জানান, বাজারে পণ্যের যে চাহিদা আছে তার ৬০ শতাংশ পণ্য আমদানিকারক, পরিবেশকরা দিতে পারছেন। ফলে সংকট থেকেই যাচ্ছে।

মুজাহিদ আল-বেরুনী সুজন জানান, বিদেশি পণ্যের পরিবহন খরচ বাড়ছে হু হু করে। কন্টেইনার খরচ, পণ্য হ্যান্ডেলিং চার্জ যেমন বেড়েছে তেমনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। উৎপাদকরা ল্যাপটপ প্রতি দাম বাড়িয়েছে ২০ থেকে ৫০ ডলার। বাংলাদেশে আসার পরে সব মিলিয়ে তা দাঁড়াচ্ছে ১০০ ডলারের মতো। জানা যায়, বর্তমানে প্রতিটি ল্যাপটপে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দাম বেড়েছে।

তার অভিযোগ, মার্কেট বন্ধ, ক্রেতারা ফোন করে পণ্য চাইছে; আমরা দিতে পারছি না। হাসপাতালসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এসময় জরুরি সেবা চাইছে, দেওয়া যাচ্ছে না। ক্রেতাদের যেসব পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে তার অনেক সমস্যা নিয়ে তারা ফোন করছেন, দিতে পারছি না। জরুরি সেবা খাত ঘোষণা না হলে তো আমরা এই সেবা দিতে পারবো না। তিনি সরকারের কাছে এই খাতটিতে জরুরি সেবা হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেশে স্মার্টফোনের ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর সেলেক্সট্রা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, অগ্রিম কর বেড়ে যাওয়ায় এখন আমাদের ৫৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ শুল্ক ও কর বাবদ দিতে হয়। ফলে স্মার্টফোন, ট্যাবসহ অন্যান্য ডিভাইসের দাম বাড়ছে। অপরদিকে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে। দক্ষ জনসম্পদের মজুরি বাড়ছে। ১০০ ডলারের পণ্যে এরই মধ্যে ৩০০-৫০০ টাকা দাম বেড়েছে।  

তিনি জানান, তার ব্র্যান্ডের যে পণ্য (মটোরোলা মোবাইল, লেনোভো ট্যাব ইত্যাদি) ডিভাইস এখন বিক্রি হওয়ার কথা ১৪ হাজার ৯৯০ টাকা দামে সেটা বিক্রি করতে হবে ১ হাজার টাকা বাড়িয়ে। আর ১৫ হাজার ৯৯০ টাকার পণ্যে ২ হাজার টাকা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হবে। এর কোনও বিকল্প নেই।  

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেশে শাওমি মোবাইলের অন্যতম জাতীয় পরিবেশক সোলার ইলেক্ট্রো বাংলাদেশ লিমিটেডের (এসইবিএল) প্রধান নির্বাহী দেওয়ান কানন বলেন, বাংলাদেশে কোনও ব্র্যান্ড এখনও মোবাইলের দাম বাড়ায়নি। তবে শিগগিরই বাড়াবে। হতে পারে এরই মধ্যে বাড়ানোও হয়ে গেছে। বিশ্ববাজারে স্মার্টফোনের চিপসেটের ঘাটতির কারণে পণ্যের দাম বেড়েছে, পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে স্মার্টের র‌্যামের দাম প্রায় ২০ শতাংশ। অন্যদিকে পণ্যের জাহাজ ভাড়া ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। বেড়েছে অগ্রিম কর (এআইটি)। এসব কিছুর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, এসব কারণে শিগগিরই দেশে মোবাইল ফোনের দাম আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাবে।

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১২:৪৫

মোবাইল ফোন অপারেটর রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ অপারেটরটির সঙ্গে আর না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) মাহতাব উদ্দিন আহমেদ এক ফেসবুক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তিনি আর রবির সঙ্গে চাকরি চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ৩১ অক্টোবর রবির সঙ্গে তার যাত্রা শেষ হতে যাচ্ছে। এই সময় পর্যন্ত তিনি অফিসিয়াল ছুটিতে থাকবেন। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।  

তিনি আরও লিখেন, গত ৬টা বছর আমি পরিবার থেকে দূরে। এখন আমি পরিবারকে আরও সময় দিতে পারবো। ৩০ বছরের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

এদিকে রবি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা এম রিয়াজ রশীদ তার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

রবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান থাইয়াপারান সাংগ্রাপিল্লাই বলেন, পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আমি মাহতাব উদ্দিন আহমেদকে ধন্যবাদ দিতে চাই, দেশে রবিকে শীর্ষ ডিজিটাল সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।

বিজ্ঞপ্তিতে রবিকে শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মাহতাব উদ্দিন আহমেদের বিভিন্ন অবদানের কথাও উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, মাহতাব উদ্দিন আহমেদ প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বহুজাতিক কোনও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নেন। তিনি ২০১৬ সালের ১ নভেম্বর অপারেটরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নেন। সেই হিসেবে রবিতে চাকরির ৫ বছর পূর্ণ করে তার যাত্রা শেষ হচ্ছে। এর আগে তিনি অপারেটরটির উপ-প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে তিনি ছিলেন অপারেটরটির প্রধান পরিচলন কর্মকর্তা। 

 

/এইচএএইচ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২১, ২৩:৩৫

ব্যবহারকারীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ এবং তাদেরকে বিনোদন ও শিক্ষার মাধ্যমে বিকশিত করার লক্ষ্য নিয়ে পঞ্চম বছরে পা দিয়েছে জনপ্রিয় স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও অ্যাপ লাইকি। তরুণদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় এ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম সম্প্রতি চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে।

বর্তমানে লাইকি বিশ্বজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি সদস্যের একটি বৃহৎ পরিবার। বাংলাদেশে এই অ্যাপটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২০১৯ সালের জুলাইয়ে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিজেদের মেধা ও প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে সৃজনশীল নেটিজেনরা লাইকি’কে তাদের সবচেয়ে পছন্দের অ্যাপ হিসেবে গ্রহণ করেছে।

ব্যবহারকারীদের সুপ্ত প্রতিভা প্রকাশে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি লাইকি ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ তৈরি ও শিক্ষার মাধ্যমে বিনোদন ও শিক্ষামূলক বিষয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন আয়োজন করেছে।

প্ল্যাটফর্মে মেধাবী সৃজনশীল ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করতে ব্র্যান্ডটি ‘লাইকি ট্যালেন্টস’ শীর্ষক একটি ক্যাম্পেইন চালু করে, যেখানে প্রায় ৯৪৯ মিলিয়ন মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে লাইকি’র শিক্ষামূলক #স্টেপস২লার্ন ক্যাম্পেইনে এ পর্যন্ত সাড়ে চার মিলিয়নেরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে।

 

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ০০:১৯

চলমান লকডাউনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে ‘জরুরি সেবা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।  এখন থেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের (কম্পিউটার ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে এ সংক্রান্ত সেবা দিতে পারবেন।  বুধবার (৪ আগস্ট) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে জরুরি সেবার আওতায় এনে লকডাউন চলাকালীন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার পণ্য সরবরাহ এবং এ সংক্রান্ত সেবা প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।  প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রদর্শন করে এ খাতে কর্মরত ব্যক্তিরা চলাচল করতে পারবেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সেবা দিতে পারবেন।

উল্লেখ্য, তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে জরুরি সেবার আওতায় আনতে গত ১১ জুলাই আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের কাছে আবেদন জানায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)।  বিসিএসের সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবারের লকডাউনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে জরুরি সেবার আওতায় আনা হলো।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, ‘দেশে এখন এমন কোনও খাত নেই যেখানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নেই।  প্রযুক্তি পণ্য এবং সেবা ব্যতীত নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়া প্রায় অসম্ভব।  আমরা প্রথম থেকেই হার্ডওয়্যার খাত এবং সেবা প্রদানকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সরকারকে অবহিত করে এসেছি।  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’

বিসিএস মহাসচিব মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘বিসিএস সদস্যদের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি এবং করোনা মহামারি সংক্রান্ত অন্যান্য সব সরকারি নির্দেশনা মেনেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।’ 

 

/এইচএএইচ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

আইসিটি বিভাগের কাজের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ

আইসিটি বিভাগের কাজের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ

‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ’র নিবন্ধন শুরু

‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ’র নিবন্ধন শুরু

শিশুদের প্রোগ্রামিং ও গণিত শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে: মোস্তাফা জব্বার

শিশুদের প্রোগ্রামিং ও গণিত শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে: মোস্তাফা জব্বার

চুরি-ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোনের তথ্য ও ছবি মুছবেন যেভাবে

চুরি-ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোনের তথ্য ও ছবি মুছবেন যেভাবে

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২১, ২৩:২৫

স্ন্যাপচ্যাটের আদলে হোয়াটসঅ্যাপেও এখন থেকে ছবি এবং ভিডিও স্বয়ক্রিংয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন চালু হতে যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহেই এটি চালু হবে বলে জানায়েছে সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স।

ভিউ ওয়ানসর নামে সেই অপশনটির মাধ্যমে ব্যবহারকারী এখন থেকে চাইলে ছবি বা ভিডিও এমনভাবে পাঠাতে পারবে যেটা একবার ভিউ হওয়ার পরই আপনা-আপনি মুছে যাবে। মঙ্গলবার ফেসবুকর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভিউ ওয়ানস অপশনটি ব্যবহার করে পাঠানো ছবি বা ভিডিওটি একবার দেখা হয়ে গেলে পরে সেখানে শুধু ওপেনড লেখা একটি বার্তা দেখা যাবে।

উল্লেখ্য, স্ন্যাপচ্যাটে এমনই একটি অপশন রয়েছে যেখানে কোনও পোস্ট ২৪ ঘণ্টা পর আপনা আপনি মুছে যায়। এই অপশনটি সম্প্রতি মহামারির সময় বেশ জনপ্রিয়তা পায়। প্রতিষ্ঠানটি তাদের মেসেজিং অ্যাপে আরও নতুন কিছু ফিচার আনতে যাচ্ছে যা ব্যবহারকারীদের আরও আকৃষ্ট করবে বলে মন্তব্য করে সংবাদ মাধ্যমটি।

 

/এইচএএইচ/এফএএন/

সম্পর্কিত

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

সর্বশেষ

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

শেখ কামালের জন্মদিনে বিসিবিতে মিলাদ ও দোয়া

শেখ কামালের জন্মদিনে বিসিবিতে মিলাদ ও দোয়া

খুলনায় প্রস্তুত ৩০৭ বুথ, টিকা পাবে ৬১৪০০ জন

খুলনায় প্রস্তুত ৩০৭ বুথ, টিকা পাবে ৬১৪০০ জন

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

সোয়া দুই কোটি টাকা ভ্যাট দিলো গুগল

সোয়া দুই কোটি টাকা ভ্যাট দিলো গুগল

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

শেখ কামাল ক্রীড়া পুরস্কারে সালাউদ্দিন-রোমানদের উচ্ছ্বাস

শেখ কামাল ক্রীড়া পুরস্কারে সালাউদ্দিন-রোমানদের উচ্ছ্বাস

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে স্মারক ডাকটিকিট উদ্বোধন

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে স্মারক ডাকটিকিট উদ্বোধন

স্থগিত হতে যাচ্ছে পরীমণির সদস্যপদ?

স্থগিত হতে যাচ্ছে পরীমণির সদস্যপদ?

এসএসসির ইংরেজি ভার্সনের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

এসএসসির ইংরেজি ভার্সনের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ‘নেতিবাচক’ প্রভাব দেশের প্রযুক্তি বাজারে

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

রবি ছাড়ছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

১০ কোটির বেশি সদস্যের পরিবার লাইকি

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

লকডাউনে জরুরি সেবার আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি খাত

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

ছবি ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার অপশন হোয়াটসঅ্যাপে

আইসিটি বিভাগের কাজের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ

আইসিটি বিভাগের কাজের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের খবর জানলো বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের খবর জানলো বিশ্বব্যাংক

এয়ারপড নকল কিনা বুঝবেন যেভাবে

এয়ারপড নকল কিনা বুঝবেন যেভাবে

ডিজিটাল হচ্ছে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগার

ডিজিটাল হচ্ছে দেশের ৭৩টি গণগ্রন্থাগার

মোবাইল অপারেটরগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে ‘সিস্টেম’ কেনা হচ্ছে কানাডা থেকে

মোবাইল অপারেটরগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে ‘সিস্টেম’ কেনা হচ্ছে কানাডা থেকে

© 2021 Bangla Tribune