X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

মাইক্রোগ্রিন মেটাবে সবুজের চাহিদা, আয়ের হাতছানিও আছে

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭:০৬

আবাদি জমি খালি না রাখা ও শহুরে কৃষিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে সরকারের তরফ থেকে। আর এই যাত্রাকে অবারিত করতে বসে নেই কৃষি প্রযুক্তিও। নিত্যনতুন ধারণায় স্মার্ট হচ্ছে চাষবাস। তেমনি এক স্মার্ট কৃষির নাম মাইক্রোগ্রিন। দেখতে সাধারণ হলেও এর মাধ্যমেই কিন্তু শহরের সৌখিন চাষীরা পূরণ করে নিতে পারেন তাদের পরিবারের প্রতিদিনকার সবুজ খাবার ও ভিটামিনের চাহিদা। এমনকি এর জন্য নিজের বাড়ির ছাদ বা সরাসরি সূর্যের আলো না হলেও চলবে। দরকার শুধু এক চিলতে বারান্দা।

মাইক্রোগ্রিন মেটাবে সবুজের চাহিদা

মাইক্রোগ্রিন কী?

মাইক্রো মানে ছোট আর গ্রিন বলতে এখানে গাছ বোঝানো হচ্ছে। মূলত ট্রে ভর্তি চারাগাছই হলো মাইক্রোগ্রিন। আর এই চারাগাছ এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ বয়সেই কাঁচা খেতে হয়। মাইক্রোগ্রিন চাষের উদ্দেশ্য কিন্তু ভরপেট খাওয়া নয়, ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করা। কেননা, সাধারণ সবজিতে যে পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া যায়, মাইক্রোগ্রিনে তারচেয়ে কয়েক গুণ বেশি পাওয়া যায়। কারো কারো মতে এ পুষ্টির পরিমাণ ৪ গুণ বেশি! পাশাপাশি এটি খাবারের স্বাদেও যোগ করে নতুনত্ব। আর এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে এটি বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কেজিতে।

মাইক্রোগ্রিনের জন্য বিশেষায়িত প্লাস্টিকের ট্রে পাওয়া যায় আন্তর্জাতিক কিছু অনলাইন বাজারে। তবে যেকোনও টব, ট্রে বা অন্য পাত্রেও চাইলে এটার চাষ করা সম্ভব। ধানের বীজতলার জন্য যেমন অল্প জায়গার প্রয়োজন হয়, তেমনি একটি পরিবারের জন্য মাইক্রোগ্রিন ফলাতে ছোট এক চিলতে বারান্দাই যথেষ্ট। এর বাইরে বীজের অঙ্কুরোদগম ও পরিচর্যা নিয়ে খানিকটা পড়াশোনা করতে হবে। এ কাজে আছে ইউটিউব। ‘হাউ টু গ্রো মাইক্রোগ্রিন’ লিখে সার্চ করলেই মিলবে শত শত টিউটোরিয়াল ভিডিও।

‘আমাদের দেশে মাইক্রোগ্রিন নিয়ে খুব বেশি প্রচারণা না হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হলো এটাকে ব্যয়বহুল মনে করা। তবে, রাজধানীতে যারা শখের চাষী তাদের অনেকেই জানালেন, বীজ কেনা ছাড়া মাইক্রোগ্রিনে খরচ বলতে আর কিছু নেই। আর সেই বীজের দাম সৌখিন চাষীদের জন্য আহামরী কিছু নয়। বরং এটা শহুরে শিশুদের জন্য এটি হতে পারে দারুণ এক সবুজ-বিনোদন। বীজ থেকে ট্রেতে ছোট ছোট চারাগাছ গজিয়ে উঠতে দেখে তারাও দেখা যাবে কৃষিতে আগ্রহী হচ্ছে।’ জানালেন রাজধানীর আদাবরের বাসিন্দা নূসরাত জাহান। শখ করে মাঝে মাঝেই ট্রেতে মাটির স্তর দিয়ে তিনি চাষ করেন মাইক্রোগ্রিন।  

অঙ্কুরোদগমের ৭-১৪ দিনের মধ্যেই খাওয়া যায় মাইক্রোগ্রিন

 

সংক্ষেপে মাইক্রোগ্রিন চাষ পদ্ধতি

সব সবজির মাইক্রোগ্রিন হয় না। মূলত যেসব সবজি বা শাক একদম চারা অবস্থায় কাঁচা খাওয়া যায় সেসবের বীজই এ কাজে ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে চাষীদের পছন্দের তালিকায় আছে সরিষা, মুলা, লেটুস, বাধাকপি, লাল শাক, গাজর, সূর্যমুখী, মেথি, বিটরুট, ব্রকোলি, মটরশুঁটি, শালগম ইত্যাদি। এগুলোর বীজ নিয়ে একটি ট্রেতে বীজতলার মতো করে একগাদা খুদে চারা তৈরি করাই হলো কাজ। এর জন্য জানতে হবে কোন বীজ কতদিনে এবং কোন প্রক্রিয়ায় অঙ্কুরিত হয়। যেমন সূর্যমুখী বা মুলার বীজকে এক রাত ভিজিয়ে রাখলে অঙ্কুরিত হয় দ্রুত। ছোট বীজগুলোকে সাবধানে ভেজানো মাটিতে ছিটিয়ে দিতে হয়।

একটি ট্রেতে দুই ইঞ্চির মতো মাটির স্তর করে সেটাকে ভালো করে ভিজিয়ে (পানি যেন না জমে) তাতে বীজ ছিটিয়ে দিতে হয় প্রথমে। তারপর তাতে মাটির আরেকটি স্তর দিয়ে বীজগুলোকে ঢেকে রেখে দেওয়া যাবে যেকোনো জায়গায়। বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার আগে আলোর প্রয়োজন হয় না। তবে অঙ্কুরিত হওয়ার পর ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে দিতে হয়। এ সময় ট্রের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ওটাকে প্লাস্টিক দিয়ে মুড়িয়ে রাখা যায়।

সাধারণত অঙ্কুরিত হওয়ার এক সপ্তাহ বা থেকে বিশ দিনের মধ্যেই খাওয়ার উপযোগী হয় মাইক্রোগ্রিন। মূলত চারায় যখন দুটি করে পাতা গজায় তখনই ওটা মাইক্রোগ্রিন। কিছু সবজি আছে এর চেয়ে বড় হলে আর কাঁচা খাওয়া যায় না।

কয়েকটি ট্রেতে কয়েক ধরনের মাইক্রোগ্রিন একসঙ্গে চাষ শুরু করলে কিছু দিন পরপরই এটি আহরণ করতে পারবেন। আবার নির্দিষ্ট মেয়াদে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হবে ট্রে। চারাগুলোর গোড়া থেকে কাচি দিয়ে কেটে সরাসরি ছড়িয়ে দিতে পারেন সালাদের বাটিতে।

চারাগাছে পানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। মাইক্রোগ্রিনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ট্রেতে পানি দেওয়া যায় নিচ দিয়ে। সরাসরি উপর থেকে পানি দেওয়া হলে তাতে বীজ সরে গিয়ে অঙ্কুরোদগম না-ও হতে পারে। এক্ষেত্রে স্প্রে করে পানি দেওয়াটাই সবচেয়ে কার্যকর।

মাইক্রোগ্রিন তৈরির জন্য বীজ সংগ্রহ করাটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। বাজারে খুচরা যেসব প্যাকেটজাত বীজ তৈরি হয় তাতে মাইক্রোগ্রিন ফলাতে গেলে বেশ খরচা পড়বে। সেক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে যারা এটি চাষ করতে চান তারা কমমূল্যে বেশি করে খোলা বীজ কিনে নিতে পারেন। বিশেষ করে লেটুস বা বাধাকপির মতো দামি মাইক্রোগ্রিম ফলাতে গেলে বীজের পাইকারি বাজারে যাওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

সরাসরি পানি না দিয়ে স্প্রে করতে হয়

 

বাণিজ্যিক চিন্তাভাবনা

ভারতে মাইক্রোগ্রিন জগতে চেনা নামটা হলো তামিলনাড়ুর বিদ্যাধরন। ছোট্ট একটি ঘরে মাইক্রোগ্রিন চাষ করে যার মাসিক আয় লাখ রুপির কাছাকাছি। তার বড় ক্রেতা হলো বড় বড় রেস্তরাঁ। বড় হোটেলগুলোর শেফরাও তার কাছ থেকে নিয়মিত নিয়ে যাচ্ছে মাইক্রোগ্রিন।

ইউরোপের পেশাদার মাইক্রোগ্রিন চাষীরাও বেশ ভালো অংকের আয় করছেন। আমাদের দেশে এর বাজার অতটা না থাকলেও কিছু বড় বড় হোটেলে এর চাহিদা আছে। তবে বাণিজ্যিক আকারে বড় পরিসরে এর চাষ করতে দরকার হবে আধুনিক প্যাকেজিং ব্যবস্থার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ‘কৃষিতে এটি নতুন। শহরের সৌখিন চাষীদের কাছে এটি সমাদৃত। তবে কিছুটা ব্যয়বহুল। এর জন্য ট্রে জাতীয় উৎপাদন সামগ্রীর প্রয়োজন হয়। যা বেশ দামী। কোনও প্রকার রাসায়নিক সার ব্যবহার না করে শুধু মাটি বা কেঁচো সার ব্যবহার করেও এ পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করতে হয়। কম জায়গায় কম উৎপাদন হয় বলে বাজারের অন্য সবজির তুলনায় এর দামও হবে বেশি। রফতানিতে এর চাহিদা রয়েছে। তবে দেশে যে পরিমাণ মাইক্রোগ্রিন তৈরি হচ্ছে তা রফতানির পর্যায়ে যায়নি। তবে একটি পরিবারের দৈনিক সবজির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব এই পদ্ধতিতে।’

তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রযুক্তি ব্যবহারে সংশ্লিষ্টদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। শহরের মানুষেরা শখের বসে এটি করেন বলে তাদের এ নিয়ে কোনও প্রণোদনা বা সহায়তার চাহিদা নেই।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এফবিসিসিআই-এর সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘আমাদের রফতানি বাণিজ্যে যেসব পণ্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে তার মধ্যে এটি একটি। বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মাইক্রোগ্রিন উৎপাদন শুরু করলে সেটি অসম্ভব কিছু নয়। বিভিন্ন দেশে এই সবজির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কারণ, এটি যাবতীয় রাসায়নিক সারমুক্ত ও সাধারণ সবজির চেয়ে বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ।’

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, ‘মাইক্রোগ্রিন সম্ভাবনাময় খাত। বিশ্ববাজারেও চাহিদা ব্যাপক। কেউ যদি বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এটি উৎপাদনে উৎসাহী হয় সরকার অবশ্যই সহযাগিতা করবে।’


/এফএ/এনএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

কলার মোচার যত গুণ

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২০

বাঙালি রসনায় বৈচিত্র্যের অভাব নেই। আর এ তালিকায় আছে কলার মোচা। শুধু অনন্য স্বাদ নয়, এর আছে দারুণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারও। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই কলার মোচা জনপ্রিয় একটি খাবার। ইংরেজিতে বলে ব্যানানা ফ্লাওয়ার তথা কলার ফুল। এতে আছে ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম।

 

ডায়েটারি ফাইবার

দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের ফাইবার সমৃদ্ধ এটি। দ্রবণীয় ফাইবার পানিতে মিশে এক ধরনের জেল তৈরি করে যা আমাদের হজমের পথ দিয়ে সহজে যেতে পারে। যাদের আইবিএস (ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম) সমস্যা আছে তাদের দ্রবণীয় ফাইবার খেতে হয় বেশি। ডায়েটে নিয়মিত এই কলার মোচা রাখলে তারা বেশ উপকার পাবেন। আবার এতে থাকা অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমাধানও করতে পারে।

 

ডায়াবেটিসেও উপকার

ডায়াবেটিসের সঙ্গে খাবারের পরীক্ষায় বাদ যায়নি কলার ফুল। সায়েন্স অব ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়। কলার মোচায় থাকা ফেনোলিক অ্যাসিড ও অন্যান্য বায়োঅ্যাকটিভ পদার্থের কারণেই এমন উপকার পাওয়া যাচ্ছে। ইঁদুরের ওপর গবেষণাতেও প্রমাণ হয়েছে বিষয়টি।

 

পিএমএস লক্ষণ

প্রি-মেনস্ট্রল এর লক্ষণগুলো কমাতেও খেতে পারেন কলার মোচা। পিএমএস সিম্পটমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- পেট ফাঁপা, হজমে সমস্যা, মুড সুইং ও বিষণ্নতা।

 

অ্যান্টি-ডিপ্রেশেন্ট

কলার মোচায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডিপ্রেশেন্টের কাজ করে।

 

ক্যান্সার, হৃদরোগ ও নিউরাল ডিজঅর্ডার

কলার মোচায় থাকা ফেনোলিক অ্যাসিড, ট্যানিন, ফ্লেভানয়েড ও নানা ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি-র‌্যাডিকেল ধ্বংস করে। এতে ক্যান্সার প্রতিরোধের পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডও থাকে ঝুঁকিমুক্ত। পাশাপাশি আলঝেইমার্স ও পারকিনসনসের মতো রোগের আশঙ্কাও কমে।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৪

ফ্যাশনপ্রেমীরা এখন ঝুঁকছেন ট্রেন্ডি ফ্যাশনের দিকে। আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ তা দিচ্ছে পোশাকের ক্যানভাসে। ট্রেন্ডি, ক্যাজুয়াল, এক্সোটিক, ভাইব্রেন্ট, স্ট্রিট ও এলিগ্যান্ট রেডি টু ওয়্যার নতুন উইমেন কালেকশন এবারও আইকনিকের ঘরে। স্টোরে তাই চলতি ফ্যাশনের সবই থাকছে রঙ এবং প্যাটার্ন ভিন্নতায়। তবে এবার থাকছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এফ কমার্স উদ্যোক্তা ও ডিজাইনারদের নিয়ে চালু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘এম গার্লস’। ইন্টার‌অ্যাকটিভ এই সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে থাকবে ১০০ নারী উদ্যোক্তার সর্বশেষ ফ্যাশন ট্রেন্ডের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরির প্রয়াস।

আইকনিকের উদ্যোক্তা তাসলিমা মলি জানান, ‘ট্র্যাডিশনাল ও পাশ্চাত্য পোশাকে নিজেদের অভিজাত লুকটাকে তুলে ধরতে উজ্জ্বল রঙের পোশাকের নতুন সংগ্রহ প্রতিমাসেই থাকছে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ-এ। মূলত পণ্যের ডিজিটাল উপস্থাপনা, প্রতি মাসে ফটোশ্যুট- এসব করা হবে।

নতুন নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বিপণনের সুবিধাও থাকবে। উল্লেখ্য, আগামী ১ ও ২ অক্টোবর থেকে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ-এর যমুনা ফিউচার পার্ক স্টোরে চালু হবে এই আয়োজনের প্রথম কার্যক্রম। ডিজাইনার শোকেসিং, বিক্রির পাশাপাশি থাকবে বিউটি টিপস, স্টাইল গাইডলাইনসহ ফ্যাশন সংশ্লিষ্ট আয়োজন।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০০

একটি প্রাণবন্ত হাসিখুশি ত্বক আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। তবে প্রায়ই অযত্নের কারণে ত্বক হারিয়ে ফেলে সজীবতা। ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুটা সময় বের করে ত্বকের যত্ন নিতে গেলে নিচের কাজগুলো আপনাকে করতেই হবে।

 

ত্বক পরিষ্কার রাখুন

সঠিক পিএইচ-যুক্ত সাবান দিয়ে ত্বক প্রতিদিন পরিষ্কার করুন ও ত্বকে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। এতে ত্বক যথেষ্ট পুষ্টি পাবে এবং স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও তৈলাক্ততা বজায় থাকবে। ত্বক থাকবে কোমল ও সুস্থ।

 

পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার

বলা হয়, আপনি যা খাবেন, সেটারই ছাপ দেখা যাবে ত্বকে। অর্থাৎ যতবেশি পুষ্টিকর খাবার খাবেন ত্বকও তত উজ্জ্বলতা ছড়াবে। দৈনন্দিন রুটিনে ফল এবং শাকসবজি বেশি রাখুন। ত্বকের স্বার্থে হলেও এড়িয়ে চলুন তেলজাতীয় খাবার।

 

পর্যাপ্ত পানি

ত্বকের সুস্থতার জন্য ত্বকের কোষে পানি থাকা চাই। আর এ জন্য পানি পানের বিকল্প নেই। পর্যাপ্ত পানি আমাদের শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। যা ত্বকেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে ব্রণ বা ত্বকে সংক্রমণও কম হয়।

 

হাসিখুশি থাকুন

আমাদের মানসিক অবস্থা সরাসরি শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে। স্বাভাবিক হাসি ত্বকের রক্তচলাচল বাড়ায়। এতে ত্বক আরও বেশি অক্সিজেন ও পুষ্টি পায়। তাই ত্বকের সৌন্দর্যে হাসুন কারণে-অকারণে।

 

হালকা ব্যায়াম না করলেই নয়

যখন আমরা নড়াচড়া একটু বেশি করি তখন আমাদের শরীরে এনডোরফিন হরমোন উৎপন্ন হয় বেশি। এটি সুখের অনুভূতি দেয়। যার ছাপ পড়ে ত্বকেও। ত্বকের যত্ন নিতে চাইলে তাই হালকা ব্যায়াম চালিয়ে যান।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০১

উপমহাদেশের কিছু রেসিপিতে নারিকেল তেল না হলে চলেই না। আমাদের দেশেও অনেক অঞ্চলে নারিকেলের মালাইকারির কদর অনেক। যদি নিজেই নারিকেল থেকে তেলটা বের করে নিতে পারেন, তবে তো কথাই নেই। আর রান্নায় যেহেতু চুলে মাখার তেল ব্যবহার করা যাচ্ছে না, তাই নিরাপত্তার খাতিরে নিজেই বানিয়ে ফেলুন।

 

যেভাবে বানাবেন নারিকেল তেল

  • নারিকেল কোরানো ঝামেলার কাজ মনে হলে আছে বিকল্প। দুভাগ করা নারিকেলটাকে ওভেনে মিনিট পাঁচেক মাইক্রোওয়েভ করুন। এতে খোল থেকে নারিকেল আলাদা করাটা সহজ হয়ে যাবে।
  • নারিকেলগুলোকে ছোট টুকরো করে কাটুন। তারপর সামান্য পানি মিশিয়ে কয়েক ব্যাচে ব্লেন্ড করুন। প্রতিবারে অন্তত ২ মিনিট করে ব্লেন্ড করুন। এতে নারিকেল দুধ তৈরি হবে।
  • পাল্পটা ছেঁকে তরল অংশটুকু একটি পাত্রে নিন। অল্প আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন।
  • কিছুক্ষণ পর তরলের মধ্যে নারিকেলগুলো দলা পাকানো শুরু করবে। এটা স্বাভাবিক। ধীরে ধীরে আরও দলা পাকিয়ে আসবে। অল্প আঁচে জ্বলতে থাকুক চুলা।
  • এক পর্যায়ে দেখবেন নারিকেল থেকে তেল আলাদা হতে শুরু করেছে। প্রায় এক ঘণ্টা পর সম্পূর্ণ তেলটাই আলাদা হবে। এরপর চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হওয়ার পর সহজেই তেলটা ছেঁকে নিতে পারবেন।

 

নারিকেল তেলের স্বাস্থ্য উপকার

পরিমিত মাত্রায় নারিকেল তেল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শরীরে ভালো কোলেস্টেরলও বাড়ায় এটি। নারিকেল তেল হজমেও সহায়ক। আবার মুখগহ্বরের যত্নে নারিকেল মাউথওয়াশের কাজও করে।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৭

আসছে মটরশুঁটির মৌসুম। শীতের শস্য হিসেবে এর তুলনাই হয় না। আছে ভিটামিন এ, বি, সি, ই ও জিংক। ডায়াবেটিসসহ আরও অনেক রোগের জন্যই এটি উপকারী। এসব কারণে মৌসুম এলে মটরশুঁটি চলেও বেশ। আর সেটার সুযোগ নেয় অসাধুরা। তাই কারও কাছ থেকে বেশি পরিমাণে কেনার আগে কিংবা কেনার পর খাওয়ার আগে পরীক্ষা করে দেখে নিন, চকচকে সবুজ রঙটা প্রাকৃতিক নাকি রাসায়নিক?

 

যেভাবে পরীক্ষা করবেন

একটি স্বচ্ছ গ্লাসে পরিষ্কার পানি নিন। তাতে কিছু মটরশুঁটি রাখুন। অনেক নকল রঙ সঙ্গে সঙ্গে ঘষলেই কিন্তু বের হবে না। তাই অপেক্ষা করুন অন্তত আধা ঘণ্টা। রঙ নকল হলে দেখবেন পানি সবুজাভ হয়ে গেছে। আসল মটরশুঁটি হলে এমনটা কখনই হবে না।মটর

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

তেল-চর্বি বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

তেল-চর্বি বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

খাবার দীর্ঘদিন ভালো রাখার ৫ উপায়

খাবার দীর্ঘদিন ভালো রাখার ৫ উপায়

ঢাকা রিজেন্সিতে পর্যটন উৎসবে যত অফার

ঢাকা রিজেন্সিতে পর্যটন উৎসবে যত অফার

দুশ্চিন্তা কতভাবে শরীরের ক্ষতি করে?

দুশ্চিন্তা কতভাবে শরীরের ক্ষতি করে?

ভাতে আছে বিপদ, বিষমুক্ত করবেন যেভাবে

ভাতে আছে বিপদ, বিষমুক্ত করবেন যেভাবে

সর্বশেষ

‘আজ নারিনের বদলে সাকিবকে নেওয়া জরুরি ছিল’

‘আজ নারিনের বদলে সাকিবকে নেওয়া জরুরি ছিল’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বের সুবিধাগুলো নিতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বের সুবিধাগুলো নিতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

দেশে বিরাজনীতিকরণ চলছে: জিএম কাদের

দেশে বিরাজনীতিকরণ চলছে: জিএম কাদের

পরিবহন ফি নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

পরিবহন ফি নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে অফিসার পদে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে অফিসার পদে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

© 2021 Bangla Tribune