X
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

সেকশনস

রাবি ক্যাম্পাসে উড়ো চিঠি দেয় কারা?

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:৩৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষককে উড়ো চিঠি দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মু. আলী আসগর নিজের নিরাপত্তা চেয়ে মতিহার থানায় সাধারণ ডারেরি (জিডি) করেছেন। এর আগে এক মাসের মধ্যে দুটি উড়ো চিঠি ক্যাম্পাসে প্রচার করা হয়, যেখানে উপাচার্য ও তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা কথা লেখা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি বলছে, তারা উড়ো চিঠির বিষয়টি অবগত নন। প্রশ্ন উঠেছে, ক্যাম্পাসে উড়োচিঠি কারা ছড়ায়? কেন ছড়ায়?

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপকদের সন্দেহ, উড়ো চিঠির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই জড়িত। সাধারণত কারও চরিত্র হননের চেষ্টা থেকে উড়োচিঠি দেওয়া হয়। এসব উড়োচিঠির কোনও ভিত্তি নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭-৮ বছর আগে থেকে উড়ো চিঠির সংস্কৃতি চালু হয়েছে। শুরুর দিকে এর সংখ্যা খুবই কম ছিল। তবে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান দ্বিতীয় মেয়াদে উপচার্য হওয়ার পর উড়ো চিঠির সংখ্যা বেড়েছে। প্রায় সবগুলো চিঠিই আওয়ামীপন্থী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সদস্যদের বিরুদ্ধে লেখা। গত দুই বছরে অন্তত ৮-১০টি বেনামি চিঠি ডাকযোগে সাংবাদিক সংগঠনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষকের কাছে পাঠানো হয়েছে। অধিকাংশ চিঠিতে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানসহ বর্তমান প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে লেখা।

সর্বশেষ গত দুই মাসে মধ্যে তিনটি উড়ো চিঠি ক্যাম্পাসে প্রচার করা হয়। যার মধ্যে দুটিতে উপাচার্য ও তার ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিষোদগার ছিল। সর্বশেষ উড়ো চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। যাদের অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করছে।

নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে ক্যাম্পাসে একটি উড়ো চিঠি প্রচার করা হয়। যেখানে উল্লেখ করা হয়, নতুন নীতিমালায় নিয়োগ পাওয়া ৪৩ শিক্ষককে উপাচার্য তার বাসভবনে ডেকে পাঠান। শিক্ষকদের তার পক্ষের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের তাগাদা দেন। উপাচার্য কয়েকজন সিনিয়র অধ্যাপকের নাম উল্লেখ করে তাদের কর্মসূচিতে আসার কারণ জানান। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কলা অনুষদের দুটি বিভাগের (ইতিহাস ও দর্শন) দুজন সিনিয়র শিক্ষক ও একজন হল প্রাধ্যক্ষের নাম উল্লেখ করে উপাচার্য বলেছেন, তারা কর্মসূচিতে আসেন তাদের নিকট আত্মীয়দের চাকরির জন্য। এছাড়া নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা জিম্মি হয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রচার করা অপর একটি উড়ো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে উপাচার্য নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। এছাড়া আইবিএসসিতে এক নিয়োগ প্রত্যাশীর কাছ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের এক শিক্ষক ৩৫ লাখ টাকা নিয়েছেন বলেও চিঠিতে দাবি করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ‘অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের মুখপাত্র ও ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি সুলতান উল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা যারা উপাচার্যের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে উড়ো চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। চিঠির ভাষা দেখে মনে হচ্ছে উপাচার্যের কোনও শুভাকাঙ্ক্ষী বা তার কাছে কোনও কিছু প্রত্যাশী কেউ এ উড়োচিঠি লিখেছেন।

উপাচার্য ও তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে উড়ো চিঠি ক্যাম্পাসে প্রচারের বিষয়ে সুলতান-উল ইসলাম বলেন, আমি সরাসরি ওই চিঠি পাইনি, তবে অন্যদের কাছে দেখেছি। চিঠিতে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে তার অধিকাংশই সত্য। তবে একইসঙ্গে ওই চিঠিতে বিভিন্ন শিক্ষকের নামে উল্টোপাল্টা লিখেছে, যা কোনোভাবে কাম্য নয়। যখনই নির্বাচন আসে, শিক্ষক নিয়োগের বোর্ড বসে, তখন এ ধরনের চিঠির প্রবণতা বাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কোনও গ্রুপ আছে, যারা প্রশাসন ও আমাদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সৎ সাহস আছে। তারা প্রকাশ্যে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন করে সবার সামনে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে। তারা কখনও উড়ো চিঠিতে বিশ্বাসী নয় বলেও জানান এ অধ্যাপক।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক রবিউল ইসলাম বলেন, এটা স্বাভাবিক, যদি সুলতান-উল-ইসলাম টিপুদের নামে কোনও চিঠি এসে থাকে, তবে তারা দাবি করবেন উপচার্যের পক্ষে যারা আছেন তারা এটি করছেন। আবার উপাচার্য ও তার ঘনিষ্ঠরাও মনে করবেন তাদের বিরুদ্ধে উপাচার্যের বিরোধীরা এটি করছেন। তবে আমি মনে করি, কিছু সুবিধাভোগী শিক্ষক, যারা আমাদের দলের (প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ) সদস্য কিন্তু দলের আদর্শ ধারণ করেন না, তারাই এ কাজ করছেন। তারা দলের মধ্যে ফাটল ধরিয়ে পারস্পরিক অনৈক্য, শ্রদ্ধাবোধহীনতা তৈরি করতে চান। এটি খুবই নিচু মন-মানসিকতার পরিচায়ক বলেও মনে করেন উপাচার্যপন্থী এ শিক্ষক।

ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক ও প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সদস্য অধ্যাপক মলয় ভৌমিক বলছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উড়ো চিঠির সংস্কৃতি ৭-৮ বছর থেকে শুরু। এর আগে এমনটা ছিল না। এসব উড়ো চিঠির সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি অনেক শিক্ষকও জড়িত। কারও চরিত্র হননের জন্য বেনামি উড়ো চিঠি দেওয়া হয়। এটি নোংরা মন-মানসিকতার পরিচায়ক। যাদের কোনও কাজ নেই, ইতিবাচক কিছু দেখে না, তারাই এমন কাজ করে বেড়ায়। এসব চিঠির কোনও ভিত্তি নেই।

আওয়ামীপন্থী শিক্ষক ও সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আশরাফুল আলম খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে উড়ো চিঠির ঘটনা নতুন নয়। বেশ কয়েক বছর যাবৎ এটি চলছে। গুটিকয়েক শিক্ষক এর সঙ্গে জড়িত। যেহেতু এটি একটি হীনকাজ, এর সঙ্গে কারা জড়িত আমরা ধারণা করতে পারি। তাই কোথায় থেকে এসব উড়ো চিঠি আসছে বা কারা দিচ্ছে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দেশের প্রথম শ্রেণির নাগরিক উল্লেখ করে শিক্ষক সমিতির এ নেতা বলেন, তাদের কাছ থেকে আমরা এমনটা প্রত্যাশা করি না।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, কেউ উড়ো চিঠির বিষয়ে অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি। বিভিন্ন সূত্রে জানার পর আমি গোয়েন্দা সংস্থাকে অবহিত করেছি। তারা দেখছেন বিষয়টি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। উপাচার্যের বক্তব্যের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি বলে জানান।

/টিএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মাস্ক ব্যবহারে সরকারের ৮ নির্দেশনা

মাস্ক ব্যবহারে সরকারের ৮ নির্দেশনা

কর অব্যাহতি চায় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন

কর অব্যাহতি চায় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন

মানবপাচারকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

মানবপাচারকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

কৃষিতে বাংলাদেশের সহায়তা চায় জাম্বিয়া

কৃষিতে বাংলাদেশের সহায়তা চায় জাম্বিয়া

রংপুরে দুই কোটি টাকার জাল ব্যান্ডরোলসহ আটক ২

রংপুরে দুই কোটি টাকার জাল ব্যান্ডরোলসহ আটক ২

বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ কর দিতে হয় বাংলাদেশে

বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ কর দিতে হয় বাংলাদেশে

লাইসেন্স পেলো এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স

লাইসেন্স পেলো এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স

পরিদর্শনে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

পরিদর্শনে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কারও থুতনিতে, কেউবা নিশ্বাস নিতে খুলছেন মাস্ক

কারও থুতনিতে, কেউবা নিশ্বাস নিতে খুলছেন মাস্ক

উসামার নির্দেশেই সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনা!

উসামার নির্দেশেই সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনা!

৮ দিন পর থেকেই পাড়া যাবে রাজশাহীর আম

৮ দিন পর থেকেই পাড়া যাবে রাজশাহীর আম

জনগণের পাশে থাকাই এখন আ.লীগের রাজনীতি: তথ্যমন্ত্রী

জনগণের পাশে থাকাই এখন আ.লীগের রাজনীতি: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ

কুখ্যাত সন্ত্রাসী গালকাটা রাজন ও চায়না বাবুল গ্রেফতার

কুখ্যাত সন্ত্রাসী গালকাটা রাজন ও চায়না বাবুল গ্রেফতার

মাস্ক ব্যবহারে সরকারের ৮ নির্দেশনা

মাস্ক ব্যবহারে সরকারের ৮ নির্দেশনা

মিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে ২০ কেজি রসগোল্লাসহ গ্রেফতার ২

উত্তরপ্রদেশমিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে ২০ কেজি রসগোল্লাসহ গ্রেফতার ২

অসচ্ছল ও দুস্থ শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেছে র‌্যাব-৪

অসচ্ছল ও দুস্থ শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেছে র‌্যাব-৪

কর অব্যাহতি চায় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন

কর অব্যাহতি চায় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন

রেসিপি : ইফতারে স্বাস্থ্যকর মসলা কর্ন

রেসিপি : ইফতারে স্বাস্থ্যকর মসলা কর্ন

ফ্রান্সের সীমানা সাড়ে ৭ ফুট কমিয়ে দিলেন এক চাষী!

ফ্রান্সের সীমানা সাড়ে ৭ ফুট কমিয়ে দিলেন এক চাষী!

রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে রোজাদার কিশোরীকে ধর্ষণ

রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে রোজাদার কিশোরীকে ধর্ষণ

মানবপাচারকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

মানবপাচারকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

২০৩০ সালে শেষ হবে গ্যাস, বাংলাদেশ তৈরি তো?

২০৩০ সালে শেষ হবে গ্যাস, বাংলাদেশ তৈরি তো?

কৃষিতে বাংলাদেশের সহায়তা চায় জাম্বিয়া

কৃষিতে বাংলাদেশের সহায়তা চায় জাম্বিয়া

ধর্ষণের শিকার ৫১ বছরের প্রতিবন্ধী নারী, যুবক গ্রেফতার

ধর্ষণের শিকার ৫১ বছরের প্রতিবন্ধী নারী, যুবক গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

১৭ মে খুলছে না ঢাবির হল

১৭ মে খুলছে না ঢাবির হল

জাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১ জুন

জাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১ জুন

দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় এখন সংকটের মধ্যে: বাদশা

দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় এখন সংকটের মধ্যে: বাদশা

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৪ জুন

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৪ জুন

দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি: রাবি শিক্ষককে ছয় বছর অব্যাহতির সুপারিশ

দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি: রাবি শিক্ষককে ছয় বছর অব্যাহতির সুপারিশ

সড়ক দুর্ঘটনায় জাবি শিক্ষার্থী নিহত

সড়ক দুর্ঘটনায় জাবি শিক্ষার্থী নিহত

রাবিতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের স্টিয়ারিং কমিটির নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ

রাবিতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের স্টিয়ারিং কমিটির নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ

জাবি-ইবিতে অসন্তোষ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন স্থগিত

জাবি-ইবিতে অসন্তোষ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন স্থগিত

© 2021 Bangla Tribune