সেকশনস

প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে বানানো কারুকার্যময় ‘আনন্দালয়’ ও ‘মেটি স্কুল’

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:৪৫

দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৯ নং মঙ্গলপুর ইউনিয়নের রুদ্রপুর গ্রাম। এখানে অবস্থিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দীপশিখা নন-ফরমাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সোসাইটি ফর ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট। এর ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে দ্বিতল একটি ভবন। এতে লেখা আছে ‘দীপশিখা’। মাঠে সবুজ ঘাস। চারপাশে ফুলের সমারোহ। পাখির কিচিরমিচিরে অপরূপ পরিবেশ। শীতল আবহাওয়া। কোনও কোলাহল নেই।

ভবনের পেছনে রয়েছে ‘আনন্দালয়’ নামের কমিউনিটি থেরাপি কেন্দ্র। রাস্তার দু’ধারে লম্বা লম্বা সুপারির গাছ পেরিয়ে মাটির তৈরি এই ভবনের কাছে গেলে দৃষ্টি আটকে যায়! নিচতলা পুরোপুরি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ব্যবহৃত হয়। ঘরের ভেতর মাটির তৈরি গুহা। এতে শিশুরা খেলাধুলা করে আনন্দে মাতে। গুহার ভেতর চলাফেরার জন্য প্রতিবন্ধীদের এক ধরনের ব্যায়াম হয়ে যায়, এটি তাদের চিকিৎসার একটি অংশ। ভবনে আলো-বাতাস সহজে আসা-যাওয়া করতে পারে। ঘরগুলো পরিবেশবান্ধব। প্রতিবন্ধীদের চলাচলের সুবিধার্থে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

দিনাজপুরের আনন্দালয় দ্বিতল ভবনে প্রতিবন্ধীরা ও হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীরা যেন অনায়াসে একটি কক্ষ থেকে অন্যটিতে এবং একতলা থেকে আরেক তলায় যাতায়াত করতে পারে সেজন্য প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে নকশা সাজানো হয়েছে। আনন্দালয়ের দক্ষিণ দিকে পুকুর এবং পশ্চিম-উত্তর দিকে মেটি স্কুল। এটিও দোতলা। দুটি ভবনই একই আদলে গড়া। এছাড়া পুরো এলাকায় রয়েছে সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কারিগরি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা কক্ষ, অফিস কক্ষ, নামাজ ঘর।

নজরকাড়া স্থাপনা আনন্দালয় এবং মেটি স্কুলের সুবাদে দিনাজপুরের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলটি সুপরিচিত। সামাজিক ও স্থাপত্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রান্তিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর শিক্ষার মান বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী সেবা কার্যক্রম ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে দ্বিতল কেন্দ্র দুটিতে।

মাটি, বাঁশ, খড়, দড়ি, বালি, সিমেন্ট, কাঠসহ প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে বানানো আনন্দালয়ের স্থাপত্যশৈলী বৈচিত্র্যময় ও অপূর্ব। এটি নকশা করার জন্য সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ওবেল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বিখ্যাত জার্মান স্থপতি আন্না হেরিঙ্গার। একই উপকরণ দিয়ে গড়ে তোলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেটি স্কুলের সুবাদে ২০০৭ সালে তিনি পেয়েছিলেন আগা খান আর্কিটেকচার অ্যাওয়ার্ড।

দিনাজপুরের মেটি স্কুল প্রাকৃতিক উপকরণে নির্মিত কারুকার্যময় ভবন দুটি দেখতে প্রতিদিন দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। দিনে দিনে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীসহ পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে ১০-১৫ মিনিট স্থাপত্যশৈলী দেখার সুযোগ দেওয়া হয় এখন।

ঢাকা থেকে আসা সুমনা হকের কথায়, ‘দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। অনেকদিন থেকেই ইচ্ছে ছিল আনন্দালয় ও মেটি স্কুল দেখবো। সত্যি বলতে মাটির তৈরি ঘর এমন সুন্দর হতে পারে তা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হতো না।’

সুমনার সঙ্গী জান্নাতুল ফেরদৌসী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শুধু মাটির তৈরি ঘরই নয়, এই এলাকার নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশ বেশ উপভোগ্য। এখানে এসে মন জুড়িয়ে গেলো। প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে দীপশিখার কার্যক্রম প্রশংসার দাবিদার।’

দর্শনার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগে অনেক নাম শুনেছি, তাই পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছি। মাটির কিংবা বাঁশের স্কুলটির কারুকার্য ও নির্মাণশৈলী অবাক করার মতো।’

দিনাজপুরের আনন্দালয় দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই দৃষ্টিনন্দন ভবন দুটিতে স্বাস্থ্যসেবা, প্রচলিত লেখাপড়া ও কারিগরি শিক্ষায় উপকার পাচ্ছেন সর্বসাধারণ। পরিবেশবান্ধব ও আরামদায়ক আনন্দালয় এবং মেটি স্কুলের কক্ষগুলোতে গরমকালে ঠান্ডা ও শীতকালে গরম অনুভূত হয়। সহজে যেন ফাটল কিংবা ঘূণে না ধরে, ক্ষয়ে না যায়, ভেঙে না পড়ে ও বৃষ্টিতে নষ্ট না হয় সেভাবেই এগুলো তৈরি হয়েছে। পুরো ভবনের দেয়ালে নির্দিষ্ট আনুপাতিক হারে রয়েছে মাটি, বালি ও সিমেন্ট। নিচতলা ও দোতলার প্লাস্টারে ব্যবহার করা হয়েছে পামওয়েল ও সাবান।

বিরলের মঙ্গলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২০ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। মেটি স্কুলের মাধ্যমে গ্রামে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। কারিগরি শিক্ষার ফলে অনেকেই ¯^শিক্ষিত হয়ে উঠছেন। পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি কেন্দ্র গড়ে ওঠায় চিকিৎসার জন্য কাউকে শহরে কিংবা ঢাকায় যেতে হচ্ছে না এবং চিকিৎসা ব্যয়ও সাশ্রয়ী।’

দিনাজপুরের দীপশিখা দীপশিখা প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৭৮ সালে। শুরুতে এর কাজ ছিল প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ভূমিহীন, প্রান্তিক কৃষক, খেটে খাওয়া ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ এনজিও ব্যুরোর নিবন্ধনভুক্ত হয় দীপশিখা। ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে এটি স্বল্প পরিসরে গড়ে তোলে মডার্ন এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মেটি) স্কুল। এতে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত স্থানীয় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের শিক্ষা প্রদান কার্যক্রমের পাশাপাশি নাচ, গান, অভিনয়, বিতর্ক ও সংস্কৃতি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংগঠনটি প্রতিবন্ধীদের জন্য গড়ে তোলে পরিবেশবান্ধব কমিউনিটি থেরাপি কেন্দ্র ‘আনন্দালয়’। ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বর এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসন, ক্ষমতায়ন এবং নাগরিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ফিজিওথেরাপি, ব্যায়াম ও শিক্ষা দেওয়া হয় এতে। ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছে প্রতিবন্ধীদের উপযোগী ও প্রবেশগম্য ভবন। দোতলায় রয়েছে নারীদের জন্য টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট।

দিনাজপুরের আনন্দালয় থেরাপি ও শিক্ষায় আনন্দালয়ের ইমপ্রুভিং দ্য লাইভস অব পিপল উইথ ডিসঅ্যাবিলিটি (আইএলপিডি) নামক প্রকল্পে অর্থায়ন করছে হংকংয়ের দ্বাতব্য প্রতিষ্ঠান কাদেরী চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন। পল্লী এলাকার অতি দরিদ্র বিশেষ করে ভূমিহীন, দিনমজুর, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর (সমতলের নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী, শিশু-কিশোর-নারী এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী) ৫০০টি পরিবার এই প্রকল্পের অধীন। প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীদের দৈহিক কার্যক্ষমতা, চলাচলের ক্ষমতা, তাদের বসবাসের পরিবেশগত অবস্থার উন্নয়ন করা, স্কুলে অনুকূল সহায়ক ও একীভূত শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা অব্যাহত রাখা, জীবিকার সুযোগ ও প্রতিবন্ধী এবং তাদের অভিভাবকদের আয় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা, প্রতিবন্ধীদের প্রতি কমিউনিটি পর্যায়ের জনগণকে তৎপর করা এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এজন্য ফিজিওথেরাপি সেবা, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান, ইনক্লুসিভ লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট, সচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে আনন্দালয়।

দীপশিখার নির্বাহী পরিচালক জগদীশ চন্দ্র রায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দীপশিখা মূলত প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভূমিহীন, প্রান্তিক চাষি, খেটে খাওয়া ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য গড়ে উঠেছিল। এসব মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়নে মেটি স্কুল গড়ে তোলা হয়েছে। গত বছর এই এলাকার প্রতিবন্ধীদের চিকিৎসা প্রদান ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আনন্দালয় তৈরি হয়েছে। এছাড়া এখানে সেলাইসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।’
আরও পড়ুন-
বাংলাদেশের আনন্দালয় জিতলো ওবেল পুরস্কার

/জেএইচ/

সম্পর্কিত

দিনাজপুরের হত্যা মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেফতার

দিনাজপুরের হত্যা মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেফতার

ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা, আহত ৪

ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা, আহত ৪

ধানক্ষেতে ‘রহস্যজনক’ পায়ের ছাপ: অবশেষে সেই প্রাণী উদ্ধার

ধানক্ষেতে ‘রহস্যজনক’ পায়ের ছাপ: অবশেষে সেই প্রাণী উদ্ধার

নির্যাতনে অচেতন বাংলাদেশি কিশোরকে ‘মৃত’ ভেবে ফেলে গেলো বিএসএফ

নির্যাতনে অচেতন বাংলাদেশি কিশোরকে ‘মৃত’ ভেবে ফেলে গেলো বিএসএফ

বরের বয়স ৯২, কনের ৮২

বরের বয়স ৯২, কনের ৮২

আদালত চত্বরে বাদীপক্ষের নারী-শিশুদের মারধর

আদালত চত্বরে বাদীপক্ষের নারী-শিশুদের মারধর

৬ বছর আগে মারা যাওয়া ব্যক্তির নামে মামলা!

৬ বছর আগে মারা যাওয়া ব্যক্তির নামে মামলা!

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

সৈয়দপুর পৌর নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় আ.লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি মামলা

সৈয়দপুর পৌর নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় আ.লীগ-জাপার পাল্টাপাল্টি মামলা

সর্বশেষ

৩ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহতের খবরে ক্যাম্পে স্বস্তি, মিষ্টি বিতরণ 

৩ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহতের খবরে ক্যাম্পে স্বস্তি, মিষ্টি বিতরণ 

পিলখানা হত্যা দিবস আজ

পিলখানা হত্যা দিবস আজ

সাত শর্তে বাড়িতেই দুই বোনের দুই বছরের সাজা

সাত শর্তে বাড়িতেই দুই বোনের দুই বছরের সাজা

করোনাকালে বাংলাদেশের পাশে থাকায় ৬ এয়ারলাইন্সকে সম্মাননা

করোনাকালে বাংলাদেশের পাশে থাকায় ৬ এয়ারলাইন্সকে সম্মাননা

গোপালগঞ্জে সমাহিত খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ

গোপালগঞ্জে সমাহিত খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ

অক্ষরে লেখা প্রথম দিন

অক্ষরে লেখা প্রথম দিন

যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদন পেতে যাচ্ছে জনসন অ্যান্ড জনসনের এক ডোজের টিকা

যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদন পেতে যাচ্ছে জনসন অ্যান্ড জনসনের এক ডোজের টিকা

মাদকাসক্ত শিশু-কিশোরদের শনাক্তে মাঠে নেমেছে ডিএমপি

মাদকাসক্ত শিশু-কিশোরদের শনাক্তে মাঠে নেমেছে ডিএমপি

বেগমগঞ্জে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি: আটক দুজন জেল হাজতে 

বেগমগঞ্জে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি: আটক দুজন জেল হাজতে 

চবি ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে যুবক আটক

চবি ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে যুবক আটক

ভিকারুননিসাকে সতর্কতামূলক ৭ নির্দেশনা প্রতিযোগিতা কমিশনের

ভিকারুননিসাকে সতর্কতামূলক ৭ নির্দেশনা প্রতিযোগিতা কমিশনের

‘আহমদ শরীফের মাঝে সত্য বলার ক্ষমতা ছিল প্রবল’

জন্মশত বার্ষিকী অনুষ্ঠানে বক্তারা‘আহমদ শরীফের মাঝে সত্য বলার ক্ষমতা ছিল প্রবল’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

কক্সবাজার সৈকতে মানুষের ঢেউ: রুম নেই, রাত কাটছে বালিয়াড়িতে

ট্রাভেল এজেন্টদের জন্য এমিরেটসের সরাসরি বুকিং প্ল্যাটফর্ম

ট্রাভেল এজেন্টদের জন্য এমিরেটসের সরাসরি বুকিং প্ল্যাটফর্ম

ঘুরে আসুন জলদুর্গ ইদ্রাকপুর থেকে

ঘুরে আসুন জলদুর্গ ইদ্রাকপুর থেকে

গোলাপ গ্রামে এক বিকেল

গোলাপ গ্রামে এক বিকেল

কাপ্তাই হ্রদের বুকে সাদা শাপলার রাজ্য

কাপ্তাই হ্রদের বুকে সাদা শাপলার রাজ্য

বুদবুদি ছড়ায় অবারিত বিস্ময়

ট্রাভেলগবুদবুদি ছড়ায় অবারিত বিস্ময়

রাঙামাটির পাহাড়ের সৌন্দর্যে পর্যটকদের ভিড়

রাঙামাটির পাহাড়ের সৌন্দর্যে পর্যটকদের ভিড়

কক্সবাজার সৈকতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য

কক্সবাজার সৈকতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য

সৈকতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য উন্মুক্ত হচ্ছে বিজয় দিবসে

সৈকতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য উন্মুক্ত হচ্ছে বিজয় দিবসে


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.